প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ | |||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
যুদ্ধের কারণে অধিকৃত এলাকার হাতবদলের মানচিত্র[১] |
|||||||||
|
|||||||||
| বিবদমান পক্ষ | |||||||||
| নেতৃত্ব প্রদানকারী | |||||||||
| সৈন্য সংখ্যা | |||||||||
| পেরুভীয়-বলিভীয় সেনাবাহিনীর ৭,০০০ সৈন্য (১৮৭৮) পেরুভীয় নৌবাহিনী: ২টি আয়রনক্ল্যাড, ১টি কর্ভেট, ১টি গানবোট |
চিলির সেনাবাহিনীর ৪,০০০ সৈন্য (১৮৭৮) চিলীয় নৌবাহিনী: ২টি যুদ্ধজাহাজ, ৪টি কর্ভেট, ২টি গানবোট |
||||||||
| প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি | |||||||||
| ৩৫,০০০ পেরুভীয় নিহত ও আহত। ৫,০০০ বলিভীয় নিহত ও আহত। | ১৫,০০০ চিলীয় নিহত। | ||||||||
প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধ (ইংরেজি: The War of the Pacific) ১৮৭৯ সাল থেকে ১৮৮৩ সাল পর্যন্ত চিলির সাথে বলিভিয়া ও পেরুর যৌথবাহিনীর মধ্যবর্তী সংঘটিত যুদ্ধ। এই যুদ্ধের ফলে চিলি উল্লেখযোগ্য পরিমাণে খনিজ-সমৃদ্ধ অঞ্চল দখল করতে সক্ষম হয়। চিলি পেরুর তারাপাকা ও বলিভিয়ার উপকূলীয় আন্তোফাগাস্তা অঞ্চল দখল করে। যুদ্ধশেষে বলিভিয়া সমুদ্র থেকে বিচ্ছিন্ন একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
পটাশিয়াম নাইট্রেট তথা সল্টপিটার-সমৃদ্ধ খনিজ এলাকা দখলের জন্য এই যুদ্ধ হয়েছিল বলে এটিকে সল্টপিটার যুদ্ধ নামেও কখনো কখনো ডাকা হয়।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ আতাকামা মরুভূমির যে অংশটি পরে আর্জেন্টিনাকে দিয়ে দেয়া হয়, তা দেখানো হয় নি।