একে-৪৭
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
| একে-৪৭ | |
|---|---|
আদর্শ একে-৪৭ |
|
| প্রকার | আক্রমণাত্মক |
| উদ্ভাবনকারী | |
| ব্যবহার ইতিহাস | |
| ব্যবহারকাল | ১৯৪৯–বর্তমান |
| উৎপাদন ইতিহাস | |
| নকশাকারী | মিখাইল কালাশনিকভ |
| নকশাকাল | ১৯৪৪–১৯৪৭ |
| উৎপাদনকারী | আইজম্যাশ |
| উৎপাদন সংখ্যা | প্রায় ৭৫ মিলিয়নের মত ১০০ মিলিয়ন প্রকৃতির একে ধরনের রাইফেল[১][২] |
| তথ্যাবলি | |
| ওজন | ৫.২১ কেজি (১১.৫ পাউন্ড)ম্যাগাজিন সহ[৩] |
| দৈর্ঘ্য | ৮৭০ মি.মি. (টেমপ্লেট:Convert/ইঞ্চি) কাঠের বাট সহ |
| ব্যারেলের দৈর্ঘ্য | ৪১৫ মি.মি. (টেমপ্লেট:Convert/ইঞ্চি) |
|
|
|
| কার্টিজ | ৭.৬২×৩৯মিমি |
| কার্যপদ্ধতি/অ্যাকশন | গ্যাস চালিত |
| গুলির হার | ৬০০ রাউন্ড/মিনিট |
| নিক্ষেপণ বেগ | ৭১৫ মি/সে[৪] |
| কার্যকর পাল্লা | ৪০০ মিটার (৪৪০ yd) আংশিক যান্ত্রিক [৫] |
একে-৪৭ বর্তমান বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র। এটি একটি গ্যাস পরিচালিত স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র। এর ডিজাইনার রাশিয়ার (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন) মিখাইল কালাশনিকভ। এ পর্যন্ত প্রায় ১০ কোটিরও অধিক এই অস্ত্র বিক্রি হয়েছে এবং বিশ্বের প্রায় ৫০ টিরও বেশি দেশের সামরিক বাহিনীতে এটি ব্যাবহ্ত্রত হচ্ছে। যা কিনা দুনিয়ার সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত এবং জনপ্রিয় রাইফেল। একে ৪৭ এর জনপ্রিয়তার অন্যতম কারন এর সহজ ব্যবহার,নির্ভরতা ও রক্ষানাবেক্ষন ইত্যাদি। এটাকে বিশ্বের প্রথম কার্যকর অটোমেটিক রাইফেল বলা হয়। ১৯৫১সাল থেকে এখনও এটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে। সৈন্যদের মধ্যে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তার মূল কারণ এটি জলে ভিজিয়ে, ধুলাতে রেখে বা এর উপর দিয়ে রাস্তা মেরামতের রোলার চালানোর পরও এটিকে আগের মতই ব্যাবহার করা যায়,যা এর সমপর্যায়ের অন্যান্য অস্ত্রের ক্ষেত্রে অসম্ভব।
পরিচ্ছেদসমূহ |
[সম্পাদনা] গুনাবলি
একে ৪৭ এর অন্যতম বৈশিষ্ট হল এর বুলেট এর মারাত্বক ভেদন ক্ষমতা ,এটি ৭.৬২*৩৯ মি.মি বুলেটকে ৭১৫ মিটার/সেকেন্ডে ছুড়ে যা ৮ ইঞ্চি কাঠ এবং ৫ ইন্চি কনন্ক্রিট ভেদ করতে পারে। এছাড়া এতে কষ্টমাইজ বুলেট ব্যবহার করা যায়। এতে সিঙ্গেল শট, ব্রাস্ট অব ফায়ার এবং গ্রেনেড ছুড়ার সুবিধা আছে । নির্ভরতার দিক দিয়ে আজও একে ৪৭ অনন্য। একে ৪৭ এ কখনো ব্যাক ফায়ার হয় না। এটিকে দুনিয়ার যেকোন স্থানে ব্যবহার করা যায়। তীব্র শীত,গরম,ভেজা আবহওয়াতেই এর কিছু হয় না। অন্যান্য রাইফেলের তুলনায় একে-৪৭ জ্যাম হবার রেটও কম। বর্তমান বিশ্বের সব দেশই একে ৪৭ বা এর বিভিন্ন সংস্করনের রাইফেল ব্যবহার করে থাকে। বাংলাদেশে সেনাবাহিনীতে একে ৪৭ এর চাইনিজ সংস্করন টাইপ ৫৬ ব্যবহৃত হয়।
[সম্পাদনা] প্রস্তুতের ইতিহাস
[সম্পাদনা] বিশদ বর্ননা
- প্রস্তুতকারি দেশ:সোভিয়েত রাশিয়া
- আবিষ্কারক:মিখাইল কালাশানিকভ
- ডিজাইনের বছর:১৯৪৭
- কার্টিজ: ৭.৬২×৩৯মিমি
- রেট অফ ফায়ার:৬০০ রা/মি
- কার্যকর দুরত্ব:৩০০মি
- ওজন:৪.৩ কেজি
- দৈর্ঘ্য:৮৭০ মিমি
[সম্পাদনা] ব্যবহারকারী দেশ সমুহ
- আলজেরিয়া
- পেরু
- আজারবাইজান
- বেলারুশ
- বাংলাদেশ
- কিউবা
- হাঙ্গেরী
- ভারত
- ইসরাইল
- ইরান
- কাজাখিস্তান
- মালয়শিয়া
- লেবানন
- মায়ানমার
- উত্তর কোরিয়া
- পোল্যান্ড
- রাশিয়া
- সার্বিয়া
- স্লোভাকিয়া
- সুদান
- সিরিয়া
- তুর্কমেনিস্তান
- ইউক্রেইন
- আমেরিকা
- উজবেকিস্তান
- কিরগিজিস্তান
- চেকোস্লোভাকিয়া / চেক প্রজাতন্ত্র
- পূর্ব জার্মানী/ জার্মানী
- ইরাক
- মলদোভা
- রোমানিয়া
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- যুগোশ্লাভিয়া
- জর্জিয়া
[সম্পাদনা] তথ্যসূত্র
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ
<ref>ট্যাগ;Worldbank.orgনামের refগুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি - ↑ AK-47 Inventor Doesn't Lose Sleep Over Havoc Wrought With His Invention. প্রকাশক: Foxnews.com. 2007-07-06. http://www.foxnews.com/story/0,2933,288456,00.html। সংগৃহীত হয়েছে: 2010-04-03.
- ↑ Dockery, Kevin (2007). Future Weapons. p. 102.
- ↑ [১]
- ↑ উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ
<ref>ট্যাগ;Bidwellনামের refগুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |