কেউটে সাপ
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| colspan=2 style="text-align: center; background-color: transparent; text-align:center; border: 1px solid red;" | কেউটে সাপ | |
|---|---|
| colspan=2 style="text-align: center; background-color: transparent; text-align:center; border: 1px solid red;" | বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ/রাজ্য: | প্রাণী জগৎ |
| পর্ব: | কর্ডাটা |
| শ্রেণী: | Reptilia |
| বর্গ: | Squamata |
| উপ-বর্গ: | Serpentes |
| পরিবার: | Elapidae |
| গণ: | Naja |
| প্রজাতি: | N. kaouthia |
| colspan=2 style="text-align: center; background-color: transparent; text-align:center; border: 1px solid red;" | দ্বিপদী নাম | |
| Naja kaouthia লেসন, ১৮৩১ |
|
| colspan=2 style="text-align: center; background-color: transparent; text-align:center; border: 1px solid red;" | প্রতিশব্দ | |
|
|
কেউটে সাপ বা কেউটে (ইংরেজি: Monocled Cobra) হচ্ছে এলাপিডি পরিবারভুক্ত এক ধরনের ফণাধর বিষধর সাপ যা গোখরোর খুবই নিকট আত্মীয়। ইংরেজি "monocled" নামের অর্থ "এক চশমা ওয়ালা", যা কেউটের মাথার পেছনভাগের আংটি বা চক্র চিহ্নকে নির্দেশ করে। গোখরোর ফণায় যেমন গরুর ক্ষুরের মত বা দুই চক্ষু চশমার মত ছাপ থাকে তেমন কেউটের ফণার পিছনে গোল চক্র আকৃতির ছাপকে এক চক্ষু চশমা বলে বর্ণণা করা হয়ে থাকে।
পরিচ্ছেদসমূহ |
ব্যুৎপত্তি [সম্পাদনা]
কেউটে শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ কালকূট থেকে।
বাসস্থান ও আচরণ [সম্পাদনা]
সচারচর মানুষের কাছাকাছি বসবাস স্থানেই কেউটের বিস্তৃতি লক্ষ্য করা যায়। যেমন: পাহাড়ের পাদদেশ, শস্য মাঠ। মানুষের বসতিপূর্ণ গ্রাম বা শহরে। গোধূলী লগ্ন এবং রাতে এই সাপ সবচেয়ে বেশি বিচরণ করে। কিছু সময় রোদ পোহানোর জন্য দিনের বেলাও কেউটের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।
খাদ্যাভাস [সম্পাদনা]
এর মূল খাদ্যের মধ্যে আছে, বিভিন্ন প্রকার রোডেন্ট, ইঁদুর, টিকটিকি, ব্যাঙ, পাখি এবং পাখির ডিম। এছাড়া মাঝে মাঝে তারা তাদের নিজেদের প্রজাতিও ভক্ষণ করে থাকে।
প্রজনন [সম্পাদনা]
স্ত্রী কেউটের একসাথে ২৫-৪৫টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার সাথে সাথেই কেউটের বাচ্চারা সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে ও শিকার করতে পারে। বাচ্চা কেউটের বিষ পূর্ণবয়স্ক কেউটের মতোই ভয়ঙ্কর।
বিষ [সম্পাদনা]
কেউটের বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিন ও সাইটোটক্সিন সমৃদ্ধ। দংশনের পর প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে প্রায় সময়ই আক্রান্ত স্থানে ফুলে ওঠে ও তীব্র ব্যাথার সৃষ্টি করে। যেসকল স্থানে কেউটের বিস্তৃতি দেখা যায়, সেসব স্থানে এই সাপ অনেক মৃত্যুর কারণ।
তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]
- ↑ Naja kaouthia at the TIGR Reptile Database
বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |