ইনভার্টার (লজিক গেট)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইনপুট
আউটপুট
প্রথাগত নট গেট (ইনভার্টার) প্রতীক
আন্তর্জাতিক ইলেকট্রোটেকনিক্যাল কমিশন নট গেট (ইনভার্টার) প্রতীক

ডিজিট্যাল লজিকে একটি ইনভার্টার বা নট গেট হলো একটি লজিক গেট যা কার্যকর করে লজিক্যাল নেগেশন।ট্রু টেবিলটা ডানে দেখানো হলোঃ

এটা প্রকাশ করছে সঠিক সুইচিং ব্যবহার যা হলো সংজ্ঞায়িত ধারণা ডিজিট্যাল ইলেকট্রনিক্সে। চর্চার ক্ষেত্রে, সত্যিকারের ডিভাইসে থাকে বৈদ্যুতিক বৈশিষ্ট্য যাকে সতর্কভাবে দেখতে হবে যখন ইনভার্টারের ডিজাইন করা হবে। সত্যিকার অর্থে আদর্শ না এমন সিমস ইনভার্টারের ট্রান্সিশন এলাকার আচরণ এটাকে প্রয়োজনীয় বানায় অ্যানালগ ইলেকট্রনিক্সে একটা ইলেকট্রনিক অ্যাম্পলিফায়ার হিসেবে। যেমন একটা অপারেশন্যাল অ্যাম্পলিফায়ারের আউটপুট স্টেজ।[১]

ইলেকট্রনিক কার্যকারিতা[সম্পাদনা]

একটা ইনভার্টারের বর্তনীর আউটপুট হিসেবে একটা বিভব দেয় যা উলটো লজিক লেভেল দেয় এর ইনপুটে।ইনভার্টারকে তৈরি করা যায় একটি একক এনমস ট্রানজিস্টরের সাথে একটা রোধকে কাপল করে।যেহেতু এই রেজিস্টিভ-ড্রেইন উদ্যোগটা ব্যবহার করে একটা মাত্র ধরনের ট্রানজিস্টর,তাই এটা অল্প মূল্যে ব্যবহার করা যায়।যাইহোক, রোধের মধ্য দিয়ে ২টা অবস্থার মধ্যে একটা অবস্থা দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়, তাই রেজিস্টিভ-ড্রেইন ধরনের ব্যাপার একটা অসুবিধার সৃষ্টি করে বৈদ্যুতিক ক্ষমতা গ্রহণ এবং প্রক্রিয়াধীন গতিতে।বিকল্পভাবে ইনভার্টার গঠিত হতে পারে ২টি সম্পূরক ট্রানজিস্টর ব্যবহার করে একটি সিমস গঠনে। এই গঠন বোইদ্যুতিক ক্ষমতাকে কমায় যেহেতু একটা ট্রানজিস্টর সবসময়ই বন্ধ থাকে উভয় লজিক অবস্থাতে।প্রক্রিয়াধীন গতির উন্নতি হতে পারে অপেক্ষাকৃত কম রোধ থাকা শুধুমাত্র এনমস আব শুধুমাত্র পিমস ধরনের ডিভাইস থাকলে।ইনভার্টার আবার গঠিত হতে পারে বিজেটি বা বাইপোলার জাঙ্কশন ট্রানজিস্টরের সাথে একটি রোধ ট্রানজিস্টর লজিক বা ট্রানজিস্টর ট্রানজিস্টর গঠনে।

ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্স বর্তনী একটি নির্দিষ্ট মাত্রার বিভব মাত্রায় ব্যবহৃত হয় লজিক্যাল ০ বা ১ প্রদর্শন করে।একটি ইনভার্টার বর্তনী একটি প্রাথমিক লজিক গেট হিসেবে কাজ করে ২টি বিভব মাত্রার ভেতরে।বাস্তবায়ন করা অবস্থা নির্ণয় করে আসল বিভবকে , কিন্তু সাধারণ স্তরে থাকে টিটিএল বর্তনীর জন্য (০,+৫ V)

