এয়ারটেল (বাংলাদেশ)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড
ধরন লিমিটেড
শিল্প মোবাইল টেলিফোনি
প্রতিষ্ঠাকাল ২০০৫
সদর দপ্তর বাংলাদেশ বাড়ি ৩৪, রোড ১৯/এ, বনানী, ঢাকা ১২১৩, বাংলাদেশ
প্রধান ব্যক্তি ভারতক্রিস টোবিট , সিইও
পণ্য মোবাইল টেলিফোনি, জিপিআরএস, জিএসএম
সহযোগী প্রতিষ্ঠান ভারতভারতি এয়ারটেল ৭০% and সংযুক্ত আরব আমিরাতওয়ারিদ টেলিকম ৩০%
ওয়েবসাইট http://www.bd.airtel.com

এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড ভারত ভিত্তিক ভারতী গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের একটি জিএসএম ভিত্তিক মোবাইল টেলিকম অপারেটর। ২০০৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের সাথে ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার বিনিয়োগের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করার মাধ্যমে বাংলাদেশে ওয়ারিদের যাত্রা শুরু। ১০ মে, ২০০৭ সালে ৬১ টি জেলায় নেটওয়ার্ক কভারেজ প্রদানের মাধ্যমে এবং ৭০% জনসমষ্টিকে ঘিরে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে ২০১০ সালের জানুয়ারিতে ৭০% শেয়ার গ্রহণ করে এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড নাম ধারণ করে। একই বছরের ২০ ডিসেম্বর তা এয়ারটেল নামে সেবা প্রদান শুরু করে। বর্তমানে এয়ারটেল ৬৪টি জেলা শহরে এর নেটওয়ার্ক কভারেজ বিস্তৃত করেছে। মোট গ্রাহক সংখ্যা ২৯.৫৪ মিলিয়ন এবং ছয়টি মোবাইল টেলিকম অপারেটরের মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ। যা বাংলাদেশে +88016xxxxxxxx নাম্বারের মাধ্যমে সেবা প্রদান করে ।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০০৫ সালের ডিসেম্বরে ওয়ারিদ টেলিকম ইন্টারন্যাশনাল এলএলসি ৫০ মিলিয়ন ডলার এর বিনিময়ে বিটিআরসি থেকে বাংলাদেশের ৬ষ্ঠ জিএসএম মোবাইল অপারেটর হিসাবে লাইসেন্স পায়।

পরবর্তী প্রজন্মের নেটওয়ার্ক[সম্পাদনা]

এয়ারটেল বর্তমানে দ্বিতীয় প্রজন্মের সেবা বা 2G সেবার পাশাপাশি তৃতীয় প্রজন্মের নেটওয়ার্ক 3G সেবা প্রদান করছে । বাংলাদেশ সরকার দেশে 4G নেটওয়ার্কের অনুমতি প্রদান করলে এয়ারটেল ব্যাবহারকারীদের 4G সেবা প্রদান করবে বলে আশা করা হচ্ছে ।

নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি[সম্পাদনা]

এয়ারটেল বাংলাদেশ বর্তমানে GSM/WCDMA বা, 3G এবং 2G সেবা প্রদান করছে, যা দুইক্ষেত্রেই আরও দ্রুত গতি সম্পন্ন।

পন্য[সম্পাদনা]

এয়ারটেল তাদের গ্রাহকদের কে দুটি পদ্ধতিতে সেবা প্রদান করছে।

  • প্রিপেইড
  • পোষ্টপেইড

গ্রাহক সেবা[সম্পাদনা]

এয়ারটেল বাংলাদেশ এর অনেক গ্রাহক সেবা কেন্দ্র আছে। তা ছারাও এয়ারটেল মোবাইলের মাধ্যমে সেবা প্রদান করে থাকে।

www== বহিঃসংযোগ ==