নীল বনলতা
| colspan=2 style="text-align: center; background-color: transparent; text-align:center; border: 1px solid red;" | নীল বনলতা | |
|---|---|
| colspan=2 style="text-align: center; background-color: transparent; text-align:center; border: 1px solid red;" | বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ/রাজ্য: | উদ্ভিদ |
| (unranked): | সপুষ্পক উদ্ভিদ |
| (unranked): | Eudicots |
| (unranked): | Asterids |
| বর্গ: | Lamiales |
| পরিবার: | Acanthaceae |
| গণ: | Thunbergia |
| প্রজাতি: | T. grandiflora |
| colspan=2 style="text-align: center; background-color: transparent; text-align:center; border: 1px solid red;" | দ্বিপদী নাম | |
| Thunbergia grandiflora Roxb |
|
'"নীল বনলতা'" (বৈজ্ঞানিক নাম:Thunbergia grandiflora)।
পরিচ্ছেদসমূহ |
উৎপত্তিস্তান [সম্পাদনা]
নীল বনলতা মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের গাছ।তবে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় আসামে।
আকার [সম্পাদনা]
এরা শক্ত লতার উদ্ভিদ। সাধারণত ৮ থেকে ১০ মিটার পর্যন্ত ওপরে উঠতে পারে। পাতা প্রতিমুখ, সবৃন্তক, পত্রবৃন্ত আড়াই থেকে চার সেন্টিমিটার লম্বা ও কর্কশ, গোঁড়া তাম্বুলাকার, উভয় পৃষ্ট অমসৃণ, করতলাকারে পাঁচ থেকে সাতটি শিরাযুক্ত, বোঁটা মোড়ানো ধরনের, আগা চোখা, ১০ সেন্টিমিটারের মতো লম্বা হতে পারে। কিনারে আছে বেশ কয়েকটি লতি।
ফুল [সম্পাদনা]
ফুলগুলো লম্বা জুলন্ত ডাঁটায় থোকায় থোকায় ঝুলে থাকে। দেখতে অনেকটা ঘণ্টার মতো, দলনল সামান্য বাঁকা, হালকা নীল রঙের অসমান পাপড়ির সংখ্যা পাঁচটি। পুংকেশর চারটি, অর্ধসমান, গলদেশের ভেতরের দিক বাঁকানো, পরাগধানী পাঁচ থেকে নয় মিলিমিটার লম্বা ও দীর্ঘায়িত। ফুল ফোটার প্রধান মৌসুম মার্চ থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত। ফল বেশ শক্তপোক্ত ধরনের, তিন থেকে পাঁচ সেন্টিমিটার লম্বা হতে পারে।মালয়েশিয়ায় এ গাছের পাতার ক্বাথ পেটের অসুখে ব্যবহার হয়। বংশবৃদ্ধি বীজ ও কাটিংয়ে। বাগানের বেরাগুলোতে এ ফুলের ঝুলন্ত সমারোহ সত্যিই মনোমুগ্ধকর।[১]