ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিং
ফিফা ওয়ার্ল্ড র্যাংকিং (ইংরেজি: FIFA World Ranking) হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যেখানে পুরুষদের জাতীয় ফুটবল দলগুলোকে একত্রিত করে মূল্যায়ণের মাধ্যমে স্থান নির্ধারণ করা হয়। ফিফা.কম-এ প্রকাশিত ৪ জুলাই, ২০১২ তারিখের সর্বশেষ র্যাংকিংয়ে ২০১০ সালের বিশ্বকাপ জয়ী স্পেন শীর্ষস্থান দখল করে আছে।[১] বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা হিসেবে রয়েছে ফিফা। সদস্যভূক্ত দেশগুলোর অবস্থানকে উল্লেখযোগ্য ফলাফলের মাধ্যমে সর্বাপেক্ষা সফলতম দলকে শীর্ষস্থানে উপবিষ্ট করা হয়। র্যাংকিং পদ্ধতিটি ডিসেম্বর, ১৯৯২ সালে ফিফা কর্তৃক প্রবর্তন করা হয়। র্যাংকিংয়ের শীর্ষে ৭টি দল - আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ফ্রান্স, জার্মানী, ইটালী, স্পেন এবং নেদারল্যান্ড দখলে রেখেছে। তন্মধ্যে ব্রাজিলের জাতীয় ফুটবল দলটিই সবচেয়ে বেশী সময় ধরে এ অবস্থানে ছিল।
পয়েন্ট পদ্ধতিতে ফিফা সদস্যভূক্ত সকল দেশের মধ্যেকার পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার ফলাফলকে মূল্যায়ণ করা হয়। ব্যবহৃত পদ্ধতিতে একটি দলের গত চার বছরের ফলাফলসহ সর্বশেষ ফলাফলকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মূল্যায়ণের মাধ্যমে বর্তমানের র্যাংকিংয়ে প্রতিফলন ঘটানো হয়।
| অবস্থান | দেশের নাম | বর্তমান পয়েন্ট | সাবেক অবস্থান | +/− | সংস্থা | |
| ১ | ১৬৯১ | ১ | ইউইএফএ | |||
| ২ | ১৫০২ | ৩ | ইউইএফএ | |||
| ৩ | ১২৯৭ | ২ | কনমেবোল | |||
| ৪ | ১২৯৪ | ৬ | ইউইএফএ | |||
| ৫ | ১২১৩ | ১০ | ইউইএফএ | |||
| ৬ | ১১৯২ | ১২ | ইউইএফএ | |||
| ৭ | ১০৯৫ | ৭ | কনমেবোল | |||
| ৮ | ১০৭৯ | ৪ | ইউইএফএ | |||
| ৯ | ১০৫০ | ৮ | ইউইএফএ | |||
| ১০ | ১০১৭ | ৯ | ইউইএফএ | |||
| ১১ | ১০১২ | ৫ | কনমেবোল | |||
| ১২ | ১০০৩ | ১৫ | ইউইএফএ | |||
| ১৩ | ৯৮১ | ১৩ | ইউইএফএ | |||
| ১৪ | ৯৮০ | ১৪ | ইউইএফএ | |||
| ১৫ | ৯৬১ | ১১ | কনমেবোল | |||
| ১৬ | ৯৩৯ | ১৬ | সিএএফ | |||
| ১৭ | ৯০৯ | ১৭ | ইউইএফএ | |||
| ১৮ | ৮৫৪ | ২৭ | ইউইএফএ | |||
| ১৯ | ৮৩২ | ১৯ | কনকাকাফ | |||
| ২০ | ৮২৯ | ২৩ | এএফসি | |||
| ২১ | ৮২৮ | ২১ | ইউইএফএ | |||
| ২২ | ৮১৪ | ২০ | কনমেবোল | |||
| ২৩ | ৮০৭ | ২৪ | এএফসি | |||
| ২৪ | ৭৮০ | ২৬ | ইউইএফএ | |||
| ২৫ | ৭৭২ | ২২ | কনমেবোল | |||
| ২৬ | ৭৬২ | ১৮ | ইউইএফএ | |||
| ২৭ | ৭৫২ | ৩৬ | কনমেবোল | |||
| ২৮ | ৭৪০ | ৩৫ | এএফসি | |||
| ২৯ | ৭৩৫ | ৩৩ | ইউইএফএ | |||
| ৩০ | ৭২৯ | ২৯ | ইউইএফএ | |||
|
সর্বশেষ হালনাগাদকরণঃ ৬ জুলাই, ২০১২ইং[১] |
||||||
পরিচ্ছেদসমূহ |
ইতিহাস[সম্পাদনা]
ডিসেম্বর, ১৯৯২ সালে ফিফা তার সদস্যভূক্ত দেশগুলোর দলের শক্তিমত্তা নিয়ে প্রথমবারের মতো র্যাংকিং পদ্ধতি প্রকাশ করে। পরবর্তী বছরের আগস্ট থেকে প্রতি মাসেই এই তালিকা আরো নিখুঁতভাবে প্রকাশ করতে থাকে।[২] জানুয়ারী, ১৯৯৯ সালে র্যাংকিং পদ্ধতির মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটে। জুলাই, ২০০৬ সালে পুণরায় পরিবর্তন ঘটানো হলে এ পদ্ধতির বিষয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়।[৩] র্যাংকিংয়ের ঐতিহাসিক রেকর্ডগুলো ফিফা.কমে লিপিবদ্ধ রয়েছে। এতে হিসাব-নিকাশগুলো ঐ সময়ে ব্যবহৃত তথ্য-উপাত্তের উপর ভিত্তি করে দাঁড় করানো আছে। জুলাই, ২০০৬ সালের পূর্বেকার র্যাংকিংয়ে তা প্রতিফলিত হয়নি। ফিফার সদস্য সংখ্যা ১৬৭ থেকে ২০০৮টি হয়েছে। কিন্তু একটি সদস্য রাষ্ট্র সাও টোম এণ্ড প্রিন্সিপের জাতীয় ফুটবল দলটি গত আট বছরের মধ্যে ফিফা স্বীকৃত কোন আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলায় অংশ নেয়নি। দলটি ২০০৩ সালের সর্বশেষ খেলায় ৮ - ০ গোলে লিবিয়ার জাতীয় ফুটবল দলের কাছে পরাজিত হয়েছিল।
১৯৯৯ সালের হালনাগাদকরণ[সম্পাদনা]
র্যাংকিং পদ্ধতি প্রবর্তনের সূচনালগ্নে একটি দলকে ফিফা কর্তৃক স্বীকৃত খেলায় বিজয়ী হলে ৩ পয়েন্ট এবং ড্র করলে ১ পয়েন্ট প্রদান করা হতো। কিন্তু খুব দ্রুত ফিফা কর্তৃপক্ষ অনুধাবন করলেন যে, এ ধরণের পদ্ধতির ফলে আন্তর্জাতিক খেলাগুলোয় অনেকগুলো নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। নিরপেক্ষ এবং প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা পার্থক্যের বিবেচনায় এনে পুণরায় র্যাংকিং পদ্ধতিকে হালনাগাদ করা হয়। ফলে, নিম্নলিখিত পরিবর্তনগুলো র্যাংকিং পদ্ধতিতে আনা হয়ঃ
- পয়েন্ট র্যাংকিংয়ে ১০কে ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়
- পদ্ধতির গণনা কার্যক্রমে নিচের বিষয়গুলোকে আনা হয়ঃ
- কতটি গোল হয়েছে অথবা গোল হজম করেছে
- খেলাটি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে – নিজ মাঠে না-কি প্রতিপক্ষের মাঠে
