প্রবেশদ্বার:রসায়ন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সম্পাদনা  দেখুন  

রসায়ন প্রবেশদ্বার

সংক্ষিপ্ত:
টেস্টটিউবে রঙিন দ্রবণ।
রসায়ন প্রবেশদ্বারে স্বাগতম। গ্রিক শব্দ χημεία (যার অর্থ “একত্রে ঢালা”) থেকে কেমিস্ট্রি বা রসায়ন নামের উদ্ভব হয়েছে। রসায়ন বিজ্ঞানের একটি শাখা। আধুনিক রসায়ন মৌলিক পদার্থ এবং মৌলসমূহের মধ্যে বিরাজিত বন্ধন সম্পর্কে আলোচনা করে। এছাড়া মৌল ও যৌগের গঠন, ধর্ম, রুপান্তর ইত্যাদি সম্পর্কেও রসায়ন আলোচনা করে। পদার্থসমূহের নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক ক্রিয়া এবং শক্তির সাথে ক্রিয়াও রসায়নে আলোচিত হয়। পদার্থসমূহের মধ্যে ব্যাপক বৈচিত্র বিদ্যমান এবং এরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে যৌগ হিসেবে থাকে। রসায়নবিদগণ বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরমাণু কীভাবে অণু গঠন করে এবং অণুসমূহ এক অপরের সাথে কীভাবে ক্রিয়া করে তা গবেষণা করেন।
সম্পাদনা  দেখুন  

নির্বাচিত নিবন্ধ

Glucose structure.svg

গ্লুকোজ (ইংরেজী:Glucose) বা দ্রাক্ষা-শর্করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্বোহাইড্রেট যা শর্করার রাসায়নিক শ্রেণিবিভাগে এক প্রকার একশর্করা বা মনোস্যাকারাইড। জীবন্ত কোষ গ্লুকোজকে শক্তি ও বিপাকীয় প্রক্রিয়ার একটি উৎস হিসেবে ব্যবহার করে। সালোকসংশ্লেষণ বা ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ার অন্যতম প্রধান উৎপাদ। গ্লুকোজ প্রাণী ও উদ্ভিদের কোষের শ্বাসক্রিয়ায় অন্যতম অপরিহার্য উপাদান। পাকা, মধু ও আধিকাংশ মিষ্ট ফলে গ্লুকোজ থাকে । রক্তে এবং বহুমূত্র রোগীর মূত্রে সামান্য পরিমাণে গ্লুকোজ আছে।“গ্লুকোজ” গ্রিক শব্দ glukus (γλυκύς) থেকে উদ্ভূত হয়েছে, যার অর্থ “মিষ্টি” এবং "-ose" প্রত্যয়টি চিনি নির্দেশ করে। অ্যালডোহেক্সোজ চিনির দুইটি স্টেরিও সমাণু গ্লুকোজ নামে পরিচিত, যার মাত্র একটি (D-গ্লুকোজ ) জৈবিকভাবে সক্রিয়। এই গঠনটিকে অনেক সময় ডেক্সট্রোজ ("ডেক্সট্রোরোটেটরি" হতে উদ্ভূত) মনোহাইড্রেট অথবা বিশেষত খাদ্য শিল্পে সাধারণভাবে ডেক্সট্রোজ বলা হয়। এই নিবন্ধটিতে D-গঠনবিশিষ্ট গ্লুকোজ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে, L-গ্লুকোজ কোষে জৈবিকভাবে বিপাকীয় ক্রিয়ায় অংশগ্রহন করে না, যা গ্লাইকোলাইসিস নামে পরিচিত। আরও দেখুন...

সম্পাদনা  দেখুন  

নির্বাচিত চিত্র

সম্পাদনা  দেখুন  

বিষয়শ্রেণীসমূহ

সম্পাদনা  দেখুন  

রসায়ন সম্পর্কিত আরও তথ্য

সম্পাদনা  দেখুন  

রসায়ন সংবাদ

সম্পাদনা  দেখুন  

নির্বাচিত জীবনী

Hermann Emil Fischer.jpg

হারম্যান এমিল ফিসার (অক্টোবর ৯, ১৮৫২ - জুলাই ১৫, ১৯১৯) একজন জার্মান রসায়নবিদ। তিনি কার্বহাইড্রেট সংক্রান্ত গবেষণার জন্য ১৯০২ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। ফিসার এস্টারিফিকেশন আবিষ্কারের কারণে তিনি সমধিক পরিচিত। ১৮৭৫ সালে তিনি ফিনাইল হাইড্রাজিন প্রস্তুত করেন যা অ্যালডিহাইডকিটোনের সাথে বিক্রিয়া করে নির্দিষ্ট গলনাঙ্ক বিশিষ্ট হাইড্রাজোন উৎপন্ন করে। তিনি এ বিকারক ব্যবহার করে সুগার রসায়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। সুগারের গাঠনিক সংকেত নির্ণয়ে ও সংশ্লেষণে তাঁর ব্যপক অবদানের জন্য তাকে “সুগার রসায়নের জনক” হিসেবে অভিহিত করা হয়। তিনি প্রোটিন ও রঞ্জক পদার্থের রসায়নেও উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন। আরও দেখুন...

সম্পাদনা  দেখুন  

রসায়নবিদগণের ব্যবহৃত পদ্ধতিসমূহ

সম্পাদনা  দেখুন  

রসায়নবিদগণের ব্যবহৃত উপকরণসমূহ

সম্পাদনা  দেখুন  

সমাজে রসায়ন

সম্পাদনা  দেখুন  

শিল্পে রসায়ন

সম্পাদনা  দেখুন  

পর্যায় সারণী

সম্পাদনা  দেখুন  

আপনি যা যা করতে পারেন

সম্পাদনা  দেখুন  

সম্পর্কিত প্রবেশদ্বারসমূহ

সম্পাদনা  দেখুন  

সম্পর্কিত উইকিমিডিয়া

সার্ভার ক্যাশ খালি করুন