ডোরেমন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ডোরেমন
ডোরেমন ভলিউম ১ প্রচ্ছদ.jpg
ডোরেমন ভলিউম ১ প্রচ্ছদ
ドラえもん
Genre কমেডি-নাটক, বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
Manga
লেখক ফুজিকো এফ. ফুজিও
প্রকাশক শোগাকুকান
ইংরেজি প্রকাশক টেমপ্লেট:English anime licensees
জনতাত্ত্বিক শিশুতোষ
পত্রিকা (various Shogakukan's kids magazines)
Original run ডিসেম্বর ১৯৬৯১৯৯৬
খণ্ড ৪৫ (খন্ডের তালিকা)
Anime
পরিচালক মিতশুও কামিনাশি
লেখক ফুজিকো ফুজিও
চিত্রশালা টিএমএস এন্টারটেইনমেন্ট
মুক্ত প্রাপ্ত ১ এপ্রিল ১৯৭৩৩০ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩
Anime
পরিচালক ৎসুতোমু শিবায়ামা
চিত্রশালা শিন এই অ্যানিমেশন
অনুমতিপ্রাপ্ত জাপান আসাৎসু-ডিকে
মুক্ত প্রাপ্ত ২ এপ্রিল ১৯৭৯২৫ মার্চ, ২০০৫
Anime
পরিচালক কযো কুসুবা
চিত্রশালা শিন এই অ্যানিমেশন
অনুমতিপ্রাপ্ত জাপান আসাৎসু-ডিকে
মুক্ত প্রাপ্ত ১৫ এপ্রিল ২০০৫ – ongoing
Anime and Manga Portal

ডোরেমন(জাপানি: ドラえもん; কিছু বহির্দেশীয় বাজারে ডোরেমন: ভবিষ্যতের যন্ত্র রোবট হিসেবেও পরিচিত)[১][২][৩] ফুজিকো ফুজিও কর্তৃক রচিত এবং চিত্রিত একটি জাপানি মাঙ্গা ধারাবাহিক। এটি পরবর্তীতে সফল আনিমে ধারাবাহিকে পরিণত হয়। ধারাবাহিকটি একটি কানহীন রোবোটিক বিড়াল ডোরেমন-কে নিয়ে, যে ২২-শ শতাব্দী থেকে বর্তমান সময়ে আসে নোবিতা নোবি (野比 のび太 নোবি নোবিতা?) নামক এক স্কুলছাত্রকে সাহায্য করতে।

ডোরেমন মাঙ্গা ধারাবাহিকটি সর্বপ্রথম ১৯৬৯ সালের ডিসেম্বর মাসে ছয়টি পৃথক ম্যাগাজিনে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। প্রথমে মোট ১৩৪৪টি গল্প লেখা হয়েছিল এবং সেগুলো শোগাকুকান টেন্‌টোমুশি (てんとう虫?) মাঙ্গা ব্যান্ডের অধীনে পঁয়তাল্লিশটি সংখ্যা পর্যন্ত প্রকাশ করা হয়েছিলো। সমস্ত খন্ডগুলো জাপানের তোয়ামায় অবস্থিত টাকাওকা কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিলো, যেখানে ফুজিকো ফুজিও জন্মেছেন। টার্নার ব্রডকাস্টিং সিস্টেম ১৯৮০-এর মাঝামাঝি সময়ে ডোরেমনর ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশনার স্বত্ব কিনে নেয়,[৪] কিন্তু কোনো পর্বের সম্প্রচারের পূর্বেই কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই তা বাতিল করা হয়।

নাম[সম্পাদনা]

"ডোরেমন" নামটি মোটামুটিভাবে অনুবাদ হতে পারে ইংরেজি "স্টারে" (বাংলায় "পথভ্রষ্ট") শব্দ থেকে। "ডোরা" শব্দটি নেয়া হয়েছে "ডোরা নিকো" থেকে (নির্লজ্জ বা পথভ্রষ্ট বিড়াল, どら猫)। "ইমন" 衛門、右衛門 হচ্ছে "গোইমন"-এর মতো পুরুষ প্রদত্ত নামের একটি প্রাচীন উপাদান। তবে "ডোরা" নামটি ডোরা 銅鑼 শব্দ থেকে উদ্ভুদ্ধ হয়নি। মূলত নাম "ডোরেমন" (ドラえもん?) নামটি কাটাকানা (ドラ) এবং হিরাগানা (えもん)-এর শৈল্পিক মিশ্রণ।

কাহিনিসংক্ষেপ[সম্পাদনা]

সময় মেশিনের মাধ্যমে আগত ডোরেমনের প্রথম উপস্থিতি।

ডোরেমন ২২শ শতাব্দীর কানহীন বিড়াল রোবট। নোবিতার নোবির নাতি সিবাসি তার দাদাকে বা নোবিতাকে সাহায্য করার জন্য ডোরেমনকে ভবিষ্যত থেকে পাঠায়। ডোরেমন নোবিতা নোবির পরিবারের অংশ। নোবিতা নোবির পরিবার জাপানের রাজধানী টোকিও তে বাস করে। নোবিতা নোবি অলস ছেলে। কিন্তু নোবিতা খুবই সহজ সরল। সে অন্যদের সাহায্য করে। তাই তার বান্ধবী সিজুকা তাকে পছন্দ করে। নোবিতাও তাকে পছন্দ করে। সিজুকা নবিতার সাথে একই শ্রেণিতে পড়ে। সিজুকা ভদ্র মেয়ে। ভবিষ্যতে নোবিতার সাথে জিয়ানের ছোট বোন জেকোর সাথে বিয়ে হওয়ার কথা থাকে কিন্তু ডোরেমন নোবিতার ভবিষ্যত পাল্টিয়ে দেয়। তাই নোবিতার সাথে সিজুকার বিয়ে হয়। জিয়ান নবিতার বন্ধু। জিয়ান খুবই রাগী । জিয়ান খুব শক্তিশালী। জিয়ান বেশীর ভাগ সময় নোবিতাকে মারতে ভালোবাসে। কিন্তু মাঝে মধ্যে সে নোবিতাকে বিপদের হাত থেকে রক্ষা করে। জিয়ান গান গেতে ভালোবাসে। কিন্তু জিয়ানের গান ভয়ানক। জিয়ান তার ছোট বোনকে খুব ভালোবাসে। তাই সে তার বোনকে খুশি করার জন্য সবকিছু করে। সোনিও বড় পরিবারের ছেলে। তাই সে গর্ব বোধ করে। সে বেশীর ভাগ সময় জিয়ানের প্রশংসা করে। এবং নোবিতাকে অপমান করে।

প্রধান চরিত্রসমূহ[সম্পাদনা]

  1. ডোরেমন:ডোরেমন ২২শ শতাব্দীর কানহীন বিড়াল রোবট ।সে নোবিতাকে সাহায্য করতে এসেছে। সে নবিতাকে ভাইয়ের মতো দেখে ।সে নোবিতাকে ভালোবাসে । আর নোবিতাও তাকে ভালোবাসে । দুজন ভাইয়ের মতো থাকে । সে ডোরা কেক নামক একধরণের কেক খেতে ভালোবাসে । আর সে ইঁদুর দেখলে ভয় পায়।
  2. নোবিতা:নোবিতা অলস ছেলে। সে সবসময় ডোরেমনের উপর নির্ভরশীল । সে পরীক্ষায় সাধারণত পায় । তাই তার বাবা মা ও শিক্ষক বিরক্ত থাকে । কিন্তু নোবিতা সহজ সরল। সে অন্যের উপকার করতে পছন্দ করে ।
  3. সিজুকা:সিজুকা নোবিতার বন্ধু।সিজুকা ভদ্র মেয়ে।সে নোবিতার সবচেয়ে ভাল বন্ধু ।
  4. জিয়ান:জিয়ান নবিতার বন্ধু। তবে সে নবিতা এবং তার বন্ধুদের মারতে ভালবাসে। কিন্তু কিছু পর্বে সে নোবিতা ও তার বন্ধুকে বাঁচানোর জন্য সবকিছু করতে পারে ।
  5. সুনিও: সুনিও নবিতার বন্ধু। সে ধনী পরিবারের ছেলে। তাই সে বেশীর ভাগ সময় নিজের প্রশংসা বন্ধুদের কাছে করে । আর সে নিজেকে মহান ভাবে।

মাধ্যম[সম্পাদনা]

মাঙ্গা[সম্পাদনা]

ইংরেজি সংস্করণ[সম্পাদনা]

বাংলা সংস্করণ[সম্পাদনা]

ডোরেমন বাংলার টিভি স্ক্রিনশট

১লা এপ্রিল,২০১৪ থেকে বাংলাদেশের স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল এশিয়ান টিভি কার্টুনটি বাংলায় ডাবিং করে সম্প্রচার করছে। ডাবিং সংষ্করণটিতে শিশুদের জন্য ক্ষতিকর অভিযুক্ত আপত্তিকর অংশগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে।[৫]

আনিমে[সম্পাদনা]

টেলিভিশন ধারাবাহিক[সম্পাদনা]

চলচ্চিত্র[সম্পাদনা]

ভিডিও গেম[সম্পাদনা]

সঙ্গীত[সম্পাদনা]

ডোরেমন দ্য মিউজিক্যাল: নোবিতা এ্যন্ড দ্য আনিমেল প্লানেট (舞台版ドラえもん のび太とアニマル惑星(プラネット)」。 Butaiban Doraemon: Nobita to Animaru Puranetto?) ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত একটি সঙ্গীতধর্মী চলচ্চিত্র যা ১৯৯০ সালের একই নামের আনিমে চলচ্চিত্র অবলম্বনে নির্মিত।[৬] এটি সেপ্টেম্বর ১৪ থেকে সেপ্টেম্বর ৪, ২০০৮ পর্যন্ত টোকিও মেট্রোপলিটন আর্ট স্পেসে প্রদর্শনী হয়েছিলো।[৭] ওয়াসাবি মিজুতা এ চলচ্চিত্রে ডোরেমনের কণ্ঠ প্রদান করেছিলেন।

উপাখ্যান[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "ডোরেমন বন্ধ"bdnews24.com। সংগৃহীত ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  2. "হিন্দি নহি চলেগা"আনন্দবাজার পত্রিকা। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  3. "ইন্ডিয়া ফয়েল্সের তারাতলা কারখানা খোলার উদ্যোগ"আনন্দবাজার পত্রিকা। সংগৃহীত ৬ অক্টোবর ২০১১ 
  4. "Fujiko F. Fujio Museum"। Japan Reference। সংগৃহীত September 11, 2012 
  5. "আজ থেকে বাংলায় "ডোরেমন""দৈনিক সমকাল। এপ্রিল ০১, ২০১৪। সংগৃহীত সেপ্টেম্বর ১৯, ২০১৪ 
  6. Event information, News about the musical
  7. "Events Calendar"। Tokyo Metropolitan Art Space। সংগৃহীত August 13, 2008 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]