ফ্রেডরিক জেমস হালিডে

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
স্যার ফ্রেডরিক জেমস হালিডে

স্যার ফ্রেডরিক জেমস হালিডে কেজিবি (২৫শে ডিসেম্বর ১৮০৬-২২শে অক্টোবর ১৯০১) ছিলেন একজন ব্রিটিশ সরকারি কর্মকর্তা ও বাংলার প্রথম লেফট্যানান্ট-গভর্নর।

ফ্রেডরিক জেমস হালিডে ২৫শে ডিসেম্বর ১৮০৬ সালে সুরের এওয়েলে জন্মগ্রহন করেন। অক্সফোর্ড ডিকসনারি অফ ন্যাশনাল বায়োগ্রাফি গ্রন্থ অনুসারে তিনি রাগবি স্কুলে লেখাপড়া করেন। যাইহোক ১৯০১ সালের একটি প্রকাশনা অনুসারে, যদিও তিনি ১৮১৪ সালে রাগবি স্কুলে গিয়েছিলেন[১] কিন্তু তিনি ১৮১৫ সালে লন্ডনের সেন্ট পল’স স্কুলে ভর্তি হন ও সেখানে তিনি সাত বছর কাটান। সেক্ষেত্রে তাকে সেন্ট পলের ছাত্র হিসেবে বলা যেতে পারে।[২] এছাড়া সেন্ট পলের ইতিহাসবিদ মাইকেল ম্যাকডুনেল বলেন জন স্লিথ নামে একজন প্রধান শিক্ষকের জন্য তিনি রাগবি স্কুলে ভর্তি হন এবং স্লিথ বদলি হয়ে সেন্ট পলে চলে আসলে হালিডেও সেন্ট পলে চলে আসেন।[৩] ১৮২৪ সালে বাংলার সিভিল সার্ভেন হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি হ্যালিবেরির ইস্ট ইন্ডিয়া কলেজে অধ্যয়ন করেন।[১] পরবর্তীতে তিনি কলকাতার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে যোগ দেন, সেখানে তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ছাত্র ছিলেন।[৪] সরকারি কর্মকতা হিসেবে তার প্রথম অফিস ছিল সুপ্রীম কোর্টের সহকারী হিসেবে যোগদান ১৮২৫ সালে।[১]

১৮৩৬ সালে তিনি বোর্ড অফ রেভিনিউর সচিব হিসেবে মনোনীত হন ও ১৮৪৯ সালে ভারত সরকারের স্বরাষ্ট্রসচিব হিসেবে যোগদান করেন। জুলাই ১৮৫২ থেকে নভেম্বর ১৮৫৩ সাল পর্যন্ত তিনি ইংল্যান্ডে ছুটি কাটান যদিও এই সময়ে তাকে মাঝে মাঝেই সংসদে তথ্য সরবরাহের জন্য ভারতে আসতে হত।[১]

পরবর্তী জীবন[সম্পাদনা]

১৮৬০ সালে তিনি নাইট কমান্ডার অফ দ্য অর্ডার অফ দ্য বাথ উপাধিতে ভূষিত হন। তিনি ভারতের কাউন্সিলের সদস্য হিসেবে ১৮৬৮ থেকে ১৮৮৬ সাল পর্যন্ত কাজ করেন।[১]

হালিডের সঙ্গীতের প্রতি মারাত্বক ঝোক ছিলো। তিনি এলিজা বারবারা ম্যাকগ্রেগর নামে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক অফিসারের মেয়েকে বিয়ে করেন ২৫শে ডিসেম্বর ১৮৩৪ সালে। তার স্ত্রী ১৮৮৬ সালে তার পূর্বেই মৃত্যুবরণ করেন। তাদের কয়েকটি সন্তান রয়েছে[১] যাদের মধ্যে জর্জ থমাস হালিডে পরবর্তীতে বেঙ্গল ক্যাভলরির লেফট্যানান্ট-জেনারেল হন।[১][৫]

তিনি ৯৫ বছর বয়সে ২২শে অক্টোবর ১৯০১ সালে মৃত্যুবরণ করেন ও তাকে লন্ডনের ব্রোমটন সমাধিতে সমাধিস্থ করা হয়।[১]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ ১.৪ ১.৫ ১.৬ ১.৭ "Halliday, Sir Frederick James (1806–1901), administrator in India"। Oxford Dictionary of National Biography (online সংস্করণ)। Oxford University Pressডিওআই:10.1093/ref:odnb/33660  (subscription or UK public library membership required)[[বিষয়শ্রেণী:]]
  2. Minchin, James George Cotton (1901)। Our Public Schools, Their Influence on English History। London: S. Sonnenschein & Co। পৃ: 271–272। সংগৃহীত 2012-05-14 
  3. McDonnell, Michael Francis Joseph (1909)। A History of St. Paul's School। London: Chapman & Hall। পৃ: 379, 395। সংগৃহীত 2012-05-14 
  4. Haldar, Gopal. (1998) [1982]। "I. C. Vidyasagar: Realist and Humanist"। in Bishop, Donald H.। Thinkers Of The Indian Renaissance (Second সংস্করণ)। New Delhi: New Age International। পৃ: 81। আইএসবিএন 978-81-224-1122-5। সংগৃহীত 2012-05-14 
  5. Rao, C. Hayavadana (1915)। Indian Biographical Dictionary। Madras: Pillar & Co। পৃ: 174। 

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

সরকারি অফিস
পূর্বসূরী
নাই
বাংলার লেফট্যানান্ট গভর্নর
১৮৫৪–১৮৫৯


উত্তরসূরী
স্যার জন পিটার গ্রেন্ট