ডোরেমন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ডোরেমন
ডোরেমন ভলিউম ১ প্রচ্ছদ.jpg
ডোরেমন ১ম ভলিউমের প্রচ্ছদ
ドラえもん
(দোরাএমোন্)
ধরন আনিমে, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
মাঙ্গা
লেখক ফুজিকো ফুজিও
প্রকাশক শোগাকুকান
আসল চলিত ১৯৬৯ ডিসেম্বর১৯৯৬
খন্ড ৪৫
আনিমে
পরিচালক মিৎশুও কামিনাশি
লেখক ফুজিকো ফুজিও
চিত্রশালা টিএমএস এন্টারটেইনমেন্ট
মুক্তিপ্রাপ্ত ১৯৭৩ এপ্রিল ১১৯৭৩ সেপ্টেম্বর ৩০
আনিমে
পরিচালক ৎসুতোমু শিবায়ামা
চিত্রশালা শিন এই অ্যানিমেশন
অনুমতিপ্রাপ্ত জাপান আসাৎসু-ডিকে
মুক্তিপ্রাপ্ত ১৯৭৯ এপ্রিল ২২০০৫ মার্চ ২৫
আনিমে
পরিচালক কযো কুসুবা
চিত্রশালা শিন এই অ্যানিমেশন
অনুমতিপ্রাপ্ত জাপান আসাৎসু-ডিকে
মুক্তিপ্রাপ্ত ২০০৫ এপ্রিল ১৫ – ongoing
প্রবেশদ্বার আইকন আনিমে এবং মাঙ্গা প্রবেশদ্বার

ডোরেমন (জাপানি: ドラえもん দোরাএমোন্), কিছু বহির্দেশীয় বাজারে ডোরেমন: ভবিষ্যতের যন্ত্র রোবট হিসেবেও পরিচিত[১][২][৩] ফুজিকো ফুজিও কর্তৃক রচিত এবং চিত্রিত একটি জাপানি মাঙ্গা ধারাবাহিক। এটি পরবর্তীতে সফল আনিমে ধারাবাহিকে পরিণত হয়। ধারাবাহিকটি একটি কানহীন রোবোটীয় বিড়াল ডোরেমন-কে নিয়ে, যে ২২-শ শতাব্দী থেকে বর্তমান সময়ে আসে নোবিতা নোবি (野比 のび太 নোবি নোবিতা?) নামক এক স্কুলছাত্রকে সাহায্য করতে।

ডোরেমন মাঙ্গা ধারাবাহিকটি সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সালের ডিসেম্বর মাসে ছয়টি পৃথক ম্যাগাজিনে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথমে মোট ১৩৪৪টি গল্প লেখা হয়েছিল এবং সেগুলো শোগাকুকান তেন্‌তৌমুশি (てんとう虫?) মাঙ্গা ব্যান্ডের অধীনে পঁয়তাল্লিশটি সংখ্যা পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়েছিল। সমস্ত খণ্ডগুলো জাপানের তোয়ামায় অবস্থিত তাকাওকা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, যেখানে ফুজিকো ফুজিও জন্মেছেন। টার্নার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম ১৯৮০-এর মাঝামাঝি সময়ে ডোরেমনের ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশনার স্বত্ব কিনে নেয়,[৪] কিন্তু কোনো পর্বের সম্প্রচারের পূর্বেই কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই তা বাতিল করা হয়।

নাম[সম্পাদনা]

"ডোরেমন" নামটি মোটামুটিভাবে বাংলায় অনুবাদ হতে পারে "পথভ্রষ্ট"। বাংলাতে "ডোরেমন" বানানটি জাপানি বানান "দোরাএমোন্" (ドラえもん)-এর ইংরেজি উচ্চারণের প্রতিলেপন। তাই বাংলাতে আসল বানান "দোরাএমোন্" না লিখে "ডোরেমন" লেখা হয়।

  • "দোরা" শব্দটি নেয়া হয়েছে "দোরা নিকো" (どら猫) থেকে যার মানে নির্লজ্জ বা পথভ্রষ্ট বিড়াল।
  • "এমোন্" (衛門、右衛門) হচ্ছে "গোইমন"-এর মতন পুরুষ প্রদত্ত নামের একটি প্রাচীন উপাদান।

