কূটনৈতিক পদমর্যাদা
উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
কূটনৈতিক পদমর্যাদা হচ্ছে আর্ন্তজাতিক সর্ম্পক ও কূটনীতি বিদ্যার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সাধারন অর্থে, একটি দেশের কূটনৈতিক মিশনে অবস্থান কারী সরকারী ও বেসরকারী ব্যক্তিবর্গের পদমর্যাদাকেই কূটনৈতিক পদমর্যাদা বলে। ১৯৬১ সালে অষ্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে কূটনৈতিক সর্ম্পক সংক্রান্ত একটি কনভেনশন সম্পাদিত হয়। যেখানে কূটনৈতিক মিশনের পদমর্যাদা সর্ম্পকে বলা হয়েছে।
[সম্পাদনা] সাধারন ইউরোপীয় কূটনৈতিক পদমর্যাদা
১৮১৫ সালের কংগ্রেস অব ভিয়েনার মাধ্যমে কূটনৈতিক পদমর্যাদার গুরুত্ব দেয়া হয়।
- রাষ্ট্রদূত
- বিশেষ ক্ষমতা সম্পন্ন মন্ত্রী ও বিশেষ কূটনৈতিক প্রতিনিধি
- চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স
[সম্পাদনা] আধুনিক কূটনৈতিক পদমর্যাদা
১৯৬১ সালের ভিয়েনা কনভেনশনে আধুনিক কূটনৈতিক পদমর্যাদা নির্ধারন করা হয়।
- রাষ্ট্রদূত
- উপরাষ্ট্রদূত, কূটনৈতিক মন্ত্রী
- চার্জ দ্য অ্যাফের্য়াস
এছাড়াও নিম্নোক্ত শব্দগুলো ব্যবহার করা হয়।
- ফার্ষ্ট সেক্রেটারী
- সেকেন্ড সেক্রেটারী
- থার্ড সেক্রেটারী
- অ্যাটাশে
বিট্রিশ কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশসমূহের রাষ্ট্রদূতদের হাই কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
১. পরিবর্তনশীল বিশ্বে আর্ন্তজাতিক আইন, ড: মিজানুর রহমান, পলল প্রকাশনী, ঢাকা। ২০১০
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |