কলমি শাক
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| Ipomoea aquatica | |
|---|---|
| জীববৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| জগৎ/রাজ্য: | Plantae |
| (অবিন্যাসিত): | Angiosperms |
| (অবিন্যাসিত): | Eudicots |
| (অবিন্যাসিত): | Asterids |
| বর্গ: | Solanales |
| পরিবার: | Convolvulaceae |
| গণ: | Ipomoea |
| প্রজাতি: | I. aquatica |
| দ্বিপদ নাম | |
| Ipomoea aquatica Forssk. |
|
কলমি শাক (Ipomoea aquatica বা water spinach) এক প্রকারের অর্ধ-জলজ উষ্ণমণ্ডলীয় লতা। এর পাতাকে শাক হিসাবে খাওয়া হয়। এর আদি নিবাস কোথায় তা জানা যায়নি, তবে সারা বিশ্বের নিরক্ষীয় ও উপ-নিরক্ষীয় অঞ্চলে এর চাষ হয়।
কলমি শাক পানিতে কিংবা আদ্র মাটিতে জন্মে থাকে। এর ডাঁটাগুলো ২-৩ মিটার দীর্ঘ হয়। ফলে এর পাতা পানির উপরে ভেসে থাকতে পারে। কলমি শাকের পাতা অনেকটা লম্বাটে ও ত্রিকোণাকার, এবং ৫-১৫ সেমি দীর্ঘ এবং ২-৮সেমি চওড়া হয়। ফুলটি অনেকটা কলসী আকারের এবং ৩-৫ সেমি ব্যাসের হয়ে থাকে। ফুলের বর্ণ সাধারণত সাদা।
[সম্পাদনা] চাষাবাদ
পূর্ব, দক্ষিণ, এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে কলমি শাকের চাষ করা হয়। প্রাকৃতিকভাবে পানিতে এই গাছ জন্মায়, আর বেশি যত্নেরও দরকার হয় না। মালয়ী ও চীনা খাবারে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। বাংলাদেশে এটি শাক হিসাবে বেশ জনপ্রিয়। কলমি শাক সাধারণত ভাজি হিসাবে রান্না করা হয়।