দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
| বিতর্কিত দ্বীপ অন্যান্য নামগুলো: নতুন মুর আইল্যান্ড, পূর্বাশা |
|
|---|---|
| ভূগোল | |
| অবস্থান | বঙ্গোপসাগর |
| স্থানাঙ্ক | 21°37′00″N 89°08′30″E / 21.6166667°উ 89.14167°পূস্থানাঙ্ক: 21°37′00″N 89°08′30″E / 21.6166667°উ 89.14167°পূ |
| আয়তন | ৭ square kilometre (২.৭ বর্গ মাইল) to ১৪ square kilometre (৫.৪ বর্গ মাইল) |
| দৈর্ঘ্য | ৩.৫ কি.মি. (২.২ মা) |
| প্রস্থ | ৩ কি.মি. (১.৯ মা) |
| পরিচালিত | |
| কেউ নয় | |
| দাবি করেছে | |
| জনসংখ্যাতাত্ত্বিক | |
| জনসংখ্যা | 0 |
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্গত একটি উপকূলবর্তী দ্বীপ। ভারত সরকারও দ্বীপটিকে তাদের মালিকানা বলে দাবি করে থাকে। এই এলাকার বাংলাদেশ -ভারতের সীমানা বিভাজক হাড়িয়াভাংগা নদীর মূলস্রোত যেহেতু দ্বীপের পশ্চিম ভাগ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে,সেহেতু "নদীর মূল স্রোতধারার মধ্যরেখা নীতি" বা Thalweg doctrine অনুযায়ী বাংলাদেশ দ্বীপটিকে নিজ দেশের অন্তভুর্ক্ত করছে। অপরদিকে ভারতীয় দাবি হচ্ছে,নদীর মূলস্রোত পরিবর্তনশীল। [১]
আবিষ্কার [সম্পাদনা]
১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে। নদীর মোহনা থেকে দুই কিলোমিটার দূরে এর অবস্থান। ১৯৭৪ সালে একটি আমেরিকান স্যাটেলাইটে আড়াই হাজার বর্গমিটার এ দ্বীপটির অস্তিত্ব ধরা পড়ে। পরে রিমোট সেন্সিং সার্ভে চালিয়ে দেখা গিয়েছিল, দ্বীপটির আয়তন ক্রমেই বাড়ছে এবং একপর্যায়ে এর আয়তন ১০ হাজার বর্গমিটারে দাঁড়ায়। তবে অনেকে দাবি করেন, ১৯৫৪ সালে প্রথম দ্বীপটির অস্তিত্ব ধরা পড়ে। দ্বীপটির মালিকানা বাংলাদেশ দাবি করলেও ভারত ১৯৮১ সালে সেখানে সামরিক বাহিনী পাঠিয়ে তাদের পতাকা ওড়ায়। ভারতের যুক্তি, ১৯৮১ সালের আন্তর্জাতিক জরিপ অনুযায়ী দক্ষিণ তালপট্টির পূর্ব অংশটির অবস্থান ভারতের দিকে, যা ১৯৯০ সালের ব্রিটিশ অ্যাডমিরালটি চার্টেও স্বীকৃত।[২]
বর্তমান অবস্থা [সম্পাদনা]
মার্চ,২০১০ এ বিবিসি খবর অনুযায়ী দ্বীপটি বর্তমানে ২ মিটার সমুদ্রতলে নিমজ্জিত।[৩]