ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী
|
|
এই নিবন্ধটিতে কোনো উৎস বা তথ্যসূত্র উদ্ধৃত করা হয়নি। দয়া করে উপযুক্ত নির্ভরযোগ্য তথ্যসূত্র থেকে উৎস প্রদান করে নিবন্ধটির মানোন্নয়নে সাহায্য করুন। (সাহায্যের জন্য দেখুন: যাচাইযোগ্যতা) নিবন্ধের যেসব অংশে সঠিক তথ্যসূত্রের উল্লেখ নেই, সেগুলি যেকোনো মুহূর্তে সরিয়ে ফেলা হতে পারে। (মার্চ ২০১০) |
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী (ফার্সি ভাষায়: اختيار الدين محمد بن بختيار الخلجي) একজন তুর্কী সেনাপতি। তিনি ১২০৫-৬ সালের দিকে তৎকালীন বঙ্গের শাসক সেন রাজবংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে সেন গৌড় দখল করেন। লক্ষণ সেন প্রাণ নিয়ে পালিয়ে তৎকালীন বঙ্গে পালিয়ে যান এবং তার সৈন্যরা পরাজিত হয়ে নদিয়া শহর ত্যাগ করতে বাধ্য হয়।
মোহাম্মদ বখতিয়ার নদিয়া শহর অধিকার করে তা ধ্বংস করে। এবং এই ধ্বংসপ্রাপ্ত শহরে রাজধানী না করে গৌড়-লক্ষণাবতীতে গিয়ে রাজধানী স্থাপন করে।
[সম্পাদনা] পূর্ব জীবন
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজী (ফারসিঃ اختيار الدين محمد بن بختيار الخلجي )যাকে 'মালিক গাজী ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজী হিসেবেও উল্লাখ করা হয়, ছিলেন মুসলিম খলজি উপজাতির একজন সদস্য। মুসলিম খলজি উপজাতি উত্তর-পুর্বের প্রায় সকল দখল-যুদ্ধে যোগদানকারী সেনাবাহিনীর অধিপতিদের কাজে নিজুক্ত ছিল।
খলজী ছিলেন 'কুতুবুদ্দিন আইবাক' নামক এক সেনাবাহিনীর অধিপতি। সে ১১৯৩ খ্রীষ্টাব্দে বিহার দখল করেন। ১১৯৩ সালে খলজী এবং তার সেনাদল নালান্দার এক বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয় পুড়িয়ে ফেলে, যা পৃথিবীর সবচেয়ে পুরোন বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে একটি ছিল। এখানে খলজি পরিকল্পিত ফাসি এবং মস্তচ্ছেদ করেন। সে বাংলার শাসক লক্ষণ সেনকেও নিজের আয়ত্ত্বে আনেন এবং ১২০৫ সালে তার রাজ্যের রাজধানি দখল করেন।
[সম্পাদনা] অর্জন
১৯৯০ সালের কাছাকাছি সময় বাংলাদেশি কবি আল মাহমুদ "বখতিয়ারের ঘোড়া" নামক এক কাব্যগ্রন্থ লেখেন যেখানে বখতিয়ার খলজীকে বাংলার একজন গুরুত্ত্বপূর্ণ দখলকারী হিসেবে উল্লেখ করেন। খলজীর রাজকালীন ভারতে মুসলিম সংখ্যা অনেকগুণ বেরে যায়।
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সমৃদ্ধ করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |