কেউটে সাপ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কেউটে সাপ
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ/রাজ্য: প্রাণী জগৎ
পর্ব: কর্ডাটা
শ্রেণী: Reptilia
বর্গ: Squamata
উপ-বর্গ: Serpentes
পরিবার: Elapidae
গণ: Naja
প্রজাতি: N. kaouthia
দ্বিপদী নাম
Naja kaouthia
লেসন, ১৮৩১
প্রতিশব্দ
  • Naja kaouthia
    লেসন, ১৮৩১
  • Naja tripudians var. fasciata
    গ্রে, ১৮৩০
  • Naia tripudians var. fasciata
    বুলেঙ্গার, ১৮৯৬
  • Naja naja sputatrix
    বুরেট, ১৯৩৭
  • Naja naja kaouthia
    স্মিথ, ১৯৪০
  • Naja kaouthia kaouthia
    ডেরানিয়াগালা, ১৯৬০
  • Naja naja kaouthia
    হার্ডিং ও ওয়েলচ, ১৯৮০
  • Naja naja kaouthia
    গোলে, ১৯৮৫
  • Naja kaouthia suphanensis
    নুটাফ্যান্ড, ১৯৮৬
  • Naja kaouthia
    ম্যান্থে ও গ্রোসম্যান, ১৯৯৭
  • Naja kaouthia
    কক্স, এট অল, ১৯৯৮
  • Naja naja kaouthia
    শর্মা, ২০০৪[১]

কেউটে সাপ বা কেউটে (ইংরেজি: Monocled Cobra) হচ্ছে এলাপিডি পরিবারভুক্ত এক ধরনের ফণাধর বিষধর সাপ যা গোখরোর খুবই নিকট আত্মীয়। ইংরেজি "monocled" নামের অর্থ "এক চশমা ওয়ালা", যা কেউটের মাথার পেছনভাগের আংটি বা চক্র চিহ্নকে নির্দেশ করে। গোখরোর ফণায় যেমন গরুর ক্ষুরের মত বা দুই চক্ষু চশমার মত ছাপ থাকে তেমন কেউটের ফণার পিছনে গোল চক্র আকৃতির ছাপকে এক চক্ষু চশমা বলে বর্ণণা করা হয়ে থাকে।

ব্যুৎপত্তি[সম্পাদনা]

কেউটে শব্দটি এসেছে সংস্কৃত শব্দ কালকূট থেকে।

বাসস্থান ও আচরণ[সম্পাদনা]

সচারচর মানুষের কাছাকাছি বসবাস স্থানেই কেউটের বিস্তৃতি লক্ষ্য করা যায়। যেমন: পাহাড়ের পাদদেশ, শস্য মাঠ। মানুষের বসতিপূর্ণ গ্রাম বা শহরে। গোধূলী লগ্ন এবং রাতে এই সাপ সবচেয়ে বেশি বিচরণ করে। কিছু সময় রোদ পোহানোর জন্য দিনের বেলাও কেউটের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়।

খাদ্যাভাস[সম্পাদনা]

এর মূল খাদ্যের মধ্যে আছে, বিভিন্ন প্রকার রোডেন্ট, ইঁদুর, টিকটিকি, ব্যাঙ, পাখি এবং পাখির ডিম। এছাড়া মাঝে মাঝে তারা তাদের নিজেদের প্রজাতিও ভক্ষণ করে থাকে।

প্রজনন[সম্পাদনা]

স্ত্রী কেউটের একসাথে ২৫-৪৫টি পর্যন্ত ডিম পাড়ে। ডিম ফুটে বাচ্চা বের হওয়ার সাথে সাথেই কেউটের বাচ্চারা সম্পূর্ণ স্বাধীন ভাবে চলাফেরা করতে ও শিকার করতে পারে। বাচ্চা কেউটের বিষ পূর্ণবয়স্ক কেউটের মতোই ভয়ঙ্কর।

বিষ[সম্পাদনা]

কেউটের বিষ অত্যন্ত শক্তিশালী নিউরোটক্সিন ও সাইটোটক্সিন সমৃদ্ধ। দংশনের পর প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে প্রায় সময়ই আক্রান্ত স্থানে ফুলে ওঠে ও তীব্র ব্যাথার সৃষ্টি করে। যেসকল স্থানে কেউটের বিস্তৃতি দেখা যায়, সেসব স্থানে এই সাপ অনেক মৃত্যুর কারণ।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]