চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম পলিটেকনিক চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অবস্থান[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম শহরের নাসিরাবাদ এলাকায় চট্টগ্রাম পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠিত হয়। ইন্সটিটিউটের ভূমির পরিমাণ ৩৫ একর।একটি ছাত্রীনিবাস ও চারটি ছাত্রাবাস রয়েছে।মূল একাডেমিক ভবনের সাথে সংযুক্ত আলাদা ভবনে একটি মিলনায়তন ও পাঠাগার আছে। বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কেন্দ্রিয়ভাবে দেশের সকল পলিটেকনিক পরিচালনা করে।একজন অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপাধ্যক্ষের সহযোগিতায় যাবতীয় একাডেমিক, প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।

কোর্স[সম্পাদনা]

  • সিভিল,
  • ম্যাকানিক্যাল,
  • ইলেট্রিক্যাল,
  • পাওয়ার ,
  • ইলেট্রনিক্স,
  • কম্পিউটার ও
  • এনভায়রনমেন্টাল টেকনোলজি

বর্তমানে চার বছরের ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিরিয়ারিং কোর্স চালু আছে।প্রত্যেক টেকনোলজির ছাত্র-ছাত্রীদের আবশ্যিকভাবে পাঠ্য বাঙলা, ইঙরেজি, গণিত, পদার্থ, রসায়ন, ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে পাঠদানের জন্য একটি ননটেকনিক্যাল স্টাডিজ বিভাগ রয়েছে। অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় সাড়ে তিন হাজার ,শিক্ষক কর্মচারীরর সংখ্যা প্রায় একশত পঞ্চাশ জন।

ভর্তি[সম্পাদনা]

প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপর বাঙলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিকে এক যোগে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করে। লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর ও এসএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত স্কোরের সমম্বয়ে এ ফল প্রণীত হয়। অন লাইনে ভর্তি ফর্ম পূরণের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন বিভাগ ও পলিটেকনিক পছন্দের সুযোগ থাকে। মেধা ও পছন্দের ভিত্তিতে বিভাগ ও ইন্সটিটিউট নির্বাচন করা হয়। প্রতি বছর প্রথম ও দ্বিতীয় শিফটে বিভিন্ন বিভাগে মোট ৯৬০জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়।

শিক্ষা পদ্ধতি[সম্পাদনা]

চার বছর মেয়াদে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং সহ আট সেমিস্টারে এই কোর্স শেষ হয়। পর্ব সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে প্রতি সেমিস্টারে ৬৫% ছাত্র-ছাত্রী সরকারিভাবে বৃত্তি পেয়ে থাকে। আবার প্রতি বিভাগে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী মাসিক ভাতা পায়।