- খেলার গুরুত্ব ও উপযোগিতা কতটুকু অথবা প্রতিযোগিতামূলক কি-না
- আঞ্চলিক শক্তিমত্তা
- জয় কিংবা ড্রয়ের জন্য নির্দিষ্ট পয়েন্টের ব্যবস্থা রাখা হয়নি
- পরাজিত দলও পয়েন্ট অর্জনের যোগ্যতার দাবীদার
এ পরিবর্তনের ফলে র্যাংকিং পদ্ধতি আরো বেশী জটিলতার মুখোমুখি হয়। কিন্তু সামগ্রীকভাবে পূর্বের তুলনায় পদ্ধতিটির সঠিকতা যাচাইয়ে বেশ সহযোগিতা করেছে।
২০০৬ সালের র্যাংকিং পদ্ধতির হালনাগাদ[সম্পাদনা]
ফিফা পূর্বেই ঘোষণা করেছিল যে, ২০০৬ সালের বিশ্বকাপের পর র্যাংকিং পদ্ধতিকে পুণরায় হালনাগাদ করবে। পর্যবেক্ষণের সময়সীমা আট বছর থেকে কমিয়ে চার বছরে নিয়ে আসা হবে এবং র্যাংকিংয়ের হিসাব-নিকাশে এ ব্যবস্থার প্রয়োগ করা হবে।[৪] নিজ মাঠ কিংবা প্রতিপক্ষের মাঠে গোল করার সুবিধা রাখা হয়নি। ১২ জুলাই, ২০০৬ সালে র্যাংকিং ব্যবস্থা গুছানো হয় এবং হিসাব-নিকাশের চিন্তাধারার প্রতিফলন ঘটানো হয়। এছাড়াও, হিসাব-নিকাশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রকারের খেলাও পুণরায় মূল্যায়ণ করা হয়।
র্যাংকিং পদ্ধতির অংশবিশেষের পরিবর্তনে বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমালোচনার মুখোমুখি হয়। অনেক ফুটবল সমালোচকই এ ব্যবস্থাকে অন্যান্য র্যাংকিং পদ্ধতির তুলনায় অগ্রহণযোগ্য বলে জানিয়েছিলেন। এবং তা দলগত অবস্থানের সামগ্রিক অগ্রগতি-অবনতির প্রতিফলন ঘটেনি বলে মন্তব্য করেন।
র্যাংকিংয়ে শীর্ষস্থানীয় দল[সম্পাদনা]
যখন এ পদ্ধতির প্রবর্তন করা হয়, জার্মানীর জাতীয় ফুটবল দল শীর্ষস্থানে অভিষিক্ত হয়। দলটি তাদের পূর্ববর্তী সময়কালে একচ্ছত্র প্রাধান্য বজায় রেখেছিল। তন্মধ্যে তারা ৩টি ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে ও একটিতে জয়লাভ করে চ্যাম্পিয়ন হয়। ব্রাজিলের জাতীয় ফুটবল দলটি ১৯৯৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপ জয়ী হয়ে র্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানে আসীন হয়। দলটি ৯টি খেলার মধ্যে ১টিতে পরাজিত ও বাকীগুলোতে জয়ী হয়। প্রতিপক্ষের জালে ২০টি গোল করে ও মাত্র ৪টি গোল হজম করে। ইটালীর জাতীয় ফুটবল দল বিশ্বকাপের সফলতায় অল্প সময়ের জন্য শীর্ষস্থানে আসে। এরপরই পুণরায় জার্মানী শীর্ষস্থানে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরে।
র্যাংকিংয়ের ব্যবহার[সম্পাদনা]
