ডেনিস লিলি
| ব্যক্তিগত তথ্য | ||||
|---|---|---|---|---|
| পূর্ণ নাম | ডেনিস কিথ লিলি | |||
| উচ্চতা | ৫ ফুট 11.5 ইঞ্চি (১.৮২ মিটার) | |||
| ব্যাটিংয়ের ধরন | ডানহাতি ব্যাটসম্যান | |||
| বোলিংয়ের ধরন | ডানহাতি ফাস্ট | |||
| ভূমিকা | বোলার | |||
| আন্তর্জাতিক তথ্য | ||||
| জাতীয় পার্শ্ব | অস্ট্রেলিয়া | |||
| টেস্ট অভিষেক | ২৯ জানুয়ারি ১৯৭১ বনাম ইংল্যান্ড | |||
| শেষ টেস্ট | ২ জানুয়ারি ১৯৮৪ বনাম পাকিস্তান | |||
| ওডিআই অভিষেক | ২৪ আগস্ট ১৯৭২ বনাম ইংল্যান্ড | |||
| শেষ ওডিআই | ১৮ জুন ১৯৮৩ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ | |||
| দেশীয় দলের তথ্য | ||||
| বছর | দল | |||
| ১৯৮৮ | নর্দাম্পটনশায়ার | |||
| ১৯৮৭–১৯৮৮ | তাসমানিয়া | |||
| ১৯৬৯–১৯৮৪ | ওয়েস্টার্ন অস্ট্রেলিয়া | |||
| কর্মজীবনের পরিসংখ্যান | ||||
| প্রতিযোগিতা | টেস্ট | ওডিআই | এফসি | লিস্ট এ |
| ম্যাচসমূহ | ৭০ | ৬৩ | ১৯৮ | ১০২ |
| রানের সংখ্যা | ৯০৫ | ২৪০ | ২৩৩৭ | ৩৮২ |
| ব্যাটিং গড় | ১৩.৭১ | ৯.২৩ | ১৩.৯০ | ৮.৬৮ |
| ১০০/৫০ | ০/১ | ০/০ | ০/২ | ০/০ |
| সর্বোচ্চ রান | ৭৩* | ৪২* | ৭৩* | ৪২* |
| বল বোল্ড | ১৮৪৬৭ | ৩৫৯৩ | ৪৪৮০৬ | ৫৬৭৮ |
| উইকেট | ৩৫৫ | ১০৩ | ৮৮২ | ১৬৫ |
| বোলিং গড় | ২৩.৯২ | ২০.৮২ | ২৩.৪৬ | ১৯.৭৫ |
| ইনিংসে ৫ উইকেট | ২৩ | ১ | ৫০ | ১ |
| ম্যাচে ১০ উইকেট | ৭ | - | ১৩ | - |
| সেরা বোলিং | ৭/৮৩ | ৫/৩৪ | ৮/২৯ | ৫/৩৪ |
| ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং | ২৩/– | ৬৭/– | ৬৭/– | ১৭/– |
| উৎস: ক্রিকেট আর্কাইভ, ১৪ জানুয়ারি, ২০০৯ | ||||
ডেনিস কিথ লিলি, এএম, এমবিই (ইংরেজি: Dennis Keith Lillee; জন্ম: ১৮ জুলাই, ১৯৪৯) পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার সুবিয়াকো এলাকায় জন্মগ্রহণকারী অস্ট্রেলিয়ার সাবেক ক্রিকেটার। তিনি তাঁর সময়কালের অসাধারণ ফাস্ট বোলাররূপে ক্রিকেটের ইতিহাসে চিহ্নিত হয়ে আছেন।[১] লিলি তাঁর ক্ষীপ্রগতির বোলিং ভঙ্গীমা, না হারার মানসিকতার জন্যে সমর্থকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ক্রিকেট জীবন[সম্পাদনা]
লিলি ক্রিকেট জীবনের শুরুতে অত্যন্ত দ্রুতগামী বোলার হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু অনেকবার শারীরিক আঘাতপ্রাপ্তির কারণে তাঁর ক্রিকেট জীবন শেষ হয়ে যায়।
১৯৭০-৭১ মৌসুমের এশেজ সিরিজে এডিলেডে অনুষ্ঠিত ৬ষ্ঠ টেস্টের মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটান তিনি। আট বলের ওভারে ২৮.৩ ওভার বোলিংয়ে ৫/৮৪ লাভ করেন।[২] জন এডরিচ ছিলেন তাঁর প্রথম শিকার যা কিথ স্টেকপোল ক্যাচ লুফেছিলেন। সিডনিতে অনুষ্ঠিত নিজস্ব ৭ম টেস্টে প্রথমবারের মতো জন হ্যাম্পশায়ারকে কট মার্শ বোল্ড লিলি নামটিকে লিপিবদ্ধ করেন।
১৯৭১-৭২ সালে বিশ্ব একাদশ ক্রিকেট দলের বিপক্ষে অবিস্মরণীয় কীর্তি গড়েন। তাঁর আগ্রাসী বোলিংয়ে বিশ্ব একাদশের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন-আপ ভেঙ্গে পড়ে। তিনি গ্যারি সোবার্স, ক্লাইভ লয়েড, রোহন কানহাই এবং সুনীল গাভাস্কারের ন্যায় ব্যাটসম্যানদেরকে আউট করেন যা পরবর্তীতে তার বোলিং পরিসংখ্যান দাঁড়ায় ৮/২৯।
১৯৭২ সালে ইংল্যান্ড সফরে নিজেকে সেরা বোলাররূপে প্রতিষ্ঠিত করেন।[৩] ১৭.৬৭ রান গড়ে তিনি ৩১ উইকেট লাভ করে দলকে সিরিজে ২-২ রাখতে সক্ষম হন। এরফলে উইজডেন নির্বাচকমণ্ডলী বর্ষসেরা ক্রিকেটারদের একজনরূপে মনোনীত করে।[৪]
অবসর[সম্পাদনা]
১৯৮৪ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গন থেকে লিলি অবসর নেন। তখনো তিনি সবচেয়ে বেশী ৩৫৫টি টেস্ট উইকেট নিয়ে বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী ছিলেন।[৫] এরফলে নিজেকে অস্ট্রেলিয়ার সর্বকালের স্বীকৃত এবং জনপ্রিয়তম ক্রীড়াবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
সম্মাননা[সম্পাদনা]
১৭ ডিসেম্বর, ২০০৯ সালে ডেনিস লিলি আইসিসি ক্রিকেট হল অব ফেমে জায়গা পান।[৬] অবসর পরবর্তীকালে তিনি ভারতের চেন্নাইয়ে প্রতিষ্ঠিত এমআরএফ পেস ফাউন্ডেশনের সাথে জড়িত ছিলেন যা ফাস্ট বোলিংয়ের উপযোগী করে সেরা পেসার গড়ে তোলে।[৭]
তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]
- ↑ BBC Sport: Ashes legends - Dennis Lillee. Retrieved 18 September 2007.
- ↑ "6th Test: Australia v England at Adelaide, Jan 29-Feb 3, 1971". espncricinfo. Retrieved 2011-12-18.
- ↑ Cricinfo.com: Massie's mystery, Lillee's menace. Retrieved 18 September 2007.
- ↑ Wisden, 1973 edition: Cricketer of the Year Dennis Lillee
- ↑ MCG.org: Dennis Lillee. Retrieved 18 September 2007.
- ↑ "Dennis Lillee inducted into the ICC Cricket Hall of Fame".
- ↑ অনলাইনে বোলিং কোচিং!, সংগ্রহকাল : ১৫ নভেম্বর, ২০১২ইং, প্রথম আলো
বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]
- ইএসপিএনক্রিকইনফো থেকে খেলোয়াড়ের প্রফাইল: ডেনিস লিলি
- ক্রিকেট আর্কাইভ থেকে খেলোয়াড়ের প্রফাইল: ডেনিস লিলি
- HowSTAT! statistical profile of Dennis Lillee
- Infamous Cricket Incidents - Dennis Lillee vs Javed Miandad
- Dennis Lillee interviewed on Enough Rope (transcript), 28 April 2003
- Lillee and Thomson interviewed (video), 2007
| রেকর্ড | ||
|---|---|---|
| পূর্বসূরী ল্যান্স গিবস |
বিশ্বরেকর্ড - সবচেয়ে বেশী টেস্ট উইকেট লাভ ৩৫৫ উইকেট (৭০ টেস্টে ২৩.৯২ রান গড়ে) ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৮১-২১ আগস্ট, ১৯৮৬ |
উত্তরসূরী ইয়ান বোথাম |
|
|||||||||||||||||||||||||||||
|
|||||||
|
|||||||
|
|
|||||||
|
|||||||