এবিপি আনন্দ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এবিপি আনন্দ
উদ্বোধন ১ জুন ২০০৫
মালিকানা আনন্দবাজার পত্রিকা ও স্টার গোষ্ঠী
দেশ  ভারত
প্রাপ্তিস্থান
কৃত্রিম উপগ্রহ
টাটা স্কাই (ভারত) চ্যানেল ৮৫২

এবিপি আনন্দ (ভূতপূর্ব নাম: স্টার আনন্দ) ভারতের একটি জাতীয় বাংলা সংবাদ চ্যানেল। এই চ্যানেলটি স্টার টিভিআনন্দবাজার পত্রিকার একটি যৌথ প্রযোজনা। ১ জুন ২০০৫ তারিখ থেকে একটি ২৪ ঘণ্টার ফ্রি-টু-এয়ার চ্যানেল হিসাবে এর সম্প্রচার শুরু হয়। স্থানীয় ভাষায় সংবাদ পরিবেশনার ক্ষেত্রে একটি আদর্শ উপস্থাপনা করার পাশাপাশি এবিপি আনন্দ বাংলা, সর্বভারতীয় ও বিশ্বসংবাদ পরিবেশনার ক্ষেত্রে চিত্তাকর্ষক পরিচালনা এবং গভীর ও বিশ্লেষণাত্মক সংবাদ প্রচারের ঐতিহ্যের সূচনা ঘটায়। এবিপি আনন্দ সম্প্রচারিত হয় মিডিয়া কনটেন্ট অ্যান্ড কমিউনিকেশন সার্ভিসেস ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড (এমসিসিএস)-এর দ্বারা, যা ভারতীয় গণমাধ্যম জগতের দুই বৃহত্তম ব্র্যান্ড আনন্দবাজার গোষ্ঠীর ১০০% মালিকানাধীন এবিপিটিভি এবং স্টার গোষ্ঠীর সম্পূর্ণ মালিকানাধীন স্টার নিউজ ব্রডকাস্টিং লিমিটেড-এর একটি ৭৪:২৬ যৌথ উদ্যোগ। কলকাতাকেন্দ্রিক ও স্টেট-অব-দ্য-আর্ট প্রযোজনার সুবিধাযুক্ত এবিপি আনন্দ একটি বিরাট ব্যুরো নেটওয়ার্ক চালু করে বাঙালি দর্শকদের সামনে একটি অপ্রতিদ্বন্দ্বী, বোধগম্য ও প্রত্যক্ষ সংবাদ পরিবেশনা শুরু করে। সম্প্রচার শুরুর সপ্তাহতেই এবিপি আনন্দ কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের ৪০% মার্কেটশেয়ার দখল করে নেয়। তারপর থেকে বাঙালি মানস ও চিন্তাধারার উপযোগী অনুষ্ঠান সম্প্রচার করে এই চ্যানেল প্রভূত জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

এবিপি আনন্দে সম্প্রচারিত কয়েকটি অনুষ্ঠান হল স্টার খবর, হয় মা নয় বৌমা (টেলিভিশন ধারাবাহিক সমালোচনা ও সংবাদ পরিবেশনা মূলক অনুষ্ঠান), এক ডজন গল্প (সারা দিনের সেরা ১২টি খবরের বিশ্লেষণ), হ্যালো ভিআইপি (বাংলা ও ভারতের কৃতী ব্যক্তিত্বদের সাক্ষাৎকার) ইত্যাদি। এছাড়াও অনেক বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার ও স্পনসর করে থাকে এবিপি আনন্দ। এবিপি আনন্দের সঞ্চালকেরা হলেন সুমন দে, রেশমি, অমিত, দীপক, ঋতব্রত, মানস, শিলাদিত্য, প্রদীপ্ত, বিতনু, অমিত, রজত, শৌণক প্রমুখ।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]