চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট অফিসিয়াাল লোগো.png
স্থাপিত ১৯৬২ (১৯৬২)
ধরন সরকারি
প্রিন্সিপাল শওকত-উল ইসলাম[১]
ছাত্র ছেলে ১১৯৪, মেয়ে ৪০৬[১]
অবস্থান চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
ক্যাম্পাস শহুরে
ওয়েবসাইট ctgpoly.gov.bd
চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট লোগো.png

চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট বাংলাদেশের চট্টগ্রামে অবস্থিত দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট।[২] ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

অবস্থান[সম্পাদনা]

চট্টগ্রাম শহরের নাসিরাবাদ এলাকায় প্রায় ২০ একর জমিতে এই ইন্সটিটিউট অবস্থিত।[১][২]

বিবরণ[সম্পাদনা]

ইন্সটিটিউটে দুইট ছাত্রীনিবাস এবং পাঁচটি ছাত্রাবাসের ব্যবস্থা রয়েছে। মূল একাডেমিক ভবনের সাথে সংযুক্ত আলাদা ভবনে মিলনায়তন ও গ্রন্থাগার রয়েছে। গ্রন্থাগারে প্রায় হাজারের অধিক বইয়ের সংগ্রহ আছে। পাশাপাশি শিক্ষক এবং কর্মচারিদের নিবাসের ব্যস্থা আছে।[২] বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর কেন্দ্রিয়ভাবে দেশের সকল পলিটেকনিক পরিচালনা করে। একজন অধ্যক্ষের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উপাধ্যক্ষের সহযোগিতায় যাবতীয় একাডেমিক, প্রশাসনিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্বে তৎকালীন পাকিস্তান সরকারের সময়ে ১৯৬২ সালে এই ইনিস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।[২]

অনুষদ[সম্পাদনা]

বর্তমানে চার বছরের ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিরিয়ারিং কোর্স চালু আছে। প্রত্যেক প্রযুক্তির ছাত্র-ছাত্রীদের আবশ্যিকভাবে পাঠ্য বাঙলা, ইংরেজি, গণিত, পদার্থ, রসায়ন, ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে পাঠদানের জন্য একটি ননটেকনিক্যাল স্টাডিজ বিভাগ রয়েছে।

  • সিভিল অনুষদ
  • কম্পিউটার অনুষদ
  • এনভায়রনমেন্টাল অনুষদ
  • ইলেট্রিক্যাল অনুষদ
  • ইলেট্রনিক্স অনুষদ
  • ম্যাকানিক্যাল অনুষদ
  • পাওয়ার অনুষদ

শিক্ষা পদ্ধতি[সম্পাদনা]

চার বছর মেয়াদে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং সহ আট সেমিস্টারে এই কোর্স শেষ হয়। পর্ব সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে প্রতি সেমিস্টারে ৬৫% ছাত্র-ছাত্রী সরকারিভাবে বৃত্তি পেয়ে থাকে। আবার প্রতি বিভাগে ইন্ডাস্ট্রিয়াল ট্রেনিং চলাকালে প্রত্যেক ছাত্রছাত্রী মাসিক ভাতা পায়।

ভর্তি[সম্পাদনা]

প্রতি বছর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপর বাঙলাদেশ কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিকে এক যোগে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করে। লিখিত পরীক্ষার প্রাপ্ত নম্বর ও এসএসসি পরীক্ষার প্রাপ্ত স্কোরের সমম্বয়ে এ ফল প্রণীত হয়। অন লাইনে ভর্তি ফর্ম পূরণের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন বিভাগ ও পলিটেকনিক পছন্দের সুযোগ থাকে। মেধা ও পছন্দের ভিত্তিতে বিভাগ ও ইন্সটিটিউট নির্বাচন করা হয়। প্রতি বছর প্রথম ও দ্বিতীয় শিফটে বিভিন্ন বিভাগে মোট ৯৬০জন ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি করা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ "চট্টগ্রাম পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট"। eduicon.com। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৫ 
  2. ২.০ ২.১ ২.২ ২.৩ "চট্টগ্রাম ডিপ্লোমা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট কলেজ বাংলাদেশ"। yogsutra.com। সংগৃহীত ফেব্রুয়ারি ১০, ২০১৫ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

অফিসিয়াল ওয়েবসাইট