প্রাণরসায়ন
জীবনের রসায়ন নিয়ে যে বিজ্ঞানে আলোচনা করা হয় তাই হল প্রাণরসায়ন বা জীবরসায়ন । এটি জীববিজ্ঞান ও রসায়নের মধ্যে সেতুবন্ধনস্বরূপ। জটিল রাসায়নিক বিক্রিয়া এবং রাসায়নিক কাঠামোগুলোর সাথে আমাদের প্রাণের কি সম্পর্ক তা ব্যাখ্যা করে এই বিজ্ঞান । প্রাণরসায়ন আলোচনা করে কোষের বিভিন্ন উপাদান, যেমন আমিষ, শর্করা, চর্বি জাতীয় পদার্থ লিপিড, নিউক্লিয়িক এসিড এবং অন্যান্য জৈব অণু সম্পর্কে। প্রাণরসায়ন বিজ্ঞানের আওতাভূক্ত অন্যান্য বিষয়াবলীর মধ্যে জেনেটিক কোড(ডিএনএ, আরএনএ), আমিষ সংশ্লেষণ, বিভিন্ন কোষের মধ্যে সংকেত আদান প্রদান প্রভৃতি অন্যতম।
পরিচ্ছেদসমূহ |
প্রাণরসায়নের উদ্ভব [সম্পাদনা]
পূর্বে ধারণা ছিল যে শুধুমাত্র জীবিত বস্তু থেকেই প্রাণের উদ্ভব সম্ভব। তারপর ১৮২৮ সালে বিজ্ঞানী ফ্রেডরিখ ভোলার ইউরিয়া সংশ্লেষণ সর্ম্পকিত একটি প্রবন্ধ প্রকাশ করেন যা এটাই প্রমাণ করে যে জৈব যৌগসমূহ কৃত্রিম উপাযে তৈরি সম্ভব।
অ্যামিনো এসিড [সম্পাদনা]
জীবনের ভৌত ভিত্তি হিসেবে পরিচিত অ্যামিনো এসিডের ক্রমবর্ধমান কার্বন শিকলে এক বা একাধিক কার্বক্সিল মূলকের পাশাপাশি এক বা একাধিক অ্যামিনো মূলক রয়েছে , তাই এরুপ নামকরণ । অ্যামিনো এসিড শ্রেণীবিন্যাস করার অনেক পদ্ধতি রয়েছে । তার মধ্যে জনপ্রিয় একটি পদ্ধতি হল কার্বন শিকলে বিদ্যমান কার্বক্সিল ও অ্যামিনো মূলকের সংখ্যা অনুযায়ী । তবে অ্যামিনো এসিড নামকরণ করার কোনও সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি নেই । বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি অ্যামিনো এসিড হল গ্লাইসিন, এলানিন, লিউসিন, ভেলিন ইত্যাদি ।
শর্করা [সম্পাদনা]
আমিষ [সম্পাদনা]
আমিষ মূলত অ্যামিনো এসিড এর পলিমার যাতে কমপক্ষে ১০০টি বা তার বেশি অ্যামিনো এসিডের মনোমার রয়েছে।
চর্বি জাতীয় পদার্থ [সম্পাদনা]
নিউক্লিক এসিড [সম্পাদনা]
নিউক্লিক এসিক সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি ডিএনএ এবং অপরটি আরএনএ। সাধারণত নিউক্লিক এসিড বংশগতির সংরক্ষণ এবং তা বংশানুক্রমে প্রজন্ম হতে প্রজন্মে প্রবাহিত করে। নিউক্লিক এসিডের কাজ: ১. এটি বংশগতির তথ্য সংরক্ষণের প্রাথমিক রাসায়নিক ভিত্তি। ২. এটি যে কোন প্রজাতির পরিচয় বহন করে। ৩. কোষের সকল কার্যক্রম এই নিউক্লিয়িক এসিড নিয়ন্ত্রন করে।
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
|
|||||
|
||||||||