ফাতিমা বিবি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জাস্টিস এম ফাতিমা বিবি
Justice Fathima Beevi.JPG
জন্ম (১৯২৭-০৪-৩০) ৩০ এপ্রিল ১৯২৭ (বয়স ৮৭)
পাঞানামথিত্তা, ট্রাভাঙ্কোর
বাসস্থান ৮/৩৮৭, আন্নাবিন্দু, পেত্তা, পাঞানামথিত্তা, ৬৮৯ ৬৪৫ (কেরালা)
জাতীয়তা  ভারত
যে জন্য পরিচিত ভারত এর সুপ্রিম কোর্টের এর প্রথম মহিলা জজ, তামিলনাড়ু এর গভর্নর
পূর্বসূরী ম্যারি চান্না রেডডী / কৃষান কান্ত (অতিরিক্ত দায়িত্ব)
উত্তরসূরী ড. সি রঙ্গারঞ্জন (ভারপ্রাপ্ত গভর্নর)
ধর্ম ইসলাম
পিতা-মাতা মিরা সাহিব, খাদিজা বিবি

জাস্টিস এম ফাতিমা বিবি (ইংরেজি: Justice M. Fathima Beevi); (জন্ম: ৩০ এপ্রিল, ১৯২৭) ছিলেন ভারতের প্রথম মহিলা বিচারক। ভারতের সুপ্রিম কোর্টে (১৯৮৯) সালে তাকে নিযুক্ত করা হয়,[১][২][৩][৪][৫][৬] এবং প্রথম কোন মুসলিম মহিলা যিনি ভারতের উচ্চতর বিচারব্যবস্থায় নিযুক্ত হন। তিনি ভারতের সুপ্রিম কোর্টের প্রথম নারী বিচারক এবং এশিয়া উপমহাদেশেরও প্রথম নারী বিচারক হিসেবে মর্যাদা লাভ করেন।[৭] আদালত থেকে অবসরের পর তিনি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য হিসেবে কাজ করেন এবং তামিলনাড়ুর (১৯৯৭-২০০১) সাল পর্যন্ত গভর্নর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।[২][৮][৯]

প্রাথমিক জীবন ও শিক্ষা[সম্পাদনা]

ফাতিমা বিবি মীরা সাহেব এবং খাদিজা বিবির কন্যা হিসেবে পাথানামথিত্তা, ট্রাভাঙ্কোর, ব্রিটিশ ভারতে ৩০ এপ্রিল ১৯২৭ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

তিনি পাথানামথিত্তায় ক্যাথোলিকেট উচ্চ বিদ্যালয়ে তার স্কুল জীবন শুরু করেন এবং তার বি.এসসি. তিরুবনন্তপুরম এর ইউনিভার্সিটি কলেজ থেকে সম্পন্ন করেন।[১]

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

তিনি ১৪ নভেম্বর ১৯৫০ সালে অ্যাডভোকেট হিসাবে তার নাম নথিভুক্ত হয়। তিনি কেরালার নিম্ন বিচার বিভাগে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তিনি ১৯৫৮ সালের মে মাসে কেরালার সাব কোটি জুডিশিয়াল সার্ভিসেস মুনসেফ হিসাবে নিযুক্ত হন। তিনি ১৬৮ সালে সাব জজ হিসেবে পদোন্নতি পান এবং ১৯৭২ সালে চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৯৭৪ সালে জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে কাজ করেন।[১]

এছাড়াও তিনি ১৯৮০ সালের জানুয়ারিতে আয়কর আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারিক সদস্য হিসাবে নিযুক্ত হন। তিনি তখন ৪ আগস্ট ১৯৮৩ সালে একজন বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট থেকে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ছিলেন।[১][৬]

তিনি ১৯৮৪ সালের ১৪ মে হাইকোর্টের স্থায়ী জজ হিসেবে মর্যাদা লাভ করেন। তিনি ১৯৮৯ সালের ২৯ এপ্রিল হাইকোর্টের জজ হিসাবে অবসর গ্রহণ করেন।[১]

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট

তামিলনাড়ু গভর্নর[সম্পাদনা]

তিনি পরে ২৫ জানুয়ারি ১৯৯৭ সালে তামিলনাডু গভর্নর পদে নিযুক্ত হন।[১][১০]

অন্যান্য সামাজিক কর্মকান্ড[সম্পাদনা]

রাষ্ট্রের গভর্নর হিসেবে তিনি মাদ্রাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[১১] এছাড়াও তিনি পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের জন্য কেরালা কমিশনের চেয়ারম্যান (১৯৯৩) হিসেবে কাজ করেন এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (১৯৯৩) এর সদস্য ছিলেনে। তিনি ১৯৯০ সালে ডি লিট সম্মানএবং মহিলা শিরোমনী পুরস্কার লাভ করেন।[৭] এছাড়াও তিনি,ভারত জ্যোতি পুরস্কার লাভ করেন।[১২]

তিনি বর্তমানে কেরালার পাথানামথিত্তায় তার পৈতৃক বাড়িতে বসবাস করছেন।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ ১.৪ ১.৫ "M. FATHIMA BEEVI"। supremecourtofindia.nic.in। সংগৃহীত 2009-01-15 
  2. ২.০ ২.১ "Welcome to Women Era...."। সংগৃহীত 2009-01-15 
  3. "Women in Judiciary"। NRCW, Government of India। সংগৃহীত 2009-01-15 
  4. "FIRST WOMEN OF INDIA:"। womenofindia.net। সংগৃহীত 2009-01-16 
  5. "Convict Queen"। india-today.com। সংগৃহীত 2009-01-16 
  6. ৬.০ ৬.১ "High Court of Kerala: Former Judges"। highcourtofkerala.nic.in। সংগৃহীত 2009-01-16 
  7. ৭.০ ৭.১ The International Who's Who 2004 (67 সংস্করণ)। Europa Publications। পৃ: 517। আইএসবিএন 9781857432176 
  8. "Raj Bhavan Chennai: Past Governors"। Governor's Secretariat Raj Bhavan, Chennai - 600 022। সংগৃহীত 2009-01-15 
  9. "Governors of Tamil Nadu since 1946"। tn.gov.in। সংগৃহীত 2009-01-15 
  10. "Women Governors In India:"। .indianofficer.com। 2007-04-16। সংগৃহীত 2009-01-16 
  11. "Madras varsity VC quits"। tribuneindia। 10 March 1999। সংগৃহীত 2009-01-16 
  12. "Bharat Jyoti Award"। Delhi University। সংগৃহীত 2009-01-16 [অকার্যকর সংযোগ]
পূর্বসূরী
এম চিনা রেডডী /
কৃষান কান্ত (অতিরিক্ত. চার্জে)
জাস্টিস এম ফাতিমা বিবি
তামিলনাড়ু গভর্নর

২৫ জানুয়ারী ১৯৩৭ - ৩ জুলাই ২০০১


উত্তরসূরী
ড. সি রঙ্গারঞ্জন(সাময়িকভাবে স্থলাভিষিক্ত গভর্নর )