এডলফ আইখম্যান

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
এডলফ আইখম্যান
চিত্র:Eichmann, Adolf.jpg
১৯৪২ সালে এডলফ আইখম্যানের স্থিরচিত্র
জন্মের নাম অটো এডলফ আইখম্যান
জন্ম মার্চ ১৯, ১৯০৬
সলিজেন, জার্মান সাম্রাজ্য
মৃত্যু মে ৩১, ১৯৬২ (৫৬ বছর)
রামলা, ইসরায়েল
আনুগত্য  নাৎসি জার্মানি
সার্ভিস/শাখা Flag Schutzstaffel.svg সাটজস্তাফেল
পদমর্যাদা SS-Obersturmbannführer Collar Rank.svg এসএস-অবাস্তার্মবানফুয়েরার (সিনিয়র স্টর্ম ইউনিট লিডার)
সার্ভিস নম্বর এনএসডিএপি #৮৮৯,৮৯৫
এসএস #৪৫,৩২৬
ইউনিট আরএসএইচএ
যুদ্ধ/সংগ্রাম দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ
পুরস্কার ওয়ার মেরিট ক্রস তরবারী সহযোগে ১ম শ্রেণী
ওয়ার মেরিট ক্রস তরবারী সহযোগে ২য় শ্রেণী
স্বাক্ষর

অটো এডলফ আইখম্যান[১][২] (ইংরেজি: Adolf Eichmann, জন্ম: ১৯ মার্চ, ১৯০৬ - মৃত্যু: ৩১ মে, ১৯৬২)[৩] জার্মান নাৎসী বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্ণেল পদবীধারী ও তৃতীয় রাইখের নিয়ন্ত্রণাধীন সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছিলেন। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে সংঘটিত হলোকস্টের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। অসউইচ রাজনৈতিক বন্দী শিবিরের ন্যায় সংঘটিত লাখো লাখো লোকের হত্যাযজ্ঞের সাথে তিনি জড়িত ছিলেন।[৪]

পরিচ্ছেদসমূহ

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ভূমিকা [সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে ১৯৪৫ সালে হেনরিখ হিমলার ইহুদী নিধনযজ্ঞ বন্ধসহ চূড়ান্ত সমাধান ধ্বংসের নির্দেশ দেন। আইখম্যান হিমলারের আনুষ্ঠানিক আদেশ অমান্য করে হাঙ্গেরীতে তাঁর কাজ চালিয়ে যেতে থাকেন। সোভিয়েত সামরিক বাহিনী বা রেড আর্মি হাঙ্গেরী অবরোধ করার প্রেক্ষাপটে আইখম্যান সেখান থেকে চলে যান। অস্ট্রিয়ায় তাঁর পুরনো বন্ধু আর্নস্ট কাল্টেনব্রুনারের সাথে মিলিত হয়। কিন্তু মিত্রশক্তি কর্তৃক চিহ্নিত ব্যক্তি হওয়ায় কাল্টেনব্রুনার তাঁকে সহযোগিতা করতে অসম্মতি জানান।

গণহত্যায় সম্পৃক্ততা [সম্পাদনা]

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৬০ সালে তাঁকে জীবিত অবস্থায় দক্ষিণ আমেরিকার আর্জেন্টিনা থেকে আটক করা হয়। ইসরাইলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এডলফ আইখম্যানকে অপহরণ করে। তারপর তাঁকে ইসরাইলে ফেরত নিয়ে আসা হয়। সেখানে ষাট লক্ষ লোকের হত্যাকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাঁকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়। বিচারকমণ্ডলী কর্তৃক তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। অতঃপর ১১ ডিসেম্বর, ১৯৬১ সালে তাঁকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলানো হয়।[৪] তাঁর দেহ ভষ্মীভূত করা হয় ও ছাই সাগরে ফেলে দেয়া হয়।

এডলফ আইখম্যানের বিচার প্রক্রিয়া ইসরাইলের রেডিওতে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। এছাড়াও, বিশ্বব্যাপী লাখ লাখ দর্শক টেলিভিশনের ছোট পর্দায় সম্প্রচার করা হয়েছিল। হলোকস্টের কারণে এ সংক্রান্ত কথাবার্তা উন্মুক্তভাবে প্রকাশের ঘটনা প্রথমবারের মতো উপস্থাপন করা হয়। এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে সংশ্লিষ্টদেরকে নতুন রাষ্ট্র হিসেবে ইসরাইয়েলে একত্রে থাকতে উদ্বুদ্ধ করেছিল।

তথ্যসূত্র [সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:The Holocaust (end) টেমপ্লেট:Holocaust Poland টেমপ্লেট:Nazis South America