চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো.svg
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিত ১৮ নভেম্বর, ১৯৬৬
ধরন সরকারি, সহ-শিক্ষা
আচার্য রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ
উপাচার্য মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম আরিফ
অ্যাকাডেমিক স্টাফ ১,৯০০৭
ছাত্র ১৭,৯২৮ (ছাত্র ১৩,২৫৪, ছাত্রী ৪,৬৭৪)
অবস্থান চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
ক্যাম্পাস ১,৭৫৪ একর
সংক্ষিপ্ত নাম চবি
অন্তর্ভুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ওয়েবসাইট www.cu.ac.bd
University of Chittagong logo.png

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (ইংরেজি: University of Chittagong) বাংলাদেশের একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। এটি ১৯৬৬ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলায় স্থাপিত হয়। এটি দেশের তৃতীয় বৃহৎ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়।

পরিচ্ছেদসমূহ

অবস্থান[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম শহর থেকে প্রায় ২২ কিলোমিটার উত্তরে হাটহাজারী থানার ফতেহপুর ইউনিয়নের জোবরা গ্রামে পশ্চিম-পট্টি মৌজার ১৭৫৩.৮৮ একর পাহাড়ি এবং সমতল ভূমির উপর অবস্থিত। ১৯৬৬ সালের ১৮ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা শুরু।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

তৎকালিন পূর্ব-পাকিস্তানের জনশিক্ষা উপ-পরিচালক মো. ফেরদাউস খান ১৯৬২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক খসড়া পরিকল্পনা তৈরি করেন। প্রথমদিকে এ বিশ্ববিদ্যালয় সিলেট, কুমিল্লানোয়াখালিতে স্থাপনের পরিকল্পনা করা হলেও অবশেষে চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠা করা হয়। কথিত রয়েছে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তৎকালীন পাকিস্তানের স্পিকার ফজলুল কাদের চৌধুরী কুমিল্লা থেকে চট্টগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপনের ব্যাবস্থা করেন। ১৯৬১ সালে চট্টগ্রামের সমাজকর্মী বাদশাহ মিয়া চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সিটি কলেজের অধ্যাপক আহমদ হোসেনরে তত্ত্বাবধানে "চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সংগ্রাম পরিষদ" গঠিত হয়। ১৯৬৪ সালের ২৯শে আগস্ট পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।[১]

বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত প্রতিষ্ঠান[সম্পাদনা]

কলা অনুষদের পেছনের দৃশ্য
অনুষদ [২]
বিভাগ ৪১[৩]
ইনস্টিটিউট [৪]
গবেষণাকেন্দ্র [৫]

অনুষদ ও বিভাগসমূহ[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ৭টি অনুষদে ৪১টি বিভাগ রয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষদ এবং অন্তর্গত বিভাগসমূহ হলো:

কলা অনুষদ[সম্পাদনা]

  • সংস্কৃত বিভাগ
  • বাংলা বিভাগ
  • ইংরেজি বিভাগ
  • পালি বিভাগ
  • আরবি বিভাগ
  • ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ
  • ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগ
  • ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ
  • ইতিহাস বিভাগ
  • দর্শন বিভাগ
  • নাট্যকলা বিভাগ
  • ভাষাবিজ্ঞান বিভাগ

সমাজ বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
  • যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ - সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধীন এ বিভাগের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯৪-১৯৯৫ শিক্ষাবর্ষে। এ বিভাগে বর্তমানে বিএসএস ও এমএসএস শ্রেনীতে তিন'শোর অধিক শিক্ষার্থী অধ্যয়ণ করছে।
  • নৃবিজ্ঞান বিভাগ
  • অর্থনীতি বিভাগ
  • রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগ
  • সমাজতত্ত্ব বিভাগ
  • লোক প্রশাসন বিভাগ

বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • রসায়ন বিভাগ
  • পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
  • গণিত বিভাগ
  • পরিসংখ্যান বিভাগ
  • ফলিত ও পরিবেশ রসায়ন

ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ[সম্পাদনা]

  • কম্পিউটার সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
  • ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ
  • ফলিত পদার্থবিদ্যা

জীব বিজ্ঞান অনুষদ[সম্পাদনা]

  • উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগ
  • প্রাণিবিদ্যা বিভাগ
  • মাইক্রোবায়োলজি বিভাগ
  • প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ
  • ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ
  • মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগ
  • জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড বায়োটেকনোলজী বিভাগ
  • মনোবিজ্ঞান বিভাগ
  • ফার্মেসী বিভাগ

বানিজ্য অনুষদ[সম্পাদনা]

  • একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ
  • ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ
  • ফাইন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগ
  • মার্কেটিং বিভাগ
  • হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট
  • সেন্টার ফর বিজনেস স্ট্যাডিস (সিবিএস) - বৈকালিক এমবিএ পোগ্রাম

