টাকা
| এই নিবন্ধটির উদাহরণ ও বিষয়বস্তুর দৃষ্টিভঙ্গি অনেকটাই প্রাথমিকভাবে একটি রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গিকে উপস্থাপন করছে এবং কোনো বিশ্বজনীন বা আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপিত হয়নি। অনুগ্রহ করে এই নিবন্ধটি উন্নয়ন করুন এবং আলাপ পাতায় এই সমস্যার আলোচনা করুন। |
| তথ্যছক - মুদ্রা | |
|---|---|
| স্থানীয় নাম - বাংলাদেশী টাকা |
|
| আই এস ও কোড | BDT |
| ব্যবহারকারী দেশ | বাংলাদেশ |
| মুদ্রাস্ফীতি হার | ৭% |
| উৎস = | ওয়ার্লড ফ্যাক্টবুক, ২০০৫ |
| ক্ষুদ্র একক অনুপাত | ১/১০০ |
| ক্ষুদ্র একক নাম | পয়সা |
| প্রতীক | ৳ |
| কদাচিৎ ব্যবহৃত মুদ্রা | ১, ৫, ১০, ২৫ পয়সা |
| নিত্য ব্যবহার্য মুদ্রা | ১, ২, ৫ টাকা |
| ব্যবহৃত নোট | ১, ২, ৫, ১০, ২০, ৫০, ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকা |
| প্রকাশকারী কর্তৃপক্ষ | বাংলাদেশ ব্যাংক |
| প্রকাশকারী কর্তৃপক্ষের ওয়েবসাইট | বাংলাদেশ ব্যাংক |
টাকা বাংলাদেশের মূদ্রার নাম। ভারতের মুদ্রার নাম রূপায়া হলেও বাংলা ভাষায় এর আনুষ্ঠানিক নাম হল টাকা। মূলতঃ টাকা শব্দটি অর্থ-কড়ির সমার্থক যা ১৯৭১-এ বাংলাদেশের উদ্ভবের পর দেশটির মুদ্রার সরকারী নাম হিসেবে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের টাকার সংকেত হল ৳ । তবে আন্তর্জাতিক রীতি অনুসারে ইংরেজি বড় হরফে 'বিডিটি' (BDT) লিখে বাংলাদেশী টাকা বোঝানো হয়ে থাকে।
[সম্পাদনা] ইতিহাস
ভাষাবিদগণের মতানুসারে টাকা শব্দটি সংস্কৃত টঙ্ক শব্দ থেকে উদ্ভূত যার অর্থ রৌপ্যমুদ্রা। ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের মুদ্রার নাম টাকা রাখে। পরবর্তীতে টাকার সংকেত হল ৳ নির্ধারণ করা হয়। এক টাকার শতাংশকে পয়সা নামে অভিহিত করা হয়। অর্থাত ১ টাকা সমান ১০০ পয়সা । বাংলাদেশে ১, ২, ৫, ৫০, ১০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকা মুল্যমানের টাকার কাগুজে নোট প্রচলিত আছে। এছাড়া ১ পয়সা, ২ পয়সা, ৫ পয়সা, ১০ পয়সা, ৫০ পয়সা, ১ টাকা এবং ৫ টাকা মূল্যমানের ধাতব মুদ্রা প্রচলিত আছে। দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক যা বাংলাদেশ ব্যাংক নামে পরিচিত টাকার কাগুজে নোট মুদ্রণ এবং মুদ্রা প্রস্তুতকরণ এবং তা বাজারে প্রচলনের জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত।
[সম্পাদনা] টাকার আন্তজার্তিক মান
১৯৭১-এ স্বাধীনতা লাভের পর ব্রিটিশ পাউণ্ডের সঙ্গে টাকার আন্তজার্তিক মান নিরূপণ করা হতে থাকে। পরবর্তীতে, সত্তর দশকের শেষভাগে, ব্রিটিশ পাউণ্ডের আন্তজার্তিক মূল্য পড়ে গেলে এবং আন্তজার্তিক বাণিজ্যে বিনিময় মুদ্রা হিসেবে মার্কিন ডলার অধিকতর হারে ব্যবহৃত হতে থাকলে বাংলাদেশ সরকার তথা কেন্দ্রীয় ব্যাংক মার্কিন ডলারের সঙ্গে বাংলাদেশের টাকার আন্তজার্তিক মান সম্পৃক্ত করে। এই পদ্ধতি কম-বেশী প্রচলিত আছে (২০০৯)।