কাতিন গণহত্যা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Polish POWs captured by the Red Army during Soviet invasion of Poland One of the mass graves at Katyń.
Katyń war crime Polish banknotes and epaulets recovered from mass graves
Place of mass graves of victims of the Katyn massacre of 1940 Katyn-Kharkiv-Mednoye memorial

প্রথম সারি:পোল্যান্ডে সোভিয়েত আক্রমণের সময় রেড আর্মি দ্বারা আধৃত পোলিশ POWs।
কাতিনে একটি গণকবর, ১৯৪৩ সাল।

দ্বিতীয় সারি:কাতিনে সমাধি থেকে উত্তোলিত লাশ।
গণ - সমাধি থেকে উদ্ধারকৃত পোলিশ ব্যাঙ্কনোট এবং সৈন্যদের স্কন্ধোপরিস্থ বিহ্ন।

তৃতীয় সারি:বর্তমানে কাতিন গণহত্যার শিকারের গণ - সমাধি স্থান।
কাতিন-খারকিভ-ম্যাডনোয়ে স্মৃতিসৌধ।
Map of the sites related to the Katyn massacre
কাতিন গণহত্যা সম্পর্কিত সাইট ম্যাপ

কাতিন গণহত্যা বা কাতিন জঙ্গল গণহত্যা ১৯৪০ সালের এপ্রিল এবং মে মাসে সোভিয়েত ইন্টানন্যাল সিকিউরিটি সার্ভিস বা এনকেভিডির (সোভিয়েত গুপ্ত পুলিশ)দ্বারা চালিত গণহত্যা।পিপলস কমিশার ফর ইন্টারনাল অ্যাফেয়ার্স ও ফার্স্ট র‌্যাংক কমিশার অব স্টেট সিকিউরিটি ল্যাভরেনিটি বেরিয়া ১৯৪০ সালের ৫ মার্চ স্টালিনসগ সোভিয়েত পলিটব্যুরোর সব সদস্যের কাছে একটি নোট পাঠায়। তাতে যুদ্ধবন্দীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ ছিল।পলিটব্যুরো তাতে সম্মতি দেয়। নির্দেশ দিয়েছিলেন সাবেক সোভিয়েত স্বৈরশাসক জোসেফ স্তালিন। প্রায় ২২ হাজার সেনাকে হত্যা করা হয়েছিল।[১] মোট তিনটি স্থানে মারা হয়। যেমন কাতিন জঙ্গল এবং কালিনিন ও কার্কিভে গুপ্ত পুলিশের বন্দীশালায়। ১৯৩৯ সালে সোভিয়েত রেড আর্মির দখলের সময় প্রায় ৮০০০ অফিসারকে জেলে নেয়া হয় এবং বন্দীদের তালিকায় সেনা সদস্য ছাড়াও ছিল শিক্ষক, ডাক্তার, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার মানুষ।"[১]

"কাতিন গণহত্যা" কাতিন এবং নেজদোভে (আনুমানিক ১৯ কিলোমিটার/১২ মাইল পশ্চিমে স্মলেন্সক, রাশিয়া) এর গ্রামের কাছাকাছি মূলত কাতিন বনে কযেলস্ক যুদ্ধবন্দী পোলিশ সামরিক অফিসারদের গণহত্যা নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে। এটা ছিল বেশ কয়েকটি যুদ্ধের বন্দীদের যুগপত বৃহত্তম মৃত্যুদন্ড কার্যক্রম। অন্যান্য মৃত্যুদন্ড কার্যক্রম ভৌগলিকভাবে দূরবর্তী স্তারবেলস্ক এবং অস্তাশকভ ক্যাম্পে ঘটেছে,স্মলেন্সক মধ্যে এনকেভিডির সদর দপ্তরে, এবং কালিনিন (ভের), খারকিভ, মস্কো, এবং অন্যান্য সোভিয়েত শহরের জেলখানায়। অন্যান্য মৃত্যুদন্ড কার্যক্রম বেলারুশ এবং পশ্চিমী ইউক্রেনের বিভিন্ন অবস্থানগুলিতে হয়েছে বিশেষভাবে এনকেভিডির দ্বারা পোলিশ বন্দীদের বিশেষ তালিকার উপর ভিত্তি করে। হত্যাকান্ডের পোলিশ তদন্ত শুধুমাত্র কাতিন বনের হত্যাকাণ্ডই অন্তর্ভুক্ত নয়, অন্যান্য গণহত্যাও অন্তর্ভুক্ত। পোলিশ সংগঠন যেমন কাতিন কমিটি এবং কাতিন পরিবারগুলির ফেডারেশন হিসাবে প্রতিষ্ঠান, সামগ্রিক গণহত্যার অংশ হিসাবে অবস্থানগুলি কাতিন ছাড়া অন্য সময়ে হত্যা শিকার বিবেচনায় নিয়েছে। [১]

১৯৪৩ সালের এপ্রিলে কাটেইন জার্মানের দখলে চলে গেলে তারাই গণকবর আবিস্কার করে। বার্লিন রেডিওতে ১৩ এপ্রিল এটি ব্যাপক ভাবে প্রচার করা হয়। জার্মানরা একটি কমিশন গঠন করে যাতে ফ্রান্সসহ বিভিন্ন দেশের ফরেনসিক এক্সপার্টরা ছিলেন। তারা সবাই এ জন্য সোভিয়েতকে দায়ী করলেও সোভিয়েত তা অস্বীকার করে। তারা দাবি করে ১৯৪১ সালে জার্মানদের দখলে চলে যাওয়ার পর তারাই পোলিশ বন্দীদের হত্যা করেছে।পোলান্ডের প্রবাসী সরকার তখন লন্ডনে। এই সরকার ১৯৪৩ সালে বিষয়টি নিয়ে সোভিয়েত ব্যাখ্যা দাবি করলে স্টালিন পাল্টা দাবি করে যে পোলান্ডের এই সরকার নাজীদের সাথে হাত মিলিয়েছে। তারপর স্টালিন আরেকটি প্রবাসী সরকার (মস্কো ভিত্তিক) সমর্থন দেওয়া শুরু করে। সেসময় লন্ডন প্রবাসী পোলি প্রধানমন্ত্রী সিকোরসকি ইন্টারন্যাশনাল রেড ক্রসের মাধ্যমে তদন্ত চেয়েছিলেন।[১][২][৩][a]


একটি তদন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন (1990-1991) এবং রাশিয়ান ফেডারেশন (1991-2004) এর অভিশংসক সাধারণ কার্যালয় দ্বারা পরিচালিত, নৃশংস গণহত্যার জন্য সোভিয়েত দায়িত্ব হয়েছে নিশ্চিত. এটি ছিল 1.803 পোলিশ নাগরিকের মৃত্যু নিশ্চিত করতে সক্ষম কিন্তু একটা যুদ্ধাপরাধ বা গণহত্যা এর একটি আইন অনুযায়ী এই কর্ম শ্রেণীভুক্ত করতে অস্বীকার করে. তদন্ত ভিত্তিতে যে গণহত্যার এর perpetrators ইতিমধ্যে মারা বন্ধ, এবং পরে রাশিয়ান সরকার Stalinist দমন শিকার মৃত হিসাবে না শ্রেণীভুক্ত করা হবে, প্রথাগত মৃত্যুর পরবর্তী পুনর্বাসন আউট শাসিত হয়. [4] মানবাধিকার সমাজ স্মারক একটি বিবৃতি জারি যা ঘোষিত "তদন্ত এই পরিসমাপ্তি হল অগ্রহণীয়" এবং যে শুধুমাত্র 1,803 নিহত ব্যক্তিদের তাদের নিশ্চিতকরণ "ব্যাখ্যা প্রয়োজন কারণ এটি সাধারণ জ্ঞান যে 14,500 বন্দীদের বেশি নিহত হয়." [5] নভেম্বর 2010 সালে, রাশিয়ান রাজ্য Duma একটি ঘোষণা অনুমোদন জমিদারি ব্যক্তিগতভাবে গণহত্যার আদেশ জন্য স্তালিন এবং অন্যান্য সোভিয়েত আধিকারিকদের অনুযোগ.

প্রেক্ষাপট [সম্পাদনা]

১ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ এ, নাৎসি জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রান্ত হয়। ইতোমধ্যে, ব্রিটেন এবং ফ্রান্স, পোলিশ-ব্রিটিশ প্রচলিত প্রতিরক্ষা চুক্তি এবং ফ্রাঙ্কো-পোলিশ সামরিক জোট এই ধরনের আক্রমনের ক্ষেত্রে জার্মানি আক্রমণ করে এই দাবিতে যে জার্মানি ফিরে যাবে। ৩ সেপ্টেম্বর ১৯৩৯ এ,ব্যর্থ হওয়ার পরে ফ্রান্স, ব্রিটেন, এবং ব্রিটিশ কমনওয়েলথের অধিকাংশ দেশ জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে কিন্তু পোল্যান্ডকে সামান্য সামরিক সহায়তা প্রদান করে।[৪] তারা সামান্য সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল যা ফনেয় যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।[৫]

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; ipn_eng_news_high_katyn_decision নামের refগুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; bbc161204 নামের refগুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  3. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Stalin.27s_wars:_from_World_War_to_Cold_War.2C_1939-1953 নামের refগুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  4. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; may নামের refগুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  5. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; horner নামের refগুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি