জেরুজালেম অবরোধ (১১৮৭)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জেরুজালেম অবরোধ
মূল যুদ্ধ: ক্রুসেড
ChristiansBeforeSaladin.jpg
সালাদিন ও জেরুজালেমের খ্রিষ্টান সম্প্রদায়
সময়কাল ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর, ১১৮৭
অবস্থান জেরুজালেম
ফলাফল আইয়ুবীয়দের বিজয়
বিবদমান পক্ষ
Flag of Kingdom of Jerusalem.svg জেরুজালেম রাজ্য Flag of Ayyubid Dynasty.svg আইয়ুবীয়
নেতৃত্ব প্রদানকারী
Armoiries Ibelin.svg বেলিয়ান অব ইবেলিন
Armoiries de Jérusalem.svg পেট্রিয়ার্ক হেরাক্লিয়াস
Flag of Ayyubid Dynasty.svg সালাদিন
শক্তিমত্তা
অজ্ঞাত,

ইবেলিনের ৬০ জন নাইট, শহরের ম্যান-এট-আর্মস ও তীরন্দাজ এবং শহর প্রতিরক্ষার দায়িত্বে থাকা লোক।

  • প্রায় ৪,০০০-৬,০০০ জন
অজ্ঞাত,

প্রাথমিকভাবে হাত্তিনের যুদ্ধে বেঁচে যাওয়া এবং পরে সিরিয়া ও মিশর থেকে জড়ো হওয়া সেনাদের নিয়ে গঠিত।

  • প্রায় ২০,০০০ জন
প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি
অজ্ঞাত অজ্ঞাত

টেমপ্লেট:Campaignbox আইয়ুবীয়-ক্রুসেডার যুদ্ধ টেমপ্লেট:Campaignbox ক্রুসেডের যুদ্ধ

জেরুজালেম অবরোধ নামক এই ঘটনাটি ১১৮৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ২ অক্টোবর পর্যন্ত সংঘটিত হয়। এরপর বেলিয়ান অব ইবেলিন সালাদিনের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। শহর ত্যাগে ইচ্ছুক নাগরিকদেরকে মুক্তিপণ প্রদান করতে হয়।[১] জেরুজালেমের পরাজয়ের ফলে প্রথম জেরুজালেম রাজ্যের সমাপ্তি ঘটে। ১১৮৯ সালে রিচার্ড লাইনহার্ট, ফিলিপ অগাস্টাসফ্রেডেরিক বারবারোসার নেতৃত্বে ইউরোপ থেকে পৃথক পৃথকভাবে তৃতীয় ক্রুসেড শুরু হয়।[২]

পটভূমি[সম্পাদনা]

অন্তরকলহের কারণে দুর্বল হয়ে পড়া জেরুজালেম রাজ্য ১১৮৭ সালের ৪ জুলাই হাত্তিনের যুদ্ধে পরাজিত হয়। রাজা গাই অব লুসিগনানসহ অধিকাংশ নেতৃত্বাস্থানীয় ব্যক্তিকে বন্দী করে নেয়া হয়। কয়েকহাজার মুসলিম দাসকে মুক্ত করে দেয়া হয়।[৩][৪][৫] মধ্য সেপ্টেম্বরের মধ্যে সালাদিন ইসরায়েল, নাবলুস, ইসরায়েল, তোরন, সিডন, বৈরুতএসকেলন দখল করে নে। যুদ্ধে বেচে যাওয়া লোকেরা টায়ার পালিয়ে যায়। কনরাড অব মন্টফেরাটের আগমনের কারণে এসময় শুধুমাত্র এই শহরটি সালাদিনের হামলা প্রতিরোধে সক্ষম ছিল।

জেরুজালেমের পরিস্থিতি[সম্পাদনা]

টায়ারে বেলিয়ান অব ইবেলিন তার স্ত্রী মারিয়া কমনেনা আনার জন্য সালাদিনের কাছে জেরুজালেম পর্যন্ত নিরাপত্তা চান। বেলিয়ান তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ধারণ করবেন না ও জেরুজালেমে একদিনের বেশি অবস্থান করবেন না এই শর্তে বেলিয়ানের অনুরোধে রাজি হন। বেলিয়ান জেরুজালেম পৌছলে পেট্রিয়ার্ক হেরাক্লিয়াস, রাণী সিবিলা ও অন্যান্য অধিবাসীরা তাকে শহর প্রতিরক্ষার দায়িত্ব নিতে অনুরোধ জানায়। হেরাক্লিয়াস বেলিয়ানকে খ্রিষ্ট ধর্মের স্বার্থে থেকে যেতে ও শপথ নিতে বলেন। বেলিয়ান এতে রাজি হন।

বেলিয়ান তার সিদ্ধান্তের কথা এসকেলনে সালাদিনকে জানানোর জন্য দূত প্রেরণ করেন। সুলতান জেরুজালেম আত্মসমর্পণের প্রস্তাব দিলে দূত তা প্রত্যাখ্যান করে। তবে সালাদিন মারিয়া, তার সন্তানসন্ততি ও ঘরের অন্যান্য সদস্যদের ত্রিপলি নিয়ে আসার জন্য প্রহরীর ব্যবস্থা করেন। ইবনে আল-আসিরের মতে জেরুজালেমে সর্বোচ্চ পর্যায়ের একজন নেতা অবস্থান করায় মুসলিমরা বেলিয়ানকে মোটামুটি একজন রাজা হিসেবে বিবেচনা করে।

বেলিয়ান দেখতে পান যে জেরুজালেমের পরিস্থিতি গুরুতর। সালাদিনের বিজয়ের ফলে বিভিন্ন স্থান থেকে উদ্বাস্তুদের কারণে জেরুজালেম পূর্ণ হয়ে যায়। সেসাথে আরো অনেকে প্রতিদিন আসতে থাকে। এসময় পুরো শহরে চল্লিশ জনেরও কম নাইট ছিল। তাই বেলিয়ান স্কোয়ার (শিক্ষানবিশি নাইট) ও নাগরিকদের থেকে ষাটজন নতুন নাইট নিয়োগ দেন। খাদ্য ও অর্থ মজুদের মাধ্যমে তিনি আসন্ন অবরোধের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখেন। সিরিয়ামিশরের সেনাবাহিনী সালাদিনের অধীনে একত্রিত হয় এবং টায়ারে একটি সংক্ষিপ্ত ও অসফল অবরোধের পর ২০ সেপ্টেম্বর সুলতান জেরুজালেমের বাইরে অবস্থান নেন।

অবরোধ[সম্পাদনা]

ইউসুফ বাতিতের মধ্যস্থতায় সালাদিন ও বেলিয়ানের মধ্যে আলোচনা চলতে থাকে। তিনি একজন ইস্টার্ন অর্থোডক্স পাদ্রি ছিলেন। রোমান ক্যাথলিকদের হাতে তিনি নির্যাতিত হন। শহরে মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে তারা অধিক স্বাধীনতা ভোগ করতে পারবেন এই বিশ্বাস তার ছিল। বিনা রক্তপাত ও শিথিল শর্তের বিনিময়ে সালাদিন শহর দখল করতে চেয়েছিলেন।[৬] তবে শহরের অভ্যন্তরের বাসিন্দারা তাদের পবিত্র শহর ত্যাগে অস্বীকৃতি জানায়। শত্রুর হাতে শান্তিপূর্ণভাবে হস্তান্তর করার চেয়ে তারা লড়াই করে মৃত্যুবরণ করার শপথ নেয়। এর ফলে শহর অবরোধ শুরু হয়।

সালাদিনের সেনাবাহিনী টাওয়ার অব ডেভিডদামেস্ক গেটের দিকে মুখ করে অবস্থান নেয়। তার তীরন্দাজরা নিরবচ্ছিন্নভাবে নগর প্রাচীরে তীর নিক্ষেপ করতে থাকে। অবরোধ টাওয়ারগুলো প্রাচীরের কাছে আনা হয়। কিন্তু এগুলোকে প্রতিবারই পিছনে পাঠিয়ে দেয়া হত। ছয়দিনব্যাপী স্বল্প সাফল্য সহকারে দুই পক্ষের মধ্যে খন্ডযুদ্ধ সংঘটিত হয়। প্রত্যেক হামলার পর সালাদিনের বাহিনী ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির স্বীকার হলেও ক্রুসেডাররা স্বল্প সংখ্যক লোক হারায়। সেপ্টেম্বরের ২৬ তারিখ সালাদিন শহরের অন্য পাশে মাউন্ট অব অলিভসের দিকে তার শিবির সরিয়ে নেন। এদিকে কোনো প্রধান গেট ছিল না তাই ক্রুসেডাররা প্রতি আক্রমণ করতে পারত না। অবরোধ যন্ত্র ক্যাটাপুল্ট, ম্যানগোনেল, পেট্রারি, গ্রিক ফায়ার, ক্রসবো ও তীরের সাহায্যে নিরবচ্ছিন্নভাবে শহরের দেয়ালে আঘাত করা হয়। দেয়ালের একটি অংশ খনন করা হয় ও এটি ২৯ সেপ্টেম্বর ধ্বসে যায়। ক্রুসেডাররা মুসলিমদেরকে পিছনে ঠেলে দিতে সক্ষম ছিল না। তবে মুসলিমরাও শহরে প্রবেশ করতে পারেনি। শীঘ্রই শহরের প্রাচীর রক্ষার জন্য নাইট ও ম্যান-এট-আর্মসদের সংখ্যা নগণ্য হয়ে পড়ে। প্রচুর বেতনের প্রতিশ্রুতির পরও এ কাজের জন্য কোনো লোক খুজে পাওয়া যাচ্ছিল না।

শহরের বেসামরিক জনতা হতাশ হয়ে পড়ে। বেলিয়ানের একজন স্কোয়ার এরনলের লেখা অনুযায়ী পাদ্রিরা দেয়ালের পাশ দিয়ে একটি নগ্নপদ যাত্রার আয়োজন করে। প্রথম ক্রুসেডের অধিকাংশ পাদ্রিরা ১০৯৯ সালে এমন করেছিলেন। ঠান্ডা পানি চৌবাচ্চায় চিবুক পর্যন্ত ডোবানোর পর মহিলারা মাউন্ট ক্যালভারিতে তাদের সন্তানদের চুল কেটে দেন। এই অনুশোচনার উদ্দেশ্য ছিল যাতে ঈশ্বর শহর থেকে তার রাগ তুলে নেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]

সেপ্টেম্বরের শেষে বেলিয়ান একজন দূতের সাথে সুলতানের সাথে সাক্ষাতের জন্য যান। এর আগে তিনি আত্মসমর্পণে অস্বীকৃতি জানালেও এখন আত্মসমর্পণ প্রস্তাব দেন। সালাদিন এতে সম্মন হত। ১০৯৯ সালের ক্রুসেডের সময় যখন শহর অধিকারের সময় যে গণহত্যা চালানো হয় তেমন কিছু প্রতিরোধ করার মাধ্যমে শহর আত্মসমর্পণে দুজনেই সম্মত হন। ফ্রাঙ্ক বংশোদ্ভূত ক্রুসেডারদের পুরুষদের জন্য বিশ, নারীদের জন্য দশ ও শিশুদের জন্য পাঁচ বেজান্ট মুক্তিপণ ধার্য করা হয়। মুক্তিপণ দিতে অক্ষমদেরকে দাস হিসেবে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। স্থানীয় খ্রিষ্টান ও ইস্টার্ন অর্থোডক্স খ্রিষ্টানদেরকে শহরে থেকে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়।[৭] বেলিয়ান বলেন যে এখানে মুক্তিপণ দিতে অক্ষম রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা প্রায় ২০,০০০ এর মত উদ্বাস্তু আছে। তবে তার দাবি গৃহিত হয়নি।

জেরুজালেমে ফিরে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় যে সাত হাজার দরিদ্র বাসিন্দা ইংল্যান্ড প্রতিষ্ঠিত কোষাগার থেকে অর্থ পাবে। এটি হসপিটালাররা পাহারা দিত। তীর্থযাত্রা বা ক্রুসেডে ব্যবহারের জন্য হেনরি এই অর্থ বরাদ্দ করা হয়েছিল। থমাস বেকেটের হত্যার প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ তিনি এই বরাদ্দ করেন। কিন্তু রাজা কখনো না আসায় এবং হাত্তিনের যুদ্ধে ভাড়াটে সৈনিকদের বেতনে এই অর্থ ব্যয় হয়ে গিয়েছিল।

বেলিয়ান এরপর আবার সালাদিনের সাথে সাক্ষাৎ করেন। এরপর সুলতান মুক্তিপণ কমিয়ে পুরুষদের জন্য দশ, নারীদের জন্য পাঁচ ও শিশুদের জন্য এক বেজান্ট করে ধরা হয়। বেলিয়ান আপত্তি জানিয়ে বলেন যে এই পরিমাণ এখনো অনেক বেশি। এরপর সালাদিন সব বাসিন্দাদের জন্য সর্বমোট ১,০০,০০০ বেজান্ট মুক্তিপণ ধার্য করেন। বেলিয়ান এটিকে অসম্ভব বলে ধরে নেন। সালাদিন বলেন যে তিনি সাত হাজার মানুষের জন্য তিনি ৫০,০০০ বেজান্টের নিচে মুক্তিপণ ধরবেন না। শেষপর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয় যে সাত হাজার মানুষকে ৩০,০০০ বেজান্ট মুক্তিপণের বিনিময়ে ছেড়ে দেয়া হবে; দুজন নারী ও দশজন শিশু একজন পুরুষের সমান মূল্য ধরতে পারবে। সালাদিনের ভাই ১,০০০ জন অর্থ প্রদানে অসমর্থ ব্যক্তিকে ছেড়ে দেন। এরপর এমন আরো ২,০০০ জন ব্যক্তিকে ছেড়ে দেয়া হয়। সালাদিন এরপর সকল অক্ষম বয়োপ্রাপ্তদের মুক্তি দেন।[৮]

জেরুজালেমের আত্মসমর্পণ[সম্পাদনা]

সালাদিনের কাছে বেলিয়ানের জেরুজালেম হস্তান্তর, Les Passages faits Outremer par les Français contre les Turcs et autres Sarrasins et Maures outremarins, আনুমানিক ১৪৯০, থেকে।

অক্টোবরের ২ তারিখ বেলিয়ান টাওয়ার অব ডেভিড হস্তান্তর করেন। সক্ষম বাসিন্দারা একমাসের মধ্যে তাদের মুক্তিপণ পরিশোধ করতে পারবে বলে ঘোষণা করা হয়। (উৎসের তারতম্যের কারণে এই সময় ৩০ থেকে ৫০ ধরা হয়) সালাদিন বেশ কিছু দাসকে মুক্ত করে দেন। একইভাবে তার ভাই সাইফুল দীন দাসমুক্তি দেন। বেলিয়ান ও হেরাক্লিয়াস তাদের নিজেদের অর্থে অনেক মানুষকে মুক্তি দেন। মুক্তিপণ পরিশোধ করা বাসিন্দারা তিনটি কলামে ভাগ হয়ে যাত্রা করে। টেম্পলার ও হসপিটালাররা প্রথম দুই কলাম এবং বেলিয়ান ও পেট্রিয়ার্ক তৃতীয় কলামকে নেতৃত্ব দেন। বেলিয়ান ত্রিপলিতে তার স্ত্রী ও পরিবারের কাছে যান। ইমাদ আদদিন আল-ইস্ফাহানির মতে হেরাক্লিয়াস তার সাথে চার্চের অর্থ ও স্বারকগুলো নিয়ে যান।

কিছু উদ্বাস্তু কাউন্টি অব ত্রিপলিতে চলে যায়। এটি এসময় ক্রুসেডারদের নিয়ন্ত্রণে ছিল। তাদেরকে শহরে প্রবেশে বাধা দেয়া হয় ও তাদের মালামাল লুট করা হয়। অন্যরা এন্টিওক, কিলিকিয়া, বাইজেন্টিয়ামমিশরে চলে যায়। কিছু ইতালীয় জাহাজে করে ইউরোপের দিকে যাত্রা করে।

সালাদিন জেরুজালেমে খ্রিষ্টান তীর্থযাত্রীদের আগমন এবং চার্চ অব দ্য হলি সেপালচার খ্রিষ্টানদের অধিকারে রাখার অনুমতি দেন। জেরুজালেমে মুসলিমদের অধিকার শক্তভাবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য আল-আকসা মসজিদসহ বেশ কিছু পবিত্র স্থান গোলাপজল দ্বারা পবিত্র করা হয়। তার বিরুদ্ধে তখনো লড়াইরত দুর্গ যেমন বেলভর, কেরাকমন্ট্রিল জয়ের জন্য তিনি অগ্রসর হন। এরপর দ্বিতীয়বার টায়ার অবরোধের জন্য ফিরে আসেন।

ইতিমধ্যে হাত্তিনের যুদ্ধে পরাজয়ের খবর টায়ারের আর্চবিশপ জোসিয়াস এবং অন্যান্য তীর্থযাত্রী ও ভ্রমণকারীদের মাধ্যমে ইউরোপে পৌছে যায়। এসময় ১১৮৭ এর গ্রীষ্মে সালাদিন বাকি অঞ্চলগুলো জয় করছিলেন। নতুন ক্রুসেডের জন্য পরিকল্পনা দ্রুত তৈরী করা হয়। জেরুজালেম পতনের সংবাদ শোনার আগেই ২৯ অক্টোবর পোপ অষ্টম গ্রেগরি অডিটা ট্রিমেন্ডি নামক নির্দেশ জারি করেন। ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সে আর্থিক খরচের জন্য সালাদিন টিথে প্রণয়ন করা হয়। তৃতীয় ক্রুসেড ১১৮৯ পর্যন্ত শুরু করা যায়নি। রিচার্ড লায়নহার্ট‌, ফিলিপ অগাস্টাসফ্রেডেরিক বারবারোসা এই ক্রুসেডে নেতৃত্ব দেন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Crusades" 2011
  2. "Kingdom of Jerusalem" 2009
  3. Saladin and the Fall of Jerusalem By Geoffrey Regan Page 135
  4. God's War: A New History of the Crusades By Christopher Tyerman Page 230 [১]
  5. Knights of Jerusalem: The Crusading Order of Hospitallers 1100-1565 By David Nicolle Page 73 [২]
  6. Lust for Power By Dick W. Zylstra Page 67 [৩]
  7. Frommer's Israel By Robert Ullian Page 102
  8. Lust for Power By Dick W. Zylstra Page 97

বিবলিওগ্রাফি[সম্পাদনা]

  • Amin Maalouf, The Crusades Through Arab Eyes. London, 1984.
  • "Crusades." Encyclopædia Britannica. Encyclopædia Britannica Online. Encyclopædia Britannica, 2011. Web. 24 Oct. 2011. <http://www.britannica.com/EBchecked/topic/144695/Crusades>.
  • James A. Brundage, The Crusades: A Documentary Survey. Marquette University Press, 1962.
  • Kenneth Setton, ed. A History of the Crusades, vol. I. University of Pennsylvania Press, 1958 (available online).
  • Peter W. Edbury, The Conquest of Jerusalem and the Third Crusade: Sources in Translation. Ashgate, 1996.
  • P. M. Holt, The Age of the Crusades: The Near East from the Eleventh Century to 1517. Longman, 1986.
  • R. C. Smail, Crusading Warfare, 1097–1193. Cambridge University Press, 1956.
  • Steven Runciman, A History of the Crusades, vol. II: The Kingdom of Jerusalem and the Frankish East, 1100–1187. Cambridge University Press, 1952.