র্যাংকিং পদ্ধতিটি প্রণীত হয়েছে ফিফা কর্তৃক তার সদস্য দেশগুলোর জাতীয় ফুটবল দলের উত্তরণ এবং বর্তমান সক্ষমতাকে চিত্রিত করার জন্য। এবং ফিফা দাবী করছে যে তারা নির্ভরযোগ্য পরিমাপক হিসেবে জাতীয় পর্যায়ের প্রধান দলের তুলনা করার জন্যই এটি তৈরী করেছে।[২] তারা হিসাব-নিকাশের অংশ বিশেষ প্রতিযোগীতা থেকে শুরু করে বাছাই প্রতিযোগীতায় ব্যবহার করছে। ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণী খেলার ফলাফল র্যাংকিংয়ে ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে কনকাকাফ, আফ্রিকান কাপ এবং ইউরোপীয়ান ফুটবল কাপে অনুষ্ঠিত খেলাগুলোর ফলাফল নভেম্বর, ২০০৭ সালের র্যাংকিংয়ে স্থগিত রেখেছিল।
অক্টোবর, ২০০৯ সালের র্যাংকিয়ে ২০১০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের বাছাইপর্বের খেলাগুলোর ফলাফল র্যাংকিংয়ে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন করা হয়েছিল।[৫]
মার্চ, ২০১১ সালে প্রকাশিত র্যাংকিংয়ে ২০১২ সালের পুরুষদের আফ্রিকান অঞ্চলের প্রাক-অলিম্পিক টুর্ণামেন্টের উত্তরণ পর্বের ফলাফল ব্যবহার করা হয়। [৬]
জয়, ড্র কিংবা পরাজয়[সম্পাদনা]
পূর্বের বছরগুলোয় পয়েন্ট বরাদ্দে বেশ জটিলতার সৃষ্টি হয়েছিল। প্রতিপক্ষের শক্তিমত্তা, হারের ব্যবধানের ফলেও দূর্বল দলগুলোকে পয়েন্ট অর্জন করতে পারে। যদি শক্তিশালী দলের বিরুদ্ধে দূর্বল দল খেলার আয়োজন বা মুখোমুখি হতে সক্ষম হয়, কেবল তখনই পয়েন্ট অর্জন করা সম্ভব। নতুন পদ্ধতি অনুসৃত হওয়ায় পয়েন্ট প্রদানের পদ্ধতিকে আরো বেশী সহজতর করেছেঃ জয়ে তিন পয়েন্ট, ড্রয়ে এক পয়েন্ট এবং পরাজয়ে শূন্য পয়েন্ট বরাদ্দ রাখা হয়। এ পয়েন্ট বরাদ্দ ব্যবস্থা বিশ্বব্যাপী অধিকাংশ লীগ পদ্ধতিতেই প্রচলিত আছে।
কোন কারণে খেলার ফলাফল যদি পেনাল্টি শ্যুট আউটের মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, তাহলে বিজয়ী দল দুই পয়েন্ট পাবে এবং এর বিপরীতে পরাজিত দল এক পয়েন্ট অর্জন করবে।
| ফলাফল | বিবরণ | পয়েন্ট |
| জয় | পেনাল্টি শ্যুট আউট ব্যতীত নিষ্পত্তি হলে | ৩ |
| জয় | পেনাল্টি শ্যুট আউটের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে | ২ |
| ড্র | খেলার ফলাফল সমান হলে | ১ |
| পরাজয় | পেনাল্টি শ্যুট আউটের মাধ্যমে নিষ্পত্তি হলে | ১ |
| পরাজয় | পেনাল্টি শ্যুট আউট ব্যতীত নিষ্পত্তি হলে | ০ |
দূর্বলতম দেশ[সম্পাদনা]
