ছবি বিশ্বাস (জন্ম: ১৩ জুলাই ১৯০০ - ১১ জুন ১৯৬২) তিনি মঞ্চ এবং চলচ্চিত্রের একজন বিখ্যাত বাঙালি অভিনেতা ।
ছবি বিশ্বাস কলকাতার নিবাসী ছিলেন । তাঁর পিতার নাম ভূপতিনাথ । ছবি বিশ্বাসের আসল নাম ছিল শচীন্দ্রনাথ ।
১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে অন্নপূর্ণার মন্দির চলচ্চিত্রে প্রথম চিত্রাভিনয় করেন । তাঁর অভিনীত চলচ্চত্রের মধ্যে সত্যজিৎ রায়ের পরিচালনায় জলসাঘর, দেবী, কাঞ্চনজঙ্ঘা, তপন সিংহের পরিচালনায় কাবুলিওয়ালা উল্লেখযোগ্য । এছাড়াও তিনি বহু বাণিজ্য সফল চলচ্চিত্রে পার্শ্বচরিত্রে অভিনয় করেছিলেন । তিনি মূলত সাহেবী এবং রাশভারি ব্যক্তিত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয়ের জন্য খ্যাতিলাভ করেন ।
তিনি মঞ্চঅভিনয়েও বিখ্যাত ছিলেন । সমাজ, ধাত্রীপান্না, মীরকাশিম, দুইপুরুষ, বিজয়া প্রভৃতি নাটকে তাঁর অভিনয় উল্লেখযোগ্য । তিনি প্রতিকার (১৯৪৪) এবং যার যেথা ঘর (১৯৪৯) ছবির পরিচালক ছিলেন ।
১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে সঙ্গীত নাটক আকাদেমি তাঁকে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার সম্মান জানান ।
অভিনীত ছবির তালিকা [সম্পাদনা]
- অন্নপূর্ণার মন্দির (১৯৩৬) - বিশু
- চোখের বালি (১৯৩৮) - বিহারী
- চাণক্য (১৯৩৯) - সিকান্দর
- নিমাই সন্ন্যাসী (১৯৪০) - নিমাই
- নর্তকী (১৯৪০) - স্বামীজী
- প্রতিশ্রুতি (১৯৪১) - বিলাস
- কর্ণার্জুন (১৯৪১) - কর্ণ
- এপার ওপার (১৯৪১) - রমেন
- সৌগন্ধ (১৯৪২)
- পাষাণ দেবতা (১৯৪২)
- মিলন (১৯৪২) - পরেশ
- গরমিল (১৯৪২) - মুখার্জী
- জীবন সঙ্গিনী (১৯৪২) - মি: চৌধুরী
- সমাধান (১৯৪৩)
- দ্বন্দ (১৯৪৩)
- দিকশূল (১৯৪৩)
- দেবর (১৯৪৩) - রবীন
- প্রতিকার (১৯৪৪)
- ছদ্মবেশী (১৯৪৪)
- মাটির ঘর (১৯৪৪) অলোক
- রাজলক্ষ্মী (১৯৪৫)
- পথ বেঁধে দিল (১৯৪৫)
- বন্দিতা (১৯৪৫)
- দুই পুরুষ (১৯৪৫) - নুটুবিহারী
- তুমি আর আমি (১৯৪৬)
- প্রেম কি দুনিয়া (১৯৪৬)
- মন্দির (১৯৪৬)
- বিরাজ বৌ (১৯৪৬) - নীলম্বর
- অভিযোগ (১৯৪৭)
|
- চন্দ্রশেখর (১৯৪৭) - চন্দ্রশেখর
- শেষ নিবেদন (১৯৪৮)
- সাধারণ মেয়ে (১৯৪৮)
- দৃষ্টিদান (১৯৪৮)
- অনির্বান (১৯৪৮)
- মঞ্জুর (১৯৪৯)
- বিদ্যাসাগর (১৯৫০)
- মানদণ্ড (১৯৫০)
- দুর্গেশ নন্দিনী (১৯৫১) - কাটলু খান
- কার পাপে (১৯৫২) - ড: বোস
- শুভদা (১৯৫২) - হারান চন্দ্র
- লাখ টাকা (১৯৫৩)
- যোগ বিয়োগ (১৯৫৩)
- শেষের কবিতা (১৯৫৩)
- ষোড়শী (১৯৫৪) - জীবানন্দ চৌধুরী
- সদানন্দের মেলা (১৯৫৪) - মামুভাই
- ওরা থাকে ওধারে (১৯৫৪)
- যদুভট্ট (১৯৫৪)
- ছেলে কার (১৯৫৪)
- বিধিলিপি (১৯৫৪) - জগদীশ বাবু
- উপহার (১৯৫৫) - সুনীলের বাবা
- শ্রীবৎস চিন্তা (১৯৫৫)
- সবার উপরে (১৯৫৫)
- রানী রাসমনি (১৯৫৫) - রাজেন্দ্র দাস
- দস্যু মোহন (১৯৫৫) - মি: সোম
- ত্রিযামা (১৯৫৬) - কুশলের বাবা
- শঙ্কর নারায়ন ব্যাঙ্ক (১৯৫৬)
- সাহেব বিবি গোলাম (১৯৫৬) - মেজোবাবু
- পুত্রবধূ (১৯৫৬)
|
- পরাধীন (১৯৫৬)
- কাবুলিওয়ালা (১৯৫৬) - রেহমত
- দানের মর্যাদা (১৯৫৬) - অমরনাথ
- ভোলা মাস্টার (১৯৫৬) - ভোলা মাস্টার
- অসবর্ণ (১৯৫৬)
- রাত ভোরে (১৯৫৬)
- সুরের পরশে (১৯৫৭)
- পৃথিবী আমারে চায় (১৯৫৭)
- পথে হল দেরি (১৯৫৭) - মল্লিকার বাবা
- হরিশ্চন্দ্র (১৯৫৭)
- পরশ পাথর (১৯৫৮)
- জলসাঘর (১৯৫৮)
- তানসেন (১৯৫৮) - আকবর
- অগ্নিসম্ভবা (১৯৫৯)
- গলি থেকে রাজপথ (১৯৫৯)
- শুন বরনারী (১৯৬০)
- স্মৃতিটুকু থাক (১৯৬০) - শোভার বাবা
- মায়া মৃগ (১৯৬০)
- ক্ষুধিত পাষাণ (১৯৬০)
- হসপিটাল (১৯৬০)
- দেবী (১৯৬০) - কালীকিঙ্কর রায়
- সপ্তপদী (১৯৬১) - কৃষ্ণেন্দুর বাবা
- মা (১৯৬১)
- শুভ দৃষ্টি (১৯৬২)
- কাঞ্চনজঙ্ঘা (১৯৬২) - ইন্দ্রনাথ চৌধুরী
- ধূপছায়া (১৯৬২)
- দাদা ঠাকুর (১৯৬২) - দাদা ঠাকুর
- অতল জলের আহ্বান (১৯৬২) - মি: চৌধুরী
- সূর্য শিখা (১৯৬৩)
|
|