কালীগঞ্জ উপজেলা (লালমনিরহাট)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: ২৫°০৮′০০″ উত্তর ৮৯°১৩′০০″ পূর্ব / ২৫.১৩৩৩° উত্তর ৮৯.২১৬৭° পূর্ব / 25.1333; 89.2167

কালীগঞ্জ উপজেলা (লালমনিরহাট)
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
কালীগঞ্জ
বিভাগ
 - জেলা
রংপুর বিভাগ
 - লালমনিরহাট জেলা
স্থানাঙ্ক ২৫°০৮′০০″ উত্তর ৮৯°১৩′০০″ পূর্ব / ২৫.১৩৩৩° উত্তর ৮৯.২১৬৭° পূর্ব / 25.1333; 89.2167
আয়তন ২৩৬.৯৪ বর্গকিমি
সময় স্থান বিএসটি (ইউটিসি+৬)
জনসংখ্যা (২০১১)
 - ঘনত্ব
 - শিক্ষার হার
২,৪৫,৫৯৫ জন [১]
 - ৯৭০ বর্গকিমি
 - ৪৭.৫%
ওয়েবসাইট: উপজেলা প্রশাসনের ওয়েবসাইট

কালীগঞ্জ বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

অবস্থান[সম্পাদনা]

কালীগঞ্জ উপজেলার আয়তন ২৩৬.৯৬ বর্গ কিলোমিটার । এর উত্তরে হাতিবান্ধা উপজেলা ও ভারতের কুচবিহার জেলা, পূর্বে আদিতমারী উপজেলা , পশ্চিমে জলঢাকা (নীলফামারী উপজেলা) এবং দক্ষিনে গঙ্গাচড়া (রংপুর) ও কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)উপজেলা অবস্থিত ।

প্রশাসনিক এলাকা[সম্পাদনা]

কালীগঞ্জ উপজেলার পটভূমি

এই সেই কালীগঞ্জ! সে কালী প্রসাদ জমিদার কুলমানি স্থাপিলে বন্দর কত সে দোকানদার কত মহাজন আসিলেন এ স্থানের গৌরব বন্ধনে। কালীগঞ্জ উপজেলার পটভূমী অনুসন্ধাণ করতে গেলে একটু পিছনের ইতিহাসের প্রতি নজর দিতে হবে। পূর্বে কালীগঞ্জ থানা ফুরুনবাড়ী নামে অভিহিত ছিল। ভারতের কোচবিহার রাজ্যের সাথে সম্পর্ক যুক্ত থাকলেও মূলত রংপুর জেলার অধীনস্থ উত্তর সীমান্তে অবস্থান ছিল। শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য উনবিংশ শতাব্দির পূর্ব ভাগে বর্তমানের গোড়ল মৌজার ফুরুন বাড়ীতে একটি পুলিশ ফাড়ি স্থাপিত হয়েছিলো।১৩০৪ বঙ্গাব্দে বেঙ্গল ডুয়ারস রেলপথ (বিডি আর)প্রতিষ্ঠিত হলে অপেক্ষা কৃত ভালো যোগাযোগের প্রয়োজনে ফুরুনবাড়ী পুলিশ ফাড়িটি কালীগঞ্জে স্থানান্তিত করা হয়। ১৭৯৩ খ্রীস্টাব্দে ১২ নং রেগুলেশন অনুযায়ী রংপুর জেলার ২১ টি থানা নিয়ে রংপুর জেলা সৃষ্টি হয় , তার মধ্যে কালীগঞ্জ হাতিবান্ধা ও আদিত্মারী অঞ্চল নিয়ে ফুরুনবারি থানা গঠিত ছিল। বুকাননের সার্ভে রিপোর্টে (১৮০৬-১৬) সে সময়ে রংপুর জেলা (জলপাইগুড়িসহ) ২৪ টি থানায় বিভক্ত ছিল এবং ফুলবাড়িথানার আয়তন ছিল ১৮০ বর্গ মাইল ।ধারনা করা হয় কালীগঞ্জ, হাতিবান্ধা এবং আদিত্মারি থানার বহু অংশ সে সময়ের ফুরুনবাড়ি সীমানার বাইরে ছিল ।কারন বর্তমানে উক্ত ৩ টি থানার সীমানা আদিতমারী - ৭৫ বর্গমাইল , কালীগঞ্জ- ৯২ বর্গমাইল এবং হাতিবান্ধা - ১১২ বর্গমাইল, মোট ২৭৯ বর্গমাইল । রংপুর জেলার ভবানিগঞ্জ (গাইবান্ধা), তিনটি থানার সমম্বয়ে গাইবান্ধা, গোবিন্দগঞ্জ এবং সুন্দরগঞ্জ নিয়ে ১৮৫৭ সালে মহকুমা সৃষ্টি হয়। বাকি থানা গুলো জেলা-সদর মহকুমার অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮৭৫ সালে সদর মহকুমাকে ২ টি মহকুমায় (রংপুর সদর ও নীলফামারী)বিভক্ত করলে নতুন ভাবে থানা বিন্যাসে ৫ টি থানা নিয়ে রংপুর সদর মহকুমার আয়তন দাড়ায় ১১৪১ বর্গমাইল। তখন বর্তমানে কালীগঞ্জ বা সে সময়ের ফুরুনবারির আয়তন হয় ২৩৫ বর্গমাইল । ১৯০১ সালের আদমশুমারি রিপোর্টে ফুরুনবাড়িথানা ১৮৭৫ সালে কালিগঞ্জে স্থানান্তরিত হওয়ার আগে তুশভান্দার জমিদারীর (দু আনা কাজিরহাট) তখন একটি বড় বন্দরে পরিনত হয়। সে সময়ের তিস্তা নদী কালীগঞ্জের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়। পরবর্তীতে তিস্তা নদী সড়ে গিয়ে গঙ্গাচরার পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয় । ১৯১৩ সালে হাতিবান্ধা থানা সৃষ্টির পূর্ব পর্যন্ত কালীগঞ্জ থানা রংপুর জেলার সর্ব উত্তরে অবস্থিত সীমান্তবর্তিত থানা হিসেবে পরিচিত ছিল । ১৯৮১ সালের ৯ ই এপ্রিল পর্যন্ত কালীগঞ্জ ১৬ টি ইউনিয়নের সমম্ব্যে একটি বিশাল থানা ছিল। ঐ সালের ১০ ই এপ্রিল ৮ টি ইউনিয়ন ভেঙ্গে আদিত্মারি থানার সৃষ্টি হয় । ১৯৮২ সালের ১৫ ই ডিসেম্বর কালীগঞ্জ থানা উপজেলায় উন্নীত হয়।এ উপজেলার প্রথম উপজেলা নির্বাহী অফিচার হিসেবে যোগদান করেন জনাব মোঃ আনছার আলী এবং প্রথম উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আলহাজ করিম উদ্দিন আহমেদ। ।


== ইতিহাস ==)

কাকিনা জমিদার বাড়ি ও জমিদার বংশ: বর্তমানে কালিগঞ্জ উপজেলাধীন কাকিনা ইউনিয়নের কাকিনা মৌজায় এক কালে গড়ে উঠেছিলো বড় বড় ইমারত বিশিষ্ট জমিদার বাড়ি , যা কালের স্রোতে নিশ্চিহ্ন হোয়ে গেছে । কাকিনা জমিদার বাড়ির অতিত সৃতি ধারণ করে এখন নীরবে দারিয়ে রয়েছে শুধু মাত্র –‘ হাওয়াখানা ‘ । ইতিহাস বিশ্লেষণে জানা যায়, মহারাজা মোদ নারায়ণের সময় কাকিনা ছিল কোচবিহার রাজ্জাধিন একটি চাকলা । তৎকালে কাকিনার চাকলাদার ছিলেন ইন্দ্র নারায়ন চক্রবর্তী । ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে ঘোড়া ঘাটের ফৌজদার এবাদত খাঁ মহারাজা মোদ নারায়নের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে কোচ রাজ্যে অভিযান চালানোর সময় রঘু রামের দুই পুত্র রাঘবেন্দ্র নারায়ন ও রাম নারায়ন ফৌজদারের পক্ষ অবলম্বন করেন। মোগলদের এ অভিযানে কোচ বাহিনী পরাজিত হলে ইন্দ্র নারায়ন চক্রবর্তীকে কাকিনার চাকলাদার পদ থেকে অপসারন করা হয় এবং রাঘবেন্দ্র নারায়ণকে পরগণা বাষট্টি ও রাম নারায়নকে পরগণা কাকিনার চৌধুরী নিযুক্ত করা হয় । এভাবেই ইন্দ্র নারায়ন চক্রবর্তীর চাকলাদারি শেষ হোয়ে কাকিনায় রাম নারায়নের মাধ্যমে নতুন জমিদারীর সূচনা ঘটে । রাম নারায়ন চৌধুরীর পিতা রঘু রাম সম্পর্কে যতদূর জানা যায় , চাকলাদার ইন্দ্র নারায়ন চক্রবর্তীর সময় তিনি কাকিনা চাকলার একজন সাধারণ কর্মচারী ছিলেন। তবে রঘু রামের পিতা রমানাথ ১৬৩৪ খ্রিস্টাব্দে কোচবিহার মহারাজা প্রাণ নারায়ণের সময় (১৬৩২-৬৫খ্রিঃ) রাজ দপ্তরে মজুমদারেরে কাজে নিয়োজিত ছিলেন । যা হোক , ১৬৮৭ খ্রিস্টাব্দে রাম নারায়ণ কাকিনা পরগণার চৌধুরী নিযুক্ত হওয়ার মধ্য দিয়ে কাকিনায় যে জমিদারীর সূচনা ঘটেছিল , জমিদার মহেন্দ্র রঞ্জনের সময় তার অপরিণামদর্শী খরচ ও বিলাসিতার কারণে তা ধ্বংসের মুখে পতিত হয়। মহাজনদের বকেয়া ও সরকারী রাজস্ব পরিশোধে সক্ষম না হওয়ায় ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দের দিকে তার জমিদারী নিলাম হোয়ে যায় । ১৯২৬- ৩০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে প্রায় নিঃস্ব অবস্থায় তিনি সপরিবারে কাকিনা ত্যাগ করে কাসিয়াং ( দার্জিলিং) –এ চলে যান । ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দের দিকে সেখানেই তার জীবনাবসান ঘটে। কাকিনা জমিদার বংশ তালিকায় যে কয়েকজন জমিদারের উল্লেখ পাওয়া যায়, তারা হলেন- ১। রাম নারায়ণ চৌধুরী ( জমিদারীর সূচনা- ১৬৮৭ খ্রিঃ) ২। রুদ্র রায় চৌধুরী ৩। রসিক রায় চৌধুরী ( অপুত্রক অবস্থায় মারা যান । স্ত্রী অলকানন্দা পরে জমিদারী চালান এবং দত্তক পুত্র গ্রহণ করেন ) ৪। রাম রুদ্র রায় চৌধুরী ( দত্তক পুত্র। ১৮২৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত জমিদারী চালান) ৫। শম্ভু চন্দ্র রায় চৌধুরী ( মৃত্যু – ১৮৬৮ খ্রিঃ) ৬। মহিমা রঞ্জন রায় চৌধুরী (দত্তক পুত্র । জন্ম -৩ ফেব্রুয়ারি ১৮৫৩ খ্রিঃ এবং মৃত্যু -১ এপ্রিল ১৯০৯ খ্রিঃ) ৭। মহেন্দ্র রঞ্জন রায় চৌধুরী ( ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দের দিকে নিলামের মধ্য দিয়ে জমিদারীর সমাপ্তি ) বর্ণিত জমিদার গণের মধ্যে সবচেয়ে বেশী সময় ধরে জমিদারী পরিচালনা করেন শম্ভু চন্দ্র রায় চৌধুরী । বড় বড় ইমারত বিশিষ্ট জমিদার বাড়ি তাঁর সময়ই নির্মিত হয়েছিলো বলে উল্লেখ পাওয়া যায়। জমিদার মহিমা রঞ্জন চৌধুরীর আমলে এখানে একটি যাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো । ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তাঁর মৃত্যুর পর তদীয় পুত্র মহেন্দ্র রঞ্জন রায় চৌধুরী জাদু ঘরের স্থলে ‘মহিমা রঞ্জন মেমোরিয়াল হাই ইংলিশ স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে ‘কাকিনা মহিমা রঞ্জন সৃতি দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়’ নামে পরিচিত ।

জনসংখ্যার উপাত্ত[সম্পাদনা]

শিক্ষা[সম্পাদনা]

কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়, ডাকঘরঃকরিমপুর, থানাঃকালীগঞ্জ,জেলাঃ লালমনিরহাট ।

১৯৫৯ সালে আলহাজ করিম উদ্দিন আহমেদ কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে লালমনিরহাট জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। লেখাপড়ার পাশাপাশি খেলাধুলা ও সহ-পাঠ্যক্রমিক কারযাবলির প্রতি অতি যত্নবান এ বিদ্যালয়টি। তাই সকল ছাত্র-ছাত্রীরা সকল প্রতিভা বিকাশের হওয়ার সুযোগ পায় ।২০১২ ও ২০১৩ সালে জাতীয় স্কুল বিতর্ক প্রতিযোগিতায় জাতীয় ভাবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে এ বিদ্যালয়টি। যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের স্যার জন ক্যাশ রেড কোট সেকেন্ডারী স্কুল( Sir John Cass Red Coat Secondary School) এর সাথে সহযোগিতা নিয়ে ইংরেজি শিক্ষা উন্ন্যনে এ বিদ্যালয়টি কাজ করছে। সা্ধারন শিক্ষার পাশা পাশি ভোকেশনাল শাখা ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয়ের এস,এস, সি প্রোগ্রাম এ বিদ্যালয়ে চালু আছে। ৩৫ জন শিক্ষক ও কর্মচারী এ স্কুলে কাজ করেন।



বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষাবোর্ড অনুমোদিত ঘাট আইসিটি সেন্টার -কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট।


দলগ্রাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় গ্রাম: শ্রীখাতা, ডাক: দলগ্রাম, উপজেলা: কালীগঞ্জ, জেলা: লালমনিরহাট, বাংলাদেশ।

দলগ্রাম দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

প্রতিষ্ঠাকালঃ ৩ জানুয়ারি, ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দ

দলগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়টি একটি প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ।এই বিদ্যালয়টি লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার দলগ্রাম ইউনিয়নের শ্রীখাতা গ্রামের এক মনোরম পরিবেশে অবস্থিত । ১৯১৬ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিস্ঠিত যা উপজেলা সদর হইতে সোজাসুজি উত্তর দিকে ৩ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পাশে পাকা রাস্তা সংলগ্ন হওয়ায় চতুর্দিকে যোগাযোগ ব্যবস্থা খুব ভাল। বিদ্যালয়টিতে ৩ টি পাকা ভবন ও একটি আধাপাকা ভবন রয়েছে । বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে স্থানীয় সুশিক্ষিত ও কর্মদক্ষ ম্যানেজিং কমিটির দ্বারা সুষ্ঠুরুপে পরিচালিত হয়ে আসিতেছে । বতর্মানে এর ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৬০০ জন শিক্ষক ও কর্মচারির সংখ্যা ১৮ জন। বিদ্যালয়টি এম পি ও ভূক্ত এবং ছাত্র ও ছাত্রীর যৌথ পদ চারনায় উৎসব মুখর বিদ্যালয় অঙ্গন । বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার সন্তোষজনক হওয়ায় দিন দিন ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে । দলগ্রামের এই নিভৃত পল্লীতে আলোকবর্তিকা জ্বালাবার মহান উদ্দেশ্য নিয়ে গেগরা নিবাসী স্বর্গীয় পন্ডিত প্রসন্ন কুমার বর্মা এবং অত্র এলাকার রত্ন মরহূম কাজী শেখ রেয়াজউদ্দীন আহমেদ উভয়েই তুষভান্ডারে জমিদার পরিচালিত তুষভান্ডার এম-ই স্কুলের শিক্ষকতার চাকুরী ছেড়ে দিয়ে দলগ্রামে স্কুল প্রতিষ্ঠার কাজে মনোনিবেশ করেন। এতদউদ্দেশ্যে ১৯১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালের স্হানীয় কিছু উৎসাহী ব্যাক্তিকে নিয়ে স্কুল পরিচালনা কমিটি গঠন করেন। অক্লান্ত পরিশ্রম করে অভিভাবক বৃন্দের সাথে ৩রা জানুরায়ী প্রথম জিবেরহাট খোলার ছোট একটি ঘরে স্কুলের কার্যক্রম শুরু করেন। আপ্রান চেষ্ঠা করে ঐ বৎসরেই ২৭ শে মার্চ শিক্ষা বিভাগীয় ১ম পরিদর্শন কার্য সম্পন্ন করান। ১. বিদ্যালয়ের অন্যতম প্রতিষ্ঠতা সদস্যবৃন্দের তালিকা: ক) স্বর্গীয় পন্ডিত প্রসন্ন কুমার বর্মা-(জন্ম-১৮৭৯ ইং/ মৃত্যু-১৯৪২ খ্রিষ্টাব্দ) খ) মরহূম কাজী শেখ রেয়াজউদ্দীন আহমেদ-(জন্ম-১৮৮২ ইং/ মৃত্যু-১৯৭২ খ্রিষ্টাব্দ) ২. প্রথম শিক্ষক মন্ডলী: ক) ) স্বর্গীয় পন্ডিত প্রসন্ন কুমার বর্মা খ) মরহূম কাজী শেখ রেয়াজউদ্দীন আহমেদ গ) স্বর্গীয় জলধর রায় ঘ) স্বর্গীয় হরিশ চন্দ্র রায় ঙ) মরহূম মফিজ উদ্দিন ৩. পরবর্তীতে শিক্ষক মন্ডলী: ক. স্বর্গীয় নকুলেশ্বর কাব্যনিধি খ. মরহূম বছর উদ্দিন আহমেদ গ. স্বর্গীয় জগৎ চন্দ্র রায় ঘ. মরহূম আছির উদ্দিন আহমেদ ঙ. মরহূম জওয়াহের আলী খন্দকার চ. মরহূম এহছান উদ্দিন ছ. স্বর্গীয় মহেশ চন্দ্র সরকার

জ.স্বর্গীয় যতীন্দ্র নাথ বসু
ঝ. স্বর্গীয় যদুনাথ বর্মা।

এবং আরো অনেকে।

অর্থনীতি[সম্পাদনা]

অর্থনৈতিক মেরুদন্ড কৃষি । কৃষিজাত পণ্যের মধ্যে ধান.পাট, তামাক, ভুট্টা, গম, শাক-সবজি উল্লেখযোগ্য

কৃতী ব্যক্তিত্ব[সম্পাদনা]

  • শেখ ফজলল করিম: নীতিবাদী সাহিত্য সাধক। জন্ম – বাংলা ১২৮৯ সালের ৩০ চৈত্র ( ইতিহাস গবেষক সমর পালের মতে ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দের ১৪ এপ্রিল )- মৃত্যু ১৯৩৬ খ্রিস্টাব্দে ২৮ সেপ্টেম্বর । সমসাময়িক কালের মুসলিম কবি সাহিত্যিকগণের মধ্যে তাঁর অবস্থান ছিল প্রথম সারিতে। তৎকালে তাঁর লেখা অসংখ্য কবিতা,প্রবন্ধ,সমালচনা, অনুবাদ বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিলো।


আলহাজ্ব করিম উদ্দিন আহমেদ

১৯২৩সালের ১৯মার্চ লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার কাশীরাম গ্রামে জন্মগ্রহন করেন।১৯৫৪ সালে ইউনিয়ন বোর্ডে নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে জনসেবায় আত্মনিয়োগের প্রথম সুযোগ ঘটার পর বাকী জীবন এ কাজেই ব্যয় করেন তিনি। একনাগাড়ে ১৬বছর ইউনিয়ন বোর্ডে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করেন। উন্নয়ন কর্মকান্ডে বিশেষ অবদানের জন্য ‘গভর্ণর’ পুরষ্কারে ভূষিত হন। তরুণ বয়েসেই বৃটিশ বিরোধী ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলনে মুকুন্দ দাশের অন্যতম সহযোগী ছিলেন। এ আন্দোলনের ভলান্টিয়ার হিসেবে তুষভান্ডার বাজারে খাজনা বন্ধ করতে গেলে তিনি গ্রেফতার হন। ১৯৭০সালের পকিস্তান প্রাদেশিক সংসদের সদস্য নির্বাচিত হন।১৯৭৩ সালে তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের আইনসভার সদস্য নির্বাচিত হন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একজন ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে কালীগঞ্জের উন্নয়নে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করেন।

তরুণ প্রতিভাবান[সম্পাদনা]

১। বদরুল আমীন শাকিল (কবি, সাহিত্যিক, নাট্যকার ও নাট্য পরিচালক)

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন (জুন, ২০১৪)। "এক নজরে কালীগঞ্জ উপজেলা"। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। সংগৃহীত ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৪ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]