গজিরা
| গজিরা | |
|---|---|
গজিরা ব্যান্ড ২০০৬ সালের তুসকা ওপেন এয়ার মেটাল ফেস্টিভ্যালে |
|
| প্রাথমিক তথ্যাদি | |
| আরও যে নামে পরিচিত | গডজিলা |
| উদ্ভব | বেয়োন্নে, ফ্রান্স |
| ধরন | টেকনিক্যাল ডেথ মেটাল, থ্রাশ মেটাল, প্রোগ্রেসিভ মেটাল |
| কার্যকাল | ১৯৯৬- বর্তমান |
| লেবেল | প্রস্থেটিক রেকর্ডস লিসেনাবল রেকর্ডস |
| ওয়েবসাইট | www.gojira-music.com |
| সদস্যবৃন্দ | |
| জো ডুপ্লান্টিয়ার মারিও ডুপ্লান্টিয়ার ক্রিস্টিয়ান এ্যান্ডেউ জ়িন-মাইকেল লাবাডাই |
|
গজিরা একটি হেভি মেটাল ব্যান্ড যা ফ্রান্সের বেয়ন্নেতে ১৯৯৬ সালে গথিত হয়। ২০০১ সালের আগ পর্যন্ত ব্যান্ডটি গডজিলা নামে পরিচিত ছিল। জো ডুপ্লান্টিয়ার ভোকাল ও রিদম গীটারে, তার ভাই মারিও ডুপ্লান্টিয়ার ড্রামসে, লিড গিটারে ক্রিস্টিয়ান এ্যান্ডেউ ও জ়িন-মাইকেল লাবাডাই বেজ গিটারে এই লাইন আপ নিয়ে ব্যান্ডটি গঠিত হয়। গজিরা ব্যান্ডটি এ পর্যন্ত ৪টি স্টুডিও অ্যালবাম, একটি লাইভ অ্যালবাম, একটি একক গান ও একটি ডিভিডি প্রকাশ করে। গজিরা পরিবেশ সংক্রান্ত গানের কথার জন্য বিখ্যাত।[১]
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] ইতিহাস
ব্যান্ডটি গডজিলা নামে ভিক্টিম, পসেসড ও স্যাচুরেট নামের তিনটি ডেমো ছাড়ে যথাক্রমে ১৯৯৬, ১৯৯৭ ও ১৯৯৯ সালে।[২] ১৯৯৯ সালে সেপ্টেম্বরে ক্যানিবাল করপস, এডজ অব স্যানিটি, ইম্পাল্ড নাজারেন ও ইমমরটাল ব্যান্ডকে কনসার্টে সহযোগিতা করার সময় তাদের নাম নিয়ে আইনী জটিলতা সৃষ্টি হয়।[৩] তাই তারা তাদের নাম পরিবর্তন করে রাখে গজিরা।[৪] তাদের সর্বশেষ ডেমো উজডম কামস ও ডেব্যু অ্যালবাম টেরা ইঙ্কগ্নিটা বাজারে আসে গজিরা নামে ব্যান্ডটি গডজিলা নামে ভিক্টিম, পসেসড ও স্যাচুরেট নামের তিনটি ডেমো ছাড়ে ২০০০ ও ২০০১ সালে। ব্যান্ডটি তাদের ২য় স্টুডিও অ্যালবাম দ্যা লিঙ্ক বাজারে ছাড়ে ২০০৩ সালে।[৫] প্রথম ২টি অ্যালবামের সাফল্যের পর তারা তাদের লাইভ পারফরম্যান্স নিয়ে বাজারে ছাড়ে একটি ডিভিডি যার নাম দ্যা লিঙ্ক আলাইভ।[৩] ২০০৫ সালে গজিরা ফ্রান্স ভিত্তিক লিসেনেবল রেকর্ডসের সাথে চুক্তি সাক্ষর করে ফ্রান্সের বাইরে তাদের অ্যালবাম ফ্রম মার্স টু সাইরাস বাজারজাত করার জন্য।[২] ২০০৬ সালের শেষের দিকে গজিরা ব্যান্ড চিল্ড্রেন অব বডমের সাথে আমেরিকা সফর করে যেখানে শেষের দিকে যোগ দেয় আমন আমার্থ ও সাঙ্কটিটি ব্যান্ড ওপেনার হিসেবে।[৬] তারা ট্রিভিয়াম ব্যান্ডকে সহযোগিতা করে ২০০৭ সালে তাদের ইংল্যান্ড সফরের জন্য, যাতে আরো ছিল সাঙ্কটিটি ও অ্যানিহিলেটর ব্যান্ড।[৭] পরে তারা ল্যাম্ব অব গডকে সহযোগিতা করে তাদের আমেরিকা সফরে সাথে আরো ছিল ট্রিভিয়াম ও মেসিন হেড।[৮] ২০০৭ সালের শেষের দিকে তারা রেডিও রিবেলিয়ন সফরে অংশ নেয় যাতে ছিল বেহেমথ ,জব ফর আ কাউবয় ও বিনীথ দ্যা ম্যাসাকার।[৯] ২০০৭ সালের শেষের দিকে লিসেনেবল রেকর্ডস তাদের ১৯৯৭ সালের ডেমো পসেসডকে সীমিত আকারে আবার বাজারে ছাড়ে।[১০]
[সম্পাদনা] গানের ধরন
২০০৮ সালের ১৩ই অক্টোবর দ্যা ওয়ে অব অল ফ্লেশ নামের সর্বশেষ অ্যালবাম বাজারে ছাড়ে গজিরা। ল্যাম্ব অব গড ব্যান্ডের র্যান্ডি ব্লাইথ তাদের একটি গান “অ্যাডোরেশন ফর নান”-এ কন্ঠ দেন। অ্যালবামটি ৪ মাস সময় নিয়েছে লিখতে ও বানাতে এবং ৩ মাস সময় নিয়েছে মিক্সিংয়ের জন্য। গজিরা ব্যান্ড নানা ধরনের গানের প্রকারকে মিশ্রিত করেছে তাদের গানে। নির্দিষ্ট কোন ধারায় তাদের ফেলা যায় না।[৩] as they blend several styles.[১১] তবে তাদের টেকনিক্যাল ডেথ মেটাল, থ্রাশ মেটাল ও প্রোগ্রেসিভ মেটাল ঘরানার ব্যান্ড হিসেবে দেখা হয়। গজিরা ব্যান্ড প্রভাবিত হয়েছে কিছু ব্যান্ড দ্বারা যেমন -ডেথ, মরবিড এ্যাঞ্জেল, মেশুগাহ, মেটালিকা, টুল ও নিউরোসিস।[১২][১৩]
[সম্পাদনা] বর্তমান সদস্য
- জো ডুপ্লান্টিয়ার
- মারিও ডুপ্লান্টিয়ার
- ক্রিস্টিয়ান এ্যান্ডেউ
- জ়িন-মাইকেল লাবাডাই
[সম্পাদনা] ডিস্কোগ্রাফি
[সম্পাদনা] ডেমো
- ভিক্টিম (১৯৯৬)
- পসেসড (১৯৯৭)
- স্যাচুরেট (১৯৯৯)
- উজডম কামস (২০০০)
[সম্পাদনা] স্টুডিও অ্যালবাম
- টেরা ইঙ্কগ্নিটা (২০০১)
- দ্যা লিঙ্ক (২০০৩)
- ফ্রম মার্স টু সাইরাস (২০০৫)
- দ্যা ওয়ে অব অল ফ্লেশ (২০০৮)
[সম্পাদনা] ডিভিডি
- দ্যা লিঙ্ক আলাইভ (২০০৪)
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ Gojira at Allmusic
- ↑ ২.০ ২.১ Lucy Williams. Gojira Biography. প্রকাশক: Official Gojira Website. http://www.gojira-music.com/। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-05-04.
- ↑ ৩.০ ৩.১ ৩.২ Gojira Biography. প্রকাশক: Metal Storm. http://www.metalstorm.ee/bands/biography.php?band_id=475&bandname=Gojira। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-05-04.
- ↑ Gojira Biography. প্রকাশক: The Gauntlet. http://www.thegauntlet.com/bio/1611/Gojira.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-05-04.
- ↑ Chad Bowar. The Link review. প্রকাশক: About.com. http://heavymetal.about.com/b/2007/04/15/gojira-the-link-review.htm। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-04-22.
- ↑ CHILDREN OF BODOM, AMON AMARTH: More North American Tour Dates Announced. প্রকাশক: Blabbermouth. http://www.roadrunnerrecords.com/blabbermouth.net/news.aspx?mode=Article&newsitemID=58730। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-04-05.
- ↑ GOJIRA And SANCTITY Added To TRIVIUM's European Tour. প্রকাশক: Blabbermouth. http://www.roadrunnerrecords.com/blabbermouth.net/news.aspx?mode=Article&newsitemID=66553। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-04-05.
- ↑ LAMB OF GOD, MACHINE HEAD, TRIVIUM, GOJIRA: North American Tour Dates Announced. প্রকাশক: Blabbermouth. http://www.roadrunnerrecords.com/blabbermouth.net/news.aspx?mode=Article&newsitemID=63629। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-04-05.
- ↑ GOJIRA: New Performance Footage Posted Online. প্রকাশক: Blabbermouth. http://www.roadrunnerrecords.com/blabbermouth.net/news.aspx?mode=Article&newsitemID=85523। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-04-05.
- ↑ Gojira: 'Xfm Sessions' Recording Posted Online - Oct. 15, 2007, Blabbermouth.net
- ↑ Simon Milburn. From Mars to Sirius review. প্রকাশক: The Metal Forge. http://www.themetalforge.com/modules.php?name=Reviews&rop=showcontent&id=588। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-04-20.
- ↑ Chad Bowar. From Mars to Sirius review. প্রকাশক: About.com. http://heavymetal.about.com/od/cdreviews/fr/gojira.htm। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-03-14.
- ↑ Gojira entry. প্রকাশক: MySpace. http://www.myspace.com/gojira। সংগৃহীত হয়েছে: 2008-03-14. "Morbid Angel, Metallica, Tool, Meshuggah, Neurosis, Death"
[সম্পাদনা] বহিঃসংযোগ
| উইকিমিডিয়া কমন্সে নিচের বিষয় সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে: Gojira |