ডেভিড গিলমোর

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এই নিবন্ধটি ইংরেজি রক সঙ্গীতজ্ঞ সম্পর্কিত। দ্যা ইপোনিমাস অ্যালবাম জন্য, দেখুন ডেভিড গিলমোর (অ্যালবাম)। আমেরিকান জ্যাজ গিটারবাদক জন্য, দেখুন ডেভিড গিলমোর
ডেভিড গিলমোর নামের অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের জন্য, দেখুন ডেভিড গিলমোর (দ্ব্যর্থতা নিরসন)
ডেভিড গিলমোর
সিবিই
David Gilmour in Munich July 2006-ed-.JPG
গিলমোর, মিউনিখ, জার্মানি, ২৯শে জুণাই ২০০৬
প্রাথমিক তথ্যাদি
জন্ম নাম ডেভিড জন গিলমোর
জন্ম (১৯৪৬-০৩-০৬) ৬ মার্চ ১৯৪৬ (বয়স ৬৮)
ক্যামব্রিজ, ইংল্যান্ড
ধরন প্রগ্রেসিভ রক, সাইকেডেলিক রক, আর্ট রক
পেশা সংগীতজ্ঞ, গায়ক, গীতিকার, প্রয়োজক, music programmer
বাদ্যযন্ত্র Vocals, গীটার, বেস, keyboards, saxophone
কার্যকাল ১৯৬৩–বর্তমান
লেবেল ইএমঅাই কলম্বিয়া, হার্ভেস্ট, ক্যাপিটল, কলাম্বিয়া, সনি, ইএমঅাই
সহযোগী শিল্পী জোকারস ওয়াইল্ড, পিংক ফ্লয়েড, কেট বুশ, দ্যা ওরব্, পল ম্যাককার্টনি, ব্রায়ান ফেরি
ওয়েবসাইট www.davidgilmour.com
উল্লেখযোগ্য বাদ্যযন্ত্র

ডেভিড জন গিলমোর, (ইংরেজি: David Jon Gilmour) সিবিই (জন্ম ১৯৪৬ মার্চ ৬), একজন ইংরেজ সঙ্গীতজ্ঞ, গায়ক, গীতিকার এবং বিভিন্ন যন্ত্রবাদক। তিনি প্রগ্রেসিভ রক ব্যান্ড পিংক ফ্লয়েডের একজন গীটারবাদক এবং অন্যতম গায়ক হিশেবে বেশ পরিচিত। ২০১২ সালের হিসাবে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ৭৪.৫ মিলিয়ন ইউনিটসহ বিশ্বব্যাপী ২৫০ মিলিয়নের বেশি রেকর্ড বিক্রি হয়েছে বলে অনুমান করা হয়।[১]

পিংক ফ্লয়েডের সঙ্গে বাজানো ছাড়াও, গিলমোর বিভিন্ন শিল্পীদের তৈরি করেছেন, এবং একজন একক শিল্পী হিসেবে সফল কর্মজীবন উপভোগ করেছেন। তিনি সক্রিয়ভাবে বিভিন্ন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত হয়েছেন। ২০০৫ সালে, সংগীত পরিসেবার জন্যে গিলমোর সিবিই নিযুক্ত হন।[২] ২০০৮ সালে তাকেঁ কিউ অ্যাওয়ার্ডে বিশিষ্ট অবদান শিরোনামে ভূষিত করা হয়।[৩] ২০১১ সালে, রোলিং স্টোন ম্যাগাজিনের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গিটার তালিকায় তাকেঁ ১৪ নম্বর স্থান রাখা হয়।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

ডেভিড জন গিলমোর, ৬ মার্চ ১৯৪৬ সালে ক্যামব্রিজ, ইংল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।[৪] তাঁর পিতা, ডগলাস গিলমোর ছিলেন কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিজ্ঞানের প্রবীণ অধ্যাপক এবং মাতা সিলভিয়া (নী উইলসন) ছিলেন শিক্ষক এবং চলচ্চিত্র সম্পাদক; পরবর্তীতে যিনি বিবিসি'র হয়েও ​​কাজ করেন। গিলমোরের জন্মের সময় তারা ট্রামপিঙ্গটন, কেমব্রীজশায়ারে বসবাস করতো, তবে ১৯৫৬ সালে এই দম্পতি গ্রান্টচেস্টার মিডোসে স্থানান্তরিত হন।[৫][n ১]