অঞ্চলভিত্তিক র্যাংকিং[সম্পাদনা]
দক্ষিণ এশিয়া (সার্কভূক্ত) অঞ্চল[সম্পাদনা]
| অবস্থান | দেশের নাম | বর্তমান পয়েন্ট (জুলাই, ২০১১) | ফিফা র্যাংকিং | পূর্বেকার পয়েন্ট (জুন, ২০১১) | র্যাংকিংয়ে অগ্রসরতা |
| ১ | নেপাল | ১৮৪ | ১৩৬ | ১৩৬ | + ১২ |
| ২ | বাংলাদেশ | ১৪৮ | ১৪৭ | ৮১ | + ১৬ |
| ৩ | ভারত | ১৩৫ | ১৫৩ | ১৩৭ | - ৬ |
| ৪ | মালদ্বীপ | ১১৫ | ১৬০ | ১২৬ | - ৯ |
| ৫ | পাকিস্তান | ৯১ | ১৭১ | ৭০ | - ২ |
| ৬ | শ্রীলঙ্কা | ৭৯ | ১৭৬ | ৬৯ | - ৫ |
| ৭ | ভুটান | ৬ | ২০১ | ৬ | + ০ |
এশীয় অঞ্চল (এএফসি)[সম্পাদনা]
| অবস্থান | দেশের নাম | বর্তমান পয়েন্ট (জুলাই, ২০১১) | ফিফা র্যাংকিং | পূর্বেকার পয়েন্ট (জুন, ২০১১) | র্যাংকিংয়ে অগ্রসরতা |
| ১ | জাপান | ৯১৮ | ১৬ | ৯২৫ | - ৩ |
| ২ | অস্ট্রেলিয়া | ৮৩১ | ২৩ | ৮৩৩ | - ১ |
| ৩ | দক্ষিণ কোরিয়া | ৭৮১ | ২৮ | ৭৮৭ | - ২ |
| ৪ | ইরান | ৫৬১ | ৫৪ | ৫৭৮ | - ৪ |
| ৫ | চীন | ৪৩৬ | ৭৩ | ৪২৬ | + ২ |
| ৬ | উজবেকিস্তান | ৩৮৮ | ৮৩ | ৩৮১ | + ৩ |
| ৭ | কাতার | ৩৬৯ | ৯০ | ৩৫৫ | + ৪ |
| ৮ | জর্ডান | ৩৬১ | ৯১ | ৩৮৫ | - ৭ |
| ৯ | সৌদী আরব | ৩৫৩ | ৯২ | ৩৬৬ | + ০ |
| ১০ | কুয়েত | ৩৩৯ | ৯৫ | ৩২৯ | + ৭ |
কনকাকাফ অঞ্চল[সম্পাদনা]
| অবস্থান | দেশের নাম | বর্তমান পয়েন্ট (জুলাই, ২০১১) | ফিফা র্যাংকিং | পূর্বেকার পয়েন্ট (জুন, ২০১১) | র্যাংকিংয়ে অগ্রসরতা |
| ১ | মেক্সিকো | ৮৬৯ | ২০ | ১০০৭ | -১১ |
| ২ | যুক্তরাষ্ট্র | ৭৭৮ | ৩০ | ৭৯৯ | -৬ |
| ৩ | জ্যামাইকা | ৬৩২ | ৪৪ | ৬৫৬ | -৬ |
| ৪ | হণ্ডুরাস | ৫৯২ | ৫১ | ৬১৩ | -৭ |
| ৫ | কোস্টারিকা | ৫৩২ | ৫৬ | ৫৬১ | -১ |
| ৬ | পানামা | ৪৮৭ | ৬৫ | ৫৭৪ | -১৩ |
| ৭ | এল সালভেদর | ৪০১ | ৭৮ | ৪৩৪ | -৬ |
| ৮ | ত্রিনিদাদ এণ্ড টোব্যাগো | ৩৭৯ | ৮৮ | ৩৭৪ | +২ |
| ৯ | কিউবা | ৩৩০ | ৯৯ | ৩৩০ | +০ |
| ১০ | কানাডা | ৩১৪ | ১০৫ | ৩৮৭ | -২২ |
আফ্রিকা অঞ্চল (সিএএফ)[সম্পাদনা]
| অবস্থান | দেশের নাম | বর্তমান পয়েন্ট (আগস্ট, ২০১১) | ফিফা র্যাংকিং | পূর্বেকার পয়েন্ট (জুলাই, ২০১১) | র্যাংকিংয়ে অগ্রসরতা |
| ১ | আইভোরী কোস্ট | ৯১৮ | ১৫ | ৯২২ | -১ |
| ২ | মিশর | ৭৩৯ | ৩৪ | ৭৩৫ | +০ |
| ৩ | ঘানা | ৭২৬ | ৩৬ | ৬৯৬ | +০ |
| ৪ | নাইজেরিয়া | ৬৫৯ | ৩৮ | ৬৩৫ | +৫ |
| ৫ | বুর্কিনা ফাসো | ৬৪৬ | ৪০ | ৬৬১ | -১ |
| ৬ | আলজেরিয়া | ৬১২ | ৪৬ | ৫৭৫ | +৬ |
