চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
| চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় Chittagong University of Engineering & Technology |
|
|---|---|
| স্থাপিত | ১৯৬৮: প্রকৌশল মহাবিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ১৯৮৬: বাংলাদেশ ইন্সটিটউট অফ টেকনোলজি, চট্টগ্রাম ২০০৩: চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় |
| ধরন | প্রকৌশল, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় |
| আচার্য | রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ |
| উপাচার্য | অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম |
| উপ-উপাচার্য | অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রফিকুল আলম |
| অ্যাকাডেমিক স্টাফ | ১৪০+ |
| প্রশাসন স্টাফ | ২৫০+ |
| ছাত্র | ২৫০০ |
| অবস্থান | চট্টগ্রাম, |
| ক্যাম্পাস | শহুরের উপকন্ঠে, ১৬৯ একর (০.৬৬ বর্গ কি.মি.) |
| ডাকনাম | চুয়েট |
| অন্তর্ভুক্তি | ইন্সটিটিউশন অফ ইঞ্জিনিয়ারস, বাংলাদেশ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন |
| ওয়েবসাইট | www.cuet.ac.bd |
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (ইংরেজীঃ Chittagong University of Engineering And Technology) বা সংক্ষেপে চুয়েট (CUET) বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় স্বায়ত্বশাসিত সরকারী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। এটি চট্টগ্রাম শহরের থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে রাউজান থানায় অবস্থিত। এর পূর্বতন নাম ছিল বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজী (বিআইটি), চট্টগ্রাম এবং তার পূর্বে চট্টগ্রাম প্রকৌশল কলেজ। প্রায় আড়াই হাজার শিক্ষার্থী এখানে প্রকৌশল, স্থাপত্য, নগর পরিকল্পনা ও বিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা করেন।
অবস্থান [সম্পাদনা]
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। এটি চট্টগ্রাম শহরের থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে রাঊজান থানায় পাহাড়তলী ইউনিয়নে চট্টগ্রাম-কাপ্তাই মহাসড়কের পাশে অবস্থিত। কর্ণফুলী পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র, যা দেশের সর্ববৃহত পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র চূয়েট থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে কাপ্তাইতে অবস্থিত। ৪২০মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন রাউজান তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র চুয়েট ক্যাম্পাসের পাশেই অবস্থিত।
ইতিহাস [সম্পাদনা]
চট্টগ্রামে একটি প্রকৌশল শিক্ষালয় প্রতিষ্ঠা করার উদ্দেশ্যে ২৮ ডিসেম্বর,১৯৬৮ সালে 'চট্টগ্রাম প্রকৌশল কলেজ' নামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের অধীনে এটি যাত্রা শুরু করে। ভর্তি শুরু হয় ১৯৬৮-৬৯ শিক্ষাবর্ষ হতে।১লা জুলাই ১৯৮৬ সালে এটি বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি,(বিআইটি) চট্টগ্রাম রুপে উন্নীত করা হয়। পরবর্তীতে ১লা সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সালে একটি সরকারী অধ্যাদেশের মাধ্যমে এটিকে পূর্ণাঙ্গ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের মর্যাদা দেয়া হয়।
এছাড়া বিআইটি ঢাকা, বিআইটি খুলনা ও বিআইটি রাজশাহী নামে আরো ৩টি ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজি ছিল যেগুলি পরবর্তিতে যথাক্রমে ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় তে রূপান্তর করা হয়।
