তাসমানিয়ার নেকড়ে
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
| অনুগ্রহ করে এই নিবন্ধ বা অনুচ্ছেদটি সম্প্রসারণ করে এর উন্নতিতে সহায়তা করুন। অতিরিক্ত তথ্যের জন্য আলাপ পাতা দেখতে পারেন। |
| Thylacine[১] জীবাশ্মের ব্যপ্তি: Early Pliocene to Holocene |
|
|---|---|
| ওয়াশিংটন, ডি.সি.তে তাসমানিয়ার নেকড়ে, ১৯০২ | |
| সংরক্ষণ অবস্থা | |
| জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ/রাজ্য: | প্রাণী জগৎ |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| উপপর্ব: | Vertebrata |
| মহাশ্রেণী: | Tetrapoda |
| শ্রেণী: | স্তন্যপায়ী |
| উপশ্রেণী: | Theria |
| Infraclass: | Marsupialia |
| বর্গ: | Dasyuromorphia |
| পরিবার: | †Thylacinidae |
| গণ: | †Thylacinus |
| প্রজাতি: | †T. cynocephalus |
| দ্বিপদ নাম | |
| Thylacinus cynocephalus (Harris, 1808) |
|
তাসমানিয়ার নেকড়ে অস্ট্রেলিয়া তাসমানিয়া দ্বীপে পাওয়া যেত। এই প্রাণীর নাম ছিল থাইলাসিন। একে নেকড়ে বাঘ নামেও ডাকা হত।এই প্রাণীকে পশু পালনের আতঙ্ক মানা হত।
সূচিপত্র |
[সম্পাদনা] আকার
বড় আকারের কুকুরের মত। এর পেছনে সরু ডোরাকাটা লেজ ছিল। গায়ের রং ছিল বাদামি।
[সম্পাদনা] বৈশিষ্ট্য
এটি সবচেয়ে বড় মারসুপিয়াল ছিল।
[সম্পাদনা] পুন্দর্শ্ন
বিলুপ্ত হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পরেও একে দেখা গেছে বলে জানা যায়।
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ Groves, C. (2005). Wilson, D. E., & Reeder, D. M.. ed. Mammal Species of the World (3rd সম্পাদিত). প্রকাশক: Johns Hopkins University Press. pp. 23. ISBN 0-801-88221-4. http://www.bucknell.edu/msw3/browse.asp?id=10800004.