আল-শাবাব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
Somali Civil War
Al-Shabaab
الشباب
ShababLogo.png

ShababFlag.svg
War flag

ShababAdmin.svg
Administration flag
Leaders Ahmed Godane (May 2009 – Dec 2010; Dec 2011 –)
Ibrahim Haji Jama Mee'aad (Dec 2010 – Dec 2011)
Sheikh Mukhtar Robow (May 2008 – May 2009)
Aden Hashi Farah (2002 – May 2008)
Clans/Tribes: Multi-ethnic[১]
Headquarters: Kismayo (22 August 2008 - 29 September 2012)
Jilib (29 September 2012 -)
Operating Areas: Somalia
Ideology: Sunni Islamism
Salafist jihadism
Anti-Sufism
Strict sharia law
Strength: 4,000–6,000 militants[২]
Preceded by: Islamic Courts Union (ICU)
Allies:  al-Qaeda
Foreign Mujahedeen
Opponents: সোমালিয়া Somalia

 Ethiopia

 United States

আল-শাবাব (আরবি: حركة الشباب المجاهدين‎); (সোমালি:জারাকাদা মুজাহিদিন্তা আল শাবাব মুজাহিদিন) পুরো নাম হরকাত আল শাবাব আল মুজাহিদিন। সংক্ষেপে আল-শাবাব নামেই পরিচিত। এতে অনেক বিদেশি যোদ্ধা আছে বলে ধারণা করা হয়। এরা সরাসরি আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত।[৩]

উৎপত্তি[সম্পাদনা]

পতাকা

এক সময়কার সোমালিয়ার রাজধানী-সহ বৃহদাংশ নিয়ন্ত্রণকারী শক্তি ইসলামিক কৌর্টস ইউনিয়ন থেকে ভেঙ্গে এসে গড়ে উঠেছে আল-শাবাব - যার অর্থ হচ্ছে তারুণ্য।[৪]

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য[সম্পাদনা]

Map showing territorial gains made by al-Shabaab from January 31, 2009 to December 2010; the period when a civil war against the Transitional Federal Government commenced

আল-শাবাব নেতৃত্বাধীন ইসলামপন্থিরা সোমালিয়ায় ইসলামি শাসন প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে জাতিসংঘ সমর্থিত সরকার ও পশ্চিমা বিশ্বের বিরুদ্ধে লড়াই করছে।[৫][৬] শরিয়া আইন মেনে চলে তারা।।[৭]

অর্থ প্রাপ্তি[সম্পাদনা]

দস্যুবৃত্তির মাধ্যমে আল-শাবাব তহবিল সংগ্রহ ও সম্পদ আহরণ করে। অনেক সময় জলদস্যু দলের সদস্য সংগ্রহ হয় শাবাব থেকে। ২০ শতাংশের ওপরে জলদস্যু এই জঙ্গি গোষ্ঠীর।[৭]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

২০০১ সালে গঠিত হয় আল-শাবাব। ২০০৬ সালে সোমালিয়ার সরকারী বাহিনী ও ইথিওপীয়ান বাহিনীর আক্রমণে ইসলামিক কৌর্টের হটে যাবার পর থেকে আল-শাবাব নতুন শক্তি হিসেবে তার প্রভাব বাড়াতে থাকে।[৪]

হামলা[সম্পাদনা]

পশ্চিমা দেশগুলোতে আল-শাবাব হামলা চালিয়েছে বিভিন্ন সময়ে। ২০১১ সালের মে মাসের হিসেব অনুযায়ী এই বাহিনীতে রয়েছে ১৪ হাজার ৪২৬ জন জঙ্গি।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Rspiaamgga নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  2. উদ্ধৃতি ত্রুটি: অবৈধ <ref> ট্যাগ; Defecting_2012 নামের ref গুলির জন্য কোন টেক্সট প্রদান করা হয়নি
  3. সাহারা অঞ্চলের জঙ্গি সংগঠনগুলো, দৈনিক প্রথম আলো। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ১৫-০২-২০১৩ খ্রিস্টাব্দ।
  4. ৪.০ ৪.১ সোমালী সশস্ত্র গ্রুপ আল-শাবাবের হুঁশিয়ারিঃ আমরা আসছি সাবধান, ইউকেবেঙ্গলি। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ১৯ ডিসেম্বর ২০০৮ খ্রিস্টাব্দ।
  5. ইসলামপন্থিরা সোমালিয়ায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করেছে, বিবিসি, বিডিটুডে নিউজ। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২৬-০৪-২০১০ খ্রিস্টাব্দ।
  6. সোমালিয়ার তালেবান আল শাবাব, দৈনিক সমকাল। ঢাকা থেকে প্রকাশের তারিখ: ২ আগস্ট ২০১১ খ্রিস্টাব্দ।
  7. ৭.০ ৭.১ ৭.২ আল-শাবাব : সোমালিয়া নয়; বিশ্বের জন্য হুমকি,মোঃ রেজাউল করিম, দৈনিক আজাদী।

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]