আলী ইবন আবী তালিব

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
হযরত আলী
আলীর সমাধি এই মসজিদে অবস্থিত
বিশ্বস্ত দলপতি
(আমির আল মুমিনিন)
রাজত্বকাল ৬৫৬–৬৬১[১]
পূর্ণ নাম আলী ইবনে আবু তালিব
উপাধি হাসানের পিতা (আরবি: আবু আল-হাসান)
ধূলিকণা/মাটির পিতা (আরবি: আবু তুরাব)
Murtadha ("একজন যিনি নির্বাচিত এবং সন্তুষ্ট")
আল্লাহর সিংহ (আরবি: আসাদ-ullah)
সিংহ (আরবি: হায়দার)[১]
প্রথম আলী
জন্ম (৫৯৮-১০-২৩)অক্টোবর ২৩, ৫৯৮,[২](৫৯৯-০৩-১৭)মার্চ ১৭, ৫৯৯ or (৬০০-০৩-১৭)মার্চ ১৭, ৬০০[১]
মক্কা[১]
মৃত্যু জানুয়ারি ২৮, ৬৬১(৬৬১-০১-২৮) (৬২ বছর)
কুফা[১]
Buried ইমাম আলি মসজিদ, নাজাফ, ইরাক
পূর্বসূরী Uthman Ibn Affan (as Sunni Islam Caliph); Muhammad (as Shi'a Imam)
উত্তরসূরী হাসান[৩]
Wives ফাতিমা[১]
Fatima bint Hizam al-Qilabiyya ("Ummu l-Banin")
Offspring হাসান
Husayn
Zaynab
(See:[[Descendants of Ali ibn Abd Munāf]])
পিতা Abd Munāf ibn ‘Abd al-Muttalib
মাতা Fatima bint Asad

আলী ইবন আবী তালিব (আরবি: علي بن أبي طالب‎) (জন্ম: খ্রিস্টাব্দ ৬৫৬৬৬১) ইসলামের চতুর্থ ও শেষ খলিফা। তিনি ছিলেন আবু তালিবের পুত্র। তাঁর মাতার নাম ফাতিমা বিনতে আসাদ । হয়রত আলী কোরায়েশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন। শিশু বয়স থেকেই তিনি ইসলামের নবী হযরত মুহাম্মদের (সা:) সঙ্গে লালিত-পালিত হন। ইসলামের ইতিহাসে তিনি পুরুষদের মধ্যে সর্বপ্রথম যিনি হযরত মুহাম্মদের সাথে নামাজ আদায় করতেন। বালকদের মধ্যে তিনি সর্ব প্রথম বালক যিনি নবুয়তের ডাকে সাড়া দিয়ে মাত্র ১০ বছর বয়সে ইসলাম গ্রহণ করেন। তিনি ছিলেন একজন অকুতভয় যোদ্ধা। বদর যুদ্ধে বিশেষ বীরত্তের জন্য মুহাম্মদ তাঁকে "জুলফিকার" নামক তরবারি উপহার দিয়েছিলেন। খাইবারের সুরক্ষিত কামূস দুর্গ জয় করলে মহানবী তাঁকে "আসাদুল্লাহ" বা আল্লাহর সিংহ উপাধি দেন। তিনি খুলাফায়ে রাশেদীন-এর একজন।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ ১.২ ১.৩ ১.৪ ১.৫ Nasr, Seyyed Hossein"Ali"Encyclopædia Britannica Online। Encyclopædia Britannica, Inc.। সংগৃহীত 2007-10-12 
  2. Ahmed 2005, p. 234
  3. Madelung 1997, p. 311
পূর্বসূরী:
উসমান ইবন আফ্‌ফান
খলিফা
৬৫৬৬৬১
উত্তরসূরী:
মুয়াবিয়া ১