কামাল আতাতুর্ক
| মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক | |
|
তুরষ্কের প্রথম রাষ্ট্রপতি
|
|
|---|---|
| দপ্তরের কার্যকাল ২৯ অক্টোবর ১৯২৩ – ১০ নভেম্বর ১৯৩৮ |
|
|
তুরষ্কের প্রথম প্রধানমন্ত্রী
|
|
| দপ্তরের কার্যকাল ৩ মে ১৯২০ – ২৪ জানুয়ারি ১৯২১ |
|
|
|
|
| জন্ম | মে ১৯, ১৮৮১ |
| মৃত্যু | ১০ নভেম্বর, ১৯৩৮ (৫৭ বছর) ইস্তাম্বুল |
| জাতীয়তা | তুর্কী |
| রাজনৈতিক দল | রিপাবলিকান পিপলস্ পার্টি |
| ধর্ম | ইসমলাকমিওনিস্ট |
| স্বাক্ষর | |
মোস্তফা কামাল পাশা (১৮৮১ — নভেম্বর ১০, ১৯৩৮) যিনি কামাল আতাতুর্ক, বা তুরস্কের জাতির পিতা নামেও পরিচিত, আধুনিক তুরস্কের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি ও প্রাক্তন সামরিক বাহিনীর সেনাপতি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুর্কী উস্মানীয় সাম্রাজ্যের পতনের পর ব্রিটিশ ও গ্রিক আগ্রাসনের হাত থেকে তুরস্কের মূল ভূখন্ডকে রক্ষা করে, এবং তুর্কীদেরকে সংগঠিত করার মাধ্যমে তিনি আধুনিক তুরস্ককে রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠা করেন। তুরস্কের আধুনিকায়ন, তুর্কী ভাষা ও লিখন পদ্ধতির সংস্কার ইত্যাদি কারণে তিনি যুগপৎ বিখ্যাত ও বিতর্কিত হয়ে আছেন। সর্বশেষ উস্মানীয় সম্রাট ছিলেন ষষ্ঠ মুহম্মদ (রাজত্বকাল, ১৯১৮-১৯২২)। কামাল আতাতুর্ক ১৯২২ সালে তাকে ক্ষমতাচ্যূত করেন। এরপর তুর্কি প্রজাতন্ত্র স্থাপিত হয়।
[সম্পাদনা] কিছু ঘটনা
|
|
এই অনুচ্ছেদ কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (আগস্ট ২০১১) |
১৯২৮ সালের ২৯ এপ্রিল তুরস্কে কামাল আতাতুর্ক আরবি বর্ণমালায় তুর্কী ভাষা লেখার ঐতিহ্যবাহী পদ্ধতি বাদ দিয়ে ল্যাটিন হরফে তুর্কী ভাষা লেখার নির্দেশ দেন। তিনি ছিলেন একজন কট্টর মুসলিম বিদ্বেষী। তিনি মুসলমান শাসক/খলীফা (যিনি সমস্ত মুসলমান জাতির তথা মুসলিম উম্মাহর খলীফাহ্) দ্বিতীয় আব্দুল মজিদ-এর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ক্ষমতায় আসীন হন। তিনি আল্লাহর বাণী পবিত্র কুরআনকে তুরস্কে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। প্রকাশ্যে আযান নিষিদ্ধ করেন। তখন সকল শ্রেণীর জনগণ তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠে, কিন্তু তখন তিনি কঠোরহস্তে তা দমন করেন।
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র