উদ্বৃত্তপত্র

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

উদ্বৃত্তপত্র বা ব্যালেন্স শিট হল আর্থিক প্রতিবেদন একটি অংশ যা একটি নির্দিষ্ট মেয়াদে ব্যবসার সম্পদ ও দায়ের অবস্থা টাকার অংকে তুলে ধরে। এক মালিকানাধীন ব্যবসা, অংশীদারি ব্যবসা কিংবা যৌথ মূলধনি (পাবলিক লিমিটেড) সব ধরনের ব্যবসার সম্পদ, দায়, দেনা ও মালিকানা ইকুইটি এই উদ্বৃত্তপত্রে দেখানো হয়। উদ্বৃত্তপত্রকে অনেক সময় ব্যবসার অর্থনৈতিক চিত্র বলা হয়। একটি আদর্শ উর্বৃত্তপত্রের সাধারণত তিনটি অংশ থাকে সম্পদ, দায় এবং মালিকানা ইকুইটি।

প্রথমে ব্যবসার প্রধান সম্পদগুলোকে স্থায়ী এবং চলতি এই দুই শ্রেণিতে বিভক্ত করে সম্পদ অংশে রাখা হয়। স্থায়ী সম্পদের মধ্যে রয়েছে দালান-কোঠা, মূলধনি যন্ত্রপাতি, যানবাহন ইত্যাদি এবং চলতি সম্পদের মধ্যে রয়েছে তরল সম্পদ, নগদ অর্থ, মজুদ পন্য ও পাওনা। সম্পদের পরে চলতি ও স্থায়ী দেনা সম্পদের পরে দেনার অংশে সাজানো হয়। সব শেষে মালিকানা বা ইকুইটি যোগ করা হয়। উদ্বৃত্তপত্রে মোট সম্পদের পরিমাণ দেনা ও ইকুইটির যোগফলের সমান হতে হয়।

প্রস্তুতকরন[সম্পাদনা]

উদ্বৃত্তপত্রের একটি নমুনা[১]
সম্পদ দায় ও ইকুইটি
নগদ ৳ ৬,৬০০ দায়
পাওনা ৳ ৬,২০০ দেনা ৳৫,০০০
যন্ত্রপাতি ও সরঞ্জাম ৳২৫,০০০ দেনা ২৫,০০০
মোট দায় ৳৩০,০০০
ইকুইটি
মূলধন ৳৭,০০০
আয় ৳৮০০
মোট ইকুইটি ৳৭,৮০০
মোট ৳৩৭,৮০০ মোট ৳৩৭,৮০০

উদ্বৃত্তপত্রের সাধারণত কয়েকটি অংশ থাকে। এগুলো হল- সম্পদ, দেনা ও ইকুইটি।

সম্পদ[সম্পাদনা]

সাধারণত দুই ধরনের সম্পদ উদ্বৃত্তপত্রে চিহ্নিত করা হয় এগুলো হল চলতি সম্পদ ও স্থায়ী সম্পদ। চলতি সম্পদের মধ্যে রয়েছে

  • নগদ ও নগদ সমতুল্য
  • পাওনা
  • অগ্রিম পরিশোধ

অপরদিকে স্থায়ী সম্পদের মধ্যে রয়েছে

  • সম্পত্তি, অবকাঠামো ও মূলধনই যন্ত্রপাতি
  • বিনিয়োগ, দালানকোঠা
  • অস্পৃশ্য সম্পদ (ব্যবসায় সুনাম)
  • জীবিত সম্পদ

দায় ও ইকুইটি[সম্পাদনা]

বিভিন্ন প্রকার উদ্বৃত্তপত্র[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Williams, p. 50.

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]