চে গুয়েভারা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

এর্নেস্তো গেবারা দে লা সের্না
জুন ১৪, ১৯২৮অক্টোবর ৯, ১৯৬৭
Famousphotoche-cropped.jpg
বিখ্যাত চিত্রশিল্পী আলবের্তো কোর্দার তোলা ছবি
ডাক নাম: চে
জন্ম তারিখ: জুন ১৪, ১৯২৮[১]
জন্ম স্থান: আর্জেন্টিনা এর পতাকা রোসারিও, আর্জেন্টিনা
মৃত্যু তারিখ: অক্টোবর ৯, ১৯৬৭ (বয়স ৩৯)
মৃত্যু স্থান: বলিভিয়া এর পতাকা La Higuera, বলিভিয়া
প্রধান সংগঠন: 26th of July Movement

এর্নেস্তো গেবারা দে লা সের্না (স্পেনীয় ভাষায় Ernesto Guevara de la Serna) বা চে গুয়েভারা (Che Guevara চে গেবারা) (জুন ১৪, ১৯২৮ - অক্টোবর ৯, ১৯৬৭) বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে খ্যাতিমান সমাজতান্ত্রিক বিপ্লবীদের অন্যতম। তার আসল নাম 'এর্নেস্তো গেভারা দে লা সেরনা'। জন্মসুত্রে তিনি আর্জেন্টিনার নাগরিক। তিনি পেশায় একজন ডাক্তার ছিলেন এবং ফিদেল কাস্ত্রোর দলে প্রথমে দলের চিকিৎসক হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন । কিন্তু পরবর্তীতে তিনি অনুকরনীয় এক বিপ্লবীতে পরিনত হন।

যুবক বয়সে মেডিসিন বিষয়ে পড়ার সময় চে দক্ষিণ আমেরিকার বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণ করেন। যা তাকে অসহায় মানুষের দুঃখ কষ্ট অনুধাবন করার সুযোগ এনে দেয়। চে বুঝতে পারেন ধনী গরিবের এই ব্যবধান ধ্বংস করে দেবার জন্য বিপ্লব ছাড়া আর কোন উপায় নেই। তখন থেকেই তিনি মার্কসবাদ নিয়ে পড়ালেখা শুরু করেন এবং সচক্ষে এর বাস্তব প্রয়োগ দেখার জন্য গুয়াতেমালা ভ্রমন করেন।

১৯৫৬ সালে মেক্সিকো থাকার সময় গুয়েভারা ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী সংগঠন ২৬শে জুলাই আন্দোলনে যোগদান করেন। ১৯৫৯ সালে এই সগঠন কর্তৃক কিউবার ক্ষমতা দখলের পর তিনি রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময় তিনি বিভিন্ন নিবন্ধ ও বই রচনা করেন। চে ১৯৬৫ সালে মেক্সিকো ত্যাগ করেন। তার ইচ্ছা ছিল কঙ্গো-কিনশাসা ও বলিভিয়াতে সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। বলিভিয়াতে থাকার সময় তিনি সি আই এ মদদপুষ্ট বলিভিয়ান বাহিনীর কাছে ধরা পড়েন। .[২]

১৯৬৭ সালের ৯ই অক্টোবর, বলিভিয়ার শহর লা হিগুয়েরাতে বলিভিয়ার সেনাবাহিনী তার মৃত্যদন্ড কার্যকর করে। [৩] মৃত্যুর পর তিনি সমাজতন্ত্র অনুসারীদের জন্য অনুকরনীয় আদর্শে পরিণত হন।

সূচিপত্র

[সম্পাদনা] জীবনের শুরু

১৯২৮ সালের ১৪জুন এর্নেস্তো গুয়েভারা রোসারিও, আর্জেন্টিনায় জন্ম গ্রহন করেন।পরিবারের পাঁচ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন জৈষ্ঠতম। ছোটবেলা থেকেই তার চরিত্রে অস্থির চপলতা দেখে তার বাবা বুঝতে পেরেছিলেন যে আইরিস বিদ্রোহের রক্ত তার এই ছেলের ধমনীতে বহমান।খুব শৈশব থেকেই সমাজের বঞ্চিত, অসহায়, দরিদ্রদের প্রতি এক ধরনের মমত্ববোধ তাঁর ভিতর তৈরী হতে থাকে। একটি সমাজতান্ত্রিক রাজনৈতিক ধারার পরিবারে বেড়ে ওঠার করনে খুব অল্প বয়সেই তিনি রাজনীতি সম্পর্কে বিশদ জ্ঞান লাভ করেন। তার বাবা ছিলেন স্প্যানিস সিভিল যুদ্ধে(Spanish Civil War) রিপাবলিকানদের একজন গোড়া সমর্থক,সেই সংঘর্ষের সৈনিকদের তিনি প্রায়ই বাড়িতে থাকতে দিতেন।

হাপানিতে সারা জীবন ভোগা সত্ত্বেও তিনি দারুন মল্যবিদ ছিলেন।তার খেলধুলার পছন্দ তালিকায় ছিল সাঁতার, ফুটবল,গলফ, শুটিং।চে গুয়েভারা সাইক্লিয়ের একজন অক্লান্ত খেলোয়ার ছিলেন।তিনি রাগবি ইউনিয়নের একজন অতি আগ্রহী সদস্য ছিলেন এবং বুয়েনস এয়ারস বিশ্ববিদ্যালয় রাগবি দলের হয়ে খেলেছেনও।রাগবি খেলার খিপ্রতার জন্য তাকে ফিউজার(fuser)নামে ডাকা হত। তার বিদ্যালয়ের সহপাঠীরা তাকে ডাকত চানচো(pig)বলে, কারন তিনি অনিয়মিত গোসল করতেন এবং সপ্তাহে একটিমাত্র পোশাক পরতেন।১২ বছর বয়সে দাবা খেলা শেখেন তার বাবার কাছে।


বয়সন্ধি থেকে শুরু করে সারাটা জীবন তিনি কবিতার প্রতি আসক্ত ছিলেন বিশেষ করে পেবলো নেরুদা,জন কিটস, এন্টনিও মারকাদো, ফেদেরিকো গারসিয়া লরকা, গ্যাব্রিয়ল মিনস্ট্রাল এবং ওয়াল্ট হুয়িটম্যান, তিনি মুখস্ত কবিতা আবৃতি করতে পারতেন ।তাদের বাড়িতে ৩০০০ এর বেশি বই ছিল যার মধ্যে কার্ল মার্ক্স, উইলিয়াম ফলকনার,এমিলিও সলগারির বই। পাশাপাশি জওহরলাল নেহেরু, আলবার্ট ক্যামাস, ভ্লাদিমির লেলিন, রবার্ট ফ্রোস্ট এর বই তিনি পড়তেন।


[সম্পাদনা] মোটর সাইকেল অভিযান

চে গুয়েভারা ১৯৪৮ সালে বুয়েনস এয়ারস বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসা বিষয়ে লেখাপড়ার জন্য ভর্তি হন। ১৯৫১ সালে লেখাপড়ায় এক বছর বিরতি দিয়ে আলবার্টো গ্রানাডো নমক এক বন্ধুকে সাথে করে মোটর সাইকেলে দক্ষিন আমেরিকা ভ্রমনে বেরিয়ে পড়েন।আমাজান নদীর তীর ঘেষে গড়ে ওঠা পেরুর সান পেবলো লেপার কলোনিতে অনেকটা সময় তিনি কাটিয়েছেন।চরম দারিদ্র্যতার মধ্যে বেঁচে থাকা কৃষকদের দেখে তিনি অভিভূত হয়েছেন।এই ভ্রমনের অভিজ্ঞতা সঞ্চিত করা ডায়েরীতে(The Motorcycle Diaries,) তিনি লিখেছেন, ‘মানব সত্ত্বার ঐক্য ও সংহতির সর্বোচ্চ রুপটি এসকল একাকী ও বেপরোয়া মানুষদের মাঝে জেগে উঠেছে’।তার এই দিনলিপি নিউয়র্ক টাইমস এর বেস্ট সেলার এবং পরে একই নামে(The Motorcycle Diaries,)চলচিত্র বের হয় যা পুরস্কৃত হয়েছিল।


[সম্পাদনা] গুয়েতেমালা, আরবানিজ এবং উইনাইটেড ফ্রুট

১৯৫৩ সালের ৭জুলাই,গুয়েভারা আবারও বলিভিয়া, পেরু, ইকুয়েডর, পানামা, কোস্টারিকা, নিকারাগুয়া, হনডুরাস এবং সালভাডরের উদ্দ্যেশে বের হন।গুয়েন্তামালা ছাড়ার আগে ১৯৫৩ সালের ১০ডিসেম্বর কোষ্টারিকা থেকে তার আন্টিকে সব কিছুর বৃতান্ত দিয়েছিলেন। চিঠিতে তিনি উইনাইটেড ফ্রুট কোম্পানির বিভিন্ন প্রদেশে ভ্রমনের কথা লিখেছিলেন। তিনি এভাবে তার সংরক্ষনশীল আত্মীয়দের আতঙ্কিত করতে চেয়েছিলেন।

[সম্পাদনা] মেক্সিকো শহর ও প্রস্তুতি

১৯৫৪ সালের শুরুর দিকে গুয়েভারা মেক্সিকো শহরে পৌছান এবং সদর হাসপাতালে এলার্জি বিভাগে চাকুরি করেন।পাশাপাশি ন্যাশনাল অটোনোমাস ইউনিভির্সিটি অব মেক্সিকোতে মেডিসিন বিষয়ে প্রভাষক এবং লাতিনা সংবাদ সংস্থার চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করেন।১৯৫৫ সালের জুন মাসে তার বন্ধু নিকো লোপেজ রাউল কাস্ত্রোর সাথে তার পরিচয় করান এবং পরে তার বড় ভাই ফিদেল কাস্ত্রোর সাথে পরিচিত হন।কাস্ত্রোর সাথে তার প্রথম সাক্ষাতে দীর্ঘ আলাপচারিতা হয় এবং চে বলেন যে কিউবার সমস্যা নিয়ে তিনি চিন্তিত।তারপর তিনি ২৬শে জুলাই আন্দোলন দলের সদস্য হন।সেই সময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদের ঘোর বিরোধী ছিলেন এবং তিনি বিশ্বাস করতেন এই আগ্রাসি তৎপরতার আশু সমাপ্তি প্রয়োজন।


[সম্পাদনা] কিউবায় বিপ্লব

বিপ্লবের পরিকল্পনায় কাস্ত্রের প্রথম পদক্ষেপ ছিল মেক্সিকো হতে কিউবায় আক্রমন চালান। ১৯৫৬ সালের ২৫শে নভেম্বর তারা কিউবার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করে। পৌছানোর সাথে সাথেই বাতিস্তার সেনাবাহীনি কর্তৃক আক্রন্ত হন।তার ৮২ জন সহচরী মারা যান অথবা কারাবন্দী হয়, মাত্র ২২জন এ যাত্রায় বেঁচে যায়।গুয়েভারা লিখেছিলেন সেটা ছিল সেই রক্তক্ষয়ী মুখামুখি সংঘর্ষের সময় যখন তিনি তার চিকিৎসা সামগ্রীর সাথে একজন কমরেডের ফেলে যাওয়া এক বাক্স গোলাবারুদ নিয়েছিলেন, যা তাকে পরিশেষে চিকিৎসক থেকে বিপ্লবীতে পরিনত করে।


সিয়েরা মসত্রা পর্বতমালায় বিদ্রোহীদের ছোট্ট একটা অংশ পুনরায় সংঘবদ্ধ হতে পেরেছিল। সেখানে তারা ২৬ শে জুলাই আন্দোলনের গেরিলা এবং স্থানীয় লোকজনদের সহযোগিতা লাভ করেছিলেন। সিয়েরা থেকে দল উঠেয়ে দেবার সময় কাস্ত্রোর একটি সাক্ষাতকার নিউয়র্ক টাইমসে প্রকাশ করা হয়। যার আগে ১৯৫৭ পর্যন্ত সারা পৃথিবীর মানুষ জানত না তিনি বেঁচে আছেন কি না! সেই নিবন্ধে কাস্ত্রো ও বিপ্লবীদের কাল্পনিক ছবি ছিল।গুয়েভারা সেই সাক্ষাতকারে উপস্থিত ছিলেন না কিন্তু কিছু দিন পর তিনি তাদের এই বিপ্লবে প্রচার মাধ্যমের গুরুত্ব বুঝতে পারেন। আত্মবিশ্বাসের সাথে সাথে রসদ সরবরাহ কমে এসেছিল পাশাপাশি ছিল প্রচণ্ড মশার উৎপাত তাই গুয়েভারা সেই সময়টাকে যুদ্ধের সবচেয়ে ব্যাথার সময় বলে অবহিত করেছিলেন।


যুদ্ধচলাকালীন সময়ে চে বিদ্রোহী সেনাবাহিনীর অখন্ড অংশ হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি ফিদেল কাস্ত্রোকে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা, কূটনীতি এবং অধ্যবসায়ের কথা জানিয়ে ছিলেন। গুয়েভারা গ্রেনেড তৈরীর কারখানা, রুটি সেকানোর জন্য চুল্লি প্রস্তুত এবং নিরক্ষর সঙ্গীদের লেখাপড়ার জন্য পাঠশালা তৈরী করেন। তাছাড়াও তিনি একটি স্বাস্থ্য কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা, সামরিক প্রশিক্ষনের কর্মশালা আয়োজন এবং তথ্য সরবরাহের জন্য পত্রিকা প্রচার করতেন। বিখ্যাত টাইম ম্যাগাজিন তিন বছর পর তাকে ‘’’কাস্ত্রোর মস্তিষ্ক’’’ বলে আখ্যায়িত করেছিল। তার পর তিনি বিদ্রোহী বাহিনীর কমান্ডার হিসেবে পদোন্নতি পান। গুয়েভারা শৃংখলার ব্যাপারে অত্যন্ত কঠোর ছিলেন, কর্তব্যে অবহেলাকারীদের তিনি নির্দ্বিধায় গুলি করতেন। তার এই প্রচন্ড মানসিকতা তাকে তার উইনিটে সবার চেয়ে ভয়ংকর করে তুলেছিল। তাই গেরিলা অভিযানের সময় গুপ্তঘাতকদের মৃত্যুদন্ড দেবার দায়িত্ব ছিল তার উপর। চে এমন কঠিন প্রশাসক হওয়া সত্ত্বেও সৈন্যদের শিক্ষক হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কাজের ফাঁকে তাদের জন্য বিনোদনের ব্যবস্থাও করতেন।

[সম্পাদনা] আন্তর্জাতিক কূটনীতি

১৯৬৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে গুয়েভারা বিশ্বের বিপ্লবীদের কূটনীতিক হিসেবে পরিচিতি পান। তাই তিনি কিউবার প্রতিনিধি হয়ে জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগদান করার জন্য নিঊয়র্ক শহরে যান। প্রবল আবেগ অভিভূত বক্তৃতায় তিনি দক্ষিন আফ্রিকার জাতিগত বৈষম্যের কঠোরনীতি দমনে জাতিসংঘের দুর্বলতার কথা বলেন।এটাকে বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘের কোন পদক্ষেপ আছে কি না জানতে চেয়ে প্রশ্ন তোলেন। গুয়েভারা তখন নিগ্র জনগনের প্রতি [[যুক্তরাষ্ট্র|যুক্তরাষ্ট্রের]র নীতির কঠোর নিন্দা জ্ঞাপন করেন। ক্রোধান্বিত গুয়েভারা ‘সেকেন্ড ডিক্লেরেশন অব হ্যাভানা’ নামক একটি কবিতা আবৃতি করে তার বক্তৃতা শেষ করেন। তিনি বলেন যে তার কবিতাটা লেখা হয়েছে ক্ষুধার্ত জনগন, ভূমিহীন কৃষক, বঞ্চিত শ্রমিক ও প্রগতিশীল মানুষের দ্বারা ।


[সম্পাদনা] কঙ্গো

১৯৬৫ সালে গুয়েভারা আফ্রিকায় যাবার সিদ্ধান্ত নেন এবং কঙ্গোয় চলমান যুদ্ধে তার অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান কাজে লাগাবার প্রস্তাব দেন। আলজেরিয়ার রাষ্ট্রপতি আহমেদ বিন বেল্লার মতে, গুয়েভারা আফ্রিকাকে রাজতন্ত্রের দুর্বল ঘাটি ভেবেছিলেন। তাই সেখানে বিপ্লবের প্রচুর সম্ভনা তিনি দেখেছিলেন। মিশরের রাষ্ট্রপতি গামাল আব্দোল নাসের, ১৯৫৯ সালের সাক্ষাতের পর যার সাথে চে এর ভ্রাতৃত্বপুর্ণ সম্পর্ক ছিল। তিনি কঙ্গো আক্রমনের পরিকল্পনাকে বোকামি হিসেবে দেখেছিলেন।এই সতর্কতা সত্ত্বেও গুয়েভারা মার্কসবাদীদের সহয়তায় আক্রমন চালিয়ে যাবার জন্য তৈরী হন। ১৯৬৫ সালের ২৪ এপ্রিল তিনি, তার সেকেন্ড কমান্ড ভিক্টর বার্ক এবং ১২ জন সহচরী নিয়ে কঙ্গোয় পৌছান।তার কিছু দিনের মধ্যে প্রায় ১০০ জন আফ্রো-কিউবান তাদের সাথে যোগ দেন।

[সম্পাদনা] বলিভিয়া

গুয়েভারার অবস্থান সম্পর্কে তখন লোকজন জানত না।১৯৬৬ সালের শেষের দিকে অথবা ১৯৬৭ এর শুরুর দিকে জমবিক স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতিনিধির সাথে ডার সে সালাম নামক স্থানে দেখা হয়। সেখানে গুয়েভারা তাদের বিপ্লবী কর্মকান্ডে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। ১৯৬৭ সালে হাভানায় আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে পদযাত্রায় এক মন্ত্রী বলেন যে চে লাতিন আমেরিকার কোন যায়গায় বিপ্লব চালিয়ে যাচ্ছেন। তার পর প্রমানিত হয় যে তিনি বলিভিয়ায় গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনা করছেন। কাস্ত্রোর আদেশে তিনি মন্টেন ড্রাই ফরেষ্ট নামক দুর্গম এলাকায় প্রশিক্ষন চালান যেখানে বলিভিয়ার স্থানীয় সমাজতান্ত্রিকরা তাকে সাহায্য করেছিল।

[সম্পাদনা] গ্রেফতার ও মৃত্যুদণ্ড

বলিভিয়ার সেনাবাহিনী গুয়েভারাকে ৭ অক্টোবর গ্রেফতার করে এবং তার মৃত্যু হয় ৯ অক্টোবর ১৯৬৭ সাল বেলা ১.১০ টায়।

[সম্পাদনা] ঘটনাপঞ্জি


[সম্পাদনা] পাদটীকা

  1. The date of birth recorded on his birth certificate was June 14, 1928, although one tertiary source (Julia Constenla, quoted by Jon Lee Anderson) asserts that he was actually born on May 14 of that year (Constenla alleges that she was told by an unidentified astrologer that his mother, Celia de la Serna, was already pregnant when she and Ernesto Guevara Lynch were married and that the birth date of their son was forged a month later than the actual date to avoid scandal). Source: Anderson, Jon Lee. Che Guevara: A Revolutionary Life, New York: 1997, Grove Press, pp. 3 and 769.
  2. Death of Che Guevara National Security Archive Electronic Briefing Book No. 5 - Declassified top secret document
  3. Rostow, Walter W. Memorandum for the President:"Death of 'Che' Guevara", dated 11 October 1967. Online at GWU National Security Archive accessed 08 October 2006.
    ° Ryan, Henry Butterfield. The Fall of Che Guevara: A Story of Soldiers, Spies, and Diplomats, New York, 1998: Oxford University Press, pp 129–135.
এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করতে পারেন