আহ্‌মদি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আহমদীয়া
احمدیہ আহমদীয়া
মোট জনসংখ্যা
১০ মিলিয়ন[১]
উল্লেখযোগ্য জনসংখ্যার অঞ্চল
ধর্ম
আহমদিয়া মুসলিম জামাত, লাহোর আহমদিয়া আন্দোলন
ধর্মগ্রন্থ
কুরআন, হাদিস
ভাষা
উর্দু, আরবি

আহমদীয়া একটি ধর্মীয় সম্প্রদায়। যার এর প্রতিষ্ঠাতা মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ কাদিয়ান। ইসলামের আসল পথ থেকে বিচ্যুত মুসলমানদের সঠিক পথের সন্ধান দিতে প্রতিষ্ঠিত হয় আহ্‌মদিয়া আন্দোলনের। পরবর্তীতে আহ্‌মদিয়ারা দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে পরে লাহোর আহ্‌মদিয়া আন্দোলন ,আহ্‌মদিয়া মুসলিম সম্প্রদায় নামে। লাহোর আহ্‌মদিয়া আন্দোলন মনে করে আহ্‌মদিয়া জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ একজন মুজাদ্দিদ (সংস্কারক), প্রতিশ্রুত মসীহ্‌, ইমাম মাহাদি এবং প্রত্যাবর্তনকারী যীশু খ্রিস্ট হিসাবে। তারা কায়মনো বাক্যে স্বীকার করে যে মুহাম্মদ(সঃ)সর্বশেষ নবী। অপরদিকে আহ্‌মদিয়া মুসলিম সম্প্রদায় এর মতে মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ একজন মুজাদ্দিদ (সংস্কারক), প্রতিশ্রুত মসীহ্‌, ইমাম মাহাদি এবং প্রত্যাবর্তনকারী যীশু পাশাপাশি মুহাম্মদ(সঃ)এর প্রদর্শিত পথে পাঠানো একজন উম্মতী নবী। তাদের মতে নবুয়াতের সমাপ্তি মানে আর কোন নতুন নবী আসতে পারবেননা তা নয়, নতুন নবী আসতে পারবেন তবে তিনি হবেন উম্মতী নবী এবং তাকে অবশ্যই হতে হবে মুহাম্মদ(সঃ) যে পথ-প্রদর্শন করে গেছেন সেই পথে। তিনি (ইমাম মাহাদি) নতুন শরীয়ত আনবেন না।

==ইতিহাস ==

১৯'শ শতকের শেষের দিকে মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ নিজেকে একজন সংস্কারক,প্রতিশ্রুত মসীহ্‌, ইমাম মাহাদি এবং প্রত্যাবর্তনকারী যীশু খ্রিস্ট হিসাবে দাবী করেন।তিনি বলেন যে তার আগমন হয়েছে ইসলাম কে তার আসল অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে।তাই তিনি প্রতিঠা করেন আহ্‌মদিয়া মুসলিম জামাতের। ১৮৮৯ সালে মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ এই সম্প্রদায় প্রতিষ্ঠা করেন যাকে পরবর্তীতে "আহমদীয়া মুসলিম জামাত" নাম দেয়া হয়। ভারতবর্ষে ১৯'শ শতকের দিকে ইসলামের বিরুদ্ধে আন্দোলনে আহমদীয়া মুসলিম সম্প্রদায় খ্রিস্টান এবং আরযো সমাজীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।

বর্তমান অবস্থা[সম্পাদনা]

কোরআন ও সহিহ হাদিসের বর্ণনার সাথে আহমদিদের মতবাদের ভিন্নতা থাকায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মূলধারার মুসলমানগণ প্রথম থেকেই আহ্‌মদিয়াদের বিরোধিতা করে আসছে। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তান সরকার আহ্‌মদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণা করে। পাকিস্তানের মত বাংলাদেশ মূলধারার মুসলমানদের পক্ষ থেকে আহ্‌মদিয়াদের অমুসলিম ঘোষণা করার জন্য আন্দোলন হতে থাকে। মূলধারার ইসলাম ধর্মকে বিকৃত করে তাদের নিজেদের মতো সাজিয়ে গুছিয়ে কোরআন ও হাদিসের ভুল ব্যাখ্যা করছে বিধায় মধ্যপ্রাচ্য, বাংলাদেশ[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] এবং পাকিস্তান সহ পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশে তাদের ধর্মপ্রচার নিষিদ্ধ।

বিশ্বাস[সম্পাদনা]

আহ্‌মদিয়া মুসলিম জামাত রা বিশ্বাস করেযে আল্লাহ্যীশুকেসশরীরে (জ়ীবন্ত অবস্থায়) বেহেস্তে তুলে নিয়ে যান্‌নি।তিনি এই পৃথিবীতেই স্বাভাবিক মৃত্যবরণ করেছেন এবং মৃত্যুর পর বেহেস্তবাসি হয়েছেন। যীশুর আগমন হবে এবং তা হবে মুহাম্মদ(সঃ)এর উম্মতদের মধ্য থেকে।কেননা যদি ইসলাম ধর্মকে পুনর্গঠনের জন্য বেহেস্ত হতে যীশুকেই পাঠাতে হয় তাহলে মুসলমানরা কি ভূমিকা পালন করবে? যীশুর দায়িত্ব পালন করার জন্য তাই মুসলমানদের মধ্য থেকে উঠে আসবেন কেউ,যিনি ইসলাম ধর্মের পুনর্গঠনের জন্য কাজ করবেন।আর ইনি হলেন মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ

মূলধারার মুসলিমদের দৃষ্টিভঙ্গি[সম্পাদনা]

বেশিরভাগ মূলধারার মুসলমানরা মনে করে যে আহ্‌মদিয়ারা মুহাম্মদ(সঃ) কে শেষ নবী বলে স্বীকার করেনা। যদিও লাহোর আহ্‌মদিয়া আন্দোলন এর ভাষ্যমতে এরকম মনে করা সম্পুর্ণ আযৌক্তিক। কারণ তারা মির্যা গোলাম আহ্‌মদকে নবী বলে মনে করেনা, মনে করে একজন প্রতিশ্রুত মসীহ্‌(সংস্কারক)হিসাবে। আহ্‌মদিয়া সম্প্রদায় এর দুটি ভাগই মির্যা গোলাম আহ্‌মদকে মসীহ্‌(সংস্কারক),ইমাম মাহাদি, প্রত্যাবর্তনকারী যীশু মনে করে থাকে। কিন্তু মুলধারার মুসলিমরা এটা মানতে নারায। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তানি সরকার আহ্‌মদিয়াদের অমুসলিম হিসাবে ঘোষণা করে।

খ্রিষ্টানদের সাথে সম্পর্ক[সম্পাদনা]

তৎকালীন ইংরেজ সরকার সম্পর্কিত মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ এর কিছু মন্তব্য বর্ণিত হল। "প্রকৃতপক্ষে আমাদের প্রতি এই সরকারের অনেক বেশি মেহেরবাণী রয়েছে। কারণ এখান হতে আমরা যদি বাহিরে কোথাও যাই তবে আমাদের স্থান না মক্কায় জুটবে না কস্টান্‌টিনোপলে। এমত অবস্থায় আমরা এই সরকারের উপর কোন বিরূপ ধারণা কিভাবে পোষন করিব, এরূপ করা কিভাবে সম্ভব।[২]

"আমি আমার কাজ না মক্কায় চালাইতে পারি, না মদিনায়, না রোমে, না ইরানে, না কাবুলে, কিন্তু এই সরকারের এলাকার মধ্যে তা চলিতে পারে, যে সরকারের শ্রীবৃদ্ধির জন্য আমি দোয়া করিতেছি।[৩]