১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে চুয়েটের ২ জন ছাত্র শহীদ হয়।[১]
ক্যাম্পাস [সম্পাদনা]
চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের বানিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম শহরের থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে রাঊজান থানায় চট্টগ্রাম-কাপ্তাই রাস্তার পাশে অবস্থিত। প্রাকৃতিক সৌন্দর্য মণ্ডিত চুয়েট ক্যাম্পাস ১৬৯ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বিভিন্ন অনুষদের জন্য আলাদা ভবন, প্রশাসনিক ভবন, অডিটোরিয়াম, লাইব্রেরী ভবন, ওয়ার্কশপ, গবেষণাগার, ছাত্র/ছাত্রী নিবাস, শিক্ষকদের কোয়ার্টার, ক্যান্টিন, শহীদ মিনার, ব্যাংক, মসজিদ, দোকান, মেডিকেল সেন্টার রয়েছে। ক্যাম্পাস এলাকার ভেতরেই রয়েছে একটি প্রাকৃতিক হ্রদ, অসংখ্য পাহাড় ও নানান ধরনের গাছগাছালি।ক্যম্পাসের অভ্যন্তরে একটি সুবিশাল মাঠ রয়েছে।
প্রধান প্রধান ভবন [সম্পাদনা]
- পুরকৌশল ভবন- এতে পুরকৌশল ও কম্পিউটার কৌশল বিভাগ অবস্থিত।
- তড়িৎ ও যন্ত্রকৌশল ভবন - এতে তড়িৎ কৌশল, টেলিযোগাযোগ কৌশল, যন্ত্রকৌশল ও খনিজ কৌশল বিভাগ অবস্থিত।
- নতুন একাডেমিক ভবন - এই ভবনে স্থাপত্য ও নগর পরিকল্পনা বিভাগ অবস্থিত।
- প্রি-ইঞ্জিনিয়ারিং ভবন - এই ভবনে আছে গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, মানবিক বিভাগ।
- প্রশাসনিক ভবন- সকল প্রশাসনিক কাজ এই ভবনে হয়ে থাকে।
- প্রকৌশল ভবন - বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজে প্রকৌশল সহায়তা ও অন্যান্য কাজ এই ভবন থেকে নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- লাইব্রেরী ভবন- এই ভবনে লাইব্রেরী অবস্থিত।
- অডিটোরিয়াম - বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়।
- গ্যালারী - পূর্ব ও পশ্চিম গ্যালারী নামে দুটি গ্যালারী আছে যেখানে বিভিন্ন সেমিনার ও আলোচনা সভা আয়োজিত হয়।
- ওয়ার্কশপ - এখানে পুরকৌশল ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের উডশপ, মেশিনশপ, ওয়েল্ডিং শপ রয়েছে।
এছাড়া ৫তলা একটি নতুন লাইব্রেরী ভবন স্থাপনের কাজ চলছে। এটি কাজ শেষ হলে পুর্বের লাইব্রেরী ভবনটিতে ক্যাফেটেরিয়া চালু করা হবে।
মেডিকেল সেন্টার [সম্পাদনা]
চুয়েট মেডিকেল সেন্টারে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা রয়েছে। এটি ২০ শয্যাবিশিষ্ট। প্রয়োজনীয় সংখ্যক ডাক্তার এখানে চিকিৎসা কার্যে নিয়োজিত আছেন। গুরুতর রোগীদের পার্শ্ববর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় যা চুয়েট থেকে প্রায় ১০ কিমি দূরে অবস্থিত।
মসজিদ [সম্পাদনা]
ক্যাম্পাসে থাকা শিক্ষার্থী,কর্মচারী ও শিক্ষকদের জন্য চুয়েটে ৫৬০ বর্গ কিমি আয়তনের একটি মসজিদ রয়েছে।
ক্যান্টিন [সম্পাদনা]
বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে ৩টি ক্যান্টিন রয়েছে। এর মাঝে দুটি ক্যান্টিন বিশ্ববিদ্যালয়ের গেইট থেকে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে প্রবেশপথে গোলচত্তরের পাশে অবস্থিত এবং অপর একটি পুরকৌশল ভবনের পেছনে অবস্থিত।
মিলনায়তন [সম্পাদনা]
বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৫০০ আসনের একটি কেন্দ্রীয় মিলনায়তন কমপ্লেক্স রয়েছে। এতে আধুনিক সকল সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান।বছরের বিভিন্ন সময় মিলনায়তনে বিভিন্ন সেমিনার, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, মেলা, চলচিত্র উৎসব ইত্যাদির আয়োজন হয়ে থাকে।
লাইব্রেরী [সম্পাদনা]
বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরীর দুইতলা গোলাকার ভবনটি ক্যাম্পাসের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। লাইব্রেরীতে আধুনিক সকল সুবিধা রয়েছে। এখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে একসাথে প্রায় ২০০ জন ছাত্রের একসাথে পড়ার ব্যবস্থা আছে। চুয়েট লাইব্রেরীতে রেফারেন্স ও জার্নালের একটি বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। লাইব্রেরী কার্ডের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা এখান থেকে বই নিতে পারে। প্রতিদিন ৫টি ভিন্ন দৈনিক পত্রিকা রাখা হয়। এছাড়া বেশ কিছু ম্যগাজিনের নিয়মিত সকল সংস্করণ রাখা হয়।এখানে শিক্ষার্থীদের জন্য ফটোস্ট্যট করার ব্যবস্থাও আছে। শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য এখানে ইন্টারনেট সংযোগ সহ অনেকগুলি কম্পিউটার রয়েছে।
যাতায়াত [সম্পাদনা]
চুয়েট শিক্ষার্থীদের বহনের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ৭টি বাস সপ্তাহিক কার্যদিবসগুলোতে ক্যাম্পাস ও শহরের মধ্যে যতায়াত করে থাকে। সকাল ৭টায় শহর থেকে ক্যম্পাসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে এবং বিকাল ৫টায় ক্যাম্পাস ছেড়ে যায়। এছাড়া শহর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সারাদিনই বহু লোকাল যানবাহন চলাচল করে থাকে।
অনুষদ এবং বিভাগ সমূহ [সম্পাদনা]
চট্টগ্রাম প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) এ বর্তমানে ৫ টি অনুষদের অধীনে ১৩ টি বিভাগ রয়েছে।
| অনুষদের নাম | বিভাগ সমূহ | স্নাতক শ্রেণীতে আসনসংখ্যা |
| তড়িৎ এবং কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদ | তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশল বিভাগ কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ ইলেকট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন প্রকৌশল |
১৩০ ১২০ ৩০ |
| পুরকৌশল অনুষদ | পুরকৌশল বিভাগ দূর্যোগ ও পরিবেশ কৌশল বিভাগ |
১৩০ |
| যন্ত্র প্রকৌশল অনুষদ | যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগ পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং প্রকৌশল |
১৩০ ৩০ |
| প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ | রসায়ন বিভাগ গণিত বিভাগ পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগ |
|
| স্থাপত্য এবং পরিকল্পনা অনুষদ | স্থাপত্য বিভাগ নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ মানবিক বিভাগ |
৩০ ৩০ |
এছাড়া মেকাট্রোনিক্স কৌশল বিভাগ চালু করার প্রক্রিয়া চলছে।
ভর্তি [সম্পাদনা]
চুয়েটে স্নাতক শ্রেণীতে লেভেল -১ টার্ম-১ এ শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় । ভর্তির শিক্ষার্থী বাছাই একটি কঠোর প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে করা হয়। সাধারণত অক্টোবর বা নভেম্বর মাসে ভর্তি ফর্ম দেওয়া হয়। উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় গণিত, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও ইংরেজীতে একটি ন্যূনতম গ্রেড পয়েন্ট থাকলে একজন ভর্তিচ্ছু ফর্ম সংগ্রহ করতে পারে। ভর্তি পরীক্ষার পূর্বে উল্লেখিত ৪টি বিষয়ে সর্বোচ্চ গ্রেড পয়েন্ট অনুসারে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহনের যোগ্য ৬০০০ জনের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। এই ৬০০০ জন পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেয়া হয় এবং তাদের মধ্য থেকে সেরা ৬৪০ জন কে ভর্তি করানো হয়। অর্থাৎ প্রতিটি আসনের বিপরীতে প্রায় ১০ জন পরীক্ষার্থী থাকে। "ক" ও "খ" এই দুটি বিভাগে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়। শুধুমাত্র প্রকৌশল বিভাগসমূহ ও নগর পরিকল্পনা বিভাগের জন্য "ক" বিভাগে এবং প্রকৌশল বিভাগসমূহ, নগর পরিকল্পনা ও স্থাপত্য বিভাগের জন্য "খ" বিভাগে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। "ক" বিভাগের পরীক্ষা শুধুমাত্র এম.সি.কিউ এবং "খ" বিভাগের জন্য এম.সি.কিউ এবং মুক্ত হস্ত অঙ্কন উভয়েই অংশগ্রহণ করতে হয়।
স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি তে ভর্তির জন্য স্নাতক শ্রেনীর প্রাপ্ত সিজিপিএ বিবেচনা করা হয় এবং ভর্তিচ্ছুদের ইন্টারভিউ গ্রহণ করা হয়।
একাডেমিক ক্যলেন্ডার [সম্পাদনা]
স্নাতক শ্রেণীতে প্রতিটি লেভেল (শিক্ষাবর্ষে) তিনটি করে টার্ম থাকে।চার লেভেল শেষ হলে একজন শিক্ষার্থী তার স্নাতক সম্পন্ন করে থাকে।এই ৩টি টার্ম হল টার্ম-১, টার্ম-২ ও শর্ট টার্ম। টার্ম ১ ও ২ প্রতিটি ১৮ সপ্তাহ করে এবং শর্ট টার্ম ৩ সপ্তাহ। টার্ম ১ ও ২ এ ১৩ সপ্তাহ করে ক্লাস, টার্ম মধ্যবর্তি ছুটি ১ সপ্তাহ, ২সপ্তাহ পরীক্ষা পূর্ব প্রস্তুতির ছুটি এবং পরীক্ষা ২ সপ্তাহ। শর্ট টার্ম এ ১ সপ্তাহ পরীক্ষা পূর্ব প্রস্তুতির ছুটি এবং ১ সপ্তাহ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি সপ্তাহে ৫টি কার্যদিবস। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি।সকল পরীক্ষার ফলাফল গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রকাশ করা হয়[২]
শিক্ষার মাধ্যম [সম্পাদনা]
চুয়েটে শিক্ষার মাধ্যম ইংরেজী। পরীক্ষার মাধ্যমও ইংরেজী। এছাড়া সকল প্রশাসনিক কাজকর্মেও ইংরেজী ব্যবহার করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন প্রনীত সিলেবাস অনুসারে এখানে পাঠদান করা হয়। উল্ল্যেখ্য দেশের ৪টি সরকারী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে একই সিলেবাস অনুসরণ করা হয়।
পরিচালনা পর্ষদ [সম্পাদনা]
আচার্য [সম্পাদনা]
- রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্য [সম্পাদনা]
- অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম
উপ-উপাচার্য [সম্পাদনা]
- অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ রফিকুল আলম
অনুষদের ডীনগণ [সম্পাদনা]
- পুরকৌশল অনুষদ - প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম
- যন্ত্রকৌশল অনুষদ - প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
- তড়িৎ ও কম্পিউটার কৌশল অনুষদ - প্রফেসর ড. মোহাম্মদ রফিকুল আলম
- স্থাপত্য ও নগর পরিকল্পনা অনুষদ - প্রফেসর ড. শ্যামল কান্তি বিশ্ব
- প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদ - প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুর রশিদ
বিভাগীয় প্রধানগণ [সম্পাদনা]
- পুরকৌশল বিভাগ - প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হযরত আলী
- তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক প্রকৌশল বিভাগ - প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আব্দুল মতিন ভূঁইয়া
- যন্ত্রপ্রকৌশল বিভাগ - প্রফেসর ড. বদিঊস সালাম
- ইলেক্ট্রনিক ও টেলিকমিউনিকেশন প্রকৌশল বিভাগ - ড। কাজী দেলোয়ার হোসেন
- কম্পিউটার প্রকৌশল অনুষদ - প্রফেসর ড. কৌশিক দেব
- স্থাপত্য বিভাগ - সুলতান মোহাম্মদ ফারুক
- নগর ও পরিকল্পনা বিভাগ - সুলতান মোহাম্মদ ফারুক
- পেট্রোলিয়াম ও মাইনিং প্রকৌশল বিভাগ - প্রফেসর ড. মাহবুবুল আলম
- পদার্থবিদ্যা বিভাগ - প্রফেসর ড. ফারুকুজ্জামান চৌধুরী
- রসায়ন বিভাগ - প্রফেসর ড. রেজাউল করিম
- গণিত বিভাগ - প্রফেসর ড. আশোতোষ সাহা
- মানবিক বিভাগ - প্রফেসর ড. মোস্তফা কামাল
কমিটি সমূহ [সম্পাদনা]
- সিণ্ডিকেট
- একাডেমিক কাউন্সিল
- ফাইন্যন্স কমিটি
- পি এন্ড ডি কমিটি
অন্যান্য [সম্পাদনা]
- রেজিস্ট্রার - মো. শফিকুল ইসলাম
- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন পরিচালক - ড. মো. উমর ইমাম
- পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক - ড. চৌধুরী এম. সাইফুল ইসলাম
- কম্পট্রোলার - মো. মাসুদুর রহমান
- প্রধান মেডিক্যাল অফিসার - ডা. মো. ইউসুফ মিয়া
- প্রধান প্রকৌশলী - প্রকৌশলী মো. সিরাজুল ইসলাম
- লাইব্রেরীয়ান - মো. আবুল হোসেন শাইখ
- ছাত্র কল্যাণ পরিষদ প্রধান - প্রফেসর ড. আশোতোষ সাহা
গবেষণাগারসমূহ [সম্পাদনা]
তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল বিভাগ [সম্পাদনা]
- সার্কিট এন্ড মেসারমেন্ট ল্যাবরেটরি
- ইলেক্ট্রনিকস ল্যাবরেটরি
- মেশিন এন্ড রিনিউএবল এনার্জী ল্যাবরেটরি
- মাইক্রোওয়েভ এন্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিকস এন্ড মাইক্রোপ্রসেসর ল্যাবরেটরি
- সিমুলেশন ল্যাবরেটরি
- ভিএলএসআই (VLSI) এন্ড ডিজিটাল সিগন্যাল প্রসেসিং ল্যাবরেটরি
- পাওয়ার ইলেক্ট্রনিকস ল্যাবরেটরি
- পাওয়ার সিস্টেম এন্ড প্রটেকশান ল্যাবরেটরি
- হাই ভোল্টেজ ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি
যন্ত্রকৌশল বিভাগ [সম্পাদনা]
- ফ্লুইড মেকানিক্স ল্যাবরেটরি
- থার্মাল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি
- অন্তর্দহ ইঞ্জিন ল্যাবরেটরি
- এপ্লাইড মেকানিক্স ল্যাবরেটরি
- মেকাট্রনিক্স ল্যাবরেটরি
- মেসারমেন্ট প্র্যক্টিস ল্যাবরেটরি
- ওয়ার্কশপ
- যন্ত্রকৌশল অঙ্কন রুম
- কম্পিউটার ল্যাবরেটরি
পুরকৌশল বিভাগ [সম্পাদনা]
- স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি
- জিও-টেকনিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি
- এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি
- ট্রান্সপোর্টেশান ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি
- হাইড্রলিক ইঞ্জিনিয়ারিং ল্যাবরেটরি
- ওয়ার্কশপ
- পুরোকৌশল অঙ্কন রুম
কম্পিউটার কৌশল বিভাগ [সম্পাদনা]
- কম্পিউটার ল্যাবরেটরি - ১
- কম্পিউটার ল্যাবরেটরি - ২
- কম্পিউটার হার্ডওয়ার ল্যাবরেটরি
- ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক ল্যাবরেটরি
- প্রোগ্রামেবল লজিক কন্ট্রোলার (PLC) ল্যাবরেটরি
- রোবোটিক্স ল্যাবরেটরি
- মাইক্রোপ্রসেসর এন্ড ইন্টারফেইসিং ল্যাবরেটরি
- অপারেটিং সিস্টেম ল্যাবরেটরি
পদার্থবিদ্যা ও রসায়ন বিভাগ [সম্পাদনা]
- পদার্থবিজ্ঞানের সাধারন পরীক্ষাসমূহের জন্য একটি ও আলোকবিজ্ঞান সংক্রান্ত পরীক্ষাসমূহের জন্য একটি (Dark Room) মোট দুটি পরীক্ষাগার রয়েছে
- রসায়নবিজ্ঞানের একটি পরীক্ষাগার রয়েছে।
ইনস্টিটিউট ও সেন্টারসমূহ [সম্পাদনা]
বর্তমানে ২টি ইনস্টিটিউট এবং ৩টি সেন্টার রয়েছে। এগুলো হল -
- ইন্সটিটিউট অফ ইনফরমেশন এণ্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (IICT)
- ইন্সটিটিউট অফ এনার্জি টেকনোলজি (IET)
- ব্যুরো অফ রিসার্চ, টেস্টিং এন্ড কন্সাল্টেন্সি (BRTC)
- আর্থকোয়েক ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড রিসার্চ সেন্টার (EERC)
- ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার (LC)
ইন্সটিটিউট অফ ইনফরমেশন এণ্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি (IICT) [সম্পাদনা]
- ইনফরমেশন এণ্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ে বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা।
- ইনফরমেশন এণ্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ে গবাষনা ও বাস্তব প্রয়োগ ।
- ইনফরমেশন এণ্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিষয়ে স্বল্পমেয়াদী কোর্স পরিচালনা।
- চুয়েট কর্মচারীদেরকে প্রশিক্ষন প্রদান।
- বিভিন্ন সেমিনার,কনফারেন্সে কারিগরি সহায়তা প্রদান।
- বই, জার্নাল ইত্যাদি প্রকাশে বিদেশী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করা।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে ও সারা দেশে ইনফরমেশন এণ্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজির উন্নয়নে কাজ করা।
- বিশ্ববিদ্যালয় ও দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করা।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ ও অন্যান বিশ্ববিদ্যলয়ের সাথে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের রক্ষনাবেক্ষন করা।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটের রক্ষনাবেক্ষন ও ভর্তি পরীক্ষায় সহায়তা।
- CISCO ট্রেইনিং পরিচালনা।
ইন্সটিটিউট অফ এনার্জি টেকনোলজি (IET) [সম্পাদনা]
- শক্তির উৎস ও পরিবেশের সম্পর্ক বিষয়ে উন্নত গবেষণা পরিচালনা করা।
- পরিবেশের ভারসাম্য ও পরিবেশকে পরিছন্ন রেখে দেশে অধিক শক্তির উৎপাদন বিষয়ে উন্নত গবেষনা
- পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও অধিক শক্তি উৎপাদনে প্রকৌশল জ্ঞানকে কাজে লাগানো
- পরিবেশের দূষন ও এর ঝুকি সম্পর্কে গবেষনা পরিচালনা।
- নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস অনুসন্ধান ও সে সম্পর্কিত গবেষনা।
- স্নাতকোত্তর শ্রেনীর গবেষণা কার্যে সহায়তা করা।
- স্নাতক শ্রেনীতে পরিবেশের দূষন, নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস ও পরিবেশ সম্পর্কিত কোর্স পরিচালনা করা।
ব্যুরো অফ রিসার্চ, টেস্টিং এন্ড কন্সাল্টেন্সি (BRTC) [সম্পাদনা]
- বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৌশল সংক্রান্ত কাজে সহায়তা।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে বিভিন্ন শিল্পকারখানার যোগাযোগ রক্ষা করা।
- সরকারের প্রকৌশল সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রকল্প ও গবেষনায় সহায়তা।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থে বিভিন্ন লাভজনক গবেষণা পরিচালনা করা।
- শিক্ষার্থীদের ব্যবহারিক কোর্সের বিভিন্ন ধরনের সহায়তা প্রদান।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষনাগারের বিভিন্ন যন্ত্রপাতির রক্ষনাবেক্ষন।
আর্থকোয়েক ইঞ্জিনিয়ারিং এণ্ড রিসার্চ সেন্টার (EERC) [সম্পাদনা]
- সরকারী বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে প্রকৌশল সঙ্ক্রান্ত সহায়তা প্রদান।
- দেশের বিভিন্নস্থানে ঘটা ভূমিকম্প ও তৎশংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষয়ক্ষতির কারন অনুসন্ধান।
- ভূমিকম্প ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস কৌশল সম্পর্কে সাধারন নাগরিকদের প্রশিক্ষন প্রদান
- ভূমিকম্প প্রতিরোধী বাড়ি, ব্রীজ, ফ্লাইওভার সম্পর্কিত গবেষনা পরিচালনা।
- বিশ্ববিদ্যালয়ে ভূমিকম্প বিষয়ক কোর্স পরিচালনা।
- ভূমিকম্প প্রতিরোধে পরিকল্পিত নগরায়ন এর ভূমিকা সম্পর্কে সাধারন নাগরিকদের সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
ল্যাঙ্গুয়েজ সেন্টার (LC) [সম্পাদনা]
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের জন্য প্রকৌশলী কর্মক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ইংরেজী কোর্স পরিচালনা।
- ছাত্রদের ইংরেজী ভাষা বলতে, লিখতে ও বুঝতে পারার দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য বাস্তব প্রয়োগধর্মী ব্যবহারিক ক্লাস পরিচালনা।
