আমতলী উপজেলা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

স্থানাঙ্ক: 22.1294° N 90.2289° E

আমতলী উপজেলা
BD Districts LOC bn.svg
Red pog.svg
আমতলী
বিভাগ
 - জেলা
বরিশাল বিভাগ
 - বরগুনা জেলা
স্থানাঙ্ক 22.1294° N 90.2289° E
আয়তন 720.76 km²
সময় স্থান বিএসটি (UTC+6)
জনসংখ্যা (1991)
 - ঘনত্ব
244438
 - 339/কিমি²
মানচিত্র সংযোগ: Official Map of the Amtali Upazila

আমতলী বাংলাদেশের বরগুনা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা

পরিচ্ছেদসমূহ

অবস্থান [সম্পাদনা]

আমতলী বরগুনা জেলার অর্ন্তগত একটি উপজেলা।

প্রশাসনিক এলাকা [সম্পাদনা]

নাম উৎপওি [সম্পাদনা]

লোকশ্রুতি আছে যে, সুদূর অতীতকালে পায়রা নদীর তীরে বহু আম গাছ ছিল। মাঝিরা তাদের নৌকা বাঁধত সেই আম গাছের সাথে। নৌকা বাঁধার স্থানটি কালে কালে হয়ে যায় আমতলা থেকে আমতলী।

অন্যদিকে, পায়রা নদীর একটি প্রবাহ আমতলী বন্দরের পূর্ব দিক দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে আমতলী নদী প্রবাহিত হয়েছিল। নৌযান চলাচল মুখরিত আমতলী নদীর তীরে পাঠান আমলে গড়ে ওঠেছিল জনবসতি ও বাণিজ্যিকেন্দ্র। মোগল যুগে পায়রা নদীতে মগ, পর্তুগীজদের লুণ্ঠন ও অত্যাচার বেড়ে গেলে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ আমতলী নদীই ছিল একমাত্র ভরসা। এ নদীর নাম অনুসারে এলাকার নাম হতে পারে আমতলী। আবার, অতীতে আমতলী যখন অরণ্য আচ্ছাদিত হয়ে দুর্গম এলাকা হিসেবে ছিল তখন আরকান থেকে আগত জনৈক আমপাটি নামক মগ দলপতি ইংরেজি সরকার থেকে ইজরা নিয়ে আমতলী প্রথম আবাদ শুরু করে ছিলেন। সম্ভবতঃ আমপারিট মগের নাম অনুসারেও এলকায় নাম আমতলী হতে পারে।

ইতিহাস [সম্পাদনা]

দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারকালে রাজা দনুজমর্দন কর্তৃক ‘‘চন্দ্রদ্বীপ’’ নামে একটি সাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়। দতুর্দশ শতাব্দী পর্যন্ত এ অঞ্চল চন্দ্রদ্বীপ নামে প্রসিদ্ধি লাভ করে। অতি প্রাচীন বৈদেশিক মানচিত্রে চন্দ্রদ্বীপ নাম বড় অক্ষরে অংকিত দেখা যায়। ১৭৯৬ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত এ জেলা বাকলা-চন্দ্রদ্বীপ নামে পরিচিত ছিল। পরবর্তীতে ১৭৯৭ ঢাকা জেলার দক্ষিণাঞ্চল নিয়ে বাকেরগঞ্জ, ১৮০১ বাকেরগঞ্জ জেলাকে বরিশালে (গিরদে বন্দর) স্থানান্তরিত করা হয়। ১৮১২ সালে এ জেলায় ১৫ টি থানা ছিল। পাকিস্তান আমলে বরিশাল জেলায় মোট ০৬ টি মহকুমা ছিল । ১৯৬৯ সালে পটুয়াখালী ও বরগুনা মহাকুমার সমনয়ে পটুয়াখালীতে একটি জেলা গঠন করা হয়। পরবর্তীতে প্রশাসনিক পূনর্বিন্যাসের ফলে ১৯৮৪ সালে বরগুনা একটি নতুন জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। জেলাগুলো হলো- বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, বরগুনা ও ঝালকাঠী ।

১৮৫৯ সালে বর্তমানে আমতলী, বরগুনা ও কলাপাড়াকে নিয়ে গুলিশাখালী থানা প্রতিষ্ঠা করা হয়। সদর দপ্তর স্থাপন করা হয় পায়রা নদীর পাড়ে গুলিশাখালী গ্রামে। ১৮৭১ সালে পটুয়াখালীকে মহকুমায় রূপান্তর করা হলে গুলিশাখালীকে তার অন্তর্ভূক্ত করা হয়। ১৯০১ সালে নদী ভাঙ্গনের কারণে থানা সদর বর্তমান আমতলী এ, কে, স্কুল সংলগ্ন দক্ষিণ পাশে স্থানান্তর করা হয়। ১৯৪৪ সালে গুলিশাখালী আমতলী থানায় রূপান্তরিত হয়। ১৯৮২ সালে আমতলী থানা উপজেলায় রূপলাভ করে।

বর্তমান আমতলী ১টি পৌরসভা, ১০টি ইউনিয়ন, ৬৬টি মৌজা ও প্রায় ২০০টি গ্রাম নিয়ে গঠিত এর আয়তন প্রায় ৬৯৫ বর্গ কিলোমিটার তন্মধ্যে জলাশয় ও প্রশস্ত নদী প্রায় ২১২ বর্গ কিলোমিটার।

জনসংখ্যার উপাত্ত [সম্পাদনা]

শিক্ষা [সম্পাদনা]

ডিগ্রী বলেজঃ ৩টি । উচ্চ মাধ্যমিক কলেজঃ ৪টি। কারিগরী কলেজঃ ১টি । মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ৩৪টি । জুনিয়ার বিদ্যালয়ঃ ৩২টি । সিনিয়র মাদ্রাসাঃ ৪টি। আলিম মাদ্রাসাঃ ৬টি । দাখিল মাদ্রাসাঃ৩০টি । সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১০১টি । বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ৯৯টি । কমিউনিটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ১৬টি । এবদেতায়ী মাদ্রাসাঃ ৪৩টি ।

অর্থনীতি [সম্পাদনা]

কৃতী ব্যক্তিত্ব [সম্পাদনা]

মফিজ উদ্দিন তালুকদার, আফাজ উদ্দিন বিশ্বাস, নুরুল ইসলাম তালুকদার, আছমত আলী আকন, দলিল উদ্দিন আহমেদ, জাফর আলী খান, মতিউর রহমান বি,এস,সি ।

আরও দেখুন [সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ [সম্পাদনা]