তাফসির

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

তাফসির হলো কুরআন শরীফের বিশদ ব্যাখ্যা। তাফসির কুরআন শরীফের ব্যাখ্যা ও টীকা-ভাষ্য যা অধ্যয়ন করলে এই ঐশী গ্রন্থের অর্থ যথাযথভাবে অনুধাবন করা সম্ভব হয়। কোন শব্দ, শব্দবন্ধ এবং বাক্যের প্রকৃতি অর্থ কী তা তাফসিরে যুক্তি-প্রমাণ সহযোগে বর্ণিত থাকে। এর ফলে অনুধাবনে দ্ব্যর্থতা বা অপূর্ণতা থাকে না। এছাড়া কোন পরিস্থিতিতে কোন বাক্যটি (আয়াত) কেন নাজিল হয়েছিল তা-ও সচরাচর উল্লিখিত থাকে। তাতে কুরআনের নির্দেশনার প্রকৃত তাৎপর্য বোঝা সম্ভব হয়। তাফসিরের সূচনা করেন ইসলামের মহানবি হযরত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম স্বয়ং। ওহী নাজিল হওয়ার পর কুরআনের কোনো আয়াত তাঁর সাহাবীদের নিকট বোধগম্য না হলে তিনি সে আয়াতের ব্যাখ্যা ( তাফসির) করে দিতেন। সাহাবিদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত তাফসিরকারী ছিলেন হজরত আব্দুল্লাহ ইবন আব্বাস (রা.)।, সাহাবীদের যুগে কুরআন শরীফের পূর্ণ তাফসির রচিত বা সংকলিত হয় নি। হিজরি দ্বিতীয় শতাব্দীর প্রারম্ভে তাফসির শাস্ত্রের বিকাশ শুরু হয়। আদি তাফসিরের মধ্যে রয়েছে ইবন জারির তাবারির (মৃত্যু ৩১০ হি) জামি’উল-রয়ান ফি তাফসিরি’ল কোরান, আবুল-লায়স সমরকান্দির (মৃত্যু ৩৭২ হি) বাহরুল-উলুম, হুসাইন ইবন মাসউদ বাগাভির (মৃত্যু ৫১০ হি) মা’আলিমুত-তানজিল এবং ইবন কাছিরের (মৃত্যু ৭৭৪ হি) তাফসিরুল-কুরআনি’ল-আজিম[১][২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. [……….]
  2. [ ….. ]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তাফসির-এ-ইবন কাছীর

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]