এনড্রয়েড

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এনড্রয়েড

Android robot.svg
Android Logo (2014).svg
এনড্রয়েড লোগো
Android L Develpment Preview.png
এনড্রয়েড ৫.০ হোম স্ক্রীন
কোম্পানি / ডেভেলপার
প্রোগ্রামিং ভাষা সি (কোর), সি++, জাভা (ইউআই)[২]
ওএস পরিবার ইউনিক্স-সদৃশ
কার্যকর অবস্থা চলতি
সোর্স মডেল মুক্ত সোর্স[৩] and in most devices with proprietary components[৪]
প্রাথমিক মুক্তি সেপ্টেম্বর ২৩, ২০০৮ (২০০৮-০৯-২৩)[৫]
সাম্প্রতিক স্থায়ী মুক্তি ৫.১ ললিপপ / মার্চ ১০, ২০১৫; ২ মাস আগে (২০১৫-০৩-10)
বিপণন লক্ষ্যমাত্রা স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার, এনড্রয়েড টিভি, এনড্রয়েড গাড়ি, এবং এনড্রয়েড পরিধানযোগ্য যন্ত্র সমূহে
উপলব্ধ ভাষাসমূহ ৬৮ ভাষা[কোনটি?]
প্যাকেজ ম্যানেজার গুগল প্লে, এপিকে
সমর্থিত প্ল্যাটফর্ম ৩২-বিট এবং ৬৪-বিট; এক্স৮৬; এক্স৮৬-৬৪ এআরএম, এমআইপিএস,[৬] এবং এমআইপিএস৬৪[lower-alpha ১]
কার্নেল ধরণ মনোলিথিক কার্নেল (রূপান্তরিত লিনাক্স কার্নেল)
ইউজারল্যান্ড Bionic libc,[৭] শেল নেটবিএসডি থেকে,[৮] native core utilities with a few from NetBSD[৯]
ডিফল্ট ব্যবহারকারী মাধ্যম চিত্রভিত্তিক (বহু-স্পর্শ)
লাইসেন্স এপ্যাচি লাইসেন্স ২.০
জিএনইউ জিপিএল ভি২ অধীনে লিনাক্স কার্নেল প্যাচ[১০]
ওয়েবসাইট www.android.com

এনড্রয়েড (ইংরেজি: Android) হল মোবাইলের জন্য কিছু সফটওয়্যারের সম্মিলন যেটাতে অপারেটিং সিস্টেম, মিডলওয়্যার এবং এপ্লিকেশনগুলো এক সাথে থাকে।[৩][১১] এটি সাধারনভাবে লিনাক্স কার্নেলের উপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম (ওএস) বর্তমানে গুগল দ্বারা তৈরী ও উন্নয়ন করা হচ্ছে। গুগল ইনকর্পোরেটের প্রাথমিক ডেভেলপারদের (এনড্রয়েড ইনকর্পোরেট) কিনে নেয় ২০০৫ সালে।[১২] গুগল এবং অন্যান্য মুক্ত হ্যান্ডসেট এল্যায়েন্সের সদস্যরা এন্ড্রয়েডের উন্নয়ন এবং বাজারে উন্মুক্ত করা নিয়ন্ত্রন করে[১৩][১৪]। এনড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রজেক্ট’টি (এওএসপি) এন্ড্রয়েডের রক্ষনাবেক্ষন এবং ভবিষ্য উন্নয়নের কাজ করে থাকে[১৫] । এনড্রয়েড হল বিশ্বের শীর্ষ বিক্রিত স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম[১৬][১৭]

এন্ড্রয়েডের অনেক উন্নয়নকারী/ডেভেলপার আছে যারা এর জন্য বিভিন্ন এপ্লিকেশন তৈরী করে থাকে এতে করে এই অপারেটিং সিস্টেমের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পেয়েছে। এখন প্রায় ২০০,০০০ সংখ্যক এপ্লিকশনের উপরে বাজারে এন্ড্রয়েডের এপ্লিকেশন রয়েছে[১৮][১৯]। এনড্রয়েড মার্কেট একটি এপ্লিকেশন বাজার যেটা গুগল চালায়, যদিও এপ্লিকেশনগুলো বাইরের কোন থার্ড পার্টি সাইট থেকে ডাউনলোড করা যায়। উন্নয়নকারীরা প্রাথমিকভাবে জাভা প্রোগ্রামিং ভাষা দিয়ে লিখে থাকে, যেটা গুগল জাভা লাইব্রেরি দ্বারা নিয়ন্ত্রন করা হয়[২০]

ওপেন হ্যান্ডসেট এল্যায়েন্সের শুরু সাথে সাথে এন্ড্রয়েডের বিতরন উন্মুক্ত করা হয় ৫ই নভেম্বর ২০০৭ সালে যেখানে ৮০টি হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার এবং টেলিকম কোম্পানী ছিল। তাদের সকলের উদ্দেশ্য ছিল মুক্ত আদর্শ মোবাইল প্লাটফর্ম তৈরী করা[২১][২২]। গুগল এন্ড্রয়েডের বেশিরভাগ কোড ছাড়ে এপ্যাচি এবং মুক্ত উৎসের লাইসেন্সের আওতায়[২৩]

এন্ড্রয়েডের সফটওয়্যারটি জাভা এপ্লিকেশনের সমন্বয়ে গঠিত যা জাভার উপর ভিত্তি করে তৈরী করা, এটি ডেলভিক ভার্চুয়াল মেশিনে (জেআইটি কম্পাইলেশন ব্যবহার করে) জাভা কোর লাইব্রেরীতে চলে। লাইব্রেরীটি প্রোগ্রামিং ভাষা সি’তে লিখা যাতে আছে সারফেস ম্যানেজার, ওপেন কোর[২৪] মিডিয়া ফ্রেমওর্য়াক, এসকিউলিট রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, ওপেনজিএল ইএস ২.০ ৩য় মাত্রার গ্রাফিক্স এপিআই, ওয়েবকিট লেআউট ইন্জিন, এসজিএল গ্রাফিক্স ইন্জিন, এসএসএল এবং বাইওনিক লিবক। এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমটি (যাতে লিনাক্স কারনেলও আছে) প্রায় ১২ মিলিয়ন কোডিং লাইনের সমন্বয়ে তৈরী যাতে আছে প্রায় ৩ মিলিয়ন এক্সএমএল লাইন, প্রায় ২.৮ মিলিয়ন সি (প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ) লাইন, ২.১ মিলিয়ন জাভা লাইন, ১.৭৫ মিলিয়ন সি++ (প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ) লাইন[২৫]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

এনড্রয়েড ইনকর্পোরেট প্রতিষ্ঠা হয়েছিল পালো আল্টো, ক্যালিফোর্নিয়ায় ২০০৩ সালের অক্টোবরে। এটার প্রতিষ্ঠাতা এন্ডি রুবিন (ডেন্জারের সহ-প্রতিষ্ঠাতা)[২৬], রিচ মাইনার (ওয়াইল্ডফায়ার কমউনিকেশনস, ইনকর্পোরেটেডের সহ প্রতিষ্ঠাতা)[২৭], নিক সিয়ারস (টি-মোবাইলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট)[২৮] নিক সিয়ারস (টি-মোবাইলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট)এবং ক্রিস হোয়াইট (ওয়েবটিভি’র ডিজাইন এবং ইন্টারফেস প্রধান)[২৯]। যেহেতু তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে নিয়োজিত ছিলেন তাই এনড্রয়েড প্রতিষ্ঠানটি তার কার্যক্রম চালাত অনেকটা লুকিয়ে। প্রতিষ্ঠান থেকে এটা বলা হত যে তারা শুধু মোবাইলের একটি সফটওয়্যারের কাজ করছে। কোম্পানির প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল একটি উন্নত মানের অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করা ডিজিটাল ক্যামেরার জন্য। যদিও পরে তারা বুঝতে পারেন যন্ত্রটির বাজার তত বড় নয় তাই কোম্পানিটি সমস্ত মনোযোগ দেয় স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম তৈরীর উপর। উদ্দেশ্য হিসেবে থাকে এটি সিমবিয়ান এবং মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ মোবাইল মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমগুলোর সাথে পাল্লা দেবে।[৩০] এন্ড্রয়েড ইনকর্পোরেটেড লুকিয়ে পরিচালনা করা হত, কিন্তু সবাইকে বল তারা মোবাইল সফটওয়্যারের উপর কাজ করছে।[৩১] একই বছরে রুবিনের টাকা ফুরিয়ে যায়। স্টিভ পার্লম্যান রুবিনের কাছের বন্ধু তাকে ১০,০০০ ডলার নগদ একটি খামে রেখে দেয় এবং কোম্পানির ঝুঁকি নিতে অস্বীকার করে।[৩১][৩২]

গুগল এনড্রয়েড ইনকর্পোরেটেড প্রতিষ্ঠানকে ১৭ আগষ্ট ২০০৫ সালে কিনে নেয়; প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কর্মচারীগণকে তারা বহাল রাখে (এন্ডি রুবিন, রিচ মাইনার এবং ক্রিস হোয়াইট) [২৭]। কেনার সময় এনড্রয়েড সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি বিস্তারিত, কিন্তু অনেকেই ধারনা করেছিল যে গুগল মোবাইল বাজারে আসতে যাচ্ছে। গুগলে, রুবিন দ্বারা পরিচালিত দল মোবাইলের প্লাটফর্ম হিসেবে লিনাক্স কারনেল উন্নয়ন করে। গুগল এই প্লাটফর্মকে বাজার ছাড়ে হ্যান্ডসেট এবং মোবাইল সংযোগদাতা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে শর্ত হিসেবে বলে যে তারা এর আপডেট বা উন্নয়ন অব্যাহত রাখবে। গুগল কিছু হার্ডওয়্যার উপাদান এবং সফটওয়্যার অংশীদারের কথা উল্লেখ্য করে যা অনেক ক্ষেত্রে মুক্ত এবং এমনকি তাদের অংশেও।[৩৩][৩৪][৩৫]

গুগলের কার্যক্রম দেখে অনেকেই মনে মনে ভাবতে শুরু করে গুগল মোবাইল যোগাযোগ বাজারে প্রবেশ করবে (২০০৬ সালের ডিসেম্বর থেকে)[৩৬]বিবিসি এবং ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল উল্লেখ্য করে গুগল তাদের সার্চ ইন্জিন এবং এপ্লিকেশন মোবাইল ফোনে চালাতে চায় এবং তারা তা করার জন্য কাজ করছে। অনলাইন এবং কাগজে গুজব ছড়াতে থাকে যে গুগল তাদের নিজস্ব ব্র্যান্ডের হ্যান্ডসেট তৈরী করছে[৩৭]। কেউ কেউ মতামত দেয় যে যেহেতু গুগল কারিগরী দিকগুলোর কথা বলছে সেহেতু এটা মোবাইল ফোনের নমুনা উৎপাদক এবং নেটওর্য়াক অপারেটরদের দেখাচ্ছে।

২০০৭ সালের সেপ্টেম্বরে, ইনফরমেশন উইক প্রকাশ করে যে গুগল কিছু মোবাইল এপ্লিকেশনকে প্যাটেন্ট করে নিয়েছে[৩৮][৩৯]

এরিক স্কমিডিট, এন্ডি রুবিন, এবং হুগো বাররা গুগল নেক্সাস ৭ ট্যাবলেটের সংবাদ সম্মেলনে

৫ই নভেম্বর, ২০০৭ সালে ওপেন হ্যান্ডসেট এল্যায়েন্স সূচনা করে যাতে ছিল ব্রডকম কর্পোরেশন, গুগল, এইচটিসি, ইন্টেল, এলজি, মার্ভেল টেকনোলজি গ্রুপ, মটোরোলা, এনভিডিয়া, কোয়ালকম, স্যামস্যাঙ ইলেক্ট্রনিকস, স্প্রিন্ট নেক্সটেল, টি-মোবাইল এবং টেক্সাস ইনস্ট্রুমেন্ট। ওপেন হ্যান্ডসেট এল্যায়েন্সের উদ্দেশ্য হল মুক্ত ধরনের মোবাইল হ্যান্ডসেট প্লাটফর্ম তৈরী করা[১৩]। একই দিনে, ওপেন হ্যান্ডসেট এল্যায়েন্স তাদের প্রথম পন্য এনড্রয়েড ছাড়ে যা লিনাক্স কারনেল ২.৬.২৫ এর উপর ভিত্তি করে তৈরী[১৩][৪০]। প্রথম বান্যিজিকভাবে ছাড়া স্মার্টফোনটি ছিল এইচটিসি ড্রিম যা ২০০৮ সালের ২২শে অক্টোবর ছাড়া হয়।[৪১]

৯ই ডিসেম্বর, ২০০৮ সালে, আরো ১৪ নতুন সদস্য যোগ দেয় যাতে ছিল এআরএম হোল্ডিংস, এথিরস কমিউনিকেশনস, আসুসটেক কম্পিউটার ইনকর্পোরেট, জারমিন লিমিটেড, হাওয়াই টেকনোলজিস, প্যাকেটভিডিও, সফটব্যাংক, সনি এরিকসন, তোসিবা কর্পোরেশন এবং ভোডাফোন গ্রুপ।[৪২][৪৩]

২০১০ সালে গুগল তাদের গুগল নেক্সাস ধারার সেট ছাড়ে যা এনড্রয়েড চালিত স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেটের নাম এবং এটি প্রস্তুত করা হয় অংশীদারদের মাধ্যমে। এইচটি গুগলের সাথে মিলে প্রথম নেক্সাস স্মার্টফোন তৈরি করে যা ছিল নেক্সাস ওয়ান[৪৪] গুগল তারপর থেকেই এই ধারার যন্ত্রটি উন্নয়ন করে এসেছে যেমন নেক্সাস ৫ তৈরী করে এলজি, নেক্সাস ৭ (ট্যাবলেট) তৈরী করে এসুস। গুগল তাদের নেক্সাস ধারার যন্ত্রটি ছাড়ে মূলত এনড্রয়েডের একেবারে মূল ধারার পন্য হিসেবে। কারন এটি একেবারে নতুন, হালনাগাদকৃত ও উন্নীত অপারেটিং সিস্টেম, সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত করে ছাড়া হয়।

২০১৩ সালের ১৩ই মার্চ ল্যারি পেজ তার একটি ব্লগ লেখায় জানান এন্ডি রুবিন এনড্রয়েড বিভাগ থেকে গুগলের অন্য একটি প্রকল্পে চলে গিয়েছেন।[৪৫] তার স্থলে সুন্দর পিচাই স্থলাভিষিক্ত হন যিনি গুগল ক্রোম বিভাগের প্রধান হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করতেন।[৪৬]

২০০৮ থেকেই, এনড্রয়েড অসংখ্য আপডেট পেয়েছে বা করা হচ্ছে যার মাধ্যমে অপারেটিং সিস্টেমটিকে উন্নত ও ত্রুটি মুক্ত করা হয়, নতুন সুযোগ সুবিধা যোগ করা হয়। প্রত্যেক বড় ধরনের সংস্করনের নাম ইংরেজি বর্ণমালা অনুসারে রাখা হয় যেমন সংস্করন ১.৫ কাপকেকের (Cupcake) পর ডোনাট (Donut) ১.৬ সংস্করন। ৪.৪.৪ কিটক্যাট সংস্করনটি আসলে নিরাপত্তা বিষয়ক আপডেট যা ছাড়া হয় ১৯ শে জুন ২০১৪ সালে ৪.৪.৩ সংস্করন ছাড়ার অল্প কিছু দিনের মধ্যে।[৪৭][৪৮] এনড্রয়েড ৫.০ ললিপপ উন্মুক্ত করা হয়েছিল ১৪ই নভেম্বর ২০১৪ সালে এবং এতে মেটেরিয়াল ডিজাইন সূচনা করা হয়; পরে আরো দুটি ত্রুটি সংশোধন সংস্করন ছাড়া হয় (৫.০.১ এবং ৫.০.২)। [৪৯]

২০১৪ সালে গুগল এনড্রয়েড ওয়ান ছাড়ে যা একটি স্মার্টফোনের মানসরূপ বৈশিষ্ট্য রাখে। প্রধানত এটি যারা ডেভেলপার তাদের জন্যই ছাড়া হয়। এনড্রয়েড ওয়ানের স্মার্টফোনগুলোতে এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করন রাখা হয় যা মূল সংস্করনের কাছাকাছি।

মার্চ ৩, ২০১৫ (২০১৫-০৩-০৩) মোতাবেক, এনড্রয়েডের নতুন সংস্করন এনড্রয়েড ৫.১ ছাড়া হয়েছে শুধুমাত্র বিশেষ কিছু নির্বাচিত যন্ত্রের জন্য যার মধ্যে এনড্রয়েড ওয়ান, নেক্সাস ৬ ফ্যাবলেট এবং নেক্সাস ৯ ট্যাবলেটও রয়েছে।[৫০]

২০১০ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত হুগো বাররা এনড্রয়েড দলের পক্ষে তাদের পন্যের মুখপাত্র হিসেবে ছিলেন। তিনি এনড্রয়েড প্রতিনিধিত্ব করতেন সংবাদ সম্মেলন এবং গুগল আই/ও, গুগলের বার্ষিক ডেভেলপার-কেন্দ্রিক সংবাদসম্মেলনগুলোতে। তিনি পুরো এনড্রয়েড ইকোসিস্টেম যাতে সফটওয়্যার হার্ডওয়্যার রয়েছে তার পুরোটাই প্রতিবেদন করতেন। যেমন হানিকম্ব, আইস ক্রিম স্যান্ডউইচ, জেলি বিন এবং কিটক্যাট অপারেটিং সিস্টেম যাত্রার সংবাদ সম্মেলন। নেক্সাস ৪ এবং নেক্সাস ৫ স্মার্টফোন, নেক্সাস ৭ [৫১] এবং নেক্সাস ১০ ট্যাবলেটসমূহ।[৫২] এছাড়া আরো গুগল সম্পর্কিত পন্য যেমন গুগল নাও[৫৩] এবং গুগল ভয়েস সার্চ[৫৩] ২০১৩ সালে বাররা এনড্রয়েড দল ছেড়ে চীনা স্মার্টফোন প্রস্তুতকারন শাওমিতে যোগ দেন।[৫৪]

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

ইন্টারফেস[সম্পাদনা]

নটিফিকেশন প্রদর্শনীর উপর প্রান্ত থেকে টেনে দেখা যায়; একক নটিফিকেশন পাশে টেনে খারিজ করা যায়, এবং হয়ত আরো অন্যান্য কার্যাবলির সুবিধা প্রদান করতে পারে (যেমনটা "মিসড কল" নটিফিকেশনে দেখা যাচ্ছে)

এনড্রয়েডের ব্যবহারকারী ইন্টারফেস সরাসরি পরিচালনা করা যায় স্পর্শের মাধ্যমে[৫৫], এছাড়া বিশেষ ধরনের স্পর্ষের ধরন যেমন সুইপিং, ট্যাপিং, পিঞ্চিং ইত্যাদির মাধ্যমে প্রদর্শনীর বিষয়বস্তুকে পরিচালনা করা যায়। আর লেখার জন্য রয়েছে একটি ভার্চুয়াল কি-বোর্ড।[৫৫] ব্যবহারকারী প্রদত্ত ইনপুটের প্রতিক্রিয়া সঙ্গে সঙ্গেই দেখা যায়, যার ফলে মসৃন ও চমৎকার অভিজ্ঞতা লাভ হয় ব্যবহারকারীর। ব্যবহারকারীকে সহায়তার জন্য কম্পনের মাধ্যমে স্পর্ষ বিষয়ে জানানো হয় যাকে হ্যাপটিক ফিডব্যাক বলে। অভ্যন্তরীন হার্ডওয়্যারের বিভিন্ন অংশ যেমন অ্যাকসেলেরোমিটার, জাইরোস্কোপ এবং প্রক্সিমিটি সেন্সর[৫৬] বিভিন্ন এ্যপ আনুষঙ্গিক কাজে ব্যবহারকারীর জন্য এগুলো ব্যবহার করে থাকে। যেমন যন্ত্রটি অনুভূমিক বা উলম্ব থাকলে প্রদর্শনী ঠিক করা, রেস গেম খেলার সময় গাড়ির নিয়ন্ত্রন করা ইত্যাদি।[৫৭]

এপ্লিকেশনসমূহ[সম্পাদনা]

এপ্লিকেশন (এ্যপস), ব্যবহারের মাধ্যমে যন্ত্রের সক্ষমতাকে সম্প্রসারন করা যায়। এ্যপ তৈরি করা হয় জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায়[৫৮] এনড্রয়েড সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট (এসডিকে) ব্যবহার করে। এসডিকের মধ্যে ডেভেলপমেন্টের জন্য সব হাতিয়ার থাকে[৫৯] যেমন একটি ডিবাগার, সফটওয়্যার লাইব্রেরি, একটি হ্যান্ডসেট ইমুলেটর যা কিউইএমইউ ভিত্তিক, দলিলপত্রাদি, নমুনা কোড এবং টিউটোরিয়াল। দাপ্তরিকভাবে সমর্থিত ইন্টিগ্রেডেড ডেভেলপমেন্ট এনভাইরনমেন্ট (আইডিই) হল ইক্লিপস যা এনড্রয়েড ডেভেলপমেন্ট টুলস প্লাগইন সহ ব্যবহৃত হয়। অন্যান্য ডেভেলপমেন্ট হাতিয়ারগুলো হল নেটিভ ডেভেলপমেন্ট কিট এপ্লিকেশনের জন্য অথবা সি বা সি++ এর এক্সটেনশন, গুগল এ্যপ ইনভেন্টর, নবীন প্রোগ্রামারদের জন্য একটি দৃশ্যমান পরিবেশ, এবং আরো অনেক ক্রস প্লাটফর্ম ভিত্তিক মোবাইল ওয়েব এপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্ক। জানুয়ারি ২০১৪ সনে গুগল এ্যপাচি কর্ডোবা ভিত্তিক ফ্রেমওয়ার্ক উন্মুক্ত করে যার মাধ্যমে গুগল ক্রোম এইচটিএমএল ৫ ওয়েব এপ্লিকেশন এনড্রয়েডে আনা যাবে যাতে আবার একটি নেটিভ এপ্লিকেশন শেলও রয়েছে। [৬০]

এনড্রয়েড মার্কেট এনড্রয়েড মার্কেট হল এনড্রয়েড মোবাইলগুলোর সফটওয়্যার বাজার। এনড্রয়েড ফোনগুলোতে আগে থেকেই "মার্কেট" নামে একটি এপ্লিকেশন থাকে যা ব্যবহারকারীদের সফটওয়্যার ব্রাউজ এবং ডাউনলোড করার সুযোগ দেয়। এতে থার্ড পার্টিরাও সফটওয়্যার তৈরী করে এবং মার্কেট সেগুলোর পক্ষে বাজারজাত করে। ২০১০ সালে ডিসেম্বর অনুযায়ী, এনড্রয়েড মার্কেটে গেমস, এপ্লিকেশন এবং উইডগেট মিলিয়ে এপ্লিকেশনের সংখ্যা প্রায় ২,০০,০০০'র বেশি[৬১]। ২০১১ সালের এপ্রিলে গুগল জানায় যে প্রায় ৩ বিলিয়ন এনড্রয়েড এপ্লিকেশন ইন্সটল করা হয়েছে।[৬২] গুগলের ক্লোজ-সোর্সের সাথে খাপ খায় এমন মোবাইলগুলোই শুধু এনড্রয়েড মার্কেট এপ্লিকেশনটি ব্যবহার করতে পারে[৬৩]। মার্কেট ব্যবহারকারীর মোবাইলের সাথে চলবে এমন সফটওয়্যারগুলো প্রকাশ করে। এবং যারা এপ্লিকেশন বানান তারাও কিছু কিছু দেশ বা মহাদেশে তাদের এপ্লিকেশন না চালানোর সিদ্ধান্ত নিলে (ব্যবসায়িক সীমাবদ্ধতার কারনে) এর মাধ্যমে সেটা ঠিক করা হয়।[৬৪] ব্যবহারকারীরা সরাসরি এপ্লিকেশন ইন্সটল করতে পারে এপিকে ফাইল ব্যবহার করে অথবা বিকল্প কোন মার্কেট থেকে। এ্যপলের মত, গুগল তাদের এনড্রয়েড এপ্লিকেশন বাজার ধরে রাখেনি বরং তারা স্বাধীনভাবে এপ্লিকেশন বাজার করতে দিয়েছে অন্যদেরকে।[৬৫]

গুগল এপ্লিকেশন গুগলও এনড্রয়েড মার্কেটে যোগ দিয়েছে তাদের সেবার বিভিন্ন এপ্লিকেশন তৈরী করে। এগুলোর মধ্যে আছে গুগল ভয়েস যেটি গুগল ভয়েস সেবার জন্য তৈরী, তারা দেখার জন্য "স্কাই ম্যাপ", আর্থিক সেবাদির জন্য "ফিন্যান্স", মাইম্যাপ সেবার জন্য ম্যাপ এডিটর, স্থানীয় সেবার জন্য "প্লেসেস ডিরেক্টরি", ছবি দিয়ে খোজার জন্য "গুগল গগলস", ফোনের মধ্যকার বিষয়াদি খোজার জন্য "জেস্টার সার্চ", অনুবাদের জন্য "গুগল ট্রান্সলেট", কেনাকাটার জন্য "গুগল শপার", এছাড়াও "মাই ট্রেকস" এবং "লিসেন ফর পডকাস্টস" তাদের আরো দুটি এপ্লিকেশন। ২০১০ সালের আগষ্টে, গুগল শুরু করে "ভয়েস একশনস ফর এনড্রয়েড" যেটি ব্যবহারকারীদের সার্চ বা খোজা, বার্তা লিখা এবং কল শুরু করার জন্য ভয়েস বা কন্ঠ ব্যবহার করে।

স্মৃতি ব্যবস্থাপনা[সম্পাদনা]

যেহেতু এনড্রয়েড যন্ত্রগুলো ব্যাটারি চালিত, তাই এগুলোর স্মৃতি ব্যবস্থাপনা এমনভাবে করা হয় যাতে কম শক্তি খরচ করেই কাজ সম্পন্ন করা যায়, যা গতানুগতিক ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে করা হয় না কারন ধরে নেয়া হয় ডেস্কটপ সরাসরি বিদ্যুৎ সংযোগে আছে। যখন একটি এ্যপ ব্যবহার করা হয় না সিস্টেম স্বয়ংক্রিয়ভাবে একে স্থগিত রাখে। আর যখন কোন এ্যপকে স্থগিত রাখা হয় তখন এটি কোন শক্তি খরচ করে না (ব্যাটারি বা প্রক্রিয়াকরণ) এবং ব্যকগ্রাউন্ডে থাকে যতক্ষন পর্যন্ত না আবার প্রয়োজন হচ্ছে। এর ফলে দ্বৈত সুবিধা পাওয়া যায় এ্যপটি বন্ধ করতে হয় না (প্রতিবার চালানোর সময় আবার পুনরায় খোলার প্রয়োজন হয় না) এবং এটি কোন শক্তি খরচ করে না। [৬৬][৬৭]

এক নজরে বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

বর্তমানে যেসব বৈশিষ্ট্য আছেঃ [৬৮][৬৯][৭০]

এনড্রয়েডের হোম স্ক্রীন (v১.৫)
এনড্রয়েড সিস্টেমের হার্ডওয়্যার নকশা
হ্যান্ডসেট ডিসপ্লে এটি বড়, ভিজিএ, ২য় মাত্রার গ্রাফিক্স লাইব্রেরী, ৩য় মাত্রার গ্রাফিক্স লাইব্রেরী (ওপেনজিএল ইএস ২.০ উপর ভিত্তি চলে) এবং আগের স্মার্টফোনগুলোর প্রচলিত ডিসপ্লে নকশা সাপোর্ট করে।
সংরক্ষণ এসকিউলিট, একটি ছোট কিন্তু শক্তিশালী রিলেশনাল ডেটাবেজ সিস্টেম, ব্যবহৃত হয় তথ্য জমা রাখার কাজে।
সংযোগ এনড্রয়েড যেসব সংযোগ বা যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রযুক্তি সাপোর্ট করে সেগুলো হল জিএসএম/ইডিজিই, আইডিইএন, সিডিএমএ, ইভি-ডিও, ইউএমটিএস, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই (প্রক্সি সার্ভার দিয়ে কোন সংযোগ নেই[৭১] এবং এড হক ওয়্যারলেস নেটওয়ার্ক নেই[৭২]), এলটিই, এনএফসি এবং ওয়াইম্যাক্স
বার্তা প্রেরণ ব্যবস্থা এসএমএস এবং এমএমএস দুটোই সাপোর্ট করে, যাতে থ্রেড টেক্সট মেসেজিং এবং এখন এনড্রয়েড ক্লাউড টু ডিভাইস মেসেজিং ফ্রেমওয়ার্কও (সি২ডিএম) রয়েছে এবং এটি পুশ মেসেজিং সিস্টেমের একটি অংশ।
একাধিক ভাষা এনড্রয়েড একাধিক ভাষা সাপোর্ট করে। এনড্রয়েড জিন্জারব্রেড ২.৩ তে এর সংখ্যা দ্বিগুন হয়েছে। এনড্রয়েড ফন্ট রেন্ডারিং করতে পারে না অফিসিয়াল ঘোষনা দেয়ার পরেও যেমন হিন্দি ভাষা।
ওয়েব ব্রাউজার এনড্রয়েডে যে ওয়েব ব্রাউজার আছে সেটা মুক্ত ওয়েবকিট ভিত্তিক নকশায় তৈরী, এতে আবার গুগলের ক্রোম ভি৮ জাভাস্ক্রীপ্টও রয়েছে। ব্রাউজারটি ১০০ তে ৯৩ স্কোর করেছে এসিড৩ টেস্ট।
জাভা সাপোর্ট এনড্রয়েডের বেশিরভাগ এপ্লিকেশন লিখা হয়েছে জাভা দিয়ে কিন্তু জাভা ভার্চুয়াল মেশিন প্লাটফর্ম নেই এটাতে এতে করে জাভা বাইট কোড এক্সিকউট করা যায় না। জাভা ক্লাসগুলো ডেলভিক এক্সিকউটেবলে কম্পাইল (রূপান্তর) করে ডেলভিক ভার্চুয়াল মেশিনে চলে। ডেলভিক হল বিশেষ ভার্চুয়াল মেশিন যেটা নকশা করা হয়েছে বিশেষভাবে এনড্রয়েডের জন্য যাতে সেটা ব্যটারির কার্যকরী ব্যবহার নিশ্চিত করে মোবাইল চালাতে পারে। এতে মেমোরি এবং সিপিইউ সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে। জে২এমই ব্যবহার করা যাবে থার্ড পার্টি এপ্লিকেশন ব্যবহার করে।
যেসব মাধ্যম সাপোর্ট করে এনড্রয়েড যেসব অডিও/ভিডিও/স্থির মাধ্যম সাপোর্ট করে তা হলঃ ওয়েবএম, এইচ.২৬৩, এইচ.২৬৪ ( থ্রীজিপি অথবা এমপিফোর কন্টেইনারে), এমপিইজি-৪ এসপি, এএমআর, এএমআর-ডব্লিউবি (থ্রীজিপি কন্টেইনারে), এএসি, এইচই-এএসি (এমপি৪ অথবা থ্রীজিপি কন্টেইনারে), এমপিথ্রী, এমআইডিআই, ওজিজি ভোর্ভিস, এফএলএসি, ডব্লিউএভি, জেপিইজি, পিএনজি, জিআইএফ (যদিও আগের ভার্সনগুলো জিআইএফ সাপোর্ট করত না।[৭৩], BMP.[৭০]
যেসব স্ট্রীম মাধ্যম সাপোর্ট করে আরটিপি/আরটিএসপি স্ট্রীমিং (থ্রীজিপিপি পিএসএস, আইএসএমএ), এইচটিএমএল প্রোগ্রেসিভ ডাউনলোড (এইচটিএমএল৫)। এডোবি ফ্ল্যাশ স্ট্রিমিং (আরটিএমপি) এবং এইচটিটিপি ডাইনামিক স্ট্রিমিং যেটা ফ্ল্যাশ দ্বারা চলে।[৭৪] এ্যপল এইচটিটিপি লাইভ স্ট্রীমিং রিয়েলপ্লেয়ার ফর মোবাইল,[৭৫] এবং অপারেটিং সিস্টেম ৩.০ (হানিকম্ব) দিয়ে সাপোর্ট করে.[৭৬]
বাড়তি হার্ডওয়্যার সাপোর্ট এনড্রয়েড ভিডিও/স্থিরচিত্রের ক্যামেরা, টাচস্ক্রীন, জিপিএস, একসিলেরোমিটার, জাইরোস্কোপ, ম্যাগনেটোমিটার, গেমিং কন্ট্রোল, প্রক্সিমিটি এবং প্রেসার সেন্সর, থার্মোমিটার, একসিলারেটেড ২ডি বিট ব্লিট, এবং একসিলারেটেড ৩ডি গ্রাফিক্স সাপোর্ট করে।
একাধিক-টাচ এনড্রয়েড একাধিক টাচ (একই সময়ে) সাপোর্ট করে। এটি প্রথম যেসব হ্যান্ডসেটে ব্যবহার করা হয় তার একটি হল এইচটিসি হিরো. এই বৈশিষ্ট্যটিকে বন্ধ করে দেয়া হয় কারনেল লেভেল থেকে (সম্ভাবনা হিসেবে মনে করা হয়ে থাকে সেইসময়ে এ্যপলের প্যাটেন্ট করা টাচ-স্ক্রীন প্রযুক্তির বিধান যাতে লঙ্গন না হয় সে কারনে).[৭৭] সম্প্রতি কিছু হ্যান্ডসেটে এটি আবার দেখা যায় যেমন নেক্সাস ওয়ান এবং মটোরোলা ড্রয়েড।[৭৮]
ব্লুটুথ এটি এ২ডিপি, এভিসিআরপি, ওপিপি, পিবিএপি, ভয়েস ডায়ালিং এবং কন্টাক্ট বিনিময়। কিবোর্ড মাউস এবং জয়স্টিক সাপোর্টও দিয়ে থাকে (উৎপাদনকারী যদি দিয়ে থাকে অথবা থার্ড পার্টির কাছ থেকে) এবং এনড্রয়েড ৩.০ (হানিকম্ব) এইচআইডি পুরোপুরি সাপোর্ট দেবে।[৭৬]
ভিডিও কলিং এনড্রয়েড ভিডিও কল সাপোর্ট করে না কিন্তু কিছু হ্যান্ডসেটে যদি কাষ্টমাইড করা অপারেটিং সিস্টেম থাকে তবে সেটা সাপোর্ট করতে পারে। যেমন স্যামস্যাঙ গ্যালাক্সি এস অথবা গুগল টক দিয়ে (এনড্রয়েড ২·৩·৪)
একাধিক কাজ মাল্টিটাস্কিকিংয়ের জন্য বিভিন্ন এপ্লিকেশন রয়েছে।[৭৯]
ভয়েস ভিত্তিক বৈশিষ্ট্য প্রথম থেকেই ভয়েস দিয়ে গুগল সার্চ চালু রয়েছে।[৮০] ভয়েস দিয়ে কল, টেক্সট লেখা, নেভিগেশন করার সুবিধা রয়েছে এনড্রয়েড ২.২ থেকে পরবর্তী ভার্সনগুলোতে [৮১]
তিথারিং এনড্রয়েড তিথারিং সাপোর্ট করে, যা দিয়ে ফোনকে ওয়্যারলেস হটস্পট করা যায়। এনড্রয়েড ২.২'র আগের ভার্সনগুলোতে এটি থার্ড পার্টি সফটওয়্যার দিয়ে সাপোর্ট করা যায়।[৮২]

