জর্জ কেলি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
স্যার জর্জ কেলি
George Cayley.jpg
জর্জ কেলি
জন্ম (১৭৭৩-১২-২৭)২৭ ডিসেম্বর ১৭৭৩
Scarborough, Yorkshire, England
মৃত্যু ১৫ ডিসেম্বর ১৮৫৭(১৮৫৭-১২-১৫) (৮৩ বছর)
Brompton, Yorkshire, England
জাতীয়তা British
কর্মক্ষেত্র Aviation, Aerodynamics, Aeronautics, Aeronautical engineering
পরিচিতির কারণ Designed first successful human glider. Discovered the four aerodynamic forces of flight weight, lift, drag, thrust and cambered wings, basis for the design of the modern aeroplane.

স্যার জর্জ কেলি, ষষ্ঠ ব্যারনেট (ডিসেম্বর ২৭, ১৭৭৩ - ডিসেম্বর ১৫, ১৮৫৭) ইংল্যান্ডের ইয়র্কশায়ারে জন্মগ্রহণকারী একজন ইংরেজ প্রকৌশলী। তাকে অ্যারোনটিক্যাল প্রকৌশলের অন্যতম অগ্রদূত হিসেবে জ্ঞান করা হয়।[১][২][৩]

বাতাসের চেয়ে ভারী একটি কৃত্রিম যন্ত্র কী কী অবস্থায় বাতাসে ভাসতে পারে, তার বৈজ্ঞানিক শর্তাবলী তিনিই প্রথম খুঁটিয়ে দেখেন।[২][৪][৫] এ হিসেবে বায়ুগতিবিজ্ঞানের (Aerodynamics) জন্ম বলা যায় তারই হাতে। পাখির মত নড়নক্ষম পাখা দিয়ে যে এ ধরনের উড্ডয়ন সম্ভব নয়, বরং এর পাখা হতে হবে উড়ন্ত কাঠবিড়ালির পাখার মত স্থির, তা তিনিই প্রথম দেখান। বিমানের পাখা থাকবে, লেজ থাকবে, কাঠামোটি মসৃণ হবে এবং রাডার থাকবে- এ ধরনের পরিকল্পনা তিনিই প্রথম করেন। তিনি বলেন, বিমানের ওজন এমন হওয়া সম্ভব যা দিয়ে বহু দূরের পথ অতিক্রম করা যায়। কি ধরনের ইঞ্জিন এবং প্রচালকের প্রয়োজন তা-ও তিনি ব্যাখ্যা করেন, যদিও সে সময় অত শক্তিশালী ইঞ্জিন বা প্রচালক ছিলনা। ১৮৫৩ সালে তিনি মানুষ বহন করার যোগ্য একটি গ্লাইডার নির্মাণ করেন। কিন্তু ষাট বছর বয়সে গ্লাইডারে চড়ার সাধ ছিলনা বলেই হয়তোবা নিজে না চড়ে তার কোচয়ানকে চড়তে বলেন। কোচোয়ান প্রথমে রাজি না হলেও পরবর্তীকালে চড়তে বাধ্য হয়। তিনি সেটি উড়াতে সক্ষম হয়েছিলেন এবং তার কোচয়ানও প্রাণে মারা যায়নি। তার তৈরি গ্লাইডার বিমান চালানার ইতিহাসে প্রথম উল্লেখযোগ্য পরিমাণ সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছিল।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Sir George Cayley"। Flyingmachines.org। সংগৃহীত 26 July 2009। "Sir George Cayley is one of the most important people in the history of aeronautics. Many consider him the first true scientific aerial investigator and the first person to understand the underlying principles and forces of flight." 
  2. ২.০ ২.১ "The Pioneers: Aviation and Airmodelling"। সংগৃহীত 26 July 2009। "Sir George Cayley, is sometimes called the 'Father of Aviation'/'Father Of Aerial Navigation'. A pioneer in his field, he is credited with the first major breakthrough in heavier-than-air flight. He was the first to identify the four aerodynamic forces of flight – weight, lift, drag, and thrust – and their relationship and also the first to build a successful human carrying glider." 
  3. "U.S Centennial of Flight Commission – Sir George Cayley."। সংগৃহীত 10 September 2008। "Sir George Cayley, born in 1773, is sometimes called the Father of Aviation. A pioneer in his field, Cayley literally has two great spurts of aeronautical creativity, separated by years during which he did little with the subject. He was the first to identify the four aerodynamic forces of flight – weight, lift, drag, and thrust and their relationship. He was also the first to build a successful human-carrying glider. Cayley described many of the concepts and elements of the modern aeroplane and was the first to understand and explain in engineering terms the concepts of lift and thrust." 
  4. Dee, Richard. [১] Retrieved: 30 May 2010.
  5. "U.S Centennial of Flight Commission."। সংগৃহীত 10 September 2008। "He established the scientific principles for heavier-than-air flight and used glider models for his research. He was the first to identify the four forces of flight—thrust, lift, drag, and weight—and to describe the relationship each had with the other. He designed the first actual model aeroplane and also diagrammed the elements of vertical flight." 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

Parliament of the United Kingdom (১৮০১–বর্তমান)
পূর্বসূরী
চার্লস ম্যানার্‌স সাটন
Edmund Phipps
স্কারবরো থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য
স্যার জন ভেন্ডেন বেম্পডে জনস্টনের সাথে

১৮৩২ ১৮৩৫


উত্তরসূরী
স্যার জন ভেন্ডেন বেম্পডে জনস্টন
স্যার ফ্রেডেরিক ট্রেঞ্চ
Baronetage of England
পূর্বসূরী
টমাস কেলি
ব্যারনেট
ব্রম্পটনের
১৭৯২ - ১৮৫৭


উত্তরসূরী
ডিগবি কেলি