ডিজিট্যাল গঠনের ব্লক[সম্পাদনা]

এই চিত্রে দেখা যাচ্ছে নট গেটের সমাবেশ একটা আদর্শ সিমদ হেক্স ইনভার্টারিং বাফারে

একটি ডিজিট্যাল ইনভার্টারকে দেখা হয় একটি গঠন ব্লকের ভিত্তি হিসেবে সব ডিজিট্যাল ইলেক্ট্রনিক্সের জন্য।স্মৃতি (১ বিট রেজিস্টার) গঠিত হয় একটি ইলেকট্রনিক খিল হিসেবে যা লাওলন করে ২টি সিরিয়াল ইনভার্টারের আউটপুটকে। মাল্টিপ্লেক্সার, ডেকোডার, স্টেট মেসিন এবং অন্যান্য ডিজিট্যাল ডিভাইস সাধারণ ইনভার্টারের উপর নির্ভর করে। কেলস ইনভার্টার হলো এক প্রকারের ইন্টিগ্রেটেড বর্তনী যাতে আছে ৬টি ইনভার্টার।উদাহরণ সরূপঃ ৭৪০৪ টিটিএল চিপ যার আছে ১৪টি পিন এবং ৪০৪৯ সিমস চিপ যার ১৬টি পিন, যাদের ২টি ব্যবহার করা হয় পাওয়ার বা রেফারেন্সিং-এ এবং ১২টি ব্যবহৃত হয় ৬টি ইনভার্টারের ইনপুটে এবং আউটপুটে ( ৪০৪৯ ডিভাইসের আছে ২টি পিন যার কোন সংযোগ নেই)

কার্যকারিতা নির্ণয়[সম্পাদনা]

ডিজিট্যাল ইনভার্টারের গুণ মাঝে মাঝে মাপা হয় বিভব পরিবহনের বক্ররেখার মাধ্যমে যা আঁকা হয় ইনপুটে বিপরীতে আউটপুট বিভবের মাধ্যমে।এই ধরনের লেখচিত্র থেকে ডিভাইসের একক যাতে আছে নয়েজ টলারেন্স, গেইন এবং অপারেটিং লজিক লেভেল পাওয়া যেতে পারে।

বিভব পরিবহনের বক্ররেখা একটি ২০μm ইনভার্টারের জন্য যা তৈরি হয়েছে নর্থ ক্যারোলিনা স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে

আদর্শগত ভাবে , বিভব পরিবহনের বক্ররেখার উপস্থিত হয় একটি বিপরীতকৃত স্টেপ ফাংশন হিসেবে যা নির্দেশ করে সুইচিং অন ও অফ-এর মধ্যে, কিন্তু আসলে আদর্শ ডিভাইসে একটি ক্রমবর্ধমান ট্রান্সিশন অঞ্চল অবস্থিত। ভিটিসি নির্ডেশ করে নিম্ন ইনপুট বিভবের জন্য বর্তনীর আউটপুটের উচ্চ বিভব; উচ্চ মাত্রার ইনপুটের জন্য আউটপুট অফ হয়ে যায় ০ বিভবে। এই ট্রান্সিশন অঞ্চলের ঢাল হলো একটা গুণবাচক স্টীপের ঢালের একটা গণনা (কম থেকে অসীম) পর্যন্ত যা ছাড়িয়ে যায় সংক্ষিপ্ত সুইচিংকে। নয়েজের প্রতি সহ্য ক্ষমতা মাপা যেতে পারে সর্বনিম্ন ইনপুটের থেকে সর্বোচ্চ আউটপুটের তুলনা করে প্রত্যেকটা অপারেশন অঞ্চলের সাথে।

আউটপুট বিভব, VOH, সংকেত ড্রাইভিং-এর শক্তিমত্তার একটি গণনা যখন অনেক ডিভাইস একসাথে থাকে।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]