দাস প্রথা
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। |
| এই নিবন্ধ অথবা পরিচ্ছেদটি দাসত্ব-এর সাথে একত্রিত করার প্রস্তাব করা হচ্ছে। (আলোচনা করুন) |
[সম্পাদনা] দাস প্রথা কি
প্রাচীন কালে এবং মধ্যযুগে সমাজে মানুষ কেনা বেচার একটি প্রথা ছিল । যা দ্বারা বিভিন্ন মুল্যের বিনিময়ে মানুষ কেনা যেত । এই প্রচলিত প্রথাটিকেই দাস প্রথা বলা হয়ে থাকে ।
[সম্পাদনা] কিভাবে বিক্রি হত
দাস অথবা দাসী বর্তমান বাজারের পণ্যর মতই বিক্রি হত । বতমার্নে যেমন পণ্য বেচা কেনার বাজার আছে অতীতেও দাসদাসী বিক্রি অথবা ক্রয় এর জন্য আলাদা বাজার ছিল । তখন দাসদাসী আমাদানী এবং রপ্তানীতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন হত এবং এটা দেশের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়তো । সাধারণত দাসদাসীরা আফ্রিকান হত । আফ্রিকান দাস এর মধ্যে হাবশি ও কাফ্রি র চাহিদা ছিল বেশী । বাংলায় এসব দাসদাসী ৫ থেকে ৭ টাকায় কেনা যেত এবং স্বাস্থ্যবান দাস প্রায় ২০ থেকে ২২ টাকায় কেনা যেত ।
[সম্পাদনা] দাসদের কাজ
দাসদের দিয়ে ২ ধরনের কাজ করানো হত । কৃষি কাজ এবং গার্হস্থ্য কাজ । তখন সমাজে গুটি কয়েক দাস রাখা একটি সামাজিক মযাদার্র ব্যাপার ছিল ।তাছাড়া উচ্চ বিত্তরা তাদের দাসদের দিয়ে বিভিন্ন কৃষি কাজ করাতেন ।যেমন :হালচাষ,সেচ এর পানি,মাটি উবর কারানো,গবাদী পশু পালন,তাদের রক্ষনাবেক্ষন ইত্যাদি কাজ করতো ।দাসীদের সাধারণত রাখা হতে যৌন লোভ লালসা পূরণ করার জন্য ।তাদের উপপত্নি করে রাখা হত এবং তাদের সন্তানদেরও দাস রুপে রাখা হত বা বিক্রি করা হত ।
ব্রিটেনের সরকার এই দাস প্রথা নিরুৎসাহিত করে এবং ১৮৪৩ সালে আক্ট ফাইভ আইন দ্বারা দাসদাসী আমদানী ও রপ্তানী র্সম্পূন নিষিদ্ধ করা হয় ।