- প্রয়োজনীয় জাপানী ও জার্মান ভাষা শিক্ষাদান কোর্স পরিচালনা।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসীয়াল কাজের জন্য রচিত পত্র, নোটিশ ইত্যাদিতে ভাষাগত বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করা।
আবাসিক হল সমূহ [সম্পাদনা]
| হলের নাম | প্রভোস্ট | আসনসংখ্যা |
| শহীদ মোঃ শাহ হল (South Hall) | ড. মুহাম্মদ আবদুল ওয়াজেদ | ৪১৫ |
| ডঃ কুদরত-ই-খুদা হল (Q.K Hall) | ড. আবদুল মতিন ভূঁইয়া | ৪৩৩ |
| শহীদ তারেক হূদা হল (North Hall) | ড. সজল চন্ত্র বণিক | ৩৭৬ |
| সুফিয়া কামাল হল (Ladies Hall) | ড. রণজিৎ কুমার সূত্রধর | ২০০ |
| বঙ্গবন্ধু হল (New hall) | ড. আশোতোষ সাহা | ৫৭২ |
ছাত্র সংগঠন সমূহ [সম্পাদনা]
- বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন
- সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট
- কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ
- কম্পিউটার ক্লাব
- জয়ধ্বনী
- গ্রিন ফর পিস
- ডিবেটিং সোসাইটি
- মুভি ক্লাব
- আর্ট এন্ড ফটোগ্রাফি সোসাইটি
- রোবো-মেকাট্রনিক্স এসোসিয়েশন
প্রথম সমাবর্তন [সম্পাদনা]
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালের ৮ই এপ্রিল। তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ড. ইয়াজউদ্দিন আহমেদ এতে উপস্থিত ছিলেন। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান। শিক্ষা ও বাণিজ্য উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান একজন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মোট ১৪০৩ জন স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীকে সনদ প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে ১৯৯৬-২০০২ সালে পাস করা শিক্ষার্থীদেরকে সন্দ প্রদান করা হয়। ৭জন শিক্ষার্থীকে ভাল ফলাফলের জন্য স্বর্ন পদক প্রদান।
দ্বিতীয় সমাবর্তন [সম্পাদনা]
বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ২৯শে নভেম্বর ২০১২। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আাচার্য মো. জিল্লুর রহমানের মননোনয়নে সমাবর্তনে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রকৌশল শিক্ষাবিদ প্রফেসর জামিলুর রেজা চৌধুরী। সমাবর্তন অনুষ্ঠানে স্নাতক পর্যায়ে পূরকৌশল বিভাগের ৫১৫ জন, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের ৪৬৬ জন, যন্ত্রকৌশল বিভাগের ৪৯৯ জন, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২২৮ জনকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এম.ফিল-এ পাঁচজন এবং আরো পাঁচজনকে এমএসসি ডিগ্রি দেয়া হয়। সর্বমোট ১৭১৮ জনকে ডিগ্রি প্রদান করা হয়। সমাবর্তনে চুয়েটের চার শিক্ষার্থীকে স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়। [৩][৪]
র্যাংকিং [সম্পাদনা]
QS র্যাংকিং এ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের তালিকায় ২০১১ সালে এশিয়া অঞ্চলে এটির র্যাংকিং ছিল ৩১৩ এবং ২০১২ এ এশিয়া অঞ্চলে এটির র্যাংকিং ৩৩৮।[৫]
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ স্নাতক বুলেটিন,২০১১
- ↑ স্নাতক শ্রেনির বুলেটিন, ২০১১।
- ↑ http://www.dainikazadi.org/details2.php?news_id=2997&table=november2012&date=2012-11-29&page_id=4&view=0&instant_status=0
- ↑ http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=211893&cid=2
- ↑ QS ranking
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
- চুয়েট অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
- চুয়েটনিউজ২৪
- চুয়েটিয়ান ডাটাবেইস
- রোবো-মেকাট্রনিক্স এসোসিয়েশন]
- গ্রীন ফর পীস]
- চুয়েট ব্লগ]
আরও দেখুন [সম্পাদনা]
|
||||||||||||||