জিনোম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

শব্দটি 1920 হান্স Winkler, বিশ্ববিদ্যালয় Hamburg শহরের, জার্মানি এ উদ্ভিদবিদ্যা অধ্যাপক দ্বারা অভিযোজিত হয়েছে. গ্রিক ইন, শব্দ জিনোম (γίνομαι) মানে "আমি হয়ে, আমি জন্ম আমার, অস্তিত্ব লাভ থেকে" [ "I become, I am born, to come into being"]. অক্সফোর্ড ইংলিশ ডিকশনারি ইংরেজিতে নাম শব্দ জিন ও ক্রোমোজোম একটি মিশ্রণ করার সুপারিশ. কয়েক সম্পর্কিত-ome শব্দ ইতিমধ্যে যেমন বায়োম এবং গেঁড় হিসাবে লগগুলি,, একটি শব্দতালিকা যা জিনোম ধারাক্রমে খাপ বিরচন

জীববিজ্ঞানে কোন জীবের জিনোম (ইংরেজি: Genome) বলতে সেটির সমস্ত বংশগতিক তথ্যের সমষ্টিকে বোঝায়, যা সেটির ডিএনএ (কোন কোন ভাইরাসের ক্ষেত্রে আরএনএ)-তে সংকেতাবদ্ধ থাকে। জিনোমে জিন এবং জাংক ডিএনএ দুই-ই থাকে। ১৯২০ সালে জার্মানির হামবুর্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞানের অধ্যাপক হান্স ভিংক্‌লার জিন ও ক্রোমোজোম শব্দদুইটির অংশবিশেষ জোড়া লাগিয়ে জিনোম শব্দটি উদ্ভাবন করেন। [১] জেনোম সিকোয়েন্স হলো কোষের ডিএনএ স্ট্রাকচারের মানচিত্র। যত ব্যাপক ডিএনএ স্ট্রাকচার থাকবে তত বেশি ইনফরমেশন তথ্য থাকবে।

দীর্ঘতম জিনোম বিন্যাস[সম্পাদনা]

প্যারিস জাপোনিকা নামের একটি ফুলের জিনোম জীবজগতে দীর্ঘতম বলে আবিষ্কৃত হয়েছে। ফুলটি আকারে ছোট, শুভ্র বর্ণ। পাহাড়ী এ ফুলটির বিকাশের গতি অত্যন্ত ধীর। জাপানের হনশু দ্বীপের স্থানীয় উদ্ভিদ। সচরাচর অন্য কোথাও দেখা যায় না। তবে ব্রিটেনের কিউ গার্ডেনস্‌-এ এই ফুলের চাষ করা হয়েছে। কিউই গার্ডেনস্‌-এ কর্মরত গবেষকরা আবিষ্কার করেন যে এই ফুলের জিনোম বিন্যাস মানুষে তুলনায় ৫০ গুন দীর্ঘতর। এই ফুলের জিনোমে ১৫ হাজার কোটি বেস পেয়ার রয়েছে। এর তুলনায় মানুষের জিনোমে রয়েছে মাত্র তিনশত কোটি বেস পেয়ার। প্যারিস জাপোনিকার একটি মাত্র কোষের জেনেটিক তথ্য যদি এক লাইনে জোড়া লাগানো হয় তাহলে ৩২৮ ফুট লম্বা হবে। অপরদিকে মানুষের একটি কোষের জেনেটিক তথ্য জোড়া লাগালে হবে মাত্র সাড়ে ছয় ফুট। অদ্যাবধি প্রোটোপটিরাস ইথিওপিকাস (marbled lungfish) নামক আফ্রিকান মাছ ছিল সর্বাধিক দৈর্ঘ্য সম্বলিত জীব।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Joshua Lederberg and Alexa T. McCray (2001)। "'Ome Sweet 'Omics -- A Genealogical Treasury of Words"The Scientist 15 (7)। 
  2. হাফিংটনপোস্ট পত্রিকায় ৭ অক্টোবর ২০১০ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদন