পুনর্ভবা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পুনর্ভবা
অবস্থান বাংলাদেশ
দৈর্ঘ্য ১৬০ কিলোমিটার

পুনর্ভবা (ইংরেজি ভাষায়: Punarbhaba) বাংলাদেশের একটি নদীর নাম। দিনাজপুর শহর এ নদীর অববাহিকায় অবস্থিত। বর্তমানে মৃত ঘাঘরা, গাবুরা, কাচাই প্রভৃতি নদী এক সময় পুনর্ভবারই উপনদী ছিল। এটি ১৬০ কিলোমিটার দীর্ঘ। পুনর্ভবা নদীর প্রধান উৎস ব্রাহ্মণপুর বরেন্দভূমি। ১৭৮৭ খ্রীষ্টাব্দে হিমালয়ের বন্যায় প্রচণ্ড ভূমিধ্বসে সানুর নিকট এ নদীর পার্বত্য উৎসমুখ বন্ধ হয়ে যায়। নদীর গতিপথ উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত। বর্তমানে এ নদী ঠাকুরগাঁও জেলার বালিয়াডাঙ্গি উপজেলার অবনমিত নিম্নভূমি থেকে উৎপন্ন হয়ে পদ্মার একটি উপনদীতে পরিণত হয়েছে। আত্রাই থেকে কয়েক কিলোমিটার পশ্চিমে পুনর্ভবার উচ্চতর গতিপথ। দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হওয়ার পর পুনর্ভবা ঢেপা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে, যা করতোয়া নদীর একটি শাখা নদী। দিনাজপুর শহরের ঠিক দক্ষিণে নদীটি পশ্চিম এবং পশ্চিম-কেন্দ্রীয় বরেন্দ্রভূমির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এর নদীবিস্তৃত ভূমির প্রশস্ততা ৩ থেকে ৮ কিলোমিটার। নবাবগঞ্জ জেলার রোহানপুরের ঠিক দক্ষিণ দিকটি মহানন্দা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। পুনর্ভবার তিনটি উপনদী রয়েছে, সেগুলো হলো টাঙ্গন, কুলিক এবং নাগর। টাঙ্গন নদীর রয়েছে একটি সুরক্ষিত নদীবিস্তৃত ভৃমি, যা পর্বত পাদদেশীয় সমভূমি পর্যন্ত বিস্তৃত। কুলিক নদীর তীরবর্তী ভৃমি লক্ষণীয়ভাবে তরঙ্গায়িত। নাগর নদী দিনাজপুর জেলার পশ্চিম সীমানার বহু কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত। ভারতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এটি পুনরায় ভোলাহাটের কাছে বাংলাদেশের সীমান্তসংলগ্ন হয়ে প্রবাহিত হয়েছে ; অতঃপর নবাবগঞ্জ জেলার মধ্য দিয়ে নবাবগঞ্জ শহরের দক্ষিণে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে। নদীটি জোয়ার ভাটা প্রভাবিত নয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]