গিলমোরের বাবা সংগীতে তাঁর আগ্রহ উত্সাহিত করতেন এবং ১৯৫৪ সালে তিনি তাঁর প্রথম একক অ্যালবাম বিল হালেই-এর "রক অ্যারাউন্ড দ্যা ক্লক" কেনেন।[৭] এরপর সংগীতের প্রতি তাঁর উদ্দীপনা আন্দোলিত হয়েছে এলভিস প্রেসলির "হার্টব্রেক হোটেল"এবং পরবর্তিতে দ্যা এভ্রিলি ব্রাদার্সের "বাই বাই লাভ" হানের মাধ্যমে।

পিংক ফ্লয়েড[সম্পাদনা]

বাদ্যযন্ত্র শৈলী[সম্পাদনা]

একক প্রকল্প[সম্পাদনা]

সরঞ্জাম[সম্পাদনা]

অন্যান্য বৈদ্যুতিক গিটার[সম্পাদনা]

ইস্পাত গিটার[সম্পাদনা]

বেস গিটার[সম্পাদনা]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

গিলমোর, ৮ জুলাই ২০০৫

গিলমোরের প্রথম বিবাহ ছিলো ৭ই জুলাই ১৯৭৫ সালে, আমেরিকান-জন্মগ্রহণকারী মডেল এবং শিল্পী জিঞ্জার গিলমোর সাথে।[৮] এই দম্পতির চার সন্তান ছিল: এলিস (জন্ম ১৯৭৬), ক্লেয়ার (জন্ম ১৯৭৯), সারা (১৯৮৩) এবং ম্যাথু (জন্ম ১৯৮৬)।[৯] তারা মূলত একটি ওয়ালডোর্ফ বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন, তবে গিলমোর তাদের সেই শিক্ষাকে "ভয়ঙ্কর" বলে আখ্যায়িত করেন।[১০] ১৯৯৪ সালে তিনি সাংবাদিক পলি স্যামসনকে বিয়ে করেন। তাঁর নিতবর ছিলো কিশোর বন্ধু এবং পিঙ্ক ফ্লয়েড অ্যালবাম আর্টওয়ার্ক ডিজাইনার স্ট্রম থ্রগসন[১১] এই দম্পতির চার সন্তান: চার্লি (জন্ম ১৯৯১) (স্যামসন এর পুত্রের সঙ্গে হেথ হিথকোট উইলিয়ামস যাকে গিলমোর দত্তক গ্রহন করেন), জো (জন্ম ১৯৯৫), গ্যাব্রিয়েল (জন্ম ১৯৯৭), এবং রোমানি (জন্ম ২০০২)।[১২] দ্যা ডিভিশন বেল অ্যালবামের "হাই হোপস" গানের শেষাংশে চার্লিকে টেলিফোনে কথা বলতে শোনা যায় স্টিভ ও'রোয়ারকির সাথে।[১৩]

ডিস্কোগ্রাফি[সম্পাদনা]

স্টুডিও অ্যালবাম

পাদটিকা[সম্পাদনা]

  1. গিলমোরের তিন ভাইবোন: পীটার, মার্ক এবং ক্যাথারিন.[৬]

উদ্ধৃতিসমূহ[সম্পাদনা]

  1. ২৫০ মিলিয়ন বিক্রির রেকর্ড দেখুন: "Pink Floyd Reunion Tops Fans' Wish List in Music Choice Survey"ব্লুমবার্গ টেলিভিশন। ২০০৭-০৯-২৬। সংগৃহীত ২০১৪-০২-১৯ ; ৭৪.৫ মিলিয়ন বিক্রির আরআইএএ প্রত্যয়িত ইউনিট রেকর্ড দেখুন: "শীর্ষ বিক্রীত শিল্পী"আরআইএএ। সংগৃহীত ২০১৪-০২-১৯ 
  2. Blake 2008, পৃঃ  378
  3. "Q Awards 2008 Outstanding Contribution"। .qawards.co.uk। সংগৃহীত 20 July 2011 
  4. ফিচ্ ২০০৫
  5. ব্লেক ২০০৮: ট্রামপিঙ্গটন; ম্যানিং ২০০৬.
  6. ব্লেক ২০০৮
  7. Manning 2006, pp 10–11
  8. Gilmour, Ginger। "Ginger Art"। সংগৃহীত 15 July 2011 
  9. Fitch ২০০৫, পৃঃ  ১১৬
  10. "Daily Telegraph Article: "We Don't Need No Steiner Education""। Waldorfcritics.org। আসল থেকে 20 July 2011-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 19 January 2009 
  11. Samson, Polly (18 April 2013)। "Best man at our wedding"। সংগৃহীত 18 April 2013 
  12. Blake 2008, p. 371: Romany, Fitch 2005, p. 116: Charlie, Joe and Gabriel.
  13. Fitch 2005, পৃঃ  115

উৎসসমূহ[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন[সম্পাদনা]

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]