দি ইমমরটালস অফ মেলুহা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
দি ইমমরটালস অফ মেলুহা
220px
অমীশ ত্রিপাঠি
প্রচ্ছদশিল্পী রশ্মি পুসলকর
দেশ ভারত
ভাষা ইংরেজি
ধারাবাহিকতা শিব ট্রিলজি
বিষয় শিব, মিথ, ফ্যান্টাসি
ধরণ ফিকশন
প্রকাশক তারা প্রেস
প্রকাশনার তারিখ ফেব্রুয়ারি ২০১০
মিডিয়ার ধরণ প্রিন্ট (পেপারব্যাক)
পৃষ্ঠার সংখ্যা ৩৯০
আইএসবিএন 987-81-8386-069-7
পরবর্তী বই দ্য সিক্রেট অফ দ্য নাগস

দি ইমমরটালস অফ মেলুহা হলো অমীশ ত্রিপাঠির শিব ট্রিলজির প্রথম উপন্যাস। কাহিনীটি কাল্পনিক দেশ মেলুহার। এই দেশের বাসিন্দারা কিভাবে শিব নামে এক যাযাবরের হাত থেকে যুদ্ধে রক্ষা পেয়েছিল, তাই নিয়েই গল্প। গল্পের শুরুতে দেখা যায় মেলুহার রাজা দক্ষ নানা উপজাতিকে তাঁর রাজ্যে বাস করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। এই উপজাতিগুলির একটি ছিল শিবের উপজাতি। স্বজাতির কিংবদন্তী রক্ষাকর্তা শিব একটি বিষ পান করেছিলেন। তার ফলে তাঁর গলার রং নীল হয়ে গিয়েছিল। এই জন্য তাঁর উপজাতির লোকেরা তাঁকে নীলকণ্ঠ নাম দেয়। শিব চন্দ্রবংশীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মেলুহার লোকেদের সাহায্য করবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন। চন্দ্রবংশীরা নাগ নামে এক অভিশপ্ত জাতিগোষ্ঠীর সঙ্গে একযোগে যুদ্ধে অবতীর্ণ হল। যদিও তাঁর যাত্রাপথে এবং তারপর যুদ্ধে শিব বুঝতে পারেন, তিনি কী হতে চান আর তাঁর আকাঙ্ক্ষা তাঁকে কী ভীষণ নিয়তির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

ত্রিপাঠী প্রথমে অমঙ্গলের দর্শন নিয়ে একটি বলে ঠিক করেছিলেন। কিন্তু তাঁর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে বাধা দেন। তখন তিনি হিন্দু দেবতা শিবকে নিয়ে একটি বই লেখার সিদ্ধান্ত নেন। তাঁর গল্পের মূল ভিত্তি যে তত্ত্বটি সেটি হল, সব দেবতাই এক সময়ে মানুষ ছিলেন। মানুষের বেশে তাঁদের কীর্তিই তাঁদের দেবতার মতো বিখ্যাত করে তুলেছিল। প্রথম দিকে একের পর এক প্রকাশক বইটি ছাপতে অস্বীকার করেছিল। শেষে ত্রিপাঠী নিজেই বইটি প্রকাশ করবেন বলে ঠিক করেন এবং সেই মর্মে প্রচার অভিযানও চালান। প্রচার অভিযানের অঙ্গ হিসেবে তিনি ইউটিউবে একটি লাইভ-অ্যাকশন ভিডিও আপলোড করেন এবং পাঠক টানার জন্য বইয়ের প্রথম অধ্যায়টি বিনামূল্যে ই-বই আকারে ডাউনলোডের ব্যবস্থা করেন।

২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বইটি প্রকাশিত হওয়ার পর ব্যাপক বাণিজ্যিক সাফল্য[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] পায়। চাহিদার যোগান দিতে বইটি বারবার পুণর্মুদ্রণ করতে হয়। ত্রিপাঠী প্রকাশকও পাল্টান এবং দিল্লিতে বড় করে বই প্রকাশের অনুষ্ঠান করেন। দি ইমমরটালস অফ মেলুহার ১,২৫,০০০-এরও বেশি কপি বিক্রি হয়।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ২০১০ সালে এই বইটি ছিল সেই বছরের সেরা বেস্ট সেলার বইগুলির একটি।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] সমালোচকেরাও বইটির প্রশংসা করেন। তবে কেউ কেউ গল্পের কোনো কোনো অংশে ত্রিপাঠীর রচনা দুর্বলতার কথাও বলেছেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]