আবুল বারকাত

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
আবুল বারকাত
Abul Barakat.jpg
জন্ম ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪
কুষ্টিয়া, বাংলাদেশ
জাতীয়তা বাংলাদেশী
বংশোদ্ভূত বাঙালি
নাগরিকত্ব  বাংলাদেশ
যে জন্য পরিচিত রাজনৈতিক অর্থনীতিবিদ, অধ্যাপক, গবেষক, লেখক
ধর্ম ইসলাম

অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত (জন্ম: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৫৪) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান। ২০০৯ সাল থেকে তিনি রাষ্ট্রয়াত্ব ব্যাংক জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।[১] এছাড়া বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে আবুল বারকাত সশস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। [২]

জন্ম ও পারিবারিক জীবন[সম্পাদনা]

আবুল বারকাতের জন্ম ১৯৫৪ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়া শহরে। তাঁর বাবার নাম ডা. আবুল কাশেম এবং মায়ের নাম নূরুন নাহার। বাবা-মায়ের তৃতীয় সন্তান আবুল বারকাত। তাঁর স্ত্রীর নাম ড. সাহিদা আখতার। এ দম্পতির তিন কন্যা। তাঁরা হলেন, অবন্তি, অানোখি এবং অরণি।

শিক্ষাজীবন[সম্পাদনা]

আবুল বারকাত ১৯৭০ সালে কুষ্টিয়া জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, ১৯৭৩ সনে কুষ্টিয়া সরকারী কলেজ থেকে এইচ এস সি পরীক্ষায় উচ্চমান প্রথম শ্রেণীসহ উত্তীর্ণ হন। ঐ বছরই উচ্চ শিক্ষার জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারের মেধা বৃত্তি নিয়ে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নে যান। ১৯৭৮ সালে তিনি মস্কোর মস্কো ইন্সটিটিউট অব ন্যাশনাল ইকোনমি (প্লেখানত ইনস্টিটিউট খ্যাত) থেকে অর্থনীতি বিষয়ে এমএসসি-তে সকল বিষয়ে সর্ব্বোচ্চ গ্রেডসহ অনার্সসহ প্রথম শ্রেণী অর্জন করেন। একই প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৮২ সালে উন্নয়নের রাজনৈতিক-অর্থনীতি বিষয়ে পিএইচডি ডিগ্রী অর্জন করেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৮২ সালে ড. আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন। অধ্যাপক আবুল বারকাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপনার পাশাপাশি জনতা ব্যাংক লিমিটেডের চেয়ারম্যান-এর দায়িত্ব পালন করছেন। [৩] পাশাপাশি তিনি হিউম্যান ডেভলপমেন্ট রিসার্চ সেন্টার নামের একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানেরও অবৈতনিক প্রধান উপদেষ্ঠা।[৪] তিনি বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির নির্বাচিত সভাপতি।

গবেষনা[সম্পাদনা]

আবুল বারকাতের ৬০০টির বেশি গবেষণা কর্ম রয়েছে। তিনি ২৪টি গবেষণাগ্রন্থ, ১১৯টি জার্নাল প্রবন্ধ (সহ গবেষনা পুস্ককের অধ্যায়), ২২১টি গবেষণা মনোগ্রাফ রচনা করেছেন এবং ২৩৪টি গবেষণাপত্র জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সম্মেলনে উপস্থাপন করেছেন। এছাড়াও ইতোমধ্যে তিনি ১০টি লোকবক্তৃতা ও স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেছেন।

প্রকাশনা[সম্পাদনা]

আবুল বারকাত মানুষের অধিকার-ভিত্তিক অনেকগুলো উন্নয়ন-সংশিষ্ট মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ প্রনয়ন করেছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য:

  • Development as Concientization (ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষায় প্রকাশিত (২০০৮), (২০১০)
  • Deprivation of Hindu Minority in Bangladesh: Living with Vested Property (ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষায় প্রকাশিত ২০০৮,২০০৯)
  • Political Economy of Land Litigation in Bangladesh: A Case of Colossal National Wastage (ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষায় প্রকাশিত ২০০৪, ২০০৬)
  • Charland in Bangladesh: Political Economy of Ignored Resources (২০০৭)
  • Political Economy of Khas Land in Bangladesh (ইংরেজি ও বাংলা উভয় ভাষায় প্রকাশিত ২০০১, ২০০৯)
  • Economics of Fundamentalism in Bangladesh (২০০৫, ২০০৮, ২০১২, ২০১৩)
  • An Inquiry into Causes and Consequences of Deprivation of Hindu Minorities in Bangladesh through the Vested Property Act: Framework for a Realistic Solution (২০০০)
  • Life and Land of Adibashis: Land Dispossession and Alienation of Adibashis in the Plain Districts of Bangladesh (২০০৯)
  • Social Protection Measures in Bangladesh: As Means to Improve Child Well-being (২০১১))
  • Political Economy of Madrassa Education in Bangladesh: Genesis, Growth, and Impact (২০১১)
  • Poverty disparity inequality in Bangladesh: In search of a Unified Political Economic Theory (২০১৪)

পুরস্কার ও সম্মাননা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

বহি:সংযোগ[সম্পাদনা]