এনড্রয়েড হার্ডওয়্যার[সম্পাদনা]

এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন স্মার্টফোন, নেটবুক, টেবলেট, গুগল টিভি এবং অন্যান্য যন্ত্রে ব্যবহৃত হয়।[৮৩][৮৪] এনড্রয়েডের মূল প্লাটফর্ম হল এআরএম আর্কিটেকচার। যেখানে এক্স৮৬ সাপোর্ট পাওয়া যায় এনড্রয়েড এক্স৮৬ প্রজেক্ট থেকে[৮৫], এবং গুগল টিভি এনড্রয়েডের এক্স৮৬ ব্যবহার করে। প্রথম বানিজ্যিক এনড্রয়েড ফোন ছিল এইচটিসি ড্রিম, যেটা ২২শে অক্টোবর ২০০৮ সালে বাজারে আসে[৮৬]। ২০১০ সালের শুরুর দিকে আধিপত্য বিস্তারে গুগল এইচটিসির সাথে একসাথে কাজ করে নেক্সাস ওয়ান বাজারে ছাড়ে[৮৭]। এরই ধারায় স্যামস্যাঙ তৈরী করে নেক্সাস এস। একটি জেইলব্রোকেন বা লক ভাঙ্গা আইফোন অথবা আইপড টাচে আইওএস (এ্যপল আইফোন অপারেটিং সিস্টেম) এবং এনড্রয়েড ২·৩·৩ জিন্জারব্রেড একসাথে চলতে পারে দ্বৈত বুটের মাধ্যমে। দ্বৈত বুটের জন্য ওপেনআইবুট এবং আইড্রয়েডের সাহায্য প্রয়োজন।[৮৮][৮৯]

ডেভেলপমেন্ট[সম্পাদনা]

এনড্রয়েড সবুজ অবয়ব, এর আসল মোড়কের পাশে

এনড্রয়েড গুগল তৈরী করে এককভাবে এর উন্নয়ন কাজ শেষ হবার এবং বন্টনের আগে পর্যন্ত (যে সময় এর উৎস কোড জনসাধারনের জন্য উন্মুক্ত করা হয়)[৯০] এই উৎস কোড নির্বাচিত কয়েকটি যন্ত্রে কোন প্রকার পরিবর্তন ছাড়াই চালানো যাবে যা সাধারনত গুগল নেক্সাস ধারার যন্ত্রাংশে হয়। উৎস কোডকে ওইএমগুলো তাদের হার্ডওয়্যারে চালানোর জন্য খাপ খাইয়ে নেয়।[৯১] উৎস কোডে স্বত্তাধিকারী ডিভাইস ড্রাইভার থাকে না যা বিশেষ হার্ডওয়্যারের উপাদানের জন্য হয়ত প্রয়োজন হতে পারে।[৯২]

আপডেট সূচি[সম্পাদনা]

গুগল প্রধান আপডেটগুলো এনড্রয়েডের জন্য ছাড়ে ছয় থেকে নয় মাসের মধ্যে, তাদের বাছাই করা বর্ণমালার অনুক্রমে নামসহ, যা বেশিরভাগ যন্ত্রাংশই ওভার দ্য এয়ার পেয়ে থাকে।[৯৩] বর্তমানের সর্বশেষ সংস্করন হল ললিপপ ৫.০।[৪৯]

লিনাক্স কার্নেল[সম্পাদনা]

এনড্রয়েড কার্নেল লিনাক্স কার্নেলের একটির উপর ভিত্তি করে নির্মিত যার দীর্ঘ সমর্থিত শাখা রয়েছে। ২০১৪ সনের এপ্রিল থেকে এনড্রয়েড যন্ত্রাংশগুলো প্রধানত ৩.৪ অথবা ৩.১০ লিনাক্স কার্নেল সংস্করন ব্যবহার করছে।[৯৪][৯৫] কার্নেল সংস্করন যন্ত্রাংশ এবং হার্ডওয়্যার কি ক্ষমতার তার উপর নির্ভরশীল[৯৬][৯৭][৯৮] এনড্রয়েড ১.০ সংস্করনে ২.৬.২৫ কার্নেল ব্যবহারের পরে কার্নেলের অনেক সংস্করনই ব্যবহার করা হয়[৪০]

সফটওয়্যার[সম্পাদনা]

এনড্রয়েড স্থাপত্যের রেখাচিত্র

লিনাক্স কার্নেলের ছাড়াও আরো মিডলওয়্যার, সফটওয়্যার লাইব্রেরি এবং এপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস (এপিআই) রয়েছে যা সি দিয়ে লিখিত। এছাড়া রয়েছে এপ্লিকেশন সফটওয়্যার যা চলছে এপ্লিকেশন ফ্রেমওয়ার্কে যার মধ্যে আছে জাভা সমর্থিত এ্যপাচি হারমোনি ভিত্তিক লাইব্রেরি। লিনাক্স কার্নেলের ডেভেলপমেন্ট অন্যান্য এনড্রয়েড উৎস কোড থেকে স্বাধীনভাবে হয়ে থাকে। এনড্রয়েড ৫.০ সংস্করনের আগে পর্যন্ত এনড্রয়েড প্রকিয়াকরন ভার্চুয়াল মেশিনের জন্য ডেলভিক জেআইটি কম্পাইলেশন ব্যবহার করত "ডেস্ক-কোড" চালাতে যা সাধারনত জাভা বাইটকোড থেকে ভাষান্তর করা হত। জেআইটি নীতি মেনে ডেলভিক প্রতিবার একটি এ্যপ্লিকেশন চালু হলে কম্পাইলেশন করত।[৯৯][১০০] এনড্রয়েড ৪.৪ সংস্করনে এনড্রয়েড রানটাইম (এআরটি) প্রবর্তন করা হয় নতুন রানটাইম এনভায়রনমেন্ট হিসেবে যা এহেড-অব-টাইম (এওটি) কম্পাইলেশন ব্যবহার করে বাইটকোড কম্পাইল করার জন্য। এনড্রয়েড ৪.৪ সংস্করনে এআরটি ছিল একটি পরীক্ষামূলক বৈশিষ্ট্য এবং আগে থেকেই সচল করা ছিল না। এনড্রয়েড ৫.০ সংস্করনে এটিকে একমাত্র রানটাইম হিসেবে রাখা হয়েছে।[১০১]

মুক্ত উৎস সম্প্রদায়[সম্পাদনা]

এনড্রয়েডের সচল ডেভেলপার এবং উৎসাহপ্রদানকারী সম্প্রদায় রয়েছে যারা "এনড্রয়েড ওপেন সোর্স প্রজেক্ট" বা এওএসপি উৎস কোড ব্যবহার করে তাদের নিজস্ব পরিবর্তিত এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম উন্নয়ন এবং বন্টনের উদ্দেশ্যে।[১০২] এই সম্প্রদায়ের তৈরি করা নতুন সংস্করনগুলোতে নতুন বৈশিষ্ট্য এবং আপডেট আনা হয় মোবাইল অপারেটর বা প্রস্তুতকারকদের তুলনায় অনেক দ্রুত।[১০৩] এছাড়া যেসব যন্ত্রাংশে আপডেট দেয়া হয় না বা আর দেয়া হবে না ঘোষনা করা হয়েছে সেইসব যন্ত্রাংশের জন্যও পরিবর্তিত অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করে। এমনকি যেসব যন্ত্রাংশে অন্য অপারেটিং সিস্টেম আছে তাতেও এনড্রয়েড নিয়ে এসেছে যেমন এইচপি টাচপ্যাড। তৈরী করা অপারেটিং সিস্টেমগুলো আগে থেকেই রুট করা থাকে এবং বিভিন্ন পরিবর্তন করা হয় যা প্রকৌশলবিদ নয় এমন ব্যক্তিরা করতে পারবে না যেমন প্রসেসর ওভারক্লকিং অথবা প্রসেসর ওভারভোল্ট/আন্ডারভোল্ট করা।[১০৪] সায়ানোজেনমড হল বহুল ব্যবহৃত এধরনের একটি ফার্মওয়্যার[১০৫] এবং অন্যান্য পরিবর্তিত অপারেটিং সিস্টেম প্রস্তুতকারকদের অপারেটিং সিস্টেম তৈরীর ভিত্তি।

সংস্করন ডেভেলপমেন্ট ইতিহাস[সম্পাদনা]

এন্ড্রয়েডের আসল ভার্সনের প্রকাশের পূর্বে বেশ কিছু আপডেট দেখা যায়। এইসব আপডেটগুলো মূল অপারেটিং সিস্টেমে চলার আগে পরিক্ষামূলক দেখা হচ্ছিল। যেখানে বিভিন্ন বাগ (সফটওয়্যারের ভুল) ঠিক করা হয় এবং নতুন ফিচার যোগ করা হয়। সাধারণত, নতুন প্রত্যেকটি ভার্সনের কোড নাম থাকে এর উল্লেখ্যযোগ্য পরিবর্তন এবং বাগ ঠিক করার উপর। আগের আপডেটগুলোর মধ্যে আছে কাপকেক এবং ডোনাট। কোড নামগুলো আবার বর্ণানুক্রিমভাবে সাজানো যেমন কাপকেক, ডোনাট, এক্লিয়ার, ফ্রোয়ো, জিন্জারব্রেড, হানিকম্ব এবং আসছে আইস ক্রিম স্যান্ডউইচ

সাম্প্রতিক কিছু ভার্সনের ইতিহাস:

  • ২.০/২.১ (এক্লিয়ার) যেটাতে নতুন ধরনের ইউজার ইন্টাফেস, এইচটিএমএল৫ এবং এক্সচেন্জ একটিভসিনক্রনাইজেশন ২.৫ আছে।[১০৬]
  • ২.৩ (জিন্জারব্রেড), ইউজার ইন্টারফেস আরো উন্নত, সফট কিবোর্ড উন্নতি এবং কপি পেষ্ট করার সুবিধা এবং নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশনের সুবিধা।[১০৮]
  • ৩.০/৩.১ (হানিকম্ব),ট্যাবলেট ভিত্তিক[১০৯][১১০][১১১] যেটা বড় পর্দার মোবাইলগুলো সাপোর্ট করে, নতুন বুদ্ধিদীপ্ত ইউজার ইন্টারফেস সুবিধা, মাল্টিকোর প্রসেসর সুবিধা, হার্ডওয়্যার গ্রাফিক্স একসিলারেশন সুবিধা প্রভৃতি[৭৬]। হানিকম্বের এসডিকে ছাড়া হয়েছে এবং এই অপারেটিং সিস্টেমের প্রথম মোবাইল মটোরোলা এক্সউম বাজারে ছাড়া হয় ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে[১১২]। গুগল এই ভার্সনের সোর্স কোড ছাড়েনি। এতে করে মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠে[১১৩]। এন্ডি রুবিন বলেন যে যখন এটি উপযোগী হবে তখন ছাড়া হবে। দেরির কারণ হিসেবে তিনি আরো বলেন(গুগলের একটি অফিসিয়াল ব্লগে), মটোরোলার এক্সউম খুব তাড়াতাড়িই ছেড়ে দেয়া হয়েছে[১১৪]। শেষে হানিকম্বের সোর্স কোড পরে ছাড়া হবে বলে নিশ্চিত করে গুগল সাথে এও বলা হয় যে জিন্জারব্রেড এবং আইস ক্রিম স্যান্ডউইচের সাথে সমন্বয় করে এটা ছাড়া হবে[১১৫] । হানিকম্বের ৩.১ আপডেট ছাড়া হয় ১০ই মে, ২০১১ সালে।[১১৬]
  • আইস ক্রিম স্যান্ডউইচ (এখনো ছাড়া হয়নি)[১১৭], এটি জিন্জারব্রেড এবং হানিকম্বের সমন্বয়ে তৈরী একটি অপারেটিং সিস্টেম যাকে কোহেসিভ হোল (cohesive whole) বলা হচ্ছে। ২০১১ সালের ১০ই মে ঘোষনা করা হয় এটি ২০১১ সালের চতুর্থ কোয়ার্টারে ছাড়া হবে।[১১৮]

সফটওয়্যার উন্নয়ন[সম্পাদনা]

এপ্লিকেশনগুলো সাধারণত তৈরী করা হয় জাভা ভাষায়, এনড্রয়েড সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট কিট ব্যবহার করে। কিন্তু অন্যান্য আরো টুলস যেমন নেটিভ ডেভেলপমেন্ট কিট এবং গুগল এপ ইনভেন্টরও ব্যবহার করা হয়।

নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা[সম্পাদনা]

"অনুমতি" ব্যবস্থা ব্যবহার করে বিশেষ এ্যপের সিস্টেম কার্যাবলি নিয়ন্ত্রের অধিকার যাচাই করা হয়।

এনড্রয়েড এ্যপ চলে স্যান্ডবক্সে, যার মানে হল সিস্টেমের এমন এক অংশ যা অন্যান্য মূল অংশের প্রবেশাধিকার বিহিন যদি না তাকে প্রবেশের অধিকার দেয়া হয় (অনুমতি বা পারমিশনের মাধ্যমে)। এই অনুমতি এ্যপ ইনস্টল করার সময় ব্যবহারকারীর সম্মতির মাধ্যমে নেয়া হয়। একটি এ্যপ ইনস্টল হওয়ার পূর্বে গুগল প্লে স্টোর সকল অনুমতি দেখায় যা এ্যপটি ব্যবহার করতে পারে। যেমন একটি গেমের হয়ত ভাইব্রেশন সুবিধাটি ব্যবহার করার প্রয়োজন হতে পারে বা ডাটা সংরক্ষন করা বা ইন্টারনেট সংযোগ নেয়ার ইত্যাদি কিন্তু এটি ফোনবুক বা এসএমএস পড়ার নিশ্চয় কোন প্রয়োজন নেই। [১১৯] স্যান্ডবক্সিং সিস্টেম এবং অনুমতি ব্যবস্থা সিস্টেমকে বিভিন্ন প্রকার আক্রমন্যতা ও এ্যপ ত্রুটির হাত থেকে রক্ষা করে কিন্তু অনেক সময় এ্যপ প্রস্তুতকারীর অজ্ঞতার ফলে দ্বিধা ও জটিলতার সৃষ্টি করে ফলে এ্যপের প্রায়ই অনুমতি নেয়ার প্রয়োজন হয় যা কার্যকারিতা হ্রাসের কারন।[১২০] গুগল একটি আপডেটের মাধ্যমে এনড্রয়েড এ্যপ পরীক্ষন ব্যবস্থা বৈশিষ্ট্যটি দিয়েছে যা ব্যাকগ্রাউন্ডে চলে এবং কোন প্রকার ম্যালিশিয়াস প্রক্রিয়াকে ধরতে পারে। [১২১]

অনুমতিপত্র[সম্পাদনা]

এনড্রয়েড পাওয়া যেত ওপেন সোর্স লাইসেন্সের আওতায় ২১শে অক্টোবর ২০০৮ সাল পযর্ন্ত। এরপর গুগল তাদের পুরো সোর্স কোড[১২২] ছাড়ে এপ্যাচি লাইসেন্সের আওতায়[১২৩] । গুগল তাদের প্রকাশিত কোডগুলোকে উন্মুক্ত করে সবার দেখার এবং মন্তব্য করার সুযোগ দেয়।[১২৪] যদিও সফওয়্যারটি উন্মুক্ত, তবুও মোবাইল প্রস্ততকারকরা এনড্রয়েড ব্যবহার করতে পারবে না কারণ গুগলের ট্রেডমার্ক করা অপারেটিং সিস্টেমের কপি গুগল সার্টিফিকেট প্রদান করার আগ পযর্ন্ত কেউ ব্যবহার করতে পারবে না।[১২৫]

অভ্যর্থনা[সম্পাদনা]

এসুসের ইপিসি নেটবুকে এনড্রয়েড-এক্স৮৬ চলছে; এনড্রয়েড অনানুষ্ঠানিকভাবে পিসিতে চালানোর উপযোগী ডেস্কটপ সংস্করন করে বানানো হয়

এনড্রয়েড যখন ২০০৭ সালে উন্মুক্ত হয় তখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া পায়। বিশ্লেষকরা প্রতিষ্ঠিত প্রযুক্তি কোম্পানি একত্রিত হওয়াকে যদিও ভাল চোখে দেখছিলেন তবুও মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারকরা নতুন অপারেটিং সিস্টেম তাদের মোবাইলে চালু করবে কিনা তা নিয়ে দ্বিধানিত হয়। [১২৬] মুক্ত উৎস এবং লিনাক্স ভিত্তিক ধারনাটি বেশ আগ্রহের জন্ম দেয়,[১২৭] কিন্তু এর সাথে সাথে অন্য চিন্তার বিষয় ছিল যে, এনড্রয়েড কঠিন প্রতিযোগীতার মুখোমুখি হবে অন্যান্য স্মার্টফোন প্রস্তুতকারদের কাছ থেকে যেমন নকিয়া, মাইক্রোসফট এবং অন্যান্য লিনাক্স ভিত্তিক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম প্রস্তুতকারক ইত্যাদি।[১২৮] এই সব প্রতিষ্ঠিত খেলোয়াড়রা ছিল সন্দিগ্ধচিত্ত: নকিয়া বলে "আমরা একে হুমকি হিসেবে দেখছি না",[১২৯] এবং মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ মোবাইল দলের একজন সদস্য জানায় "আমি তাদের বাজারে আসার প্রভাব বুঝতে পারছি না"[১২৯]

বাজারজাতকরণ[সম্পাদনা]

এনড্রয়েড লোগোটি নকশা করা হয় ড্রয়েড ফন্ট তৈরী করার সময় এসচেন্ডার কর্পোরেশন কতৃক।[১৩০] সবুজ রংটি এনড্রয়েড রোবটকে নির্দেশ করছে যা এনড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম। এর প্রিন্ট রং হল পিএমএস ৩৭৬সি এবং আরজিবি রং হেক্সাডেসিমেলে #A4C639, যেটি গুগলের ব্রান্ড গাইডলাইনে বলা আছে।[১৩১] এটির ভিন্ন ব্যবহারের সময় এটিকে নোরাড বলা হয়। এটি শুধু মাত্র টেক্সট বা লেখার লোগোতে ব্যবহার করা হয়।[১৩২]

বাজারের অংশ[সম্পাদনা]

গবেষনা কোম্পানী "ক্যনালিস" হিসাব করে যে ২০০৯ সালে কোয়ার্টার দুইয়ে এনড্রয়েড বিশ্ব স্মার্টফোন বাজারের ২.৮% অংশ আছে[১৩৩]। ২০১০ সালে কোয়ার্টার চারে পুরো বাজারে তা দাড়ায় ৩৩%, যেটা শীর্ষ স্মার্টফোন বিক্রেতায় পরিণত করে তাদের।[১৬] ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে, "কমস্কোর" বলে যে এনড্রয়েড স্মার্টফোন ইউএস বাজরের ৯% দখল করেছে (তখনকার মোবাইল ফোন সাবস্ক্রাইবারদের হিসাব করে)। এটি ২০০৯ সালের নভেম্বরে ছিল ৫·২%[১৩৪]। ২০১০ সালের কোয়ার্টার তিনের শেষের দিকে এটি দাড়ায় ২১·৪% এ।[১৩৫]

২০১০ সালের মে মাসে, ইউএসে এনড্রয়েডের প্রথম কোয়ার্টার বিক্রয়ে প্রতিদ্বন্ধি কোম্পানি আইফোনকে অতিক্রম করে। এনপিডি গ্রুপের একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, এনড্রয়েড ২৫% বাজার অজর্ন করেছে ইউএসে, যেখানে প্রায় ৮% ই ছিল ডিসেম্বরের কোয়াটারে। দ্বিতীয় কোয়াটারে, এ্যপলের আইফোন অপারেটিং সিস্টেম ১১% বেড়ে যায় এতে বুঝা যায় যে এনড্রয়েড আসলে আরআইএমের (ব্ল্যাকবেরি মোবাইল প্রস্তুতকারক) কাছ থেকেই বাজার দখল করছিল এবং তাদেরকে এখনো প্রচুর প্রতিযোগিতা করতে হবে বিভিন্ন সেবাদাতাদের নতুন নতুন সেবার বিরুদ্ধে এবং ভোক্তাদের চাহিদা পূরণ করেতে[১৩৬]। বিশ্লেষকরা আরো বলেন যে, এনড্রয়েডের একটি সুবিধা হল এটি মাল্টি-চ্যানেল, মাল্টি-ক্যারিয়ার ওএস, যেটা তাদেরকে মাইক্রোসফটের উইন্ডোজ মোবাইলের মত সাফল্য পেতে সহায়তা করবে।[১৩৭] ২০১১ সালের মে মাসে গুগল বলে যে, প্রতিদিনই ৪,০০,০০০ নতুন এনড্রয়েড মোবাইল সচল হচ্ছে যেখানে সেটি প্রতিদিন ১,০০,০০০ ছিল ২০১০ সালের মে'তে এবং প্রায় ১০০ মিলিয়ন মোবাইল সচল করা হয়েছে।[১৮][১৩৮]

ট্যাবলেট[সম্পাদনা]

স্মার্টফোনে সফলতার পথ ধরে ট্যাবলেটেও এটি ব্যবহার শুরু হয় কিন্তু তা ছিল ধীর গতির।[১৩৯] এর একটি কারন ছিল ট্যাবলেটের জন্য ভাল মানের এ্যপ না থাকা, আবার ডেভেলপাররা ট্যাবলেটের ভাল বাজার না থাকায় ভাল এ্যপ তৈরিতে উৎসাহ পাচ্ছিলেন না এমন পরিস্থিতি। [১৪০][১৪১] ট্যাবলেটের বেলায় হার্ডওয়্যারের ধরনের থেকে কি এ্যপ থাকবে এবং এর মধ্যকার জিনিসপত্রই বেশি গুরুত্বপূর্ন হয়ে দেখা দেয় ট্যাবলেট বিক্রয়ের বেলায়। ট্যাবলেট ভিত্তিক এ্যপের অভাবে স্মার্টফোনের জন্য তৈরী করা এ্যপ দিয়েই ট্যাবলেটের বড় পর্দায় চালানো হত, যেখানে অ্যাপলের আইপ্যাড যন্ত্রের জন্য ট্যাবলেট ভিত্তিক আইওএস এ্যপ পাওয়া যেত।[১৪১][১৪২]

সংস্করনের ব্যবহার [১][সম্পাদনা]



Circle frame.svg
  ললিপপ (৩.৩%)
  কিটক্যাট (৪০.৯%)
  জেলি বিন (৪২.৬%)
  আইস ক্রিম স্যান্ডউইচ (৫.৯%)
  জিঞ্জারব্রেড (৬.৯%)
  ফ্রোয়ো (০.৪%)

এই অংশের চিত্রে এনড্রয়েডের বিভিন্ন সংস্করনের ব্যবহার দেখানো হয়েছে প্লে স্টোরে বিভিন্ন স্মার্টফোন, ট্যাবলেট ও অন্যান্য যন্ত্রাংশ থেকে প্রবেশ (সাইন ইন) করার উপর ভিত্তি করে। এটি ৭ দিনের গনণার উপর ভিত্তি করে যা মার্চ ২, ২০১৫ সনে শেষ করা হয়েছে।[lower-alpha ২] তাই এই সমীক্ষায় এনড্রয়েড ফোর্ক (সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট) তা গননা হয় নি কারন এগুলো গুগল প্লেতে প্রবেশ করে না।

ভার্সন কোড নাম মুক্তির তারিখ এপিআই লেভেল বন্টন
৫.১.x ললিপপ এমআর ১ 02015-03-09মার্চ ৯, ২০১৫ ২২ পাওয়া যায়নি
৫.০.০–৫.০.২ ললিপপ 02014-11-03নভেম্বর ৩, ২০১৪ ২১ ৩.৩%
৪.৪.০–৪.৪.৪ কিটক্যাট 02013-10-31অক্টোবর ৩১, ২০১৩ ১৯ ৪০.৯%
৪.৩.x জেলি বিন 02013-07-24জুলাই ২৪, ২০১৩ ১৮ ৫.৯%
৪.২.x 02012-11-13নভেম্বর ১৩, ২০১২ ১৭ ১৯.৪%
৪.১.x 02012-07-09জুলাই ৯, ২০১২ ১৬ ১৭.৩%
৪.০.৩–৪.০.৪ আইস ক্রিম স্যান্ডউইচ 02011-12-16ডিসেম্বর ১৬, ২০১১ ১৫ ৫.৯%
২.৩.৩–২.৩.৭ জিঞ্জারব্রেড 02011-02-09ফেব্রুয়ারি ৯, ২০১১ ৬.৯%
২.২ ফ্রয়ো 02010-05-20মে ২০, ২০১০ ০.৪%

"ইক্লেয়ার ১.৬" এবং "কাপকেক ১.৫" নামে আরো দুটি সংস্কারন রয়েছে। যা বর্তমানে খুব একটা ব্যবহার হয় না বললেই চলে। এছাড়া আরো দুটি ভার্সন অভ্যন্তরীনভাবে ছাড়া হয়েছিল এরা "এসট্রো" এবং "বেন্ডার" নামে পরিচিত। এই নামগুলোও বর্নানুক্রমিক।[১৪৩]

প্রদর্শনীর আকার এবং ঘনত্ব[১][সম্পাদনা]




Circle frame.svg
  ছোট (৪২৬×৩২০+) (৪.৬%)
  সাধারন (৪৭০×৩২০+) (৮১.৯%)
  বড় (৬৪০×৪৮০+) (৯.১%)
  এক্সবড় (৯৬০×৭২০+) (৪.৪%)



Circle frame.svg
  এলডিপিআই (~১২০ডিপিআই) (৫.১%)
  এমডিপিআই (~১৬০ডিপিআই) (১৭.০%)
  টিভিডিপিআই (~২১৩ডিপিআই) (২.৪%)
  এইচডিপিআই (~২৪০ডিপিআই) (৩৯.৬%)
  এক্সএইচডিপিআই (~৩২০ডিপিআই) (২০.১%)
  এক্সএক্সএইচডিপিআই (~৪৮০ডিপিআই) (১৫.৮%)

৭ দিনের তথ্য বিন্যাস দেখানো হয়েছে যা মার্চ ২, ২০১৫ তারিখে শেষ হয়েছে। ০.১% কম প্রদর্শনী গনণা হয়নি।

এলডিপিআই এমডিপিআই টিভিডিপিআই এইচডিপিআই এক্সএইচডিপিআই এক্সএক্সএইচডিপিআই মোট
ছোট ৪.৬% ৪.৬%
সাধারন ৮.৪% ০.১% ৩৮.৭% ১৮.৯% ১৫.৪% ৮১.৯%
বড় 0.৫% ৫.১% ২.৩% ০.৬% ০.৬% ৯.১%
এক্সবড় ৩.৫% ০.৩% ০.৬% ৪.৪%
মোট ৫.১% ১৭.০% ২.৪% ৩৯.৬% ২০.১% ১৫.৮%

এপ্লিকেশনের বেআইনী প্রকাশ[সম্পাদনা]

সাধারনভাবে অর্থ দিয়ে ক্রয়কৃত এপ্লিকেশন সহজেই বেআইনিভাবে প্রকাশ করা যায়।[১৪৪] ২০১২ সনের মে মাসে ইউরোগেমার (ফুটবল ম্যানেজারের প্রস্তুতকারক) বলে বেআইনিভাবে খেলোয়াড় এবং সত্যিকারের খেলোয়াড়ের অনুপাত ৯:১।[১৪৫] কিন্তু সব সময়ই এই অভিযোগ সত্য নয়, যেমন ২০১২ সনের জুলাই মাসে গেম প্রস্তুতকারক উইন্ড-আপ নাইট জানায় তাদের গেমে বেআইনি ব্যবহারের পরিমান ছিল মাত্র ১২ ভাগ, যার মধ্যে বেশির ভাগই চীনের ব্যবহারকারী যারা গুগল প্লে'র মাধ্যেম এ্যপ ক্রয় করতে পারেন না।[১৪৬]

আইনগত সমস্যা[সম্পাদনা]

এনড্রয়েড এবং এনড্রয়েড ফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান উভয়ই বিভিন্ন সময় অনেক প্যাটেন্টজনিত মামলা মোকদ্দমায় জড়িত ছিল। ১২ই আগষ্ট, ২০১০ সালে ওরাকল গুগলের বিরুদ্ধে মামলা করে এই দাবি নিয়ে যে গুগল জাভা প্রোগ্রামিং ভাষার কপিরাইট ও প্যাটেন্ট লঙ্ঘন করেছে। ওরাকল এই ক্ষতির পরিমান ধরে ৬.১ বিলিয়ন ডলার, কিন্তু এই পরিমানটি ইউনাইটেড স্টেটের ফেডারেল বিচারক নাকচ করে দেন এবং ওরাকলকে পুনরায় ক্ষতির পরিমান নির্ধারন করতে বলেন। মামলার প্রতিক্রিয়া সরূপ গুগল বিভিন্ন ধরনের আত্মরক্ষার পদক্ষেপ নেয়, যার মধ্যে ছিল ওরাকলের প্যাটেন্ট খুত ধরাসহ অন্যান্য বিষয়াদি। তারা বলে যে এনড্রয়েড এ্যাপাচি হারমোনির ভিত্তিক যা একটি পরিষ্কার জাভা শ্রেণী লাইব্রেরির প্রয়োগ এবং একটি স্বাধীনভাবে নির্মিত ভার্চুয়াল মেশিন যাকে ডেলভিক বলা হয়। ২০১২ সনের মে মাসে জুরিরা রায় দেন গুগল ওরাকলের প্যাটেন্ট ভাঙ্গে নি এবং ট্রায়াল বিচারক রায় দেন জাভার যে এপিআই গুগল ব্যবহার করেছে তা কপিরাইট করা সম্ভব নয়। উভয় পক্ষই কোডের কপির জন্য স্বল্প পরিমান ক্ষতিপূরনে সম্মত হয়। ২০১৪ সনের ৯ই মে ফেডারেল সার্কিট রায় আংশিক পরিবর্তন করেন। ওরাকলের পক্ষে যায় কপিরাইট সক্ষম সমস্যাটি এবং জেলা কোর্টের কাছে ফেয়ার ইউজের সমস্যার রিমান্ড করতে দেয়।

স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট ব্যতিত ব্যবহার[সম্পাদনা]

ওইয়া, একটি ভিডিও গেম কনসোল যা এনড্রয়েড চালাতে সক্ষম
Google TV Home Screen

এনড্রয়েডের খোলামেলা এবং পরিবর্তনযোগ্যতার কারনে এটিকে অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিতে স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট ছাড়াও ব্যবহার করা সম্ভব হয়েছে যার মধ্যে রয়ে ল্যাপটপ, নেটবুক, স্মার্টবুক,[১৪৭] স্মার্ট টিভি, (এনড্রয়েড টিভি), গুগল টিভি এবং ক্যামেরাতে ( যেমন গ্যালাক্সি ক্যামেরা)।[১৪৮] এছাড়াও গুগল গ্লাস নামক গুগলের স্মার্ট গ্লাসে, স্মার্টওয়াচে,[১৪৯] হেডফোনে,[১৫০] গাড়ির সিডি ডিভিডি প্লেয়ার,[১৫১] আয়না[১৫২], ইবুক রিডার[১৫৩], বহনযোগ্য মিডিয়া প্লেয়ার[১৫৪], ল্যান্ডলাইন[১৫৫], এবং ভয়েস ওভার আইপি ফোন[১৫৬] ইত্যাদিতে এনড্রয়েডের ব্যবহার দেখা গেছে। ওইয়া (ইংরেজি: Ouya) একটি ভিডিও গেম কনসোল যা এনড্রয়েড দ্বারা চালিত হয়। এটি সবচেয়ে সফলভাবে শুরু করা প্রচারঅভিযান যার ফলে এর পক্ষে ৮.৫ মিলিয়ন ডলার এর তৈরীতে জোগাড় করা সম্ভব হয়।[১৫৭][১৫৮] পরবর্তীতে অন্যান্য এনড্রয়েড ভিত্তিক কনসোল প্রস্তুতকারক এটিকে অনুসরন করে যেমন এনভিডিয়া শিল্ড পোর্টেবল (ভিডিও গেম নিয়ন্ত্রনকারী এনড্রয়েড যন্ত্র)।[১৫৯]

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

পাদ টীকা[সম্পাদনা]

  1. Official 64-bit support was added for all platforms starting with Android 5.0 "Lollipop".
  2. Versions accounting for less than 0.1% are not included.