আইন অনুষদ[সম্পাদনা]

  • আইন বিভাগ

ইনস্টিটিউটসমূহ[সম্পাদনা]

  • ইনস্টিটিউট অব এডুকেশান, রিসার্স এন্ড ট্রেনিং
  • চারুকলা ইনস্টিটিউট[৬]
  • আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট[৭]: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউট বিভিন্ন ভাষা-শিক্ষা বিষয়ে একবছর মেয়াদী শিক্ষা প্রদান করে থাকে। এ ইনস্টিটিউট সার্টিফিকেট কোর্স এবং ডিপ্লোমা কোর্স পরিচালনা করে থাকে। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালে; যার কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে কলা বিভাগ। বর্তমানে এই ইনস্টিটিউটে ১৩ জন পূর্নকালীন এবং ৭ জন থণ্ডকালীন শিক্ষক রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের লুথার কলেজের শিক্ষা বিভাগের অধ্যাপক ডেবোরা লি নরল্যান্ড উক্ত ইনস্টিটিউটের পাঠক্রম এবং পাঠ্যসূচী মানোন্নয়ন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ বিষয়ে কাজ করেছেন।
কোর্সসমূহ
বাংলা, ইংরেজি, ফরাসী, জার্মান, জাপানিজ, আরবি, ফার্সি এবং চাইনিজ।
  • ইনস্টিটিউট অব ফরেষ্ট্রি এন্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস[৮]
  • ইনস্টিটিউট অব মেরিন সায়েন্সেস এন্ড ফিশারিশ

গবেষণা কেন্দ্রসমূহ[সম্পাদনা]

  • গণিত ও ভৌত বিজ্ঞান গবেষণা কেন্দ্র
  • নজরুল গবেষণা কেন্দ্র
  • ব্যুরো অব বিজনেস রিসার্চ

অধিভুক্ত কলেজ ও ইনস্টিটিউট[সম্পাদনা]

আবাসিক হলসমূহ[সম্পাদনা]

ছাত্র হল[সম্পাদনা]

  • আলাওল হল
  • এ. এফ. রহমান হল
  • শাহজালাল হল
  • সোহরাওয়ার্দী হল
  • শাহ আমানত হল
  • মাষ্টারদা সূর্যসেন হল
  • শহীদ আবদুর রব হল
  • বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল (নির্মাণাধীন)

ছাত্রী হল[সম্পাদনা]

  • জননেত্রী শেখ হাসিনা হল (নির্মাণাধীন)
  • শামসুন্নাহার হল
  • প্রীতিলতা হল
  • বেগম খালেদা জিয়া হল

সংগঠন[সম্পাদনা]

রাজনৈতিক[সম্পাদনা]

সাংস্কৃতিক[সম্পাদনা]

বিজ্ঞান[সম্পাদনা]

বিবিধ[সম্পাদনা]

  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (সিইউজেএ)
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ডিবেটিং সোসাইটি (সিইউডিএস)
  • চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় স্কুল অব ডিবেট (সিইউএসডি)
  • ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং ডিপার্টমেন্ট ডিবেট অ্যাসোসিয়েশন

ক্যাফেটেরিয়া[সম্পাদনা]

স্মৃতিস্তম্ভ ও ভাস্কর্য[সম্পাদনা]

যাদুঘর[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয় যাদুঘর[সম্পাদনা]

১৯৭৩ সালের ১৪ জুন এ মধ্যযুগের চারটি কামান নিয়ে যাদুঘরটির কার্যক্রম শুরু হয়। এ যাদুঘরের বেলে পাথরের একাধিক ভাস্কর্যসহ বেশকিছু প্রাচীন পাথর আর একটি কামান রয়েছে। মূল কক্ষের প্রবেশ পথে রয়েছে দ্বাদশ শতকের একটি প্রাচীন শিলালিপি। এখানে অষ্টম শতকের পাহাড়পুর থেকে প্রাপ্ত পোড়ামাটির চিত্রফলক, বৌদ্ধমূর্তি, মধ্যযুগের ১০-১৫টি বিষ্ণু মূর্তি সৈন্যদের ব্যবহৃত অস্ত্রশস্ত্র, নানারকম মুদ্রা, প্রাচীন বইপুস্তক, বাদ্যযন্ত্র, উপজাতীয়দের নানা নিদর্শন, চিনামাটির পাত্র ইত্যাদি সংরক্ষণ করা হয়েছে। এ যাদুঘরটি সকল খোলা দিনে দর্শকদের জন্য উম্মুক্ত থাকে।[৯] ইসলামিক আর্ট গ্যালারীতে রয়েছে মোগল আমলের কামান, স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা, হস্তলিখিত কুরআন, মধ্যযুগীয় অস্ত্র, প্রাচীন মসজিদের ও তাদের ধ্বংসাবশেষের ছবি। প্রত্নতাত্ত্বিক ও প্রাগৈতিহাসিক গ্যালারীতে প্রাচীনকালের ছবি, জীবাশ্ম, মাটির মূর্তি রয়েছে। ভাস্কর্য গ্যালারীতে রয়েছে অষ্ট থেকে দ্বাদশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়কালের কাঠের মূর্তি, বিষ্ণু মূর্তি, শিবলিঙ্গ। লোকশিল্প গ্যালারীতে সপ্তদশ ও অষ্টাদশ শতকের তামা, পিতল ও অ্যালুমিনিয়ামের তৈজসপত্র, বেতের ঝুড়ি, মাটির ভাস্কর্য, মাটির পুতুল প্রভৃতির বিশাল সম্ভার রয়েছে। আর্ট গ্যালারীতে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন, কামরুল হাসান, রশিদ চৌধুরী, জিয়া উদ্দীন চৌধুরী, নিতুন কুন্ডু চৌধুরীর পেইন্টিংস এবং সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদের ভাস্কর্য রয়েছে।[১০]

প্রাণিবিদ্যা যাদুঘর[সম্পাদনা]

এটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। ১৯৭৩ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের পাঠক্রমের সমর্থনে একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ যাদুঘরটি স্থাপিত হয়। এই যাদুঘরে মোট ৫৪০টি নমুনা সংরক্ষিত আছে। এর মধ্যে প্রাণীর সংখ্যা ৫৭টি এবং ফরসালিন (ভেজা সংরক্ষিত) নমুনার সংখ্যা ৪৮৫টি।[৯]

সমুদ্র সম্পদ যাদুঘর[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়েরই সামুদ্রিক বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটের একটি রুমে গড়ে তোলা হয়েছে এ যাদুঘর। এখানে ৫৫০টির মতো সামুদ্রিক প্রাণী সংরক্ষণ করা হয়েছে। হাঙ্গর থেকে শুরু করে বৈদ্যূতিক মাছ, আজব বাণাকেল, অক্টোপাস, শামুক, সাপ সহ রয়েছে অসংখ্য বিস্ময়কর জীব বৈচিত্র।[৯]

গ্রন্থাগার[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় গ্রন্থাগার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার দেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ গ্রন্থাগারগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই গ্রন্থাগারে রয়েছে বিরল বই, জার্নাল, অডিও-ভিজ্যুয়াল উপাদান, পান্ডুলিপি এবং অন্ধদের জন্য ব্রেইল বই। ১৯৬৬ সালের নভেম্বরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্বোবধনের সাথে এই গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয় মাত্র ৩০০ বই নিয়ে। লাইব্রেরি বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয় ১৯৯০ সালের নভেম্বরে। তিনতলা বিশিষ্ট গ্রন্থাগারটিতে শিক্ষার্থী, গবেষক এবং শিক্ষকদের জন্য পৃথক কক্ষ রয়েছে। গ্রন্থাগার ভবনে একটি মিলনায়তনও রয়েছে। গ্রন্থাগারে ফটোকপির ব্যবস্থা রয়েছে। গ্রন্থাগারটিতে প্রতিদিন জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকা পড়ার ব্যবস্থাও রয়েছে। গ্রন্থাগারটিকে বর্তমানে অটোমেশনের আওতায় আনা হয়েছে।[১১]

উপাচার্যবৃন্দ[সম্পাদনা]

ট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পরবর্তী এ যাবৎকাল পর্যন্ত মোট ১৬ জন উপাচার্য দায়িত্ব পালন করেছেন। ট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ১৬ তম উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনোয়ারুল আজিম আরিফ

উপাচার্য থেকে পর্যন্ত
অধ্যাপক আজিজুর রহমান মল্লিক ০১-১০-১৯৬৬ ৩১-০১-১৯৭২
ইউ এন সিদ্দিকী (ভারপ্রাপ্ত) ২১-০৪-১৯৭১ ৩০-০১-১৯৭২
অধ্যাপক এম ইন্নাস আলী ০১-০২-১৯৭২ ১৮-০৪-১৯৭৩
অধ্যাপক আবুল ফজল ১৯-০৪-১৯৭৩ ২৭-১১-১৯৭৫
অধ্যাপক আব্দুল করিম ২৮-১১-১৯৭৫ ১৮-০৪-১৯৮১
অধ্যাপক এম এ আজিজ খান[১২] ১৯-০৪-১৯৮১ ১৮-০৪-১৯৮৫
অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী ১৯-০৪-১৯৮৫ ২২-০৫-১৯৮৮
অধ্যাপক আলমগীর মোহাম্মদ সিরাজউদ্দীন ২৩-০৫-১৯৮৮ ২৯-১২-১৯৯১
অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম চৌধুরী ৩০-১২-১৯৯১ ০৬-১১-১৯৯৬
অধ্যাপক আব্দুল মান্নান ০৬-১১-১৯৯৬ ১৩-০২-২০০১
অধ্যাপক মোহাম্মদ ফজলী হোসেন ১৪-০২-২০০১ ০২-০২-২০০২
অধ্যাপক এ জে এম নুরউদ্দীন চৌধুরী ০২-০২-২০০২ ০২-০২-২০০৬
অধ্যাপক এম বদিউল আলম ০৩-০২-২০০৬ ২৪-০২-২০০৯
অধ্যাপক আবু ইউসুফ আলম[১৩][১৪] ২৫-০২-২০০৯ ২৮-১১-২০১০[১৫]
অধ্যাপক মোহাম্মদ আলাউদ্দীন (ভারপ্রাপ্ত)[১৬] ০৯-১২-২০১০[১৫] ১৪-০৬-২০১১
অধ্যাপক মোহাম্মদ আনোয়ারুল আজিম আরিফ[১৭] ১৫-০৬-২০১১ বর্তমান

উল্লেখযোগ্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

এখানে তালিকায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন এবং বর্তমান উল্লেখযোগ্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের তালিকায়ন করা হয়েছে।

শিক্ষক[সম্পাদনা]

শিক্ষার্থী[সম্পাদনা]

সমাবর্তন[সম্পাদনা]

সম্মানসূচক ডক্টরেট প্রদান[সম্পাদনা]

যাতায়াত[সম্পাদনা]

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের জন্য দুটি শাটল ট্রেন রয়েছে।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. হাজার বছরের চট্টগ্রামদৈনিক আজাদী। নভেম্বর ১৯৯৫। পৃ: ১৮৬-১৮৭। 
  2. http://180.211.172.166/ctguni/index.php?option=com_cudata&task=faculty&Itemid=34
  3. http://180.211.172.166/ctguni/index.php?option=com_cudata&task=department&Itemid=64
  4. http://180.211.172.166/ctguni/index.php?option=com_cudata&task=institute&Itemid=27
  5. http://180.211.172.166/ctguni/index.php?option=com_cudata&task=research%20center&Itemid=65
  6. http://www.cu.ac.bd/index.php?option=com_cudata&task=Institute%20of%20Fine%20Arts
  7. http://www.cu.ac.bd/index.php?option=com_cudata&task=Institute%20of%20Modern%20Language
  8. http://www.ifescu.com Institute of Forestry and Environmental Sciences
  9. ৯.০ ৯.১ ৯.২ http://www.rongmohol.com/topic4296.html
  10. শাহদাত হোসাইন (জানুয়ারি ২৭, ২০১১)। "CU Museum sinks into obscurity"দ্য ডেইলি স্টার। সংগৃহীত জুলাই ১৭, ২০১৪ 
  11. শাহদাত হোসাইন (ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১১)। "A treasure trove of knowledge"দ্য ডেইলি স্টার)। সংগৃহীত জুলাই ১৭, ২০১৪ 
  12. http://www.bas.org.bd/fellowship/list-of-fellows-/userprofile/maziz.html
  13. http://www.rongmohol.com/topic12768.html
  14. http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=27&dd=2010-11-30&ni=40773
  15. ১৫.০ ১৫.১ "Dr Alauddin made CU acting VC"BDBews24.com। 2010-12-09। সংগৃহীত 2010-12-14 
  16. http://www.cu.ac.bd/index.php?option=com_content&view=article&id=47&Itemid=66
  17. "Professor Anwarul Azim Arif made CU acting VC"দৈনিক প্রথম আলো। ২০১১-০৬-১৪। সংগৃহীত ২০১১-০৬-১৪ 
  18. "অনুপম সেন সংবর্ধিত"দৈনিক প্রথম আলো। মার্চ ২০, ২০১৪। সংগৃহীত জুলাই ১৭, ২০১৪ 
  19. লিপটন কুমার দেব দাস (ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৪)। "কার্বন নির্ণয়ের নতুন পদ্ধতি উদ্ভাবন"দৈনিক ইত্তেফাক। সংগৃহীত জুলাই ১৭, ২০১৪ 
  20. ইফতেখার ফয়সাল (জানুয়ারী ১৫, ২০১২)। "রোগ নির্ণয়ের ঝামেলা কমাবে সফটওয়্যার, টেস্টের সংখ্যা কমবে"দৈনিক জনকণ্ঠ। সংগৃহীত জুলাই ১৭, ২০১৪ 
  21. "সরোজ কান্তি সিংহ হাজারী"। banglajol.info। সংগৃহীত মার্চ ০৭, ২০১৫ 
  22. "ছবিতে-তথ্যে অপরাজেয় বাংলা"বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ডিসেম্বর ১৩, ২০১৩। সংগৃহীত জুলাই ১৭, ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]