আবৃত্তি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

আবৃত্তি (ইংরেজি: Recitation) একটি শিল্প সম্ভাবনা। মূলত বাংলাদেশ, কলকাতা ও জাপান-এ আবৃত্তির চর্চা হয়ে থাকে।[১]

আবৃত্তির সংজ্ঞা[সম্পাদনা]

সাহিত্য পদবাচ্যের (কবিতা এবং গদ্য) সামগ্রিক রূপকে কণ্ঠস্বরে যথাযথ প্রয়োগ ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ভাষায় প্রমিত উচ্চারণ অক্ষুণ্ণ রেখে বিষয়ে ধারণকৃত অনুভূতি, আবেগ, ভাব, গতি, বিরাম, ছন্দ ইত্যাদির সমন্বিত ও ব্যঞ্জনার প্রকাশই আবৃত্তি।[২]

আবৃত্তির উপাদান[সম্পাদনা]

  1. বিষয়বস্তু (কবিতা, গল্প, গল্পাংশ, সাহিত্য মান সমৃদ্ধ চিঠি, প্রবন্ধ, নাট্যাংশ, বিখ্যাত কোন ভাষণ ইত্যাদি)
  2. প্রমিত উচ্চারণ
  3. পাঠের গতি
  4. স্বচ্ছতা
  5. জোর দেয়া
  6. স্বর প্রক্ষেপণ
  7. গড় গতি
  8. বিরতি
  9. ভাব, অনুভূতি, আবেগ
  10. অনুরণন
  11. স্বর বৈচিত্র্য
  12. স্বর বর্ণভেদ

উল্লেখযোগ্য আবৃত্তি দল[সম্পাদনা]

  • হরবোলা (Harbola)
  • বাকশিল্পাঙ্গন
  • মৃত্তিকায় মহাকাল
  • কণ্ঠশীলন
  • কথা আবৃত্তি একাডেমী
  • নন্দনকানন
  • স্রোত
  • বৈকুণ্ঠ
  • স্বরকল্পন
  • স্বরশ্রুতি
  • দৃষ্টি
  • প্রজন্ম কণ্ঠ
  • কণ্ঠবীথি, মাগুরা
  • আবৃত্তি আবৃত্তি, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. দেবদুলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, অমিয় চট্টোপাধ্যায় "বিষয়ঃআবৃত্তি " [ISBN-81-7079-288-6], দে'জ পাবলিশিং, কলকাতা, ১৯৯১, ৫৫-৫৯.
  2. নীরদবরণ হাজরা"[ISBN-81-7079-288-6]." আবৃত্তিকোষ, দে'জ পাবলিশিং, কলকাতা, ১৯৯৭, ২-৪.