মহান সরকার বাহদুরের সমীপে একটি সবিনয় আবেদনে মির্যা আহ্‌মেদ সাহেব বলেন- "বিশ বছর হইতে আমি আন্তরিক অনুপ্রেরণা এবং উৎসাহ অ আগ্রহের সহিত ফার্সি, আরবি, ঊর্দু, ইংরেজি ভাষায় এমন সব বই পুস্তক প্রকাশ করিতেছি, যাহাতে বারবার এই কথা লিখা আছে যে, মুসলমান দের কর্তব্য যাহা ত্যাগ করিলে তাহারা খদার নিকট পাপী হইবে তাহা এই যে, তাহারা বর্তমান সরকারের প্রকৃত শুভাকাংখী এবং একান্ত ভাবে নিজেদের প্রাণ উৎসর্গকারী বলিয়া সাব্যস্ত হইবে। এ ছাড়া জিহাদ এবং খুনী মাহাদির প্রতীক্ষা ইত্যাদি বেহদা বাজে ধাত্রনা যাহা কোরআন শরীফ দ্বারা কোনমতে প্রমানিত হয়নাই তাহা ত্যাগ করিবে। একান্তি যদি তাহারা ভ্রান্তমত বর্জন করিতে না চাহে তবে তাহাদের কর্তব্য, বর্তমান অনুগ্রহ পরায়ন সরকারের অকৃতজ্ঞ না হওয়া এবং নিমকহারামী করিয়া যেন খোদার গোনাহ্‌গার না হয়।[৪] তাঁর এই সকল মন্তব্য মুলধারার মুসলমানদের কাছে ব্যাপক ভাবে সমালোচিত হয়। তারা প্রশ্ন রাখে যে একজন মুসলমান হওয়া সত্ত্বেও তিনি কেন কফেরদের গোলামি করেন, কিভাবেইবা এই কামনা করেনযে সারা পৃথিবীতে এই কাফেরদের রাজত্ব কায়েম হোক। একজন প্রকৃত মুসলমানের কখনই এই ধরনের মন মানসিকতা থাকতে পারেনা।

মূলধারা, লাহোর আহ্‌মদিয়া আন্দোলন এবং আহ্‌মদিয়া মুসলিম সম্প্রদায় এর বিশ্বাসের মধ্যে তুলনা[সম্পাদনা]

বিশ্বাস মূলধারা লাহোর আহ্‌মদিয়া আন্দোলন আহ্‌মদিয়া মুসলিম সম্প্রদায়
যীশু খ্রিস্টের/হযরত ঈসা (আঃ) প্রত্যাবর্তন বিভিন্ন মতবাদ প্রচলিত থাকলেও বেশির ভাগই মনে করেন শেষ যমানায় যীশু খ্রিস্ট/হযরত ঈসা (আঃ) স্বর্গ থেকে আবির্ভূত হবেন।[৫] যীশু খ্রিস্ট/হযরত ঈসা (আঃ) এর দ্বিতীয় আগমন কথাটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। যাকিনা মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ এর আগমন এর মাধ্যমে পরিপূর্ণ হয়েছে।[৬] যীশু খ্রিস্টর/ হযরত ঈসা (আঃ) দ্বিতীয় আগমন কথাটি রূপক অর্থে ব্যবহৃত। যাকিনা মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ এর আগমন এর মাধ্যমে পরিপূর্ণ হয়েছে।[৭]
মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ সম্পর্কিত মতবাদ। বিভিন্ন মতবাদ প্রচলিত আছে। তবে বেশির ভাগই মিথ্যানবী বলে মনে করেন।তাদের মতে মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ ৩০ জন মিথ্যা নবীর মধ্যে একজন।[৮] about whom the prophet Muhammad warned Muslims 1400 years ago ১৪ শ' শতকের মুজাদ্দিদ (সংস্কারক)।প্রতিশ্রুত মসীহ্‌, ইমাম মাহাদি এবং প্রত্যাবর্তনকারী যীশু খ্রিস্ট/হযরত ঈসা (আঃ)।তাত্ত্বীক অর্থে একজন নবী হলেও বাস্তবিক অর্থে নয়।[৯] যীশু খ্রিস্ট/হযরত ঈসা (আঃ) এর মত (সকল গুনাবলী সম্পন্ন)একজন নবী।কিন্তু শেষ নবী (সঃ) এর সাহায্যকারী।১৪ শ' শতকের মুজাদ্দিদ (সংস্কারক), একজন মসীহ্‌, ইমাম মাহাদি এবং প্রত্যাবর্তনকারী যীশু খ্রিস্ট/হযরত ঈসা (আঃ)।[১০]
শাহাদাত (সাক্ষ্যদান) কলেমা তৈয়বা „লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌ মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ্‌“। একজন মুসলমান হবার জন্য অবশ্যই এই কালিমা বিশ্বাস করতে হবে।[১১] Bangladesh[তথ্যসূত্র প্রয়োজন] ...) এবং অবশ্যই মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ একজন মিথ্যা নবী।[১২] কলেমা তৈয়বা „লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌ মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ্‌“।এই বাক্য স্বীকারকারী কাউকে কখনই অমুসলিম ঘোষণা করা যাবেনা।[১৩] কলেমা তৈয়বা „লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্‌ মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ্‌“।এই বাক্য স্বীকারকারী কাউকে কখনই অমুসলিম ঘোষণা করা যাবেনা।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন][১৪]
নবুওয়তের সমাপ্তি হযরত মুহাম্মদ(সঃ) এর মাধ্যমে হয়েছে নবুয়াতের সমাপ্তি কথাটি স্পষ্টভাবে ঘোষণা করে যে মুহাম্মদ(সঃ) হলেন সর্বশেষ নবী ও রাসূল এবং শেষ যমানায় যীশু খ্রিস্ট/হযরত ঈসা (আঃ) হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর উম্মত হিসাবে পৃথিবী আগমন করবেন।[১৫] নবুয়াতের সমাপ্তি কথাটি এই ঘোষণাই দেয় যে মুহাম্মদ(সঃ)ই শেষ নবী এবং তারপর নতুন কিংবা পুরাতন কোনধরনের নবীর আগমন ঘটতে পারেনা।[১৬] মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ একজন নবী নন্‌।তিনি শুধু মাত্র ১৪'শ শতকের একজন মুজাদ্দিদ(সংস্কারক)।[১৭] হযরত মুহাম্মদ (সঃ) মাধ্যমে নবুয়াত পুর্ন্যতা লাভ করেছে।তার মাধ্যমেই সকল ধরনের ধর্মীয় নিয়ম-কানুন পুর্ন্য হয়েছে।নতুন নবী আসতে পারে তবে তা অবশ্যই হতে হবে তিনি যে পথ-প্রদর্শন করে গেছেন সেই পথে কিন্ত্ত কখনই নতুন কোন মতবাদ নিয়ে নয়।[১৮]
যেসাস, বিবি মরিয়ম (রাঃ)/মেরির সন্তান অলৌকিক ভাবে জন্ম[১৯] বিবি মরিয়ম (রাঃ)/কুমারি মেরির গর্ভ হতে জন্ম, মৃর্ত্যুবরণ করেননি বরঞ্চ তাকে আল্লাহ্‌র কুদরতে বেহেস্তে উঠিয়ে নেয়া হয়েছে,[২০] যেখানে তিনি বসবাস করবেন এবং শেষ বিচারের আগে পৃথিবীতে আগমন করবেন।[১৫] যেহেতু যীশু মুহাম্মদ(সঃ) এর পূর্বেই একবার পৃথিবীতে এসেছেন তাই তার এই দ্বিতীয় আগমন নবুয়াতের সমাপ্তি কথাটিকে বাধা-গ্রস্থ করেনা। যীশুর অলৌকিক জন্ম বিশ্বাস করা মুসলমান দের জন্য অবশ্য কর্তব্য নয়।এটা বিশ্বাস করা বা না করা প্রত্যেকের নিজস্ব ব্যাপার।[২১] যীশু কুমারী মেরির গর্ভেই জন্ম গ্রহণ করেছেন এবং তিনি ক্রশ বিদ্ধ হয়ে মৃত্যু বরণ করেননি।[২২] বরঞ্চ তিনি পূর্ব ইন্ডিয়ায় চলে আসেন ঈসরাঈলের একটি হারানো গোত্র কে খুঁজতে।[২৩] যীশু এই পৃথিবীতেই ছিলেন এবং এখানেই মৃত্যুবরণ করেন। তাকে সমাধিস্থ করা হয়েছে কাশ্মীরের "উয আসাফ" এ।

তথ্যসূত্র ও পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Major Branches of Religions. Adherrents.com.
  2. "মলফুযাতে আহমাদীয়া, ১ম খন্ড, ১৪৬ পৃষ্ঠা"
  3. "তাবলীগে রেসালাত মির্যা গোলাম আহ্‌মেদ, ৬ খন্ড, ৬৯ পৃষ্ঠা"
  4. "তিরিয়াকুল কুলুব গ্রন্থের ৩০৭ পৃষ্ঠা"
  5. "Islamic View of the Coming/Return of Jesus", by Dr. Ahmad Shafaat, 2003, Islamic Perspectives, [১]
  6. "Hazrat Mirza Ghulam Ahmad Sahib of Qadian never Claimed Prophethood [in the light of his own writings]", The Lahore Ahmadiyya Movement, [২]
  7. "A Prophet Like Unto Moses", The Promised Mehdi and Messiha, by Dr. Aziz Ahmad Chaudhry, Islam International Publications Limited, [৩]
  8. "Who Was the Impostor of Qadian? Decide for Yourself!!", Inter-Islam.org, [৪]
  9. "The Use of the Terms Nabi & Rasul For Non-prophets", The Lahore Ahmadiyya Movement, [৫]
  10. "A World Reformer", The Promised Mehdi and Messiha, by Dr. Aziz Ahmad Chaudhry, Islam International Publications Limited, [৬]
  11. [৭]
  12. Passport Application Form, Government of Pakistan
  13. "Who is a Muslim?", Lahore Ahmadiyya Movement, [৮]
    "Tarjuman al-Quran" by Sayyid Abul Ala Maudoodi, issue for month of Jumadi al-Awwal, 1355 A.H., circa 1936, vol. viii, p. 5
  14. “…প্রকৃত ইসলাম থেকে দূরে রয়েছে যারা এখনও প্রতিশ্রুত মসীহ্‌ এর পথে আসেনি......” (Mirza Mahmud Ahmad, The Truth about the Split, Rabwah 1965, pages 55-56. 1st published 1924, English translation of Ai’nah-e-Sadaqt)
  15. ১৫.০ ১৫.১ "Further Similarities and Differences: (between esoteric, exoteric & Sunni/Shia) and (between Islam/Christianity/Judaism)", Reproduced with permission from Exploring World Religions, © 2001, by Oxford University Press Canada [৯]
  16. "The Issue of Khatam-un-Nabiyyin", Lahore Ahmadiyya Movement
  17. "No Claim To Prophethood: 20 Arguments by Hazrat Mirza Ghulam Ahmad", Lahore Ahmadiyya Movement, [১০]
  18. "The Question of Finality of Prophethood", The Promised Mehdi and Messiha, by Dr. Aziz Ahmad Chaudhry, Islam International Publications Limited, [১১]
  19. "Early History of Islam", Religion Online, ThinkQuest, Oracle Education Foundation, [১২]
  20. "Islam", MSN Encarta Online
  21. "The Birth of Jesus", Lahore Ahmadiyya Movement
  22. "Jesus Did not Die on the Cross", The Promised Mehdi and Messiha, by Dr. Aziz Ahmad Chaudhry, Islam International Publications Limited, [১৩]
  23. "Jesus Migrated to India", The Promised Mehdi and Messiha, by Dr. Aziz Ahmad Chaudhry, Islam International Publications Limited, [১৪]