আরাফাতের দিন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
  1. REDIRECT টেমপ্লেট:তথ্যছক ছুটির দিন

আরাফাতের দিন (আরবি: يوم عرفة‎) একটি ইসলামিক ছুটির দিন যেটি এই ধর্মের পরিপূর্ণতা লাভের দিবস হিসেবে পরিচিত। এই দিনটি ইসলামিক চন্দ্র ক্যালেন্ডার অনুসারে জ্বিলহাজ্জ্ব (ذو الحجة) মাসের ৯ তারিখে সংগঠিত হয়, যা রমজান মাস শেষ হওয়ার প্রায় ৭০ দিন পর ঘটে। এটি মূল হজ্জ্বের দ্বিতীয় দিন এবং ঈদুল আযহার প্রথম দিন। এই দিনটের শেষ ভাগে, মুসলিম তীর্থ যাত্রীরা মিনা থেকে যাত্রা করে নিকটবর্তী পাহাড়ের সন্নিকটবর্তী-সমভূমি আরাফাতের ভূমিতে এসে উপস্থিত হন। এই দিকটিতেই মোহাম্মদ তার জীবনের শেষ বছর বিদায় ভাষন দিয়েছিলেন।

এই কথা বলা হয়ে থাকে যে, একজন বিশ্বাসী যদি এই দিন রোজা রাখে তবে তার পূর্বের বছরের এবং পরবর্তী বছরের পাপ হতে মুক্তি পায়।

হাদীসের উদ্ধৃতি অনুসারে[সম্পাদনা]

সহীহ মুসলিম শরীফে আয়িশা কর্তৃক বর্ণিত আছে, নবী মুহাম্মদ বলেছেন:[১]

'আরাফাতের দিবসের চেয়ে বেশি আর কোনো দিবসে আল্লাহ মানুষকে আগুন হতে মুক্তি দেন না। এদিন তিনি নিকটবর্তী হন এবং তাঁর ফেরেশতাদের জিজ্ঞেস করতে থকেন, 'এই মানুষগুলো কি চায়?'

গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে আরাফাতের দিবস[সম্পাদনা]

যদিও ইসলামিক ক্যালেন্ডার হিসেবে আরাফাতের দিবস একই থাকে কিন্তু গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে এটি পরিবর্তীত হয়; কারণ ইসলামিক ক্যালেন্ডার একটি চন্দ্র ক্যালেন্ডার আর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার একটি সৌর ক্যালেন্ডার। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা অনুসারে অঞ্চল ভেদে চাঁদের দর্শনের ভিন্নতার প্রেক্ষিতে প্রতি বছর আরাফাতের দিবস অন্যান্য ইসলামিক দিবসগুলোর ন্যায় দুটি ভিন্ন গ্রেগরিয়ান তারিখে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে পালিত হয়ে থাকে। যদিও কোনো কোন দেশে আঞ্চলিক সময়সূচীর পরিবর্তে সৌদী আরবের সময়ানুসারে দিবসটি পালিত হয়ে থাকে।

  • ২০০৬: ডিসেম্বর ২৯
  • ২০০৭: ডিসেম্বর ১৯
  • ২০০৮: ডিসেম্বর ৭
  • ২০০৯: নভেম্বর ২৬
  • ২০১০: নভেম্বর ১৫
  • ২০১১: নভেম্বর ৫
  • ২০১২: অক্টোবর ২৫

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]