| ৭ | দক্ষিণ আফ্রিকা | ৬০২ | ৪৭ | ৫৯৭ | +২ |
| ৮ | সেনেগাল | ৫৯১ | ৪৯ | ৬১৯ | -৩ |
| ৯ | ক্যামেরুন | ৫৮২ | ৫২ | ৫৯৫ | -২ |
| ১০ | তিউনিসিয়া | ৫৪৬ | ৫৭ | ৫৫৩ | -২ |
|
সর্বশেষ হালনাগাদকরণ: (২৬ আগস্ট, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত)[৭] |
|||||
ইউরোপীয় অঞ্চল (ইউইএফএ)[সম্পাদনা]
| অবস্থান | দেশের নাম | বর্তমান পয়েন্ট (আগস্ট, ২০১১) | ফিফা র্যাংকিং | পূর্বেকার পয়েন্ট (জুলাই, ২০১১) | র্যাংকিংয়ে অগ্রসরতা |
| ১ | নেদারল্যাণ্ড | ১৫৯৬ | ১ | ১৫৪২ | +১ |
| ২ | স্পেন | ১৫৬৩ | ২ | ১৫৮৮ | -১ |
| ৩ | জার্মানী | ১৩৩০ | ৩ | ১৩০৫ | +০ |
| ৪ | ইংল্যান্ড | ১১৭৭ | ৪ | ১১৪৬ | +২ |
| ৫ | ইটালী | ১১১০ | ৭ | ১০৫৯ | +১ |
| ৬ | পর্তুগাল | ১০৬০ | ৮ | ১০৭৬ | -১ |
| ৭ | ক্রোয়েশিয়া | ১০০৯ | ১০ | ১০৩৩ | -১ |
| ৮ | নরওয়ে | ৯৪৩ | ১২ | ৯৭২ | +০ |
| ৯ | রাশিয়া | ৯৪০ | ১৩ | ৯১৪ | +৫ |
| ১০ | গ্রীস | ৯৩৭ | ১৪ | ৯৫৯ | -১ |
|
সর্বশেষ হালনাগাদকরণ: (২৬ আগস্ট, ২০১১ইং তারিখ পর্যন্ত)[৮] |
|||||
র্যাঙ্কিংয়ের সময়সূচী[সম্পাদনা]
সাধারণত প্রতি মাসের বুধবার দিনকে ঘিরে র্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়ে থাকে। র্যাঙ্কিং প্রকাশের শেষ সময় হিসেবে এর পূর্বের বৃহস্পতিবারকে ধার্য্য করা হয়। কিন্তু ঐদিনের পরেও যদি বড় ধরণের প্রতিযোগিতার চূড়ান্ত খেলা অনুষ্ঠিত হয়, তাহলে ঐ ফলাফলও যুক্ত করা হয়।[৯]
| ক্রমিক নং | মাসের নাম | প্রকাশের তারিখ |
| ১। | জানুয়ারি | |
| ২। | ফেব্রুয়ারি | ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ |
| ৩। | মার্চ | ১৪ মার্চ, ২০১৩ |
| ৪। | এপ্রিল | ১১ এপ্রিল, ২০১৩ |
| ৫। | মে | ৯ মে, ২০১৩ |
| ৬। | জুন | ৬ জুন, ২০১৩ |
| ৭। | জুলাই | ৪ জুলাই, ২০১৩ |
| ৮। | আগস্ট | ৮ আগস্ট, ২০১৩ |
| ৯। | সেপ্টেম্বর | ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩ |
| ১০। | অক্টোবর | ১৭ অক্টোবর, ২০১৩ |
| ১১। | নভেম্বর | ২৮ নভেম্বর, ২০১৩ |
| ১২। | ডিসেম্বর | ১৯ ডিসেম্বর, ২০১৩ |
পুরস্কার[সম্পাদনা]
প্রতি বছর ফিফা তার সদস্যভূক্ত দেশগুলোর মধ্যে দু'টি পুরস্কার প্রদান করে। র্যাঙ্কিংয়ে তাদের ফলাফলকে মূল্যায়ণ করা হয়। সেগুলো হলো -
- বছরের সেরা দল এবং
- সেরা উদীয়মান দল।
বছরের সেরা দল[সম্পাদনা]
