ক্রিস্তিয়ান তেয়ো

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ক্রিস্তিয়ান তেয়ো
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম ক্রিস্তিয়ান তেয়ো হেরেরা
জন্ম (১৯৯১-০৮-১১) ১১ আগস্ট ১৯৯১ (বয়স ২২)
জন্ম স্থান সাবাদেল, Spain
উচ্চতা ১.৭৮ মিটার (৫–১০)
মাঠে অবস্থান ফরোয়ার্ড / উইঙ্গার
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান ক্লাব বার্সেলোনা
জার্সি নম্বর ৩৭
তারূণ্যের কর্মজীবন
১৯৯৯–২০০২ কান রাল
২০০২–২০০৮ বার্সেলোনা
২০০৭–২০০৮ → সিএফ দাম (ধার)
২০০৮–২০০৯ ইস্প্যানিওল
বলিষ্ঠ কর্মজীবন*
বছর দল উপস্থিতি (গোল)
২০০৯ ইস্প্যানিওল বি (১)
২০১০–২০১২ বার্সেলোনা বি ৩৯ (৯)
২০১১– বার্সেলোনা ৪৬ (১০)
জাতীয় দল
২০১০ স্পেন অনুর্ধ্ব ১৯ (০)
২০১১ স্পেন অনুর্ধ্ব ২০ (১)
২০১২– স্পেন অনুর্ধ্ব ২১ (০)
২০১২ স্পেন অনুর্ধ্ব ২৩ (০)
২০১৩- স্পেন (০)
২০১৩– কাতালোনিয়া (০)
* পেশাদারী ক্লাবের উপস্থিতি ও গোলসংখ্যা

শুধুমাত্র ঘরোয়া লিগের জন্য গণনা করা হয়েছে এবং তারিখ অনুযায়ী সঠিক ১০ নভেম্বর ২০১৩।
† উপস্থিতি(গোল সংখ্যা)।

‡ জাতীয় দলের হয়ে খেলার সংখ্যা এবং গোল তারিখ অনুযায়ী সঠিক ১৪ আগস্ট ২০১৩

ক্রিস্তিয়ান তেয়ো হেরেরা (জন্ম ১১ আগস্ট ১৯৯১) একজন স্পেনীয় ফুটবলার যিনি ফরোয়ার্ড বা উইঙ্গার হিসেবে ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনায় খেলেন।

ক্লাব ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

প্রারম্ভিক সময় / ইস্প্যানিওল[সম্পাদনা]

তেয়ো কাতালোনিয়া অঙ্গরাজ্যের বার্সেলোনা প্রদেশের সাদাবেল শহরে জন্মগ্রহন করেন। তিন ১১ বছর বয়সে সিএফ কান রালের হয়ে খেলা শুরু করেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই বার্সেলোনায় চলে আসেন। বার্সেলোনা থেকে তাকে এক বছরের জন্য ধারে নেয় সিএফ দাম।

২০০৮ সালে, তেয়োর চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে, তার সাথে চুক্তি করে আরসিডি ইস্প্যানিওল। ২০০৯–১০ মৌসুমে সিনিয়র দলে তার অভিষেক হয়। তিনি বি দলের হয়ে চারটি খেলায় অংশগ্রহন করেন। ঐ মৌসুমে বি দলের তৃতীয় বিভাগে অবনমন ঘটে।

বার্সেলোনা[সম্পাদনা]

২০১০ সালে বার্সেলোনা বি দলে ফিরে আসেন তেয়ো। ২০১১ সালের ৯ নভেম্বর, বার্সেলোনার হয়ে তার অভিষেক হয়; কোপা দেল রে’র খেলায় এল’হসপিতালেতের বিপক্ষে তিনি পুরো ৯০ মিনিট খেলেন।[১] খেলায় বার্সেলোনা ০–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে। দ্বিতীয় লেগে তিনি জোড়া গোল করেন এবং খেলায় বার্সেলোনা ৯–০ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[২]

২০১২ সালের ২৮ জানুয়ারি, লা লিগায় তেয়োর প্রথম অভিষেক হয়। ভিয়ারিয়ালের বিপক্ষে খেলার ৭৫তম মিনিটে আদ্রিয়ানোর বদলি হিসেবে নামেন তিনি। খেলাটি ০–০ সমতায় শেষ হয়।[৩] ৪ ফেব্রুয়ারি, সোসিয়েদাদের বিপক্ষে মেসির পাস থেকে গোলের সূচনা করেন তেয়ো এবং তিনি পুরো ৯০ মিনিট খেলেন। খেলায় বার্সেলোনা ২–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[৪]

২০১১–১২ চ্যাম্পিয়নস লিগে বার্সেলোনার হয়ে খেলছেন তেয়ো।

২০১২ সালের ৭ মার্চ, চ্যাম্পিয়নস লিগে তেয়োর অভিষেক হয়। ক্যাম্প ন্যুতে বেয়ার লেভারকুজেনের বিপক্ষে ইনিয়েস্তার বদলি হিসেবে নামেন তিনি এবং দুই মিনিটের মধ্যেই একটি গোল করেন। সাত মিনিট পর তিনি আরো একটি গোল করে দলকে ৬–০ ব্যবধানে এগিয়ে নিয়ে যান। খেলায় বার্সেলোনা ৭–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[৫]

যদিও প্রাথমিকভাবে তার ভবিষ্যত্‍ অনিশ্চয়তা দেখা দেয়,[৬][৭] তেয়ো নতুন ম্যানেজার টিটো ভিলানোভাকে সন্তুষ্ট করতে পেরেছিলেন এবং ২০১২–১৩ মৌসুমে দলের সদস্য হিসেবে থেকে যান। ২০১২ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর, চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের খেলায় স্পার্তাক মস্কোর বিপক্ষে তিনি খেলার প্রথম গোলটি করেন এবং মেসির একটি গোলে সহায়তা করেন। খেলায় বার্সেলোনা ৩–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে এবং তাকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত করা হয়।[৮]

২০১২ সালের ১৩ ডিসেম্বর, তেয়ো বার্সেলোনার সাথে নতুন চুক্তি সাক্ষর করেন। যার মেয়াদ ২০১৬ সালের জুন পর্যন্ত।[৯] এর নয় দিন পর ভায়াদোলিদের বিপক্ষে তিনি একটি গোল করেন। খেলায় বার্সেলোনা ৩–১ ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১০]

২০১৩ সালের ৩০ মার্চ, সেল্তা ভিগোর বিপক্ষে লা লিগার খেলায় তেয়ো একটি গোল করেন এবং লিওনেল মেসির একটি গোলে সহায়তা করেন। খেলাটি ২–২ গোলে ড্র হয়।[১১]

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার[সম্পাদনা]

২০১২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে স্পেন দলের সদস্য ছিলেন তেয়ো। গ্রুপ পর্বের তিনটি খেলাতেই তিনি মাঠে নামেন। কিন্তু স্পেন গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়।

২০১৩ সালের ১৪ আগস্ট, ইকুয়েডরের বিপক্ষ একটি প্রীতি খেলায় স্পেনের সিনিয়র দলে তেয়োর অভিষেক হয়। তিনি কাজরোলার একটি গোলে সহায়তা করেন। খেলায় স্পেন ২–০ গোলের ব্যবধানে জয় লাভ করে।[১২]

সম্মাননা[সম্পাদনা]

ক্লাব[সম্পাদনা]

বার্সেলোনা

দেশ[সম্পাদনা]

স্পেন অনুর্ধ্ব-২১

ক্লাব পরিসংখ্যান[সম্পাদনা]

৫ অক্টোবর ২০১৩ অনুসারে।[১৩][১৪]

ক্লাব মৌসুম লীগ কাপ ইউরোপ অন্যান্য [১৫] মোট
উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল উপস্থিতি গোল
ইস্প্যানিওল বি ২০০৯–১০[১৬]
মোট
বার্সেলোনা বি ২০১০–১১ ২৩ ২৩
২০১১–১২ ১৬ ১৬
মোট ৩৯ ৩৯
বার্সেলোনা ২০১১–১২ ১৫ ২২
২০১২–১৩ ২২ ৩৪
২০১৩–১৪ মোট ৪৩ ১০ ১০ ৬৩ ১৫
ক্যারিয়ারে সর্বমোট ৮৬ ২০ ১০ ১০৭ ২৫

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Aldunate, Ramiro (৯ নভেম্বর ২০১১)। "Otro 'Iniestazo'" (স্পেনীয় ভাষায়)। মার্কা। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  2. Aldunate, Ramiro (২২ ডিসেম্বর ২০১১)। "Escabechina antes de Navidad" (স্পেনীয় ভাষায়)। Marca। 
  3. "Barca slip up again to lose ground"। ESPN Soccernet। ২৮ জানুয়ারি ২০১২। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  4. "Barcelona stay in the hunt"। ESPN Soccernet। ফেব্রুয়ারি ৪২০১২। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  5. "FC Barcelona - Bayer 04 Leverkusen: The champions are a goalscoring machine (7-1)"ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনা। ৭ ডিসেম্বরা ২০১২। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  6. "La negociación por Tello aún no ha arrancado (Tello negotiations have not started yet)" (স্পেনীয় ভাষায়)। El Mundo Deportivo। ২২ জুন ২০১২। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  7. Fernandez, Elena (১৩ জুলাই ২০১২)। "El futuro de Tello, una incógnita (Tello's future, in the air)]" (স্পেনীয় ভাষায়)। Merca Fútbol। সংগৃহীত ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  8. Hunter, Graham (১৯ সেপ্টেম্বর ২০১২)। "Messi's Barcelona show sees off Spartak"উয়েফা। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  9. "Tello ends uncertainty with new Barcelona deal"উয়েফা। ১৩ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  10. "Barcelona stay nine clear"। ESPN Soccernet। ২২ ডিসেম্বর ২০১২। সংগৃহীত ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  11. "Celta vs Barcelona Match report"। Goal.com। ৩০ মার্চ ২০১৩। সংগৃহীত ৩০ মার্চ ২০১৩ 
  12. "Taconeo ante Ecuador" (স্পেনীয় ভাষায়)। Marca। ১৫ আগস্ট ২০১৩। সংগৃহীত ৯ অক্টোবর ২০১৩ 
  13. "Transfermarkt player statistics"। Transfermarkt। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  14. "ESPN Soccernet stats"। ESPN Soccernet। সংগৃহীত ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ 
  15. স্পেনীয় সুপার কাপ, ইউরোপীয়ান সুপার কাপ, ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ সহ অন্যান্য প্রতিযোগীতা।
  16. ২০১০ সেগুন্দা ডিভিশন বি অবনমন প্লে-অফ সহ (১টি উপস্থিতি)

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]