পম্পেই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পম্পেই নগরির প্রত্নতাত্ত্বিক এলাকা, হেরকুলেনিয়াম, এবং তোররে আনুনজাতা
UNESCO BLUE LOGO.png  ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান  Welterbe.svg
বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী তালিকায় নাম হিসাবে তালিকাভুক্ত
A quiet street in Pompeii
দেশ  ইতালি
ধরন সাংস্কৃতিক
মানদণ্ড iii, iv, v
তথ্যসূত্র ৮২৯
ইউনেস্কো অঞ্চল ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকা
স্থানাঙ্ক 40°44'58"N 14°29'5"E
অভিলিখন ইতিহাস
অভিলিখন ১৯৯৭ (২১শ সেশন)

পম্পেই নগরি (লাতিন: Pompeii, ইতালীয়: Pompei), একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত রোমান ছোট নগর-শহর যা ইতালির কাম্পানিয়া অঞ্চলের আধুনিক নেপলসের (নাপোলি) কাছে পম্পেই ইউনিয়নে অবস্থিত। ৭৯ খ্রিস্টাব্দে ভিসুভিয়াস পর্বতের সর্বনাশা আগ্নেয়গিরির দুই দিন স্থায়ী অগ্নুৎপাতে পম্পেই নগরি সম্পূর্ণভাবে পুড়ে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিলো। ৬০ ফুট উঁচু ছাই এবং ঝামাপাথরের নিচে শহরটি চাপা পড়ে যায়।

এর ঠিক কয়েক বছর আগে ৬২ খ্রিস্টাব্দে, একটি ভয়াবহ ভূকম্পন হয়েছিলো যা কাম্পানিয়া অঞ্চলের পম্পেই নগরি, হেরকুলেনিয়ামএবং অন্যান্য শহরেও আঘাত করেছিলো। এটি একটি সতর্কীকরণ ছাড়া আর কিছুই ছিলো না যে, কয়েক বছরের মধ্যে এর থেকে আর বড় ধরনের বিপর্যয়, শহরটিতে আঘাত করবে। পম্পেই নগরী এতে গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়, কিন্তু সাথে সাথেই এর পুনর্নিমাণ কাজ শুরু করা হয়েছিলো। ১৭ বছর পরে, যখন পুণর্নিমাণ কাজ একই গতিতে এগিয়ে যাচ্ছিলো (যদিও বাসস্থানগুলোকে পুনরুদ্ধার করার দরকার ছিলো), শহর এবং তার বাসিন্দা প্রাচীন ইতিহাসের একটি দুঃখজনক ঘ্টনা অতিবাহিত করে। আজ সময়কে আটকিয়ে ফেলেছে এবং সেই মুহূর্তটিকে উপরিভাগে তুলে আনা হয়েছে এবং এটি বিশ্বের দ্বিতীয় প্রত্নত্তাত্ত্বিক অঞ্চল যা সর্বাপেক্ষা পরিদর্শন করা হয়েছে। কারলো দি বোরবোনে-এর আর্থিক সহায়তায় শহরটি ১৭৪৮ খ্রিস্টাব্দে পূণরায় মাটির নিচ থেকে আলোতে নিয়ে আসা হয়।

পম্পেই নগরির সাথে হেরকুলেনিয়াম এবং আপলেন্টসকেও, ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছিলো। ২০০৮ খ্রিস্টাব্দে এই স্থানটিকে ২,২৫৩,৬৩৩ জন[১] পরিদর্শন করেছিলেন। আজ, ইতালির সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় পর্যটণ আকর্ষণের একটি হলো এই নগরী।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. The dossier of the Italian Touring Club, Dossier Museums 2009. Page-5. (ইতালীয়)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]