বছরের সেরা দল প্রবর্তন ও নির্বাচনের মাধ্যমে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। যে দলটি বছরের মধ্যে সেরা সাতটি খেলায় সামগ্রীকভাবে সবচেয়ে বেশী পয়েন্ট অর্জন করে ঐ দলই এ পুরস্কারের যোগ্যতা অর্জন করে। নীচের ছকে প্রতি বছরের সেরা ৩টি দলের ফলাফল দেখানো হল।
| সাল | ১ম স্থান | ২য় স্থান | ৩য় স্থান |
| ১৯৯৩ | |||
| ১৯৯৪ | |||
| ১৯৯৫ | |||
| ১৯৯৬ | |||
| ১৯৯৭ | |||
| ১৯৯৮ | |||
| ১৯৯৯ | |||
| ২০০০ | |||
| ২০০১ | |||
| ২০০২ | |||
| ২০০৩ | |||
| ২০০৪ | |||
| ২০০৫ | |||
| ২০০৬ | |||
| ২০০৭ | |||
| ২০০৮ | |||
| ২০০৯ | |||
| ২০১০ | |||
| ২০১১ | |||
| ২০১২ |
সেরা উদীয়মান দল[সম্পাদনা]
| সাল | প্রথম স্থান | দ্বিতীয় স্থান | তৃতীয় স্থান |
|---|---|---|---|
| ১৯৯৩ | |||
| ১৯৯৪ | |||
| ১৯৯৫ | |||
| ১৯৯৬ | |||
| ১৯৯৭ | |||
| ১৯৯৮ | |||
| ১৯৯৯ | |||
| ২০০০ | |||
| ২০০১ | |||
| ২০০২ | |||
| ২০০৩ | |||
| ২০০৪ | |||
| ২০০৫ | |||
| ২০০৬ |
| সাল | সেরা উত্তরণ | দ্বিতীয় সেরা | তৃতীয় সেরা |
|---|---|---|---|
| ২০০৭ | |||
| ২০০৮ | |||
| ২০০৯ | |||
| ২০১০ | |||
| ২০১১ | |||
| ২০১২ |
আরও দেখুন[সম্পাদনা]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ ১.০ ১.১ "ফিফা'র বর্তমান র্যাংকিং, সংগ্রহ: ৬ জুলাই, ২০১২"।
- ↑ ২.০ ২.১ ফিফা র্যাংকিং পদ্ধতির আত্মপ্রকাশ "FIFA/Coca-Cola World Ranking Procedure"।
- ↑ ফিফা র্যাংকিং পদ্ধতির সমালোচনা "Revised FIFA/Coca-Cola World Ranking"। http://www.fifa.com/worldfootball/releases/newsid=104405.html ফিফা র্যাংকিং পদ্ধতির সমালোচনা।
- ↑ "Great expectations"। FIFA.com (Fédération Internationale de Football Association)। 17 May 2006। http://www.fifa.com/worldfootball/ranking/news/newsid=104272.html। সংগৃহীত 28 March 2008।
- ↑ "FIFA Organising Committee approves Final Draw procedure"। FIFA.com। Fédération Internationale de Football Association। 2 December 2009। সংগৃহীত 13 April 2011।
- ↑ "Olympics – updated draw procedure, with teams"। CAFOnline.com। Confederation of African Football। 12 April 2011। সংগৃহীত 13 April 2011।
- ↑ ফিফা র্যাংকিং : আফ্রিকা অঞ্চল, ২৪ আগস্ট, ২০১১
- ↑ ফিফা র্যাংকিং : ইউরোপীয় অঞ্চল, ২৪ আগস্ট, ২০১১
- ↑ ফিফা র্যাংকিংয়ের সময়কাল