জাপানিতে (ドラえもん) নামটি কাতাকানা (ドラ) এবং হিরাগানা (えもん)-এর শৈল্পিক মিশ্রণ।

কাহিনীসংক্ষেপ[সম্পাদনা]

সময়যন্ত্রের মাধ্যমে আগত ডোরেমনের প্রথম উপস্থিতি।

ডোরেমন ২২শ শতাব্দীর কানহীন বিড়াল রোবট। নোবিতা নোবি-কে সাহায্য করার জন্য ডোরেমনকে ভবিষ্যৎ থেকে পাঠানো হয়। ডোরেমন নোবিতা নোবি-র পরিবারের অংশ। নোবিতা নোবি-র পরিবার জাপানের রাজধানী টোকিওতে বাস করে। নোবিতা নোবি অলস ছেলে। কিন্তু নোবিতা খুবই সহজ সরল। সে অন্যদের সাহায্য করে। তাই তার বান্ধবী "শিযুকা" তাকে পছন্দ করে। নোবিতা-ও তাকে পছন্দ করে। শিযুকা নবিতা-র সাথে একই শ্রেণিতে পড়ে। শিযুকা ভদ্র মেয়ে। ভবিষ্যতে নোবিতা-র সাথে "জিয়ান"-র ছোট বোন "জাইকো"-র সাথে বিয়ে হবার কথা থাকে কিন্তু ডোরেমন নোবিতা-র ভবিষ্যৎ পাল্টিয়ে দেয়। তাই নোবিতা-র সাথে শিযুকা-র বিয়ে হয়। জিয়ান নবিতা-র বন্ধু। জিয়ান খুবই রাগী । জিয়ান খুব শক্তিশালী। জিয়ান বেশীর ভাগ সময় নোবিতা-কে মারতে ভালবাসে। কিন্তু মাঝে মধ্যে সে নোবিতা-কে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করে। জিয়ান গান গেতে ভালোবাসে। কিন্তু জিয়ান-র গান ভয়ানক। জিয়ান তার ছোট বোনকে খুব ভালবাসে। তাই সে তার বোনকে খুশি করার জন্য সবকিছু করে। "সুনিও" বড় ধনি পরিবারের ছেলে। তাই সে গর্ব বোধ করে। সে বেশীর ভাগ সময় জিয়ান-র প্রশংসা করে। এবং নোবিতা-কে অপমান করে থাকে।

প্রধান চরিত্রসমূহ[সম্পাদনা]

ডোরেমনের প্রধান চরিত্রসমূহ

গ্যাজেটসমূহ[সম্পাদনা]

ডোরেমনের একটি "চার ত্রিমাত্রিক" পকেট আছে। যেটিকে জাপানি ভাষায় "ইয়োজিগেন্" পকেট বলে। ওখান থেকে ডোরেমন ভবিষ্যতের নানা সরঞ্জাম বের করে আর এই সরঞ্জামগুলোকে গ্যাজেট বলে। গ্যাজেট-কে জাপানি ভাষায় "দৌগু" বলে। ডোরেমনের প্রায় সাড়ে চার হাজার গ্যাজেট রয়েছে। সে গ্যাজেটগুলো ফুজিকো ফুজিওর কল্পনা হলেও সবগুলোই একদম নিখুদ কল্পনা নয়। অনেকগুলোই জাপানের নিত্য ব্যবহার্য নানা আসবাবপত্রের আদলে তৈরী করা হয়েছে। আর কিছু কিছু গ্যাজেট জাপানি রূপকথাথেকে নেওয়া হয়েছে।ডোরেমনের গ্যাজেটগুলোর মধ্যে অন্যতম এনি হোয়ার ডোর, ব্যম্বো কপ্টার, টাইম মেশিন বা সময় যন্ত্র। এনি হোয়ার ডোর হল একটি দরজা। যেই দরজা দিয়ে ডোরেমন এবং নোবিতা যেখানে খুশি সেখান যেতে পারে। ব্যম্বো কপ্টার হল ছোট হেলিকপ্টার। যেটি মাথায় ডোরেমন ও নোবিতা যেকোন সময় উড়ে যায়। টাইম মেশিন বা সময় যন্ত্রের সাহায্যে যেকোন সময়ে যেতে পারে।

সংস্করণ[সম্পাদনা]

ইংরেজি সংস্করণ[সম্পাদনা]

বিশ্বে এই পর্যন্ত ডোরেমনের ১০০টির বেশী কপি বিক্রি হয়েছে। যেটি মাঙ্গার ইতিহাসে সবচেয়ে বেশী কপি বিক্রি। ডোরেমন পৃথিবীর প্রায় সব ভাষায় সংস্করণ বের হয়েছে। কিন্তু ইংরেজিতে ছিল না। তবে ২০১৪ সালের মে মাসে ইংরেজি সংস্করণের শর্ত কিনে নেয় ডিজনি এক্স ডি। ফলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এখন ডোরেমন সম্প্রচার করছে ডিজনি এক্স ডি। কিন্তু জাপানি সংস্করণ আর ইংরেজি সংস্করণ অন্যেক পার্থক্য রয়েছে। ডোরেমন চরিত্রের পরিবর্তন করা হয়েছে। নোবিতা-র নাম নোবি, তাকেশি গৌদা বা জিয়ান-র নাম "বিগ জি", শিযুকা-র নাম "সু" এবং সুনিও-র নাম "স্নিচ্" দেয়া হয়েছে।তবে ডোরেমন আর নোবিতার নামে বেশী পরিবর্তন করা হয়নি। এছাড়াও আরো পার্থক্য রয়েছে জাপানি সংস্করণে ডোরেমনরা প্রচুর মিষ্টি খায়। কিন্তু ইংরেজি সংস্করণে ডোরেমনরা ফল খাবে। জাপানি সংস্করণ নোবিতা মাঝেমধ্যে শিযুকা-র গোসলখানায় ঢুকে যায়। কিন্তু ইংরেজি সংস্করণে শিযুকা-র গোসল করার অংশটুকু বাদ দেয়া হয়েছে। আর ডোরেমনের জাপানি খন্ড গুলোর পাতার মধ্যে ১২০০টি পাতা ইংরেজিতে অনুবাদ করা হয়েছে। আর এটি অনলাইনে আমাজন.কম এ ই বুক হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে।[৫][৬][৭][৮][৯][১০]

বাংলা সংস্করণ[সম্পাদনা]

ডোরেম বাংলার টিভি স্ক্রিনশট

২০১৪ এপ্রিল ১ থেকে বাংলাদেশের স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল এশিয়ান টিভি আনিমেটি জাপানি থেকে বাংলায় ডাবিং (গলার স্বর চাইনি) করে সম্প্রচার করছে। ডাবিং সংষ্করণটিতে শিশুদের জন্য ক্ষতিকর অভিযুক্ত আপত্তিকর অংশগুলো বাদ দেয়া হয়েছে। এশিয়ান টিভি বাংলাদেশী সময় অনুযায়ী প্রতিদিন বিকাল সাড়ে ৫টায় সম্প্রচার করবে।[১১]

ইতালিয় সংস্করণ[সম্পাদনা]

ইতালিয় প্রচ্ছদ ১

ডোরেমন পৃথিবীর অনেক দেশে প্রচার করা হচ্ছে। তাদের মধ্যে ইতালিয় অন্যতম। ইতালিয়তে ডোরেমন ডাব করা হয়েছে। প্রথম ইতালিয় ডাব রাই টু তে ১৯৮২ সালের নভেম্বর এ সম্প্রচার শুরু হয়। তখন ১০৯টি পর্ব ডাব করা হয়েছিল। এরপরে জুনিয়র টিভি,সুপারসিক্স,ওডেইওন টিভি৭ পাদি সম্প্রচার শুরু করে।

২০০৩ সালে দ্বিতীয় ইতালিয় ডাব সম্প্রচার শুরু হয়। যেটি পরিবেশনা করে মেডিয়াসেট। এটি আসলে সম্প্রচার করে ইটালিয়া ১। কিন্তু পরে এটাকে বোয়িং এবং হিরো তে স্থান্তর করে। তখন এর ৯৯৩টি পর্ব ডাব করা হয়েছিল। এই ডাবে কিছু পরিবর্তন করা হয়েছিল।

ইতালিয় সংস্করণে পরিবর্তনসমূহ[সম্পাদনা]

ওপেনিং থিম উভয় ভাবে নতুন থিমে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। প্রথম ওপেনং থিম ডাব আই গাতো ডোরেমন। যেটির বাংলা অর্থ ডোরেমন বিড়াল। এই থিমে গান করেছেন ওলিভার ওনিওনস।সমাপনী থিম যেটি হল ডোরেমন নো উটা যেটির ইতালিয় ডাবে গান করেছেন ইনোস্টরি ফিলগি।দ্বিতীয় ডাবের উভয় থিম সঙ্গীত ডোরেমন গান করেছেন ক্রিস্টনিয়া ডিঅ্যাভেনা।এছাড়াও ডোরেমন ব্যতিত অন্য চরিত্রসমূহের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। নোবিতার নাম গুগলিয়া।শিযুকার নাম সুসি। জিয়ানের নাম জিয়ানজি। সুনিও এর নাম জিপ্পো।

হিন্দি সংস্করণ[সম্পাদনা]

হিন্দি সংস্করণ প্রথম সম্প্রচার শুরু হয় ২০০৫ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি। যেটি সম্প্রচার করে হাঙ্গামা টিভি।পরবর্তীতে হাঙ্গামার সিটার্স চ্যানেল ডিজনি চ্যানেল ইন্ডিয়া সম্প্রচার শুরু করে। ডিজনি চ্যানেল ২০১০ সালের ১৯ নভেম্বর থেকে সম্প্রচার শুরু করে। সেই পর্বগুলো ছিল পুরাতন। যা আগেই হাঙ্গামা টিভি সম্প্রচার করেছে।

ইন্দোনেশিয় সংস্করণ[সম্পাদনা]

ইন্দোনেশিয় সংস্করণটি প্রতি সোমবার সকাল ৮টায় প্রচার করে আসছে ইন্দোনেশিয় চ্যানেল।

কোরীয় সংস্করণ[সম্পাদনা]

কোরীয় সংস্করণ প্রথম সম্প্রচার করে এমবিসি। যেটির সময় ছিল ২০০১ থেকে ২০০২। এর পরে আনিওন এবং চ্যাম্প টিভি ২০০৬ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সম্প্রচার করে আসছে।

মালয় সংস্করণ[সম্পাদনা]

১৯৮৭ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত টিভি ১ সম্প্রচার করে। কিন্তু পরে এনটিভি ৭ সম্প্রচার শুরু করে। যেটি ২০০৮ থেকে বর্তমান পর্যন্ত সম্প্রচার করে আসছে। মালয় সংস্করণে ডোরেমন অত্যাধিক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

মাধ্যম[সম্পাদনা]

মাঙ্গা[সম্পাদনা]

১৯৬৯ সালের ডিসেম্বরে ডোরেমন জাপানের ৬টি আলাদা আলাদা শিশুদের ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। ম্যাগাজিনগুলো শিশুদের শ্রেণি অনুযায়ী বিভক্ত ছিল। যথাঃ "ইয়োইকো" (ভদ্র শিশুদের জন্য), "ইচিন্" (নার্সারী বিদ্যালয়ের শিশুদের জন্য) "সোগাকু ইচিনেচি" (১ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য), "সোগাকু ইয়োনেনসেই" (চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য)। ১৯৭৩ সালে ধারাবাহিক আরো ২টি ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। যেগুলো হলঃ সোগাকু গোনেনসেই (৫শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য), সোগাকু রোকুনেনসেই (৬ষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য)। ১৯৭৭ সালে কোরোকোরো কমিক ডোরেমনের ম্যাগাজিন প্রকাশিত করে। আসল মাঙ্গা ভিত্তি করে ডোরেমনের চলচ্চিত্রসমূহ কোরোকোরো কমিক এ প্রকাশিত হয়। আর এই গল্পগুলো টেন্ট মুসহি সংরক্ষণ করেছে। ১৯৬৯সাল থেকে ডোরেমনের ৪৫টি খন্ড প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৪ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে। এবং এর প্রচলন হয়েছিল ৮০ মিলিয়নের বেশী।ডোরেমন নানা প্রকার মাঙ্গায় প্রকাশিত হয়েছিল। যেটি পরিবেশনা করেছিল সোগাকুকান। ২০০৫ সালে সোগাকুকান ডোরেমনের আলো ৫টি খণ্ড প্রকাশিত করে। যেটির নাম দেওয়া হয়ে ছিল ডোরেমন প্লাস। এটা টেন্ট মুসির সংরক্ষণগারে সংরক্ষণ হয়নি ।

আনিমে[সম্পাদনা]

টেলিভিশন ধারাবাহিক[সম্পাদনা]

১৯৭৩ সালে ডোরেমন অ্যানিমেটেড সিরিজ তেমন জনপ্রিয় হয়ে ছিল না। কিন্তু ১৯৭৯ সালে ডোরেমন প্রচুর জনপ্রিয়তা লাভ করে। যেটির নতুন স্টুডিও ছিল (সিন-আই-আনিমেশন বর্তমানে টিভি আসহির মালিকানায়)। এই জনপ্রিয় সিরিজ টি ২০০৫ সালের মার্চ মাসে ১৭৮৭টি পর্ব নিয়ে যাত্রা শেষ করে। ২০০৫ সালের ১৫ এপ্রিল টিভি আসহিতে ডোরেমনের নতুন সিরিজ যাত্রা শুরু করে। যেটিতে নতুন কণ্ঠ অভিনেতারা কণ্ঠ দিয়েছেন। এবং সকল চরিত্রের চেহারায় পরিবর্তন আনা হয়েছে। শিযুকার চুল বাদামি থেকে কাল করা হয়।

২০১৪ সালে ডোরেমনকে ইংরেজিতে ডাব করা হয়েছে। এবং এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডিজনি এক্স ডি সম্প্রচার করছে। এটি সপ্তাহের ৭দিনের ৫দিন সম্প্রচার করা হবে। এটির পরিবেশনায় ব্যাং জুম এ্যান্টারটেইনমন্ট।

কাহিনী চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

১৯৮০ সালে, তোহো সর্বপ্রথম ডোরেমনের বার্ষিক পূর্ণ দৈঘ্যের চলচ্চিত্র মুক্তি দেয়। যেটি মাঙ্গার বিশেষ খন্ডের উপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।

ভিডিও গেম[সম্পাদনা]

এই বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য, দেখুন ডোরেমন ভিডিও গেমের তালিকা

সঙ্গীত[সম্পাদনা]

ডোরেমন দ্য মিউজিক্যাল: নোবিতা এ্যন্ড দ্য আনিমেল প্লানেট (舞台版ドラえもん のび太とアニマル惑星(プラネット)」。 বুতাইবান্ দোরাএমোন্: নোবিতা তো আনিমারু পুরানেৎতো?) ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি সঙ্গীতধর্মী চলচ্চিত্র যা ১৯৯০ সালের একই নামের আনিমে চলচ্চিত্র অবলম্বনে নির্মিত।[১২] এটি সেপ্টেম্বর ১৪ থেকে সেপ্টেম্বর ৪, ২০০৮ পর্যন্ত টোকিও মেট্রোপলিটন আর্ট স্পেসে প্রদর্শনী হয়েছিলো।[১৩] ওয়াসাবি মিজুতা এ চলচ্চিত্রে ডোরেমনের কণ্ঠ প্রদান করেছিলেন।

অভ্যর্থনা[সম্পাদনা]

  • ডোরেমনের ১০০ মিলিয়ন কপির বেশি মাঙ্গা কপি বিক্রয় হয়েছে।
  • ১৯৮২ সালে ডোরেমন সেরা শিশুতোষ মাঙ্গা হিসেবে শোগাকুকান মাঙ্গা এওয়ার্ড লাভ করে।
  • ১৯৯৭ সালে প্রথম ওসামু তেজুকা কালচার অ্যাওয়ার্ড লাভ করে।
  • ২০০৮ সালে জাপানের প্রবাসি মন্ত্রালয় ডোরেমনকে আনিমে সভ্যতার রাষ্ট্রদূত হিসেবে নির্বাচিত করে।
  • ২০০২ সালের ২২এপ্রিল ডোরেমন টাইম ম্যাগাজিনে মনোয়ন লাভ করে। ডোরেমন এশিয়ার ২২হিরোর এক হিরো হিসেবে মনোয়ন লাভ চরে। এতে ডোরেমন এশিয়ার সেরা হিরো হিসেবে নির্বাচিত হয়।
  • ২০১২ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর ডোরেমনের অফিসিয়াল শহর হিসেবে কাওয়াসাকি নির্বাচিত হয়।

উত্তরাধিকারী[সম্পাদনা]

কাওয়াসাকি সিটির বাস

২০১১ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর কাওয়াসাকি শহরে এ ফুজিকো এফ ফুজিকো জাদুঘর শুরু হয়েছিল। কাহিনী চিত্রে ডোরেমন জাদুঘরের তারা। ডোরেমন স্বীকার করার যোগ্য যে ডোরেমন সবচেয়ে পুরাতন এবং চলমান প্রতিমূর্তি। ডোরেমন এই প্রজম্মের সমসাময়িক চরিত্র।

নোবিতা বিশ্বের কিছু কিছু দেশে সবচেয়ে অদ্ভূত নায়ক হিসেবে পরিচিত।বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।

ইএসপি গিটার ডোরেমন কয়েকটি গিটার তৈরী করেছিল।যেটি শুধুমাত্র শিশুদের জন্য।

২০১১ সালের শেষদিকে শোগাকুকান এবং টোয়্যোটা নিজের ক্ষমতায় যোগদান করে একটি লাইফ অ্যাকশন বাণিজ্যিক সিরিজ তৈরী করতে। এই বাণিজ্যিক কথায় ফুটিয়ে তোলা চরিত্র ২০ বছরের মতো পুরাতন। এটিতে হলিউড অভিনেতা জেন রেনো ডোরেমনের অভিনয় করেছে। ডোরেমনের এই সাফল্যের জন্য ডোরেমন এখন জাপানের সংস্কৃতির অংশ।জাপানের খবরের কাগজ ডোরেমন এবং তার পকেট নিয়ে যোগ্যতা মূলক সন্তুষ্টিজনক উদাহরণ দিয়ে থাকে। টিভি আসহি ডোরেমন তহবল প্রতিষ্ঠা করে।সেই তহবিলে টাকার পরিমাণ বাড়তে থাকে। এই টাকা কোন প্রাকৃতি দুর্যোগ হলে সেই অঞ্চলে সাহায্য করে।

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ডোরেমন বন্ধ"bdnews24.com। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  2. "হিন্দি নহি চলেগা"আনন্দবাজার পত্রিকা। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  3. "ইন্ডিয়া ফয়েল্সের তারাতলা কারখানা খোলার উদ্যোগ"আনন্দবাজার পত্রিকা। সংগৃহীত ৬ অক্টোবর ২০১১ 
  4. "Fujiko F. Fujio Museum"। Japan Reference। সংগৃহীত September 11, 2012 
  5. 「ヤメサセロボット」(『小学二年生』1982年12月号掲載、単行本未収録)の全体
  6. 「空中つりセット」(『小学一年生』1982年12月号掲載、単行本未収録)
  7. 「さかさカメラ」(『小学四年生』1981年12月号掲載、単行本未収録)の扉以外全て
  8. 第26巻収録「空気中継衛星」
  9. 「しずちゃんとスイートホーム」第35巻収録
  10. 「サカユメンでいい夢見よう」第36巻収録
  11. "আজ থেকে বাংলায় "ডোরেমন""দৈনিক সমকাল। এপ্রিল ০১, ২০১৪। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৪ 
  12. Event information, News about the musical
  13. "Events Calendar"। Tokyo Metropolitan Art Space। সংগৃহীত August 13, 2008 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]