জুনায়েদ সিদ্দিকী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
জুনায়েদ সিদ্দিকী
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম মোহাম্মদ জুনায়েদ সিদ্দিকী
ডাকনাম ইমরোজ
ব্যাটিংয়ের ধরণ বামহাতি ব্যাটসম্যান
বোলিংয়ের ধরণ ডান-হাতি অফব্রেক
ভূমিকা ব্যাটসম্যান
আন্তর্জাতিক তথ্য
জাতীয় পার্শ্ব
টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ৪৮) ৪ জানুয়ারী ২০০৮ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ টেস্ট ৪ জুন ২০১০ বনাম ইংল্যান্ড
ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ৮৫) ২৬ ডিসেম্বর ২০০৭ বনাম নিউজিল্যান্ড
শেষ ওডিআই ১৯ আগষ্ট ২০১১ বনাম জিম্বাবুয়ে
টি২০আই অভিষেক ২০ সেপ্টেম্বর ২০০৭ বনাম পাকিস্তান
শেষ টি২০আই ২ আগষ্ট ২০০৯ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ
ঘরোয়া দলের তথ্য
বছর দল
২০০৩-বর্তমান রাজশাহী বিভাগ
২০১২-বর্তমান দুরন্ত রাজশাহী
কর্মজীবনের পরিসংখ্যান
প্রতিযোগিতা টেস্ট ওডিআই প্রথম শ্রেণী লিস্ট এ
ম্যাচ সংখ্যা ১৮ ৫৪ ৫১ ৯৯
রানের সংখ্যা ৯৪২ ১১৯৬ ২৪৬৩ ২৩৮৫
ব্যাটিং গড় ২৬.৯১ ২৩.০০ ২৬.৮০ ২৪.৫৮
১০০/৫০ ১/৭ ১/৬ ৩/১৪ ৩/১৪
সর্বোচ্চ রান ১০৬ ১০০ ১৬১ ১২০
বল করেছে ১৮ ১২ ২০৩ ৪৬
উইকেট
বোলিং গড় ১২৭.০০
ইনিংসে ৫ উইকেট
ম্যাচে ১০ উইকেট
সেরা বোলিং ০/২ ১/৩০
ক্যাচ/স্ট্যাম্পিং ১১/– ২২/– ৩৯/– ৩৫/–
উত্স: ইএসপিএন ক্রিকইনফো, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০১২

মোহাম্মদ জুনায়েদ সিদ্দিকী[১] (জন্ম অক্টোবর ৩০, ১৯৮৭ রাজশাহী) (ইংরেজি: Junaid Siddique); একজন বাংলাদেশী ক্রিকেটার. জুনায়েদের দাদা এবং বাবা মূলত পাকিস্তানের পাঞ্জাবের শিয়ালকোট থেকে আগত, ১৯৬৮ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় তারা পূর্ব পাকিস্তান বর্তমানে বাংলাদেশে চলে আসেন। জুনায়েদ সিদ্দিকী তার ডাকনাম ইমরোজ নামেও পরিচিত। বাম হাতি ব্যাটসম্যান এবং অনিয়মিত ডান হাতি অফ ব্রেক বোলার জুনায়েদ ২০০৩/০৪ সালে রাজশাহী বিভাগের হয়ে অভিষিক্ত হন এবং ২০০৬/০৭ সালের ক্রিকেট মৌসুম পর্যন্ত খেলেন। তিনি তার টেস্ট এবং একদিনের ক্রিকেটে ২০০৭/০৮ সালে নিউজিল্যান্ড সফরে অভিষিক্ত হন।

প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেটে জুনায়েদের সেঞ্চুরি সংখ্যা একটি, খুলনা বিভাগীয় দলের বিপক্ষে অপরাজিত ১১৪। ঘরোয়া ক্রিকেটে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের সুবাদে ২০০৬-০৭ মৌসুমে তিনি বাংলাদেশ-এ দলে সুযোগ পান।

টি-২০ ফরম্যাটে বাংলাদেশের হয়ে তার অভিষেক ঘটে ২০০৭ এর সেপ্টেম্বরে। অভিষেকেই পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনি ৭১ রানের একটি চমৎকার ইনিংস খেলেন। বাহারি সব স্ট্রোকে ভরা ইনিংস্টিতে ছিল ৬টি চার ও ৩টি ছক্কার মার। ২০১০ এ ভারতের বিপক্ষে তিনি অর্ধ-শতক করেন।

২৬শে ডিসেম্বর, ২০০৭ তার ওয়ানডে অভিষেক ঘটে। মাত্র ১৩ রানে প্যাভিলিয়ন ফেরত যান তিনি এদিন। ৪ জানুয়ারী হয় টেস্ট অভিষেক। এ ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি ও তামিম ইকবাল মিলে ১৬১ রানের রেকর্ড ওপেনিং জুটি গড়েন। [২] ডেব্যুটেন্টদের সর্বোচ্চ পার্টনারশিপে এর স্থান হয়েছে ত্‌তীয় এবং ডেব্যুটেন্ট ওপেনারদের সর্বোচ্চ পার্টনারশিপের তালিকায় দ্বিতীয়।[৩] এ রেকর্ডে জুনায়েদের অবদান ছিল ৭৪ রানের একটি ঝকঝকে ইনিংস। ফেব্রুয়ারীতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে তিনি ৭৪ রানের একটি ধৈর্যশীল ইনিংস খেলেন।[৩]

প্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরিটি আসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১০ এ।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সেঞ্চুরি[সম্পাদনা]

একদিনের আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি[সম্পাদনা]

  • In the column Runs, * indicates being not out
  • The column title Match refers to the Match Number of the player's career
Runs Match Against City/Country Venue বছর
[১] ১০০ ৩৬  আয়ারল্যান্ড Belfast, Northern Ireland Civil Service Cricket Club ২০১০

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Although most sources refer to him as Junaid Siddique, he is sometimes referred to as "Zunaed Siddique"
  2. Tests -বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের জুটিগুলো, Cricinfo, Retrieved on 7 January 2008
  3. ৩.০ ৩.১ Tests - ডেব্যুটেন্টদের সর্বোচ্চ পার্টনারশিপগুলো, Cricinfo, Retrieved on 7 January 2008

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]