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ "Android Developers: Dashboards"android.com। March 2, 2015। সংগৃহীত March 2, 2015 
  2. "Android Code Analysis"। সংগৃহীত June 6, 2012 
  3. ৩.০ ৩.১ "The Android Source Code: Governance Philosophy"source.android.com। December 17, 2014। সংগৃহীত January 25, 2015 
  4. "Google’s iron grip on Android: Controlling open source by any means necessary"Ars Technica। সংগৃহীত December 8, 2013 
  5. "Announcing the Android 1.0 SDK, release 1"। September 9, 2008। সংগৃহীত September 21, 2012 
  6. "MIPS gets sweet with Honeycomb"। Eetimes.com। সংগৃহীত 2012-02-20 
  7. android/platform/bionic/
  8. android/platform/system/core/sh/
  9. android/platform/system/core/toolbox/
  10. "Licenses"Android Open Source Project.। Open Handset Alliance। সংগৃহীত 2012-09-09। "The preferred license for the Android Open Source Project is the Apache Software License, 2.0. ... Why Apache Software License? ... For userspace (that is, non-kernel) software, we do in fact prefer ASL2.0 (and similar licenses like BSD, MIT, etc.) over other licenses such as LGPL. Android is about freedom and choice. The purpose of Android is promote openness in the mobile world, but we don't believe it's possible to predict or dictate all the uses to which people will want to put our software. So, while we encourage everyone to make devices that are open and modifiable, we don't believe it is our place to force them to do so. Using LGPL libraries would often force them to do so." 
  11. "Google Projects for Android"code.google.com। Google Inc। 2011। আসল থেকে 2011-02-23-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত 2011-02-23 
  12. "Google Buys Android for Its Mobile Arsenal"। Businessweek.com। 2005-08-17। সংগৃহীত 2010-10-29 
  13. ১৩.০ ১৩.১ ১৩.২ "Industry Leaders Announce Open Platform for Mobile Devices" (Press release)। Open Handset Alliance। 2007-11-05। সংগৃহীত 2007-11-05 
  14. "Open Handset Alliance - FAQ" (Press release)। Open Handset Alliance। সংগৃহীত 2010-11-15 
  15. "About the Android Open Source Project"। সংগৃহীত 2010-11-15 
  16. ১৬.০ ১৬.১ Tarmo Virki and Sinead Carew (2011-01-31)। "Google topples Symbian from smartphones top spot"Reuters। সংগৃহীত 1 February 2011 
  17. "Google's Android becomes the world's leading smart phone platform (Canalys research release: r2011013)"Canalys। 31 January 2011। সংগৃহীত 1 February 2011 
  18. ১৮.০ ১৮.১ Barra, Hugo (10 May 2011)। "Android: momentum, mobile and more at Google I/O"The Official Google Blog। সংগৃহীত 10 May 2011 
  19. "Android Stats"। 3 Mar 2011। সংগৃহীত 3 March 2011 
  20. Shankland, Stephen (12 November 2007)। "Google's Android parts ways with Java industry group"CNET News 
  21. "Open Handset Alliance"। Open Handset Alliance। সংগৃহীত 2010-06-10 
  22. Jackson, Rob (10 December 2008)। "Sony Ericsson, HTC Androids Set For Summer 2009"Android Phone Fans। সংগৃহীত 2009-09-03 
  23. "Android Overview"। Open Handset Alliance। সংগৃহীত 2008-09-23 
  24. "Open Core"। সংগৃহীত 2010-06-03 
  25. Gubatron.com (23 May 2010)। "How many lines of code does it take to create the Android OS?"। সংগৃহীত 2010-06-03 
  26. Markoff, John (2007-11-04)। "I, Robot: The Man Behind the Google Phone"। The New York Times। সংগৃহীত 2008-10-14 
  27. ২৭.০ ২৭.১ Kirsner, Scott (2007-09-02)। "Introducing the Google Phone"The Boston Globe। সংগৃহীত 2008-10-24 
  28. "T-Mobile Brings Unlimited Multiplayer Gaming to US Market with First Launch of Nokia N-Gage Game Deck" (Press release)। Nokia। 23 September 2003। সংগৃহীত 2009-04-05 
  29. Elgin, Ben (17 August 2005)। "Google Buys Android for Its Mobile Arsenal"BusinessWeek। সংগৃহীত 2009-04-23 
  30. Chris Welch (April 16, 2013)। "Before it took over smartphones, Android was originally destined for cameras"। The Verge। সংগৃহীত May 1, 2013 
  31. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; AndroidInc নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  32. Vance, Ashlee (July 27, 2011)। "Steve Perlman's Wireless Fix"Bloomberg Businessweek। Bloomberg। সংগৃহীত November 3, 2012 
  33. Block, Ryan (2007-08-28)। "Google is working on a mobile OS, and it's due out shortly"Engadget। সংগৃহীত 2007-11-06 
  34. Sharma, Amol; Delaney, Kevin J. (2007-08-02)। "Google Pushes Tailored Phones To Win Lucrative Ad Market"The Wall Street Journal। সংগৃহীত 2007-11-06 
  35. "Google admits to mobile phone plan"directtraffic.org। Google News। 2007-03-20। সংগৃহীত 2007-11-06 
  36. McKay, Martha (21 December 2006)। "Can iPhone become your phone?; Linksys introduces versatile line for cordless service"। The Record। পৃ: L9। "And don't hold your breath, but the same cell phone-obsessed tech watchers say it won't be long before Google jumps headfirst into the phone biz. Phone, anyone?" 
  37. Ackerman, Elise (2007-08-30)। "Blogosphere Aflutter With Linux-Based phone Rumors"Linux Insider। সংগৃহীত 2007-11-07 
  38. Claburn, Thomas (2007-09-19)। "Google's Secret Patent Portfolio Predicts gPhone"InformationWeek। সংগৃহীত 2007-11-06 
  39. Pearce, James Quintana (2007-09-20)। "Google's Strong Mobile-Related Patent Portfolio"mocoNews.net। সংগৃহীত 2007-11-07 
  40. ৪০.০ ৪০.১ "Android Kernel Versions"elinux.org। July 7, 2011। সংগৃহীত November 3, 2013 
  41. Mark Wilson (September 23, 2008)। "T-Mobile G1: Full Details of the HTC Dream Android Phone"। gizmodo.com। সংগৃহীত December 27, 2013 
  42. Martinez, Jennifer (2008-12-10)। "CORRECTED — UPDATE 2-More mobile phone makers back Google's Android"Reuters (Thomson Reuters)। সংগৃহীত 2008-12-13 
  43. Kharif, Olga (2008-12-09)। "Google's Android Gains More Powerful Followers"BusinessWeekMcGraw-Hill। সংগৃহীত 2008-12-13 
  44. Richard Wray (March 14, 2010)। "Google forced to delay British launch of Nexus phone"। London: guardian.co.uk। সংগৃহীত February 17, 2012 
  45. Charles Arthur (March 13, 2013)। "Andy Rubin moved from Android to take on 'moonshots' at Google | Technology | guardian.co.uk"। London: Guardian। সংগৃহীত March 14, 2013 
  46. Page, Larry। "Official Blog: Update from the CEO"। Googleblog.blogspot.co.uk। সংগৃহীত March 14, 2013 
  47. "Google details Android 4.4 KitKat, its latest mobile upgrade"। techradar.com। October 31, 2013। সংগৃহীত November 5, 2013 
  48. "KitKat mocks Apple with Android 4.4 parody video"The Verge। সংগৃহীত September 4, 2013 
  49. ৪৯.০ ৪৯.১ Danny Choi (November 14, 2014)। "Android 5.0 Release Date: Lollipop For Samsung Galaxy Available By January 2015"। Latin Times। সংগৃহীত November 15, 2014 
  50. Android 5.1: Unwrapping a new Lollipop update
  51. "Google Unveils a New, Nicer, Pricier Nexus 7 Tablet"Time 
  52. "Hugo Barra: where are the Android tablets of HTC One-like quality?"Android Authority 
  53. ৫৩.০ ৫৩.১ "Android Director: ‘We Have the Most Accurate, Conversational, Synthesized Voice in the World’"Wired 
  54. "Xiaomi co-founder on why ex-Google exec Barra and its own firmware are key to international success"The Next Web 
  55. ৫৫.০ ৫৫.১ "Touch Devices | Android Open Source"। Source.android.com। সংগৃহীত September 15, 2012 
  56. "Sensors Overview (Android Developers)"। developer.android.com। সংগৃহীত October 29, 2013 
  57. "Real Racing 2 Speeds Into The Android Market – Leaves Part 1 In The Dust"। Phandroid.com। September 22, 2011। সংগৃহীত September 15, 2012 
  58. "Android Developer Practices" 
  59. "Tools Overview"Android Developers। July 21, 2009। 
  60. Savov, Vlad (January 28, 2014)। "Chrome Apps are coming to iOS and Android"The Verge। সংগৃহীত February 2, 2014 
  61. "Android App Stats"। সংগৃহীত 31 December 2010 
  62. Leena Rao (14 April 2011)। "Google: 3 Billion Android Apps Installed; Downloads Up 50 Percent From Last Quarter"Techcrunch। সংগৃহীত 13 May 2011 
  63. "Android Compatibility"Android Open Source Project। সংগৃহীত 31 December 2010 
  64. "Android Compatibility"Android Developers। সংগৃহীত 31 December 2010 
  65. Ganapati, Priya (June 11, 2010)। "Independent App Stores Take On Google’s Android Market"Wired News। সংগৃহীত 2011-02-02 
  66. "The truth about Android task killers and why you don't need them"। PhoneDog। June 26, 2011। সংগৃহীত October 30, 2012 
  67. Victor Matos (September 9, 2013)। "Lesson 3: Android Application's Life Cycle" (PDF)। grail.cba.csuohio.edu। Cleveland State University। আসল থেকে February 22, 2014-এ আর্কাইভ করা। সংগৃহীত April 15, 2014 
  68. "What is Android?"Android Developers। 21 July 2009। সংগৃহীত 2009-09-03 
  69. Topolsky, Joshua (2007-11-12)। "Google's Android OS early look SDK now available"Engadget। সংগৃহীত 2007-11-12 
  70. ৭০.০ ৭০.১ "Android Supported Media Formats"Android Developers। সংগৃহীত 2009-05-01 
  71. "Issue 1273: IP Proxy Settings for Wifi Network"http://code.google.com/p/android/। সংগৃহীত 4 April 2011 
  72. "Issue 82: wifi - support ad hoc networking"http://code.google.com/p/android/। সংগৃহীত 4 April 2011 
  73. http://code.google.com/p/android/issues/detail?id=3422
  74. "Flash Flayer 10.1 for Android 2.2 Release Notes"Adobe Knowledgebase। সংগৃহীত 27 January 2011 
  75. "RealNetworks Gives Handset and Tablet OEMs Ability to Deliver HTTP Live Content to Android Users"realnetworks.com। 10 September 2010। সংগৃহীত 27 January 2011  লেখা " RealNetworks " উপেক্ষা করা হয়েছে (সাহায্য)
  76. ৭৬.০ ৭৬.১ ৭৬.২ "Android 3.0 Platform Highlights"Android Developers। 26 January 2011। সংগৃহীত 2011-01-26 
  77. Musil, Steven (11 February 2009)। "Report: Apple nixed Android's multitouch"CNET News। সংগৃহীত 2009-09-03 
  78. Ziegler, Chris (2 February 2010)। "Nexus One gets a software update, enables multitouch"Engadget। সংগৃহীত 2010-02-02 
  79. Bray, Tim (28 April 2010)। "Multitasking the Android Way"Android Developers। সংগৃহীত 2010-11-03 
  80. "Speech Input for Google Search"Android Developers। সংগৃহীত 3 November 2010 
  81. "Voice Actions for Android"google.com। সংগৃহীত 27 January 2011 
  82. JR Raphael (May 6, 2010)। "Use Your Android Phone as a Wireless Modem"। PCWorld। সংগৃহীত 2010-11-03 
  83. Jolie O'Dell (12 May 2011)। "Androids Unite: How Ice Cream Sandwich Will End the OS Schism"Mashable। সংগৃহীত 9 June 2011 
  84. Laura June (6 September 2010)। "Toshiba AC100 Android smartbook hits the United Kingdom"Engadget। সংগৃহীত 9 June 2011 
  85. "Android-x86 - Porting Android to x86" 
  86. "T-Mobile Unveils the T-Mobile G1 - the First Phone Powered by Android"। HTC। সংগৃহীত 2009-05-19  AT&T's first device to run the Android OS was the Motorola Backflip.
  87. Richard Wray (14 March 2010)। "Google forced to delay British launch of Nexus phone"। London: guardian.co.uk। 
  88. David Wang (19 May 2010)। "How to Install Android on Your iPhone"। pcworld.com। 
  89. http://www.idroidproject.org/
  90. At http://source.android.com
  91. John McCann  (December 13, 2012)। "Android 4.1 Jelly Bean source code released | News"। TechRadar। সংগৃহীত December 20, 2012 
  92. "Building for devices"Android Open Source Project। সংগৃহীত December 20, 2012 
  93. Isacc, Mike (October 21, 2011)। "A deep-dive tour of Ice Cream Sandwich with Android's chief engineer"। Ars Technica। সংগৃহীত September 15, 2012 
  94. "Android 4.4.2 KitKat running Kernel 3.10 on the Samsung Galaxy Ace Style"gsmarena.com। April 3, 2013। সংগৃহীত April 11, 2014 
  95. "Android 4.4.2 KitKat running Kernel 3.10 on the Exynos variant of the Samsung Galaxy S5 (SM-G900H)"gsmkhmer.com। May 5, 2014। সংগৃহীত May 5, 2014 
  96. Ryan Whitwam (November 25, 2013)। "HTC Posts Android 4.4 Kernel Source And Framework Files For One Google Play Edition, OTA Update Can't Be Far Off"androidpolice.com। সংগৃহীত December 2, 2013 
  97. "Android 4.4.2 on a Nexus 5 (screenshot)"mobilesyrup.com। December 9, 2013। সংগৃহীত January 20, 2014 
  98. "Android 4.4.2 on a Galaxy Note 3 (screenshot)"mobilesyrup.com। January 12, 2014। সংগৃহীত January 20, 2014 
  99. Delap, Scott (November 12, 2007)। "Google's Android SDK Bypasses Java ME in Favor of Java Lite and Apache Harmony"InfoQ। সংগৃহীত April 27, 2014 
  100. Burnette, Ed (June 4, 2008)। "Patrick Brady dissects Android"ZDNet। সংগৃহীত April 27, 2014 
  101. Toombs, Cody (November 6, 2013)। "Meet ART, Part 1: The New Super-Fast Android Runtime Google Has Been Working On In Secret For Over 2 Years Debuts In KitKat"Android Police। সংগৃহীত April 27, 2014 
  102. McFerran, Damien (April 17, 2012)। "Best custom ROMs for the Samsung Galaxy S2 | Reviews | CNET UK"। Reviews.cnet.co.uk। সংগৃহীত September 15, 2012 
  103. "Custom ROMs For Android Explained – Here Is Why You Want Them"। August 20, 2012। সংগৃহীত September 15, 2012 
  104. Isaac, Mike (April 11, 2011)। "Android OS Hack Gives Virtual Early Upgrade | Gadget Lab"। Wired.com। সংগৃহীত September 15, 2012 
  105. "CyanogenMod Has Now Been Installed On Over 2 Million Devices, Doubles Install Numbers Since January"। Androidpolice.com। May 28, 2012। সংগৃহীত September 15, 2012 
  106. "Android 2.0 Platform Highlights"Android Developers। সংগৃহীত 2009-10-27 
  107. "Android 2.2 Platform Highlights"Android Developers। 20 May 2010। সংগৃহীত 2010-05-23 
  108. "Android 2.3 Platform Highlights"Android Developers। 6 December 2010। সংগৃহীত 2010-12-07 
  109. Mithun Chandrasekhar (2 February 2011)। "Google's Android Event Analysis"AnandTech। সংগৃহীত 5 February 2011। "I confirmed this with Google; Honeycomb, at least in the current form, will not be coming to non-tablet devices." 
  110. Rapheal, JR। "Will Android Honeycomb come to smartphones?"Computerworld। সংগৃহীত 24 February 2011 
  111. "Android Platform Highlights"Google। সংগৃহীত 24 February 2011 
  112. Nilay Patel (26 January 2011)। "Motorola Atrix 4G and Xoom tablet launching at the end of February, Droid Bionic and LTE Xoom in Q2"Engadget। সংগৃহীত 5 February 2011 
  113. Google Android 3.0 "Honeycomb": Open source no more | ZDNet
  114. Android Developers Blog: I think I’m having a Gene Amdahl moment
  115. Holly, Russel। "From I/O 2011 – Confirmed: Honeycomb source will never exist on its own"। geek.com। সংগৃহীত 11 May 2011 
  116. Ducrohet, Xavier (10 May 2011)। "Android 3.1 Platform, New SDK tools"Android Developers Blog। সংগৃহীত 10 May 2011 
  117. Kincaid, Jason (12 January 2011)। "The Future Version Of Android Isn’t Called Ice Cream. It’s Ice Cream SANDWICH"Techcrunch 
  118. Savov, Vlad (10 May 2011)। "Google announces Ice Cream Sandwich for Q4 2011, for smartphones and tablets alike"Engadget 
  119. "Android Security Overview"Android Open Source Project। সংগৃহীত February 20, 2012 
  120. . "Android Permissions Demystified". Retrieved on February 20, 2012.
  121. Ojas Kulkarni (April 10, 2014)। "Google goes hard on Malware for Android platform"। Gadgetcluster.com। সংগৃহীত April 15, 2014 
  122. Boulton, Clint (21 October 2008)। "Google Open-Sources Android on Eve of G1 Launch"eWeek। সংগৃহীত 2009-09-03 
  123. Bort, Dave (21 October 2008)। "Android is now available as open source"Android Open Source Project। সংগৃহীত 2009-09-03 . Mirror link.
  124. Android issues reviewed
  125. "Android Open Source Project Frequently Asked Questions: Compatibility"source.android.com। সংগৃহীত 13 March 2011 
  126. "Technology | Q&A: Google's Android"। BBC News। November 6, 2007। সংগৃহীত November 9, 2012 
  127. Reardon, Marguerite (February 11, 2008)। "Google Android prototypes debut at MWC | Crave – CNET"। News.cnet.com। সংগৃহীত November 9, 2012 
  128. "Android's outing at Barcelona – BizTech – Technology"। smh.com.au। February 12, 2008। সংগৃহীত November 9, 2012 
  129. ১২৯.০ ১২৯.১ "Symbian, Nokia, Microsoft and Apple downplay Android relevance"। Engadget। সংগৃহীত November 9, 2012 
  130. Woyke, Elizabeth (26 September 2008)। "Android's Very Own Font"Forbesআসল থেকে 29 June 2012-এ আর্কাইভ করা। 
  131. "Brand Guidelines"Android। 23 March 2009। সংগৃহীত 2009-10-30 
  132. "Android Brand Guidelines"Android। 23 March 2009। সংগৃহীত 2010-04-10 
  133. "Canalys: iPhone outsold all Windows Mobile phones in Q2 2009"AppleInsider। 21 August 2009। সংগৃহীত 2009-09-21 
  134. "comScore Reports February 2010 U.S. Mobile Subscriber Market Share"Comscore.com। 5 April 2010। সংগৃহীত 24 December 2010। "RIM, 42.1%; Apple, 25.4%; Microsoft, 15.1%; Google (Android), 9.0%; Palm, 5.4%; others, 3.0%" 
  135. "comScore Reports September 2010 U.S. Mobile Subscriber Market Share"Comscore.com। 3 November 2010। সংগৃহীত 24 December 2010 
  136. "Android hits top spot in U.S. smartphone market"। 2010-08-04। সংগৃহীত 2010-08-04 
  137. Greg Sandoval (2010-08-02)। "More signs iPhone under Android attack"। সংগৃহীত 2010-08-04 
  138. Arthur, Charles (2010-06-25)। "Eric Schmidt's dog whistle to mobile developers: abandon Windows Phone"। London: The Guardian। 
  139. Wilson Rothman (October 24, 2012)। "Why iPad is stomping Android tabs 24 to 1 – Technology on"। Nbcnews.com। সংগৃহীত November 9, 2012 
  140. Kevin C. Tofel (March 19, 2012)। "What devs say about iPad (but not Android tablets)"। Gigaom.com। সংগৃহীত November 9, 2012 
  141. ১৪১.০ ১৪১.১ "Why there aren't more Android tablet apps, by the numbers"। ZDNet। March 21, 2012। সংগৃহীত November 9, 2012 
  142. Poeter, Damon (December 7, 2012)। "Goldman Highlights Microsoft's Shrinking Market Share"। PC Magazine। সংগৃহীত December 10, 2012 
  143. "Google Keynote at AnDevCon II"Development Team। November 9, 2011। সংগৃহীত 2012-02-15 
  144. Wired UK (May 3, 2012)। "Op-Ed: Android Piracy Is Huge Problem for Game Devs | Game|Life"। Wired.com। সংগৃহীত September 15, 2012 
  145. Yin, Wesley (April 24, 2012)। "Football Manager dev hopes to stick with Android despite 9:1 piracy rate"। Eurogamer.net। সংগৃহীত September 15, 2012 
  146. Armasu, Lucian (July 30, 2012)। "Wind-up Kinght developer: Piracy rates on iOS and Android are comparable, China is the main source"। Androidauthority.com। সংগৃহীত October 6, 2012 
  147. Laura June (September 6, 2010)। "Toshiba AC100 Android smartbook hits the United Kingdom"Engadget। সংগৃহীত February 20, 2012 
  148. Samsung (August 29, 2012)। "Samsung Galaxy Camera"Samsung.com। সংগৃহীত August 30, 2012 
  149. Hollister, Sean (January 10, 2012)। "Sony Smart Watch (aka Sony Ericsson LiveView 2) hands-on"। The Verge। সংগৃহীত February 16, 2012 
  150. Rik Myslewski (January 12, 2011)। "Android-powered touchscreen Wi-Fi headphones"। theregister.co.uk। সংগৃহীত January 16, 2012 
  151. "Car Player Android-Car Player Android Manufacturers, Suppliers and Exporters on"। Alibaba.com। সংগৃহীত February 20, 2012 
  152. "Android Everywhere: 10 Types of Devices That Android Is Making Better"। Androidauthority.com। February 26, 2012। সংগৃহীত September 15, 2012 
  153. Jolie O'Dell (May 12, 2011)। "Androids Unite: How Ice Cream Sandwich Will End the OS Schism"Mashable। সংগৃহীত 2012-02-20 
  154. Will G. (December 1, 2011)। "Top Android MP3 Players for 2011"। Androidauthority.com। সংগৃহীত February 16, 2012 
  155. "Archos Smart Home Phone"। Android Central। January 19, 2012। সংগৃহীত January 30, 2012 
  156. "Grandstream Announces Android IP Phone" 
  157. "OUYA interview: Julie Uhrman tackles consoles & critics"। Destructoid। সংগৃহীত November 2, 2012 
  158. Erik Kain (April 18, 2012)। "An Interview With 'Ouya' Founder Julie Uhrman On A New Breed Of Video Game Console"। Forbes। সংগৃহীত November 2, 2012 
  159. "NVIDIA Shield ships July 31st, barely meets delayed launch window"Engadget। July 21, 2013। সংগৃহীত July 21, 2013 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:এনড্রয়েড টেমপ্লেট:এনড্রয়েড যন্ত্রাংশ

টেমপ্লেট:গুগল ইনক. টেমপ্লেট:ইউনিক্স-লাইক টেমপ্